শেয়ার বাজার

হরিপুরে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস-২০২৪  অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মার্চ ২০২৪

হরিপুরে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস-২০২৪  অনুষ্ঠিত

হরিপুর প্রতিনিধিঃ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ি ভোক্তার স্বার্থে কৃত্রিম বৃদ্ধিমত্তা ব্যবহার করি।

হরিপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শুক্রবার-১৫ মার্চ সকাল ১১:০০ ঘটিকায়  উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন- ২০০৯, বাস্তবায়নে সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ফয়েজ মোহাম্মদ জামান সহকারি শিক্ষক, হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

ভোক্তা অধিকার দিবসে রাসায়নিক সার, কীটনাশক, মেডিসিন,কসমেটিকপণ্যের  বাজার, কৃষি পণ্যের বাজার, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও সংকট নিরসন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা  হয়। 

উক্ত অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার পক্ষে ডাঃ সূবর্ণা রানী বলেন,উপজেলায় গত সপ্তাহে  বিভিন্ন হাটবাজারে ভোক্তা অধিকার আইনে অর্থ দন্ড করা হয়েছে । বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের সীমাহীন মূল্য বৃদ্ধি কারণে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠে গেছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

তিনি আরো বলেন,নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধিতে  সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ও বিভিন্ন অভিযোগ করছেন । এই ভাবে চলতে থাকলে সাধারণ মানুষ আরো ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

হাব নির্বাচনে তসলিমের নেতৃত্বে ‘হাব সম্মিলিত ফোরামের' জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ মার্চ, ২০২৪

হাব নির্বাচনে তসলিমের নেতৃত্বে ‘হাব সম্মিলিত ফোরামের' জয়

হজ এজেন্সিগুলোর সংগঠন হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) এর দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে বর্তমান সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিমের নেতৃত্বের ‘হাব সম্মিলিত ফোরাম’ পূর্ণ প্যানেলে জয়লাভ করেছে।

শনিবার (২ মার্চ) রাজধানীর শাহবাগে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতু্ন্নেসা মুজিব কনভেনশনে হাব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।

দুটি প্যানেল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। শাহাদাত হোসাইন তসলিমের নেতৃত্বে হাব সম্মিলিত ফোরাম ও জামাল উদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে ‘হাব গণতান্ত্রিক ঐক্য পরিষদ’। শাহাদাত হোসাইন তসলিমের প্রাপ্ত ভোট ৪০৪, অন্যদিকে জামাল উদ্দিন আহমদ ২২৭ ভোট পান। তসলিম ১৭৭ ভোট বেশি পেয়ে নির্বাচিত হন।

হাব কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের ২৭টি পদে হাব সম্মিলিত ফোরামের প্রার্থীরা জয়লাভ করেন। ঢাকা আঞ্চলিক পরিষদের ১৩টি ও চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের ৭টি পদেও ফোরামের প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে সিলেট আঞ্চলিক পরিষদের ৭ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

এছাড়া সিলেট ও চট্টগ্রামে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ করা হয়। নির্বাচনে পর্যবেক্ষক হিসেবে ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (বাণিজ্য সংগঠন) জিনাত রেহান, উপসচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, এম এম মোস্তফা জামাল চৌধুরী ও মোহাম্মদ মশিউর রহমান।


এআই শিক্ষার নতুন পাঠ চীনা স্কুলে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

এআই শিক্ষার নতুন পাঠ চীনা স্কুলে

প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির সঙ্গে তাল মেলাতে চীনের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই বিষয়ের পাঠদান শুরু হয়েছে। সম্প্রতি শুরু হওয়া শরৎকালীন শিক্ষাবর্ষ থেকেই দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই আধুনিক প্রযুক্তির পাঠ্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতের পড়ালেখা ও কর্মক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে তুলতে এই উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির শিক্ষা প্রশাসন। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কেবল এআই প্রযুক্তির ব্যবহারই শেখানো হচ্ছে না, বরং এই প্রযুক্তির দেওয়া তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং সঠিক প্রশ্ন করার কৌশলও শেখানো হচ্ছে।

