শেয়ার বাজার

খামেনি হত্যার ঘটনায় জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের তীব্র সমালোচনায় রাশিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খামেনি হত্যার ঘটনায় জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের তীব্র সমালোচনায় রাশিয়া

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ইরান ও ভেনেজুয়েলা সংকটের জেরে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের তীব্র সমালোচনা করেছে মস্কো। রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ তার বক্তব্যে স্পষ্ট করে জানান যে, বর্তমান বিশ্বে কোনো একটি মাত্র পরাশক্তির একাধিপত্য বজায় থাকা সমগ্র মানবজাতির জন্যই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তিনি বর্তমান আন্তর্জাতিক রাজনীতির সমীকরণ পরিবর্তন করে বিশ্ব ব্যবস্থাকে আরও বেশি ভারসাম্যপূর্ণ করার ওপর জোর দেন।

রুশ এই শীর্ষ কূটনীতিকের মতে, বর্তমান বিশ্বের দক্ষিণ ও পূর্ব গোলার্ধের উদীয়মান দেশগুলো নিজেদের একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী সার্বভৌম উন্নয়নকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করছে। তাদের এই স্বনির্ভরতার কারণেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি অধিকতর ন্যায়ানুগ ও বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থা গড়ে ওঠার পথ সুগম হচ্ছে। একক আধিপত্যের ধারণা বাদ দিয়ে পারস্পরিক সমতার ভিত্তিতে বৈশ্বিক সম্পর্ক পরিচালনার সময় এসেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

বক্তব্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি, তার পরিবার এবং দেশটির শীর্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক কর্মকর্তাদের টার্গেট করে হত্যার তীব্র নিন্দা জানান লাভরভ। তিনি এই ধরণের সামরিক পদক্ষেপকে বিশ্বজুড়ে পশ্চিমা শক্তির জবরদস্তিমূলক ও অগ্রহণযোগ্য একনায়কতন্ত্রের বহিঃপ্রকাশ বলে অভিহিত করেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ব্যাপক সামরিক অভিযানের সময় ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো হয়, যা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার নিরাপত্তাব্যবস্থাকে মারাত্মক হুমকিতে ফেলেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

ইউরোপীয় দেশগুলোর ভূমিকার সমালোচনা করে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সেখানকার সরকারগুলো একদিকে ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে এবং অন্যদিকে সাধারণ মানুষের ওপর হামলায় মদদ দিয়ে শান্তি প্রক্রিয়াকে নস্যাৎ করছে। তবে এর মধ্যেই ওয়াশিংটনের ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনসহ বেশ কিছু পক্ষ চলমান সংকট নিরসনে কূটনৈতিক আলোচনায় আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। ঐতিহাসিক নুরেমবার্গ বিচারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি অভিযোগ করেন যে, ইউরোপের বর্তমান সরকারগুলো ইউক্রেনীয় উগ্রপন্থা সহ্য করছে এবং রুশ ভাষার ওপর নানা ধরনের অন্যায্য বিধিনিষেধ আরোপ করে চলেছে।

হঠাৎ জ্বর, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই মৃত্যু ঢাবি শিক্ষার্থীর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হঠাৎ জ্বর, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই মৃত্যু ঢাবি শিক্ষার্থীর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রসায়ন বিভাগের এক মেধাবী শিক্ষার্থী হঠাৎ জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। মারা যাওয়া ওই শিক্ষার্থীর নাম মুরাদুল ইসলাম মুরাদ, যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র ছিলেন। তিনি অমর একুশে হলের আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে ক্যাম্পাসে অবস্থান করতেন এবং তার পৈতৃক নিবাস নীলফামারী জেলায়। তার এই আকস্মিক প্রয়াণে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সহপাঠী ও হল সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাতে হঠাৎ করেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন মুরাদ। তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটতে থাকায় হলের বন্ধু ও সিনিয়র ভাইয়েরা তাকে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নেন। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছানোর পথেই তার মৃত্যু ঘটে, যা চিকিৎসকদের কাছে নেওয়ার সুযোগটুকুও দেয়নি।

পরদিন সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল মাঠে মরহুমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত জানাজায় রসায়ন বিভাগের শিক্ষক, শহীদুল্লাহ হলের আবাসিক শিক্ষার্থী এবং তার অসংখ্য সহপাঠী ও শুভানুধ্যায়ী অংশ নেন। পরে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমিনূল ইসলাম ভূঁইয়া Media-র কাছে এই মর্মান্তিক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তরুণ এই শিক্ষার্থীর এমন অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। এক শোকবার্তায় ডাকসুর পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়। স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের আগেই ঝরে যাওয়া এই তরুণের স্মৃতিচারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শোক প্রকাশ করছেন তার সহপাঠীরা।


কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন। স্থানীয় সময় সকালে নিউইয়র্কে কুয়েতের স্থায়ী মিশনে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও সুদৃঢ় সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার নানা দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। বৈঠকে উভয় দেশের শীর্ষ নেতারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোকে আরও প্রশস্ত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আলোচনাকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ ও কুয়েতের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের কথা সস্নেহে স্মরণ করেন এবং এই সম্পর্কের ভিত্তি মজবুত করার ক্ষেত্রে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক অবদানের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যের ওপর ভিত্তি করে যে অংশীদারত্ব গড়ে উঠেছে, তা বর্তমান সময়ে উভয় দেশের জনগণের কল্যাণে আরও গভীর ও বহুমাত্রিক হওয়া প্রয়োজন। কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সও বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে শ্রমশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, নতুন খাতে বিনিয়োগ এবং সার্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। এছাড়া আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নানা সমসাময়িক বিষয় নিয়েও দুই নেতার মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে এবং আগামী দিনে বিভিন্ন বহুপক্ষীয় ফোরামে নিয়মিত যোগাযোগ ও পারস্পরিক সমন্বয় বজায় রাখার বিষয়ে তাঁরা একমত পোষণ করেন।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান ও উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন। ক্রোয়াশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই প্লেনকোভিচ, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল এবং সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এসব বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা ও দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির মতো সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে অংশীদারত্ব বাড়ানোর উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এসব কূটনৈতিক তৎপরতা বাংলাদেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।


সাপের কামড়ে আইসিইউতে রাবি শিক্ষার্থী, প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবিতে প্রশাসন ভবন ঘেরাও

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সাপের কামড়ে আইসিইউতে রাবি শিক্ষার্থী, প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবিতে প্রশাসন ভবন ঘেরাও

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলে ঘুমন্ত অবস্থায় এক শিক্ষার্থীকে কালাচ সাপে কাটার ঘটনা ঘটে। এই মারাত্মক দুর্ঘটনার পর হলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে হল প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে সরব হন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন ঘেরাও করে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবং এর আগে হলের বিভিন্ন কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন। ক্যাম্পাসে এ ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি রোধে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে বলে আন্দোলনকারীরা অভিযোগ তোলেন। বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীরা হলের চারপাশের ঝোপঝাড় পরিষ্কার ও কার্যকর স্নেক নেট স্থাপনের জোর দাবি জানান।

ঘটনার শিকার হওয়া ওই শিক্ষার্থীর নাম নুরনবী ইসলাম, যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন সায়েন্স অ্যান্ড লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী। ভোরের দিকে নিজের আবাসিক রুমের ভেতর ঘুমাচ্ছিলেন তিনি, ঠিক তখনই বিষাক্ত কালাচ সাপ তাঁকে দংশন করে। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে অ্যান্টিভেনম প্রদান করেন এবং পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাঁকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে অর্থাৎ আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা চিকিৎসাধীন সহপাঠীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা হলের নানা অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে পোস্টার ও লিফলেট প্রদর্শন করেন। তাদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে সিট বাণিজ্য বন্ধ, হলের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দূরীকরণ এবং খাবারের মান বাড়ানোর মতো বিভিন্ন দাবি তুলে ধরা হয়। হল সংসদের নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন যে, হলের ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও চারপাশের জঙ্গল পরিষ্কার রাখার জন্য বারবার তাগাদা দেওয়া হলেও প্রশাসন কোনো কর্ণপাত করেনি। অপর্যাপ্ত জনবল ও যন্ত্রপাতির অজুহাতে দীর্ঘদিন ধরে চলা এসব সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ না নেওয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা মনে করছেন, প্রশাসনের এই উদাসীনতার কারণেই একজন শিক্ষার্থীকে মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। ছাত্র সংসদের নেতৃবৃন্দ মন্তব্য করেন যে, হলের মতো সুরক্ষিত জায়গায় যদি শিক্ষার্থীরা নিরাপদ না থাকে, তবে প্রশাসনের কার্যক্রম নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তৈরি হয়। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ছাত্র উপদেষ্টা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালান। তবে সুনির্দিষ্ট ও স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস না পাওয়ায় শিক্ষার্থীরা তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অনড় অবস্থান ঘোষণা করেন।