শেয়ার বাজার

চুরির অভিযোগ: তবুও বাবার প্রতি সন্তানের ভালোবাসার দৃশ্য মানুষকে কাঁদিয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চুরির অভিযোগ: তবুও বাবার প্রতি সন্তানের ভালোবাসার দৃশ্য মানুষকে কাঁদিয়েছে

বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বামরাইল বাজারে এক ব্যক্তিকে চুরির অভিযোগে আটক করে মারধর করার ঘটনা ঘটেছে। ভোরের আলো ফোটার আগেই স্থানীয় লোকজন অনিক হাওলাদার নামের ওই ব্যক্তিকে একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে শারীরিক নির্যাতন চালান। এই পরিস্থিতিতে চারপাশের উত্তেজনাকর পরিবেশ এবং মানুষের ভিড় উপেক্ষা করে সেখানে উপস্থিত হয় তার নয় বছরের একটি ছোট মেয়ে। বাবার ওপর চলা এই নির্যাতন দেখে শিশুটির কান্নার রোল চারপাশের থমথমে পরিস্থিতিকে আরও বেশি আবেগঘন করে তোলে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, অনিক হাওলাদার এর আগেও বেশ কয়েকবার চুরির অভিযোগে ধরা পড়েছিলেন এবং স্থানীয়ভাবে সেসব ঘটনার মীমাংসা করা হয়েছিল। তবে বারবার এমন অভিযোগ ওঠার কারণেই স্থানীয়দের একাংশ উত্তেজিত হয়ে তাকে ধরে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে ফেলেন। ঘটনার সময় উৎসুক জনতার ভিড় বাড়তে থাকে এবং চারদিকে নানা গুঞ্জন ও চিৎকার শুরু হয়, যা পুরো বাজার এলাকায় এক ধরনের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।

বাবার ওপর চলা এমন নির্মম মারধরের দৃশ্য সহ্য করতে না পেরে ছোট্ট মেয়েটি ভিড় ঠেলে সামনে এগিয়ে আসে এবং হাত জোড় করে উপস্থিত লোকজনকে বাবাকে না মারার মিনতি জানায়। এরপর সে বাড়ি থেকে একটি কাপে চা এবং কিছু রুটি নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। বাবার মুখে চায়ের মধ্যে ভেজানো রুটি নিজ হাতে তুলে দিতে দিতে মেয়েটি বলতে থাকে, দেখো বাবা, তোমার কিচ্ছু হবে না। পাশাপাশি বাবার শরীরের ব্যথার স্থানে সে তার ছোট হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দিতে থাকে এবং জানতে চায় তার বেশি ব্যথা লেগেছে কি না।

উপস্থিত লোকজনের সামনে ঘটে যাওয়া এই করুণ ও স্নেহময় দৃশ্য সেখানে উপস্থিত অনেক মানুষকে আবেগপ্রবণ করে তোলে এবং তাদের চোখে পানি এনে দেয়। পরবর্তীতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় একটি সালিশি বৈঠকের মাধ্যমে মানবিক দিক বিবেচনা করে অনিক হাওলাদারকে ছেড়ে দেওয়া হয়। উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ঘটনার ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছিল। তবে স্থানীয়রা নিজেদের মধ্যে বিষয়টি মীমাংসা করায় এ ব্যাপারে থানায় কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি।

প্রতিষ্ঠানের সাফল্যে সব কর্মীকে আইফোন উপহার দিলেন মালিক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রতিষ্ঠানের সাফল্যে সব কর্মীকে আইফোন উপহার দিলেন মালিক

ব্যবসায়িক সাফল্যের উদ্‌যাপন সবসময়ই বিশেষ কিছু নিয়ে আসে, তবে সম্প্রতি এক অভিনব পন্থায় কর্মীদের পুরস্কৃত করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন এক উদ্যোক্তা দম্পতি। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি কর্মীর হাতে উপহার হিসেবে নতুন মডেলের আইফোন তুলে দিয়েছেন তারা। এমন উদার মানসিকতা ও কর্মীপ্রীতির দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তা দারুণ সাড়া ফেলে। নেটিজেনরা এই দম্পতির ভূয়সী প্রশংসা করছেন এবং অনেকেই মন্তব্য করছেন যে, এমন মালিক পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।

সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওটিতে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার হাসিনা ও নিশাদ দম্পতি একে একে সব কর্মীকে ডেকে তাদের হাতে আইফোন তুলে দিচ্ছেন। কর্মীদের মুখে আনন্দের ঝিলিক এবং কাজের প্রতি তাদের নিবেদনের স্বীকৃতিস্বরূপ এই উপহার প্রদান করা হয়। ভিডিওটির নিচে অজস্র মন্তব্য জমা হয়েছে, যেখানে সাধারণ মানুষ বিভিন্ন মন্তব্য করে এই দম্পতির প্রশংসা করছেন। একজন মজা করে লিখেছেন যে, তার কর্মক্ষেত্রের বস ভিডিওটি দেখার পর মন্তব্য করেছেন এটি নাকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি!

আধুনিক করপোরেট সংস্কৃতিতে কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা রাখতে এ ধরনের উদ্যোগ প্রায়ই বেশ বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। অনেক সময় বেতন বা বোনাসের বাইরেও বিশেষ উপহার কর্মীদের প্রতিষ্ঠাগতো আনুগত্য বাড়াতে সাহায্য করে। হাসিনা ও নিশাদ দম্পতির এই ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ প্রমাণ করে যে, প্রতিষ্ঠানের অংশীদার হিসেবে কর্মীদের অবদানকে কতটা গুরুত্ব দেওয়া উচিত। তাদের এই কাজের মাধ্যমে অন্যান্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোও অনুপ্রাণিত হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সব মিলিয়ে, ছোট হোক বা বড়, যেকোনো ব্যবসায়িক অর্জনের পেছনে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের পরিশ্রমই মূল চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করে। এই দম্পতি যেভাবে তাদের কর্মীদের মূল্যায়ন করেছেন, তা বর্তমান কর্মসংস্থান বাজারে এক বিরল ও ইতিবাচক উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তাদের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনের বার্তা আসছে।


বৃহস্পতিবার রাজশাহী যাচ্ছেন তারেক রহমান

প্রকাশিত: ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

বৃহস্পতিবার রাজশাহী যাচ্ছেন তারেক রহমান

দীর্ঘ ২২ বছর পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাজশাহীতে নির্বাচনি প্রচারণায় আসছেন। ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন তিনি।

দীর্ঘ ২২ বছর পর দলীয় প্রধানের আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে নগরীতে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তিন জেলার ১৩টি সংসদীয় আসনের নেতাকর্মীরাসহ সাধারণ জনগণ এই সমাবেশে অংশগ্রহণ করবেন। সমাবেশে তিন লক্ষাধিক জনসমাগমের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা।

রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি মামুন অর রশিদ মামুন জানান, ২৯ জানুয়ারি বেলা ১১টার দিকে বিমানযোগে তারেক রহমান রাজশাহীতে পৌঁছাবেন এবং সরাসরি মাদরাসা মাঠে সমাবেশে যোগ দেবেন। একইদিন সন্ধ্যায় নওগাঁ বাইপাসে এবং রাতে বগুড়ায় নির্বাচনি সমাবেশে ভাষণ দেবেন। বগুড়ায় রাত্রিযাপন করার সম্ভাবনাও রয়েছে।

রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, তারেক রহমানের আগমনে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলোতে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। আমরা কয়েক লাখ মানুষের সমাগম নিশ্চিত করতে পূর্ণ প্রস্তুতি নিচ্ছি।

জানা যায়, গত শনিবার দিবাগত রাতে নগরীর পদ্মা আবাসিক এলাকায় বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান মিনুর বাসভবনে রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাজগঞ্জ আসনের দলীয় প্রার্থী, মহানগর ও বিএনপি নেতাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল সভায় অংশ নেন তারেক রহমান। সভায় তিনি রাজশাহীতে তিন জেলার নির্বাচনি সমাবেশ সফল করার জন্য সমন্বয়ের নির্দেশনা দেন। ভার্চুয়াল সভায় রাজশাহী বিভাগের ১৩ আসনের প্রার্থীদেরও এ সমাবেশ সম্পর্কে অবহিত করার কথা বলেন তিনি। সভায় রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীন শওকত, নাটোর-২ আসনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এবং মহানগর বিএনপির নেতারা অংশগ্রহণ করেন।

এরপর রোববার সকাল থেকেই ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু হয়। এরই মধ্যে রাজশাহী মহানগর বিএনপি ও সংশ্লিষ্ট অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন। মঞ্চ প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে স্থানীয় প্রশাসনকেও অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

