শেয়ার বাজার

শনিবার বিএনপির কালো পতাকা মিছিল: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৪

শনিবার বিএনপির কালো পতাকা মিছিল: রিজভী

দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দির মুক্তি, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, ডামি নির্বাচনে অবৈধ সংসদ বাতিলের এক দফা দাবিতে শনিবার (২৭ জানুয়ারি) কালো পতাকা মিছিল করবে বিএনপি। বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দলগুলোও এ মিছিল করবে।

শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) বিএনপির প্রস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, শনিবার দুপুর ২টায় নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কর্যালয়ের সামনে থেকে মিছিল শুরু করবে বিএনপি। মিছিলে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি স্থায়ী কমিটি সদস্য ও সিনিয়র নেতারা। এছাড়া দলটির অঙ্গ, সহযোগী ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা অংশ নেবেন।

অন্যদিকে, দুপুর সাড়ে ১২টায় বিজয় নগর পানির ট্যাংক সামনে থেকে মিছিল শুরু করবে ১২ দলীয় জোট। বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাব সামনে থেকে শুরু করবে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট।

বিকেল সাড়ে ৩টায় মতিঝিল নটরডেম কলেজ উল্টো দিকে গণফোরাম চত্বর থেকে শুরু করবে গণফোরাম ও পিপলস পার্টি। বেলা ১১টা বিজয় নগর পানির ট্যাংক সামনে থেকে শুরু করবে এলডিপি। বিকেল সাড়ে ৩টায় বিজয় নগর দলীয় কার্য়ালয় সংবাদ সম্মলেন করবে এবি পার্টি।

বিএনপি-জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি শেখ সেলিমের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

বিএনপি-জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি শেখ সেলিমের

বার্তাবেলা ডেস্ক: বিএনপি-জামায়াতকে উগ্র সন্ত্রাসী ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করে বাংলাদেশে তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি তুলেছেন সরকারদলীয় সিনিয়র সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ সেলিম এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, এরা রাষ্ট্রের শত্রু, স্বাধীনতার শত্রু। সাম্প্রদায়িকতা গণতন্ত্রের শত্রু। সন্ত্রাসী, জঙ্গি, স্বাধীনতাবিরোধী বিএনপি-জামায়াতকে নিষিদ্ধের দাবি করছি। এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

শেখ সেলিম বলেন, বঙ্গবন্ধু এদেশে স্বাধীনতাবিরোধীদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর কন্যা হিসেবে আপনিই এটা পারবেন। বিএনপি-জামায়াত স্বাধীনতাবিরোধীদের নিষিদ্ধ করলে বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে।

এ সংসদ সদস্য বলেন, বাংলাদেশ ও দেশের স্বাধীনতাকে বাঁচাতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বাংলাদেশে কোনো স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি যাতে রাজনীতি করতে না পারে সেজন্য এ দাবি করছি। তাদের নিষিদ্ধ করতে হবে। এরা যেন রাজনীতির নামে বাংলাদেশে খুন, সন্ত্রাস ও অরাজকতা করতে না পারে। আর যাকেই ধরতে পারবেন তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কোনো দয়া-মায়া দেখানোর সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, বিএনপি কোনো রাজনৈতিক দল নয়। এরা জঙ্গি, সন্ত্রাসী, স্বাধীনতাবিরোধী গোষ্ঠী। তাদের এদেশে রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই। তারা সংবিধানকে তোয়াক্কা করে না। যারা সংবিধান, নির্বাচন মানে না তারা আবার কী রাজনীতি করবে।

তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যকারীদের সন্ধানে কমিশন গঠনের প্রস্তাব করে বলেন, কারা এর পেছনে জড়িত ছিল তা বেরিয়ে আসবে। যারা বঙ্গবন্ধুকে মারতে মারে তারা যেকোনো ঘটনা ঘটাতে পারে।

