শেয়ার বাজার

মানিকগঞ্জে উল্টো পথে আসা বাসের ধাক্কায় মা-মেয়ে নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মানিকগঞ্জে উল্টো পথে আসা বাসের ধাক্কায় মা-মেয়ে নিহত

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার টেপড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। উল্টো দিক থেকে আসা বেপরোয়া গতির একটি যাত্রীবাহী বাস মোটরসাইকেলকে সজোরে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মা ও তাঁর কোলের শিশু সন্তান গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই আকস্মিক দুর্ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহত নারী সোনিয়া আক্তার মানিকগঞ্জের দেবেন্দ্র কলেজের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে থাকা শিশুটির নাম জান্নাত। সোনিয়ার স্বামী মো. আবুল হোসেন টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে কারারক্ষী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। ছুটির দিনে পরিবার নিয়ে টাঙ্গাইলে কর্মস্থলে ফেরার পথেই এই ভয়াবহ পরিণতি বরণ করতে হয় তাঁদের। সোনিয়ার গ্রামের বাড়ি শিবালয় উপজেলার জাফরগঞ্জ পয়লা গ্রামে।

নিহতের স্বামী আবুল হোসেন জানান, কয়েক দিনের ছুটিতে তিনি স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। স্ত্রীর পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর তাঁরা মোটরসাইকেলে করে টাঙ্গাইলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। টেপড়া এলাকায় পৌঁছানোর পর বিপরীত দিক থেকে আসা গোল্ডেন লাইন পরিবহনের বাসটি তাঁদের ধাক্কা দেয়। বাসের বেপরোয়া গতি ও নিয়মবহির্ভূতভাবে উল্টো পথে চলাকেই তিনি এই দুর্ঘটনার জন্য দায়ী করেছেন এবং দোষী চালকের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন।

বরংগাইল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে পাঠায়। দুর্ঘটনা ঘটানোর পর বাসটি ফেলে চালক ও সহকারী পালিয়ে গেলেও পুলিশ সেটিকে জব্দ করেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং পলাতকদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয় বলে চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেছেন।

ইরাকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের বিদায়, বন্ধ হচ্ছে সদর দপ্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ইরাকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের বিদায়, বন্ধ হচ্ছে সদর দপ্তর

ইরাকে অবস্থানরত মার্কিন নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক সামরিক জোটের প্রধান সদর দপ্তর আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হতে যাচ্ছে। ইরাকি সরকারের পক্ষ থেকে সম্প্রতি এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ স্থিতিশীল রয়েছে এবং পুরো ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ এখন পুরোপুরি স্থানীয় সশস্ত্র বাহিনীর হাতে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য সামনে এসেছে।

ইরাকের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানের কার্যালয়ের পরিচালক আবদুল আমির আল-শাম্মারি জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই এই জোটের সদর দপ্তর বন্ধের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, বর্তমানে তাদের সার্বভৌম ভূখণ্ডে কোনো ধরনের বিদেশি সামরিক ঘাঁটি টিকে নেই। দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি সন্তোষজনক থাকায় জনগণের উদ্বেগের কোনো অবকাশ নেই বলেও আশ্বস্ত করেছেন এই সামরিক কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, উগ্রবাদী গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট বা আইএস দমনের মূল লক্ষ্য নিয়ে ২০১৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে এই আন্তর্জাতিক জোট গঠিত হয়েছিল। সেই সময় ওই সশস্ত্র গোষ্ঠীটি ইরাক ও সিরিয়ার বিশাল অংশ দখল করে নিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও এই জোটে ফ্রান্স ও স্পেনের মতো প্রভাবশালী পশ্চিমা দেশগুলো যুক্ত ছিল। পরবর্তীতে গত বছর ওয়াশিংটন ও বাগদাদের যৌথ সমঝোতায় এই সামরিক মিশন সমাপ্তির দুই ধাপের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়।

চুক্তির অংশ হিসেবে এর আগে আনবার প্রদেশের আইন আল-আসাদ বিমানঘাঁটি থেকে মার্কিন সেনাদের প্রত্যাহার করা হয় এবং তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেয় স্থানীয় বাহিনী। অন্যদিকে, পরিকল্পনার শেষ ধাপে ইরবিল বিমানঘাঁটি থেকে সিরিয়ায় পরিচালিত সামরিক কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘটছে। তবে বিদেশি জোটের বিদায়ের পরও ভবিষ্যতের সম্পর্কের ধরন নির্ধারণে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বজায় রাখতে কাজ করবে।


দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক বন্দুক হামলায় নিহত ২৭, আহত ২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক বন্দুক হামলায় নিহত ২৭, আহত ২৬

দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন এলাকায় বন্দুকধারীদের চালানো পৃথক দুটি হামলায় অন্তত ২৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এই রক্তক্ষয়ী ঘটনায় আরও ২৬ জন আহত হয়েছেন। দেশটির প্রধান শহরগুলোর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং অপরাধচক্রের তৎপরতা নিয়ে নতুন করে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এই হামলাগুলো চালানো হয়েছে।

প্রথম হামলাটি সংঘটিত হয় জোহানেসবার্গের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত ওয়েডেলা টাউনশিপের একটি পানশালায়। হামলাকারীরা সেখানে উপস্থিত সাধারণ মানুষের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই ১৭ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া আহত হন আরও ১৫ জন। যাওয়ার সময় অপরাধীরা বেশ কিছু মোবাইল ফোন লুট করে এবং দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে পালিয়ে যায়। অপরাধীদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিশেষ অভিযান শুরু করেছে।

এর কিছু সময় পর কেপটাউনের কাছে লাওয়ান্দলে এলাকার একটি দোকানে আরেকটি বড় ধরনের হামলার ঘটনা ঘটে। সেখানে বন্দুকধারীদের নির্বিচার গুলিতে প্রাণ হারান আরও ১০ জন এবং আহত হন ১১ জন। এই দুই বড় ঘটনার মাত্র কিছুদিন আগেই ডারবানের নিকটবর্তী একটি বাড়িতে চলা পার্টিতে আরও ১১ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছিল। ফলে দেশজুড়ে জননিরাপত্তা নিয়ে নাগরিকদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চমাত্রার সহিংস অপরাধ এবং অস্ত্রধারী সন্ত্রাস একটি বড় জাতীয় সমস্যায় পরিণত হয়েছে। নিয়মিত ঘটছে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড। সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নিতে সরকারের ওপর জনমতের চাপ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অপরাধ দমনে বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি ও অভিযান পরিচালনা করলেও পরিস্থিতির আশানুরূপ উন্নতি হয়নি।


বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় শোক জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে মোদীর চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ মার্চ, ২০২৪

বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় শোক জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে মোদীর চিঠি

রাজধানীর বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

শনিবার (২ মার্চ) ঢাকায় ভারতের হাইকমিশন এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে গতকাল শুক্রবার শোক জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি পাঠান ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

চিঠিতে ২৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় আন্তরিক শোক প্রকাশ করেছেন নরেন্দ্র মোদী। একই সঙ্গে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন তিনি।

নরেন্দ্র মোদী বলেন, এই দুঃসময়ে বাংলাদেশের পাশে রয়েছে ভারত। একই সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ চিন্তাভাবনা ও প্রার্থনা বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে থাকবে।