শেয়ার বাজার

হেলথ ও কৃষি কার্ডের সুফল পাচ্ছে দেশের মানুষ: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হেলথ ও কৃষি কার্ডের সুফল পাচ্ছে দেশের মানুষ: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান জানিয়েছেন যে হেলথ কার্ড ও কৃষি কার্ডের মতো বিভিন্ন জনহিতকর উদ্যোগের সুফল পর্যায়ক্রমে দেশের মানুষ পেতে শুরু করেছে। সম্প্রতি পলাশ উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন। সীমিত সম্পদকে যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। দরিদ্র মানুষের কল্যাণে সরকারের এই ধরনের বিশেষ উদ্যোগগুলো সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

অনুষ্ঠানের মূল অংশে স্থানীয় দরিদ্র মানুষের মাঝে নগদ অর্থ, সেলাই মেশিন এবং শিক্ষার্থীদের হাতে স্কুল ব্যাগ বিতরণ করা হয়। পলাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা ও বিতরণ কার্যক্রম শেষে অতিথিরা এলাকার একটি বিলে পোনা মাছ অবমুক্ত করেন। এই ধরনের সামাজিক কার্যক্রম প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়াতে স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারের আন্তরিক প্রচেষ্টারই বহিঃপ্রকাশ।

বক্তব্যের অন্য একটি অংশে মন্ত্রী গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলেন এবং এর অপব্যবহার রোধে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে একটি নির্দিষ্ট চক্র সংবাদমাধ্যম ও ফেসবুকের স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে অসত্য তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছে। তাই সত্যের পরিবর্তে যাতে কেউ মিথ্যা প্রচার চালাতে না পারে, সেদিকে সকলের সজাগ দৃষ্টি রাখা জরুরি। গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে সঠিক তথ্যের প্রচার এবং সুস্থ ধারার গণমাধ্যম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন।

বিগত সরকারের কঠোর সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন যে অতীতে বিভিন্ন ত্রুটিপূর্ণ ও কারচুপির মাধ্যমে সরকার গঠিত হয়েছিল। অথচ বর্তমান সরকার জনগণের সরাসরি ভোট, কোটি মানুষের সমর্থন এবং দুই-তৃতীয়াংশ ভোট পেয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ক্ষমতায় এসেছে। কারো দয়া বা কারচুপির মাধ্যমে নয়, বরং সঠিক ও নিরপেক্ষ ভোটের মাধ্যমেই একটি জবাবদিহিমূলক সরকার গঠিত হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। অবহেলিত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের অধিকারকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বর্তমান প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

সরকারের এই জনকল্যাণমূলক কাজগুলো সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য তিনি সকলের নিকট সময় ও সুযোগ প্রত্যাশা করেন। জনগণের প্রকৃত ভোটে নির্বাচিত এই সরকারের মূল লক্ষ্য হলো দেশের প্রতিটি কোণায় উন্নয়ন পৌঁছে দেওয়া এবং সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা। দেশের সীমিত সম্পদকে সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করে একটি স্বাবলম্বী জাতি গঠনে বর্তমান প্রশাসন বদ্ধপরিকর। পরিশেষে, জনগণের সমর্থন ও সহযোগিতায় দেশ আরও উন্নতির পথে এগিয়ে যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।

বিএনপি-জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি শেখ সেলিমের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

বিএনপি-জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি শেখ সেলিমের

বার্তাবেলা ডেস্ক: বিএনপি-জামায়াতকে উগ্র সন্ত্রাসী ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করে বাংলাদেশে তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি তুলেছেন সরকারদলীয় সিনিয়র সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ সেলিম এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, এরা রাষ্ট্রের শত্রু, স্বাধীনতার শত্রু। সাম্প্রদায়িকতা গণতন্ত্রের শত্রু। সন্ত্রাসী, জঙ্গি, স্বাধীনতাবিরোধী বিএনপি-জামায়াতকে নিষিদ্ধের দাবি করছি। এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।

শেখ সেলিম বলেন, বঙ্গবন্ধু এদেশে স্বাধীনতাবিরোধীদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর কন্যা হিসেবে আপনিই এটা পারবেন। বিএনপি-জামায়াত স্বাধীনতাবিরোধীদের নিষিদ্ধ করলে বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে।

এ সংসদ সদস্য বলেন, বাংলাদেশ ও দেশের স্বাধীনতাকে বাঁচাতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বাংলাদেশে কোনো স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি যাতে রাজনীতি করতে না পারে সেজন্য এ দাবি করছি। তাদের নিষিদ্ধ করতে হবে। এরা যেন রাজনীতির নামে বাংলাদেশে খুন, সন্ত্রাস ও অরাজকতা করতে না পারে। আর যাকেই ধরতে পারবেন তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কোনো দয়া-মায়া দেখানোর সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, বিএনপি কোনো রাজনৈতিক দল নয়। এরা জঙ্গি, সন্ত্রাসী, স্বাধীনতাবিরোধী গোষ্ঠী। তাদের এদেশে রাজনীতি করার কোনো অধিকার নেই। তারা সংবিধানকে তোয়াক্কা করে না। যারা সংবিধান, নির্বাচন মানে না তারা আবার কী রাজনীতি করবে।

তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যকারীদের সন্ধানে কমিশন গঠনের প্রস্তাব করে বলেন, কারা এর পেছনে জড়িত ছিল তা বেরিয়ে আসবে। যারা বঙ্গবন্ধুকে মারতে মারে তারা যেকোনো ঘটনা ঘটাতে পারে।

দেশের বিরুদ্ধে এখনো ষড়যন্ত্র অব্যাহত আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী বিএনপি-জামায়াত শক্তি আবারও ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান লন্ডনে বসে বিশ্বের বড় সন্ত্রাসী দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠক করে। কীভাবে বাংলাদেশে অস্থিরতা বৃদ্ধি করা যায়, উন্নয়নের অব্যাহত ধারা বন্ধ করতে ষড়যন্ত্র করছে।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে শেখ সেলিম বলেন, স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু যখন অর্থনৈতিক মুক্তির পথে অগ্রসর হন তখন অতি বিপ্লবী, প্রতিবিপ্লবী... স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু হয়। এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীরা জড়িত ছিল। উগ্রপন্থি সিরাজ সিকদার, সর্বহারা হকিত্বোহা, পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টি, লাল পতাকা বাহিনীর থানা লুট, ব্যাংক লুট, পাটের গুদামে আগুন, মানুষ হত্যা। ৭ জন সংসদ সদস্যকেও হত্যা করা হয়। কর্নেল তাহেরের নেতৃত্বে গণবাহিনী ও জাসদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাড়িতে সশস্ত্র আক্রমণ করে। কর্নেল ওসমানী গণতন্ত্র বলে বুক ফাটিয়ে ফেলতো, সে খুনি মোশতাকের সামরিক উপদেষ্টা হয়। গণবাহিনীর প্রধান কর্নেল তাহের বাহিনী রেডিও স্টেশনে গিয়ে খুনিদের সমর্থন জানায়। বঙ্গবন্ধু হত্যার গণবাহিনী-জাসদ এরা বৈজ্ঞানিক সমাজন্ত্রের কথা বলে বঙ্গবন্ধুকে বিব্রত করার চেষ্টা করেছিল। বঙ্গবন্ধুর চারপাশে যে শক্তিগুলো ছিল সেখান থেকে ষড়যন্ত্র না হলে বঙ্গবন্ধুর গায়ে কেউ হাত দিতে পারতো না। বড় একটা চক্র বঙ্গবন্ধুর আশপাশে ঘুরে তাকে বিভ্রান্ত করেছে।

তিনি বলেন, কিছু কিছু বুদ্ধিজীবী এখনো আইনের শাসন ও মানবাধিকারের কথা বলে টেলিভিশনের পর্দা ফাটিয়ে দেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর এসব বুদ্ধিজীবীরা সেদিন কোথায় ছিলেন?

আওয়ামী লীগের এই সিনিয়র এমপি বলেন, জিয়া ছিল আইএসআই-এর এজেন্ট। জিয়ার জন্ম পাকিস্তানে। তার পড়াশোনাও পাকিস্তানে। ১৯৬৯ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা চলাকালে আইএসআই-এর এজেন্ট হিসেবে জিয়াকে বাংলাদেশ পোস্টিং দেওয়া হয়।

তিনি বলেন, ৭ জানুয়ারির নির্বাচন বন্ধের জন্য বিএনপি-জামায়াত একের পর এক নাশকতা শুরু করে। লন্ডনে বসে তারেক জিয়া অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেয়। ৭ জানুয়ারি নির্বাচনে জনগণ তার জবাব দিয়েছে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করতে চায়।



হাদিকে নিয়ে পোস্টে রিপোর্ট: আসিফ মাহমুদের ফেসবুক পেজ রিমুভ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

হাদিকে নিয়ে পোস্টে রিপোর্ট: আসিফ মাহমুদের ফেসবুক পেজ রিমুভ

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে নিয়ে দেওয়া পোস্টে রিপোর্ট করে তার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ রিমুভ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।

পোস্টে আসিফ মাহমুদ লেখেন, ওসমান হাদি ভাই সংশ্লিষ্ট সব পোস্ট, ভিডিওতে স্ট্রাইক এবং সংঘবদ্ধ রিপোর্ট করে আমার অফিশিয়াল পেইজটি (৩০ লাখের বেশি ফলোয়ার) রিমুভ করে দেওয়া হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এই উপদেষ্টা আরও লেখেন, বিভিন্ন টেলিগ্রাম গ্রুপে লিংক দিয়ে সংঘবদ্ধ রিপোর্ট করা হয়েছে। হাদি ভাইকে নিয়ে দেওয়া তিনটি ভিডিওতেই স্ট্রাইক করা হয়েছে।


হাসনাতের আসনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুলের মনোনয়ন বাতিল

প্রকাশিত: ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬

হাসনাতের আসনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুলের মনোনয়ন বাতিল

কুমিল্লা-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ইসির আপিল শুনানিতে এ সিদ্ধান্ত হয়। এনসিপি প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। ইসি তার আবেদন নামঞ্জুর করে। ফলে হাসনাতের মনোনয়ন বৈধই থাকছে। তবে ঋণখেলাপির অভিযোগে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন

গত ৯ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনে হাসনাতের মনোনয়ন বাতিল চেয়ে আবেদন করেন মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। তার আগে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল চেয়ে আবেদন করেছিলেন হাসনাত।

এর আগে ঋণ খেলাপির অভিযোগ এনে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর মনোয়নপত্র কেন বাতিল করা হবে না, এজন্য ইসিতে আপিল করেছিলেন হাসনাত আবদুল্লাহ।