দেশের বিরুদ্ধে এখনো ষড়যন্ত্র অব্যাহত আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী বিএনপি-জামায়াত শক্তি আবারও ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান লন্ডনে বসে বিশ্বের বড় সন্ত্রাসী দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠক করে। কীভাবে বাংলাদেশে অস্থিরতা বৃদ্ধি করা যায়, উন্নয়নের অব্যাহত ধারা বন্ধ করতে ষড়যন্ত্র করছে।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে শেখ সেলিম বলেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু যখন অর্থনৈতিক মুক্তির পথে অগ্রসর হন তখন অতি বিপ্লবী, প্রতিবিপ্লবী... স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীরা জড়িত ছিল। উগ্রপন্থি সিরাজ সিকদার, সর্বহারা হকিত্বোহা, পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টি, লাল পতাকা বাহিনীর থানা লুট, ব্যাংক লুট, পাটের গুদামে আগুন, মানুষ হত্যা। ৭ জন সংসদ সদস্যকেও হত্যা করা হয়। কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে গণবাহিনী ও জাসদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাড়িতে সশস্ত্র আক্রমণ করে। কর্নেল ওসমানী গণতন্ত্র বলে বুক ফাটিয়ে ফেলতো, সে খুনি মোশতাকের সামরিক উপদেষ্টা হয়। গণবাহিনীর প্রধান কর্নেল তাহের বাহিনী রেডিও স্টেশনে গিয়ে খুনিদের সমর্থন জানায়। বঙ্গবন্ধু হত্যার গণবাহিনী-জাসদ এরা বৈজ্ঞানিক সমাজন্ত্রের কথা বলে বঙ্গবন্ধুকে বিব্রত করার চেষ্টা করেছিল। বঙ্গবন্ধুর চারপাশে যে শক্তিগুলো ছিল সেখান থেকে ষড়যন্ত্র না হলে বঙ্গবন্ধুর গায়ে কেউ হাত দিতে পারতো না। বড় একটা চক্র বঙ্গবন্ধুর আশপাশে ঘুরে তাকে বিভ্রান্ত করেছে।

তিনি বলেন, কিছু কিছু বুদ্ধিজীবী এখনো আইনের শাসন ও মানবাধিকারের কথা বলে টেলিভিশনের পর্দা ফাটিয়ে দেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর এসব বুদ্ধিজীবীরা সেদিন কোথায় ছিলেন?

আওয়ামী লীগের এই সিনিয়র এমপি বলেন, জিয়া ছিল আইএসআই-এর এজেন্ট। জিয়ার জন্ম পাকিস্তানে। তার পড়াশোনাও পাকিস্তানে। ১৯৬৯ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা চলাকালে আইএসআই-এর এজেন্ট হিসেবে জিয়াকে বাংলাদেশ পোস্টিং দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, ৭ জানুয়ারির নির্বাচন বন্ধের জন্য বিএনপি-জামায়াত একের পর এক নাশকতা শুরু করে। লন্ডনে বসে তারেক জিয়া অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেয়। ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে জনগণ তার জবাব দিয়েছে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করতে চায়।



নির্বাচনের পরপরই নিত্যপণ্যের দাম বহুগুণ বেড়েছে: ইসলামী আন্দোলন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ জানুয়ারি, ২০২৪

নির্বাচনের পরপরই নিত্যপণ্যের দাম বহুগুণ বেড়েছে: ইসলামী আন্দোলন

বার্তাবেলা ডেস্ক: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, ‘প্রহসনের ডামি নির্বাচন ও ডামি মন্ত্রিসভা গঠনের পরপরই প্রায় সব নিত্যপণ্যের দাম বহুগুণ বেড়েছে। শীতকালীন সবজি, আমনের মৌসুমে প্রতি কেজি চালে ৫ থেকে ৮ টাকা বৃদ্ধি সাধারণ ও খেটে খাওয়া জনগণকে শঙ্কিত করে তুলেছে।’