নতুন এই পাঠ্যক্রমের অংশ হিসেবে ব্যবহারিক ক্লাসে শিক্ষার্থীরা নিজেরাই ছোটখাটো প্রোগ্রাম তৈরি এবং ছবি শনাক্তকরণের মতো কাজ হাতে-কলমে শিখছে। পূর্ব চীনের চিয়াংসু প্রদেশের নানচিং কেলিহুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এমন একটি ক্লাসে শিক্ষার্থীদের ট্যাবলেট ব্যবহার করে বুদ্ধিমান বিক্রয়যন্ত্রের কার্যপ্রণালি তৈরি করতে দেখা গেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পেছনের কার্যক্রম ও বিপুল পরিমাণ প্রশিক্ষণ তথ্যের ধারণা শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিষ্কার করতে এই ধরনের বাস্তবমুখী কার্যক্রম বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখছে। বারবার ভুল সংশোধন করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তিগত কাজের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করছে।

শুধু তথ্যপ্রযুক্তির ক্লাস নয়, বরং ভাষা ও ভূগোলের মতো নিয়মিত পাঠ্যকালেও এআই প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত করা হচ্ছে। বেইজিং ন্যাশনাল ডে স্কুলের বিভিন্ন ক্লাসে শিক্ষার্থীরা প্রাচীন সেতু সম্পর্কে তথ্য খোঁজা কিংবা সম্পদনির্ভর শহরের অর্থনৈতিক পরিবর্তন বিশ্লেষণে এআইয়ের সহায়তা নিচ্ছে। তবে প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে শিক্ষকদের পক্ষ থেকে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে, যাতে শিক্ষার্থীরা অন্ধভাবে প্রযুক্তির ওপর নির্ভর না করে প্রথমে নিজেরা চিন্তা করতে পারে। চীনের বিভিন্ন প্রাদেশিক অঞ্চল ইতোমধ্যে নিজস্ব পাঠ্যক্রম নির্দেশিকা তৈরি করেছে এবং চিয়াংসু প্রদেশে এটি পুরোপুরি চালু হয়েছে।

পড়াশোনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অন্তর্ভুক্তি দেশের শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। শানতোং প্রদেশে বাধ্যতামূলক শিক্ষার অংশ হিসেবে প্রথম শ্রেণি থেকেই নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবেও চালুর সুযোগ রাখছে। দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আগামী দিনে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের সামগ্রিক পাঠ্যক্রমের সঙ্গে এআই শিক্ষাকে আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত করা হবে। বিশেষ করে গ্রামীণ ও অনুন্নত অঞ্চলের বিদ্যালয়গুলোতে এআই শিক্ষা কেন্দ্রগুলোকে শক্তিশালী করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।


ভারত নির্বাচন বিশ্লেষণ করতে পারে, মতামত দেওয়ার অধিকার রাখে না

প্রকাশিত: ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

ভারত নির্বাচন বিশ্লেষণ করতে পারে, মতামত দেওয়ার অধিকার রাখে না

আসন্ন নির্বাচন নিয়ে ভারত বিশ্লেষণ করতে পারে, তবে মতামত দেওয়ার সুযোগ (অধিকার) দেশটি রাখে না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এছাড়া পতিত স্বৈরাচার ভোটের পরিবেশ নষ্টের চেষ্টা করলে সরকার প্রতিহত করতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।  

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে উপদেষ্টা এ কথা জানান। রিজওয়ানা হাসান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়; পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বে রয়েছেন। 

কোনো কোনো জেলায় ডিসিদের গণভোটের পক্ষে সেভাবে প্রচারণায় দেখা যাচ্ছে না- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, আমরা যা করছি তা হলো, আমরা উপদেষ্টারা দেশের ৬৪ জেলায় গিয়ে বিভিন্ন জেলার যারা সুশীল সমাজের আছেন, শিক্ষক প্রতিনিধি আছেন, ছাত্র প্রতিনিধি আছেন, যারা ধর্মীয় নেতা আছেন- সবাইকে গণভোটটা কেন হচ্ছে, গণভোটের অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো কী- এটা বুঝিয়ে দিচ্ছি। এখন যেহেতু নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে গেছে, এখন আর আমরা কোনো উপদেষ্টা সেখানে যাচ্ছি না। আমাদের কিছু ম্যাটেরিয়াল আছে গণভোটের স্বপক্ষে, সেটাই আমরা বিলি করে বেড়াচ্ছি।  

তিনি বলেন, কিন্তু জেলা প্রশাসকেরা কোথায় প্রচার করছেন, করছেন না... জেলা প্রশাসকেরা প্রচার করবেন হচ্ছে যে ১২ তারিখে সাধারণ ভোটের পাশাপাশি একটা গণভোট হবে। সাধারণ ভোটের পাশাপাশি জনগণ যেন গণভোটে যেতে পারে সে খবরটা জানানো। এর বেশি তো আর তাদের কিছু করার কথা না।  