রাজশাহী-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু জানান, তারেক রহমান ২৯ জানুয়ারি বিমানে দুপুর সোয়া ১২টায় রাজশাহীতে নামবেন এবং সরাসরি মাদরাসা মাঠে পৌঁছে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন। রাজশাহীসহ আশপাশের তিন জেলার ১৩টি সংসদীয় আসনের প্রার্থী ও সাধারণ মানুষ এই জনসভায় উপস্থিত থাকবেন। রাজশাহী বিএনপির প্রাণকেন্দ্র, এখানকার মানুষ ‘ধানের শীষ’ ছাড়া কিছু ভাবেই না। আমরা বিজয়ের দৃঢ় প্রত্যয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছি।

এদিকে দীর্ঘ সময় পর রাজশাহীতে তারেক রহমানের আগমন বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উৎসাহ ও উদ্দীপনা তৈরি করেছে। দলীয় নেতারা মনে করেন, এই সমাবেশ রাজশাহী ও আশপাশের তিন জেলায় বিএনপির নির্বাচনি শক্তিকে ব্যাপকভাবে উজ্জীবিত করবে এবং ভোটারদের মধ্যে দলীয় মনোবল বাড়াবে। এর ফলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে ব্যাপক সুবিধা সৃষ্টি হবে।

উল্লেখ্য, রাজশাহী বিভাগের ১৩টি আসনে এই বৃহৎ সমাবেশ দলটির জন্য ঐতিহাসিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, কারণ সর্বশেষ ২০০৫ সালে দলীয় কর্মশালা ও প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে তারেক রহমান রাজশাহীতে এসেছিলেন। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে এই প্রথম ভোটের প্রচারে সরাসরি মহানগরীতে আসার ফলে দল ও ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাজগঞ্জের প্রার্থীদের জন্য একযোগে এই মহাসমাবেশ বিএনপির ঐক্য ও শক্তির প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে। সমাবেশ সফল করতে দল ও অঙ্গসংগঠন সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানা গেছে।


নিরাপত্তা জোরদারে সামরিক সরঞ্জাম নিরাপদ স্থানে সরিয়েছে ইরান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিরাপত্তা জোরদারে সামরিক সরঞ্জাম নিরাপদ স্থানে সরিয়েছে ইরান

দেশের সামরিক সক্ষমতা এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা সরঞ্জামগুলোর সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছে তেহরান। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল এই সরঞ্জামগুলোর একটি বড় অংশ দেশটির সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলোতে স্থানান্তর করা হয়েছে। ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালাই-নিক সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে যেকোনো সম্ভাব্য বাহ্যিক হুমকি থেকে সুরক্ষিত রাখতে এই কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

পারস্য উপসাগর এবং হরমুজ প্রণালির ভূরাজনীতিতে তেহরানের কৌশলগত অবস্থান এবং বিশাল জ্বালানি সম্পদের ভাণ্ডারের কারণে অতীতেও দেশটি বিভিন্ন ধরনের আগ্রাসনের শিকার হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি, ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এবং নৌবাহিনীর শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা চালানো হয়েছিল। তবে প্রতিপক্ষ এই আক্রমণগুলো চালালেও তাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য পুরোপুরি অর্জন করতে পারেনি বলে দৃঢ় দাবি করেছেন ইরানি এই সামরিক কর্মকর্তা।

সামরিক শক্তি ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সুরক্ষিত রাখার অংশ হিসেবে গত কয়েক বছর ধরেই সুপরিকল্পিতভাবে এই ভূগর্ভস্থ অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চালিয়েছে তেহরান। দেশের কৌশলগত প্রতিরক্ষা শক্তির একটি বড় অংশকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার ফলে প্রতিপক্ষের সামরিক পরিকল্পনা বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। বিশেষ করে ইরানের অস্ত্র উৎপাদন এবং সামগ্রিক সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করার যে গোপন পরিকল্পনা শত্রুদেশগুলোর ছিল, তা এই পদক্ষেপে নস্যাৎ হয়ে গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নিজেদের নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শানিত করার প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটি। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য আগ্রাসন দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করতে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালাই-নিক। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তেহরান তাদের সামরিক নীতিতে এ ধরনের পরিবর্তন ও আধুনিকায়ন অব্যাহত রাখবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।