শেয়ার বাজার

হঠাৎ ভারতের মাটিতে নামল ৬ মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান, সঙ্গে দুই শতাধিক সেনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হঠাৎ ভারতের মাটিতে নামল ৬ মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান, সঙ্গে দুই শতাধিক সেনা

যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধুনিক ছয়টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান প্রথমবারের মতো ভারতীয় ভূখণ্ডে অবতরণ করেছে। অত্যাধুনিক এই যুদ্ধবিমানগুলোর পাশাপাশি প্রায় দুই শতাধিক মার্কিন সেনাসদস্যও দেশটিতে এসে পৌঁছেছেন। যোধপুর বিমানঘাঁটিতে আয়োজিত আন্তর্জাতিক মহড়া 'তরং শক্তি'তে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে এই বিশেষ সামরিক দলটি ভারতে এসেছে। দুই দেশের সামরিক কৌশলগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই ঘটনাকে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভারতের মাটিতে এই মার্কিন যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি নিশ্চিত করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে আধুনিক বিমানগুলো এবার ভারতীয় বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমানের সঙ্গে একই আকাশসীমায় মহড়া চালাবে। আগামী ১২ অক্টোবর পর্যন্ত চলমান এই বহুজাতিক মহড়া দুই দেশের মধ্যকার প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বকে আরও দৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চলমান এই আন্তর্জাতিক সামরিক মহড়ায় ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও বিশ্বের বেশ কয়েকটি প্রভাবশালী দেশ অংশগ্রহণ করছে। এই তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ, ফ্রান্স, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিমানবাহিনী। এতগুলো দেশের একত্রে এই ধরনের মহড়ায় অংশ নেওয়া বৈশ্বিক সামরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

যোধপুরের এই মহড়ায় নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষার শক্তি প্রদর্শন করতে ভারতীয় বিমানবাহিনীও শক্তিশালী বহর প্রস্তুত রেখেছে। এই মহড়ায় ফরাসি প্রযুক্তিতে নির্মিত রাফাল, দেশীয় প্রযুক্তির তেজস এবং রুশ যুদ্ধবিমান মিগ-২৯ অংশ নিচ্ছে। বিশ্বের অন্যতম সেরা মার্কিন এফ-৩৫ বিমানের সঙ্গে যৌথ এই মহড়া ভারতীয় বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জাতিসংঘের কালো তালিকায় আরো ৬১ ইসরাইলি কোম্পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতিসংঘের কালো তালিকায় আরো ৬১ ইসরাইলি কোম্পানি

অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে অবৈধ বসতি স্থাপনের প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে আন্তর্জাতিকভাবে আরও একষট্টিটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে জাতিসংঘ। সম্প্রতি জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই নতুন সংযোজন করা হয়, যার ফলে বিশ্ব সংস্থাটির এই বিতর্কিত তালিকার পরিধি আরও প্রসারিত হলো। মূলত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতিগুলোর সঙ্গে সরাসরি বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখার কারণে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে ইসরাইলি বসতি সম্প্রসারণের সঙ্গে জড়িত কর্পোরেট স্বার্থের বিষয়টি আবারও তীব্র আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে।

সর্বশেষ এই সংযোজনের পর জাতিসংঘের এই বসতি-বিরোধী কালো তালিকায় তালিকাভুক্ত মোট বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে এখন দুই শ চৌদ্দটিতে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বজুড়ে প্রায় এগারোটি ভিন্ন দেশে এসব প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক নিবন্ধন থাকলেও এর একটি বড় অংশই সরাসরি ইসরাইলভিত্তিক কোম্পানি হিসেবে পরিচালিত হয়ে আসছে। তবে লক্ষণীয় বিষয় হলো, গত বছর এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকা এক শ আটান্নটি প্রতিষ্ঠান থেকে যাচাই-বাছাই শেষে ইতিমধ্যে পাঁচটিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ২০২০ সালে জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের একটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবের ভিত্তিতে প্রথমবারের মতো এই তালিকাটি প্রকাশ্যে আনা হয়েছিল।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক এই নতুন তালিকা প্রকাশকে সংশ্লিষ্ট সমস্ত করপোরেট প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি কঠোর সতর্কবার্তা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে মানবাধিকার রক্ষার মৌলিক দায়িত্ব প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেরই রয়েছে এবং এই দায়বদ্ধতা এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। ব্যবসা পরিচালনার সময় কোনো ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘন বা ফিলিস্তিনিদের অধিকার হরণে যাতে এসব প্রতিষ্ঠান জড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য কঠোর যাচাই-বাছাই অব্যাহত থাকবে। যদিও জাতিসংঘের এই তালিকার সরাসরি কোনো আইনি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার নেই, তবে এর মূল উদ্দেশ্য হলো সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর ভূমিকা জনসমক্ষে উন্মোচন করা।

এদিকে জাতিসংঘের এই পদক্ষেপে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে তা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরাইল সরকার। একই সঙ্গে এই কালো তালিকাভুক্তির উদ্যোগে কোনো ধরনের সমর্থন না দেওয়ার জন্য তারা তাদের আন্তর্জাতিক মিত্র দেশগুলোর প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছে। অন্যদিকে, এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে অধিকৃত পশ্চিম তীরের বসতি স্থাপন ও বাণিজ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। কিছুদিন আগে ব্রিটেন এই বসতিগুলোর সঙ্গে সমস্ত ধরনের বাণিজ্যিক লেনদেন নিষিদ্ধ করেছে এবং ফিলিস্তিনিদের ওপর সহিংসতাকে জাতিগত নির্মূলের অংশ বলে অভিহিত করেছে। পাশাপাশি, ফ্রান্স ও কানাডার মতো দেশগুলোও একই ধরনের কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।


ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারি

রাজধানীর ব্যস্ততম সাইন্সল্যাব মোড় এলাকায় সম্প্রতি ঢাকা কলেজ এবং আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পূর্বের কোনো বিরোধ বা তুচ্ছ কোনো বিষয়কে কেন্দ্র করে এই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আকস্মিক এই সংঘর্ষ শুরু হলে পুরো এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ও চরম উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়। মুহূর্তের মধ্যে ব্যস্ত এই সড়কে যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় এবং সাধারণ পথচারীরা চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েন।

সংঘর্ষের তীব্রতায় উভয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের হাতে বিভিন্ন ধরনের লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দেখা যায়, যা পরিস্থিতিকে আরও বেশি বিপজ্জনক করে তোলে। দুই পক্ষের ইটপাটকেল নিক্ষেপে আশেপাশের সড়কে চলাচলকারী সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ভীতি ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেক দোকানপাট তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও ট্রাফিক পুলিশের একটি দল। পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে দীর্ঘ সময় চেষ্টার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উভয় পক্ষকে বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেন যাতে বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো যায়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে ওই এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

শিক্ষার্থীদের এ ধরনের সহিংস কর্মকাণ্ডের পর সাধারণ অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বারবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের এমন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া রোধে সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং এর সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সচেতন নাগরিক সমাজ।


বাকৃবির ১০ তলা হলে এক বছরেও চালু হয়নি লিফট, চরম ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বাকৃবির ১০ তলা হলে এক বছরেও চালু হয়নি লিফট, চরম ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

আবাসন সংকট সমাধানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মিত দশতলা বেগম খালেদা জিয়া হলের কার্যক্রম চালুর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো লিফট সচল করা হয়নি। তিন শতাধিক ছাত্রী নিয়ে এই হলের যাত্রা শুরু হলেও বর্তমানে সেখানে পাঁচ শতাধিক আবাসিক শিক্ষার্থী বসবাস করছেন। ফলে প্রতিদিন দশতলা ভবনের সিঁড়ি বেয়ে ওঠানামা করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। বিশেষ করে ক্লাসের ফাঁকে রুমে ফেরা, খাবার সংগ্রহ করা এবং অসুস্থ শিক্ষার্থীকে জরুরিভিত্তিতে নিচে নামানোর মতো প্রয়োজনীয় কাজগুলোতে মারাত্মক জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ভবনটির উদ্বোধন হওয়ার পর গত বছর এবং চলতি বছরের বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীদের সেখানে আবাসন বরাদ্দ দেওয়া হয়। বর্তমানে মোট পাঁচ শতাধিক ছাত্রী এই হলের বিভিন্ন তলায় অবস্থান করছেন। কিন্তু লিফট না থাকায় প্রতিদিনের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় তাদের বড় ধরনের বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। ক্লাসের ফাঁকে পর্যাপ্ত বিরতি থাকলেও দশতলা থেকে নিচে নামার ঝক্কির কারণে অনেক শিক্ষার্থী রুমে ফিরতে পারেন না। এছাড়া তত্ত্বীয় ও ব্যবহারিক ক্লাসের সময় ভিন্ন হলে দিনে একাধিকবার সিঁড়ি বেয়ে ওঠানামা করতে হয়, যা তাদের শারীরিক ক্লান্তি আরও বাড়িয়ে দেয়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দশতলা ভবনে লিফটের ব্যবস্থা না থাকায় তাদের প্রতিদিনের রুটিন বেশ দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এমনকি নিচতলার ক্যান্টিন থেকে খাবার সংগ্রহ করা কিংবা জরুরি পরিস্থিতিতে রান্নার কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় তাদের নানা ধরনের খাদ্য সংকটের মুখোমুখি হতে হয়। হলটিতে ছুটির দিনগুলোতে খাবার সংগ্রহ করা আরও কঠিন হয়ে পড়ে। কোনো শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সিঁড়ি দিয়ে নামিয়ে হাসপাতালে নেওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায় বলে তারা জানান।

শিক্ষার্থীদের এই চরম ভোগান্তির বিষয়ে হল কর্র্তৃপক্ষ ও প্রশাসন অবগত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। হলের প্রভোস্ট জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীদের কষ্টের বিষয়টি তারা অনুধাবন করতে পারছেন এবং উপাচার্যের নির্দেশনায় দ্রুত সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের সাথে একাধিক বৈঠক করা হয়েছে এবং লিফট চালুর কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। খুব শীঘ্রই অন্তত একটি লিফট চালু করা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী অফিস জানিয়েছে, জাপানি প্রযুক্তির লিফট স্থাপনের মূল কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে এবং বর্তমানে তা পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করে খুব শীঘ্রই পুরোপুরি সচল করা হবে এই লিফট। কর্তৃপক্ষের এমন আশ্বাসের পর শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ থেকে দ্রুত মুক্তি পাওয়ার প্রতীক্ষায় রয়েছেন।