সার্বিকভাবে এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ কেমন দেখছেন? দুই দলের মধ্যে ঢিল ছোড়াছুড়ি হচ্ছে। পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকেও ভোট নিয়ে মন্তব্য আসছে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, শোনেন, প্রথম কথা হচ্ছে নির্বাচনের পরিবেশ তো উত্তেজনাপূর্ণ হবে। এক দল আরেক দলকে হারাবার চেষ্টা করবে, এক দল জিতবার চেষ্টা করবে। যে দল জিতবার চেষ্টা করবে সে তার পক্ষকে ঘায়েল করার জন্য কথা বলবে, প্রতিপক্ষ আরেকজনকে ঘায়েল করার কথা বলবে, এটা খুব স্বাভাবিক কথা।

তিনি বলেন, কোনো কোনো জায়গায় হয়তো ভদ্রতা সভ্যতার সীমাটা রাখা হচ্ছে না, সেজন্য সব দলকেই দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। যদি কোনোটা আইনশৃঙ্খলা পর্যায়ে পৌঁছে যায় তখন সেটা সরকারের দায়িত্ব। তার আগ পর্যন্ত কে কার জনসভায় কী বললো না বললো সেটা তো সরকারের দায়িত্ব না।  

নির্বাচন সম্পূর্ণ একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় মন্তব্য করে রিজওয়ানা হাসান বলেন, সেখানে অন্য দেশ বিশ্লেষণ করতে পারে, কিন্তু মতামত তো দেওয়ার সুযোগ রাখে না। তার বিশ্লেষণ থাকতে পারে কিন্তু কে জিতলে কী ধারণা করবে জিতবার আগেই এত কথা বলে দিলে তো এই মন্তব্য বস্তুনিষ্ঠ সেরকম মনে করার কোনো সুযোগ নেই।  

ভোটের পরিবেশ নষ্ট হলে আওয়ামী লীগকেই দায়ী করা হবে- সরকারের এমন একটা বিবৃতি আছে। এ বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, ভোটের পরিবেশ নষ্ট করার যে আওয়ামী লীগ চেষ্টা করেনি তা তো ঠিক কথা না। ভোটের যেদিন শিডিউল ঘোষণা হলো সেদিনই তো বিভিন্ন জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ করা হলো এবং সেটার ভুক্তভোগী আমরাও কয়েকজন আছি। ফলে ভোটের পরিবেশ নষ্ট করার জন্য যদি পতিত স্বৈরাচারের কোনো শক্তি কোনো রকম চেষ্টা করে সেটা প্রতিরোধ করার জন্য সরকার প্রস্তুত আছে, প্রয়োজনে প্রস্তুতি আমরা বাড়াবো।

মানুষের ভেতরে ভোটের পরিবেশ নিয়ে ভয় কাজ করছে- এ বিষয়ে তিনি বলেন, আপনি আমাকে সুনির্দিষ্ট তথ্য দেবেন যে কোন মানুষ আপনাকে বলেছে তার ভোট দিতে ভয় লাগছে। আমরা যে এত কয়টা জেলায় গেলাম সব জায়গায় আমরা দেখে এসেছি প্রতিটি জায়গায় নির্বাচনের একটা আমেজ শুরু হয়েছে। যখন আমরা গেছি তখনও কিন্তু নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়নি। তো প্রচার-প্রচারণা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উত্তেজনাও বাড়বে, আগ্রহও বাড়বে, আনন্দও বাড়বে। এটা সবসময় বাংলাদেশে হয়ে থাকে। কোনো জায়গাতে কোনো মানুষ আমাকে বলেনি যে আপা ভোট দিতে কেমন করে যাবো আমার ভয় লাগছে। আপনাকে যদি কেউ এটা বলে থাকে আমাদের জানাবেন তার ভয় দূর করার দায়িত্ব অবশ্যই আমাদের।

সরকারের এ উপদেষ্টা আরও বলেন, এই যে ভয়ের একটা আবহ তৈরি করা নানান প্রচার-প্রচারণা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, নানান কিছু ভিত্তিহীন বক্তব্য দিয়ে দিয়ে একটা ভয়ের আবহ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ জন্যই বলা হচ্ছে যে পতিত স্বৈরাচার যদি নির্বাচনের পরিবেশকে বিঘ্ন করার জন্য কোনো কাজ করে আমরা সেটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো।