শেয়ার বাজার

হরিপুরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ মার্চ ২০২৪

হরিপুরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

হরিপুর উপজেলা শহীদ মিনারের  সামনে সকাল ৫.০৪ মি. ৩১ (একত্রিশ) বার তোপধ্বনির মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের সূচনা,  বিধি অনুসরণ পূর্বক জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও পুস্পস্তবক অর্পণ দোয়া মাহফিল শেষে   স্বাধীনতা র্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা  ও জাতীয় দিবস ২০২৪ পতাকা উত্তোলন ডিসপ্লে প্রদর্শন ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,  হরিপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও  বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ হরিপুর  উপজেলা শাখার সভাপতি  অধ্যক্ষ মো,জিয়াউল হাসান মুকুল।

আরও উপস্থিত ছিলেন হরিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল লতিফ শেখ, কৃষি অফিসার মো,রুবেল হোসেন, ডাঃ মোঃ আসাদুজ্জামান, হরিপুর থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হরিপুর ঠাকুরগাঁও ।  উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোতাহারা পারভীন সুমি, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আলমগীর।সহ-সভাপতি বাবু নগেন কুমার পাল,মো,আবদুল জলিল ও মো,আনোয়ার হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো,মনোয়ারুল ইসলাম রিপনসহ বিভিন্ন দপ্তরের দপ্তর প্রধানগন, শিক্ষক ও স্থানীয়  বিভিন্ন ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।   

স্কুলের শিক্ষাথীরা কুজকাওয়াজ ও নেচে গেয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয়  দিবস -২০২৪ উদযাপন করে । এর আগে শেখ রাসেল মিনি ষ্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং বীরমুক্তিযোদ্বা , বাংলাদেশ পুলিশ, আনসার - ভিডিপি ,ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্তৃক কুচকাওয়াজ অভিবাদন গ্রহণ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে সমাবেশ,জাতীয় সংগীত পরিবেশন, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন ফয়েজ মোঃ জামান, সহকারী শিক্ষক হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হরিপুর- ঠাকুরগাঁও।

আরো উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট বিষয়ের  ব্যক্তিবর্গসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

সন্ত্রাসী দেশ আমাকে এই প্রশ্ন করছে—পাকিস্তানি সাংবাদিককে পাল্টা প্রশ্ন জয়শঙ্করের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সন্ত্রাসী দেশ আমাকে এই প্রশ্ন করছে—পাকিস্তানি সাংবাদিককে পাল্টা প্রশ্ন জয়শঙ্করের

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের সাইডলাইনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের এক সাংবাদিকের মুখোমুখি হন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ওই সাংবাদিক ভারত সরকারের বিরুদ্ধে পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদে সহায়তার অভিযোগ এনে একটি প্রশ্ন উত্থাপন করেন। এর জবাবে তাৎক্ষণিকভাবে কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানান ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি উল্টো প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে জানতে চান যে একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র কীভাবে তাকে এই ধরনের প্রশ্ন করতে পারে।

এই ঘটনার পর ভারতীয় প্রতিনিধিদলের প্রধান জয়শঙ্করসহ অন্যান্য সদস্যরা অবিলম্বে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। তবে চলে যাওয়ার সময়ও ওই সাংবাদিক নিজের প্রশ্ন ও বক্তব্য চালিয়ে যান। ভারত দীর্ঘদিন ধরেই প্রতিবেশী রাষ্ট্র পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদে মদদ দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ করে আসছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যকার রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন এই ধরনের মুখোমুখি অবস্থানের মধ্য দিয়ে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

এর আগে জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগামে পর্যটকদের ওপর বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলায় একাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটে। এই রক্তাক্ত ঘটনার জেরে ভারত তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পরিচালনা করে। নয়াদিল্লির দাবি ছিল, ওই এলাকাগুলোতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সশস্ত্র গোষ্ঠী লস্কর-ই-তাইয়েবা ও জইশ-ই-মুহাম্মদের অবকাঠামো ও ঘাঁটি সক্রিয় রয়েছে। এই সামরিক উত্তেজনার রেশ আন্তর্জাতিক ফোরামগুলোতেও নিয়মিতভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে।

এদিকে জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলেও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে ভারত। ভারতীয় কূটনীতিক ক্ষিতিজ ত্যাগী মন্তব্য করেছেন যে, ইসলামাবাদের উচিত অন্যের ভূখণ্ড দখলের উচ্চাশা বা সন্ত্রাসবাদের পথ পরিহার করে নিজেদের অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন ও অর্থনীতির দিকে মনোযোগ দেওয়া। তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক মঞ্চে এই ধরনের রাজনৈতিক নাটক করে পাকিস্তানের গভীর অর্থনৈতিক সংকট বা ঋণগ্রস্ত অবস্থার কোনো স্থায়ী সমাধান হবে না।

