শেয়ার বাজার

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে একুশের চেতনা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে সবাইকে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে একুশের চেতনা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে সবাইকে

বার্তাবেলা ডেস্ক: চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে সবাইকে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। সালাম, বরকতদের দেখানো পথে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য প্রতিজ্ঞা করে জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে।

বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে নগরীর নিউ মার্কেট সংলগ্ন মিউনিসিপ্যাল স্কুলমাঠের অস্থায়ী শহীদ মিনারে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে এক জমায়েতে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘বিগত তিনটি নির্বাচনে ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে জনগণকে প্রতারিত করা হয়েছে। গণতন্ত্রকে সমাহিত করে খালেদা জিয়াকে সাজা দেওয়া হয়েছে। একুশের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে খুব দ্রুত খালেদা জিয়াকে আমরা পরিপূর্ণ মুক্ত করবো ইনশাআল্লাহ।’

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ আজিজ, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মিয়া ভোলা, এস এম সাইফুল আলম, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, মো. শাহ আলম, ইসকান্দর মির্জা, আবদুল মান্নান, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হারুন জামান, এস এম আবুল ফয়েজ, আনোয়ার হোসেন লিপু, মো. কামরুল ইসলাম, থানা বিএনপির সভাপতি মন্জুর রহমান চৌধুরী, মামুনুল ইসলাম হুমায়ূন, মো. সেকান্দর, থানা সাধারণ সম্পাদক হাজী বাদশা মিয়া, গিয়াস উদ্দিন ভূইয়া, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, মহানগর বিএনপি নেতা এড, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, ডা. এস এম সারোয়ার আলম, একেএম পেয়াুে, মো. ইদ্রিস আলী, আজাদ বাঙ্গালী, মোস্তাফিজুর রহমান ভুলু, আলী আজম চৌধুরী, ইউসুফ শিকদার, মো. মহসিন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সদস্য সাইফুর রহমান শপথ, কেন্দ্রীয় জাসাসের সদস্য আমিনুল ইসলাম, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, মহানগর তাঁতী দলের আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান টিটু, সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান মুরাদ, ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইফুল আলম, সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম তুহিন, জাসাসের আহ্বায়ক এম এ মুসা বাবলু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, মহিলাদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ছকিনা বেগম, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এস এম মফিজ উল্লাহ, রাসেল পারভেজ সুজন, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মুন্সী, সৈয়দ আবুল বশর, মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, আবু ফয়েজ প্রমুখ।


বিএনপির মানববন্ধন কর্মসূচি; নিরাপত্তা চেয়ে চিঠি ডিএমপি কমিশনারকে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৯ ডিসেম্বর, ২০২৩

বিএনপির মানববন্ধন কর্মসূচি; নিরাপত্তা চেয়ে চিঠি ডিএমপি কমিশনারকে

বার্তাবেলা: ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবসে মানববন্ধন কর্মসূচিতে নিরাপত্তা চেয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারকে চিঠি দিয়েছে বিএনপি।

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির দপ্তর সম্পাদক সাইদুর রহমান মিন্টুর সই করা চিঠি ডিএমপি কমিশনারের কাছে পাঠানো হয়।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানান। এর আগে সোমবার (৪ ডিসেম্বর) বিকেলে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ১০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে ঢাকাসহ সারাদেশে জেলা সদরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেন।

এদিকে সরকারের পদত্যাগের একদফা দাবিতে আন্দোলন করছে বিএনপি। এর মধ্যে ২৮ অক্টোবরের পর থেকে হরতাল-অবরোধের কর্মসূচি দিয়ে আসছে দলটি। এ অবস্থায় ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। এসব দিবসে দলটির নেতারা মিরপুর বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ এবং জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।


হাসনাতের আসনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুলের মনোনয়ন বাতিল

প্রকাশিত: ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

হাসনাতের আসনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুলের মনোনয়ন বাতিল

কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ইসির আপিল শুনানিতে এ সিদ্ধান্ত হয়। এনসিপি প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। ইসি তার আবেদন নামঞ্জুর করে। ফলে হাসনাতের মনোনয়ন বৈধই থাকছে। তবে ঋণখেলাপির অভিযোগে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন

গত ৯ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনে হাসনাতের মনোনয়ন বাতিল চেয়ে আবেদন করেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। তার আগে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে আবেদন করেছিলেন হাসনাত।

এর আগে ঋণ খেলাপির অভিযোগ এনে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোয়নপত্র কেন বাতিল করা হবে না, এজন্য ইসিতে আপিল করেছিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ।



সরকার পতনের কর্মসূচি আবারও আসছে: বিএনপির ফারুক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

সরকার পতনের কর্মসূচি আবারও আসছে: বিএনপির ফারুক

বার্তাবেলা ডেস্ক: বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক বলেছেন, ‘সরকার পতনের কর্মসূচি আসবে, সবকিছুর হিসাব নেওয়া হবে। লড়াই করে বাংলাদেশের একদলীয় শাসন বিদায় করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা হবে।’

স্বৈরাচাররা ক্ষমতায় থাকতে রাষ্ট্রীয় যন্ত্র ব্যবহার করে মন্তব্য করে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ‘মির্জা ফখরুল, আপনাদের কাছে আমরা ক্ষমা চাই। জনগণ আমাদের সঙ্গে থাকলেও কেবল এই রাষ্ট্রযন্ত্রের জন্য কিছু করতে পারছি না।’

তিনি বলেন, ‘সরকার আজ বিএনপিকে অবহেলা করে কথা বলে। অথচ আপনাদের পায়ের তলার মাটি সরে যাচ্ছে। আমরা সৎ আছি, ন্যায়ের পথে আছি। এজন্য বিদেশের মাটিতে আমার নেত্রীর (খালেদা জিয়ার) এক ছটাক জায়গাজমিও নেই।’

শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘স্বাধীনতা অধিকার আন্দোলন’ আয়োজিত মানবনন্ধন কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘এই সরকার যদি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করতো, তাহলে ২০১৪ সালে ১৫৪ জন প্রতিনিধিকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচন করতো না, দিনের ভোট রাতে করতো না। যে নির্বাচন কমিশন দুই হাজার কোটি টাকা দিয়ে ডামি নির্বাচন উপহার দিয়েছে, সে নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশনার ঘুমিয়ে ছিলেন। একেক সময় একেক কথা বলেছেন।’

বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘একদিকে বলে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের কথা, অন্যদিকে তৈরি করে সিন্ডিকেট। সে সিন্ডিকেটের টাকা দিয়ে কানাডায় বাড়ি বানানো হয়। অথচ বাংলাদেশের মানুষ একটা ডিম কিনে খেতে পারে না, মাংস কিনে খেতে পারে না। এসবের বিরুদ্ধে যখন আমরা কথা বলি, তখন আগুন সন্ত্রাসের উপাধি দেওয়া হয়।’

তিনি বলেন, ‘এত বছরেও সাগর-রুনি হত্যার চার্জশিট তৈরি করতে পারেনি এই সরকার। অথচ তারা আইনের শাসন, স্মার্ট বাংলাদেশের কথা বলেন। মানুষ এখন নির্ভয়ে ঘরে ঘুমাতে পারে না। যারা আজ মেগা প্রকল্পের নামে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করে, তাদের পদত্যাগ করা উচিত। এই সরকার জনগণের ভোটের সরকার নয়।’

আরও পড়ুন: বিএনপি বাংলাদেশে ডামি বিরোধী দল: ওবায়দুল কাদের

সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বিশ্বাস করে না মন্তব্য করে জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, ‘যখন গণমাধ্যম সোচ্চার হয় তখন গণমাধ্যম বন্ধ করে দেয় সরকার। যারা গণতান্ত্রিক নির্বাচন, সুষ্ঠু নির্বাচন বিশ্বাস করে না- তাদেরকে বিশ্বাস করা যায় না। যে সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসাপরায়ণ সরকার- এ সরকারকে বিশ্বাস করা যায় না। সরকার জানে ব্যাংক লুট করতে, দুর্নীতি করতে।’

তিনি বলেন, ‘এ সরকার জনগণের ভোটের সরকার নয়। সরকার দিন দিন অবহেলিত হচ্ছে, তাদের পায়ের মাটি সরে যাচ্ছে। কষ্ট হচ্ছে বিএনপি নেতাকর্মীদের।’

মানববন্ধনে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মো. রহমতুল্লাহসহ আয়োজক সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।