সোমবার (১৫ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

ভরা মৌসুমেও চাল ও সবজির মূল্যবৃদ্ধির ঘটনা জনগণকে পীড়া দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি জনজীবন চরম দুর্বিষহ করে তুলেছে। বাজারে আমনের নতুন চাল উঠেছে। উঠেছে নতুন আলু, নতুন পেঁয়াজ, শীতের শাকসবজি। স্বাভাবিকভাবে দাম কমার কথা। প্রতি বছর তা-ই ঘটে। কিন্তু সিন্ডিকেটের কারণে এখন অর্থনীতির কোনো সাধারণ সূত্রই যেন কাজ করছে না বাজারে।’


সড়ক ও শিক্ষা খাতে চমকের আশ্বাস
দোয়ারাবাজারে ২০০ কোটি টাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন মিলনের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ মে, ২০২৬

দোয়ারাবাজারে ২০০ কোটি টাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা সংসদ সদস্য কলিম উদ্দিন মিলনের

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার সড়ক অবকাঠামো ও শিক্ষা খাতের আমূল পরিবর্তনে প্রায় ২০০ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প ঘোষণা করা হয়েছে। 

বুধবার (৬ মে) সকাল ১১টায় উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক উন্নয়ন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব প্রকল্পের ঘোষণা দেন সুনামগঞ্জ-৫ (দোয়ারাবাজার-ছাতক) আসনের সংসদ সদস্য, বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন।

​উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলতাফুর রহমান খছরুর সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মানিক মাস্টারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এমপি বক্তব্যে উন্নয়নের বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরেন।

এসময় তিনি বলেন, 'একটি জনপদের প্রকৃত মুক্তির চাবিকাঠি হলো উন্নত যোগাযোগ ও মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আমরা দোয়ারাবাজার ও ছাতকের প্রতিটি প্রান্তে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর।'

ঘোষিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে সড়ক যোগাযোগ খাতে সিংহভাগ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে: ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে ব্রিটিশ পয়েন্ট থেকে বাংলাবাজার পর্যন্ত ২.৫ কিলোমিটার সড়ক। ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে দোয়ারাবাজার -বোগলা ৫ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ। বাংলাবাজার-হকনগর-বোগলা রোডে ৭ কোটি, আমবাড়ি-বদরপুর-রামপুর রোডে ৬ কোটি এবং ছাতক-সুনামগঞ্জ রোড হতে বাদে গুরেশপুর পর্যন্ত ৫ কোটি টাকার প্রকল্প। রাবার ড্যাম থেকে চকবাজার পর্যন্ত ৩.৩ কিলোমিটার সড়কের জন্য ৭ কোটি টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে। এছাড়া দোহালিয়া, নরসিংপুর, প্রতাপপুর ও শ্রীপুর বাজারের সংযোগ সড়কগুলোতেও কয়েক কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

শিক্ষা ব্যবস্থার প্রসারে এমপি মিলন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের ১০টি প্রতিষ্ঠানে (যথা: রাগীব রাবেয়া উচ্চ বিদ্যালয়, লিয়াকতগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, বোগলা রোছমত আলী রাম সুন্দর স্কুল এন্ড কলেজ, আমবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় এবং কলাউড়া ফাজিল মাদ্রাসাসহ অন্যান্য) প্রতিটিতে দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন ভবন নির্মাণের ঘোষণা দেন। পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার সংস্কার কাজে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের জন্য ৮০ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছে।

তৃণমূলের প্রাথমিক শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে নৈনগাঁও, বাঁশতলা, পশ্চিম মাছিমপুর ও জালালপুরসহ ১২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন দৃষ্টিনন্দন ভবন নির্মাণের কথা জানানো হয়। এছাড়া লিয়াকতগঞ্জ ও নূরপুরসহ ১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২ কোটি টাকা করে উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ এবং ২৪টি বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি দেয়াল ও গেট নির্মাণে ৮০ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

​উন্নয়ন সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যান সামছুল হক নমু এবং আলহাজ্ব আব্দুল বারী। সভায় স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। সভার শেষে ঘোষিত প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে দোয়ারাবাজারকে একটি আধুনিক ও উন্নত উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।