অন্যদিকে জাতিসংঘে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে ভারত পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে বেসামরিক নাগরিকদের মৃত্যু এবং দমনপীড়নের প্রসঙ্গ টানে। পাশাপাশি শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহে বাধার অভিযোগও করা হয়। তবে ইসলামাবাদ বরাবরই এই সমস্ত ভারতীয় অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে এবং কাশ্মীরকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে।


দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুক হামলায় নিহত ১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুক হামলায় নিহত ১৭

দক্ষিণ আফ্রিকার একটি এলাকায় সম্প্রতি সংঘটিত এক নৃশংস বন্দুক হামলায় ১৭ জন সাধারণ মানুষ নিহত হয়েছেন। দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, হঠাৎ করে ঘটে যাওয়া এই রক্তক্ষয়ী সহিংসতায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার পর থেকেই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে এক ধরনের নিরাপত্তাহীনতা কাজ করছে এবং তারা দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আক্রমণকারীরা হঠাৎ করেই একটি নির্দিষ্ট স্থানে অতর্কিত হামলা চালায় এবং নির্বিচারে গুলি ছুড়তে শুরু করে। এতে ঘটনাস্থলেই বহু মানুষের মৃত্যু হয় এবং আহত হন আরও অনেকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন এবং আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করান।

পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগ এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল কারণ উদঘাটনে এবং অপরাধীদের ধরতে যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছে। এখন পর্যন্ত এই হামলার সুনির্দিষ্ট কোনো মোটিভ বা উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া না গেলেও, পূর্ব শত্রুতা কিংবা গ্যাং সহিংসতার জেরে এটি ঘটে থাকতে পারে বলে অনুমান করছেন তদন্তকারীরা। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজনদের আইনের আওতায় আনতে দেশজুড়ে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

এই মর্মান্তিক ঘটনার পর দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন মহল থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে এবং দেশটিতে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জোরালো হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অপরাধীদের কঠোর শাস্তির পাশাপাশি সীমান্তবর্তী বা অপরাধপ্রবণ অঞ্চলগুলোতে পুলিশের টহল বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে বলে জানানো হয়েছে।


সরকারি চাকরিতে এখনো গোয়েন্দা দিয়ে যাচাই, প্রাথমিকে অনেকের নিয়োগ আটকে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সরকারি চাকরিতে এখনো গোয়েন্দা দিয়ে যাচাই, প্রাথমিকে অনেকের নিয়োগ আটকে

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পরও অনেক প্রার্থীর চাকরি ঝুলে রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিয়মতান্ত্রিকভাবে বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে আসার পর গোয়েন্দা সংস্থার নেতিবাচক বা বিলম্বিত প্রতিবেদনের কারণে এসব প্রার্থীর নিয়োগ আটকে দেওয়া হচ্ছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষা ও প্রক্রিয়া শেষ করার পরও চাকরিপ্রার্থীরা চরম অনিশ্চয়তা ও মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

সাধারণত সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে পুলিশি যাচাই বা ব্যাকগ্রাউন্ড চেক একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে প্রাথমিক শিক্ষার মতো একটি বৃহৎ ক্ষেত্রে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে গোয়েন্দা সংস্থার এই ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা অন্য কোনো অদৃশ্য কারণে অনেক যোগ্য প্রার্থীর নাম এই যাচাই প্রক্রিয়ায় আটকে দেওয়া হচ্ছে, যা নিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী প্রার্থীরা অভিযোগ করেছেন যে, মেধার ভিত্তিতে চূড়ান্ত তালিকায় নাম আসার পরও শুধুমাত্র গোয়েন্দা প্রতিবেদনের মারপ্যাচে তাদের নিয়োগপত্র প্রদান করা হচ্ছে না। অথচ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বা প্রাথমিক নিয়মে এই ধরনের জটিল ও দীর্ঘমেয়াদী যাচাই প্রক্রিয়ার বিষয়ে স্পষ্ট কোনো নির্দেশনা থাকে না। এর ফলে হাজার হাজার সফল প্রার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে এবং অনেকেই এই বৈষম্যের প্রতিকার চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করছেন।

সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক ও বিশেষজ্ঞদের মতে, শিক্ষক নিয়োগের মতো একটি জনগুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতা তৈরি হলে একদিকে যেমন বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকের ঘাটতি দেখা দেয়, অন্যদিকে মেধাবী তরুণদের প্রতি অবিচার করা হয়। তাই দ্রুত এই জট ছাড়িয়ে আটকে থাকা যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত প্রার্থীরা।