শেয়ার বাজার

বসতভিটা বাঁচাতে গ্রামবাসীই আটক করলেন ড্রেজার, পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বসতভিটা বাঁচাতে গ্রামবাসীই আটক করলেন ড্রেজার, পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার বালাসীঘাট সংলগ্ন ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নদীভাঙন থেকে নিজেদের বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষার্থে কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের পূর্ব খোলাবাড়ী গ্রামের সাধারণ মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই সাহসী পদক্ষেপ নেন। সম্প্রতি দুপুরে নদীর তীরবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত একটি ড্রেজার ও একটি নৌকা আটক করেন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই অবৈধ কার্যক্রমের কারণে নদীভাঙন তীব্র আকার ধারণ করায় তারা নিজেরাই মাঠে নামতে বাধ্য হন।

স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের অভিযোগ অনুযায়ী, বালাসীঘাটের নিকটবর্তী খোলাবাড়ী গ্রামের উজান অংশে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে নিয়মবহির্ভূতভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। নদীর একেবারে কাছ থেকে বালু তোলার ফলে এর আশেপাশের অঞ্চলে মারাত্মক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে পূর্ব খোলাবাড়ী এবং উত্তর উড়িয়া গ্রামের অসংখ্য বসতবাড়ি, উর্বর ফসলি জমি ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এলাকাবাসী জানান, এর আগেও তারা এই অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবিতে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তરે অভিযোগ এবং মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছিলেন, কিন্তু তাতে কোনো সুফল মেলেনি।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসী জানান, ভিটেমাটি হারানোর আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না দেখায় তারা নিজেরাই নদীতে গিয়ে ড্রেজারগুলো আটক করেন। স্থানীয় বাসিন্দা আবুল হোসেন ও আব্দুর রশিদ বলেন, নদী ভাঙতে ভাঙতে তাদের শেষ সম্বলটুকু কেড়ে নেওয়ার উপক্রম করেছে, তাই ঘরবাড়ি বাঁচাতে তারা বাধ্য হয়ে এই প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন। অপর এক বাসিন্দা ওমর আলী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এভাবে বালু উত্তোলন চলতে থাকলে তাদের পথে বসা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না, তাই স্থায়ীভাবে এই ভাঙন রোধ করা জরুরি।

পরিস্থিতি বেগবান হওয়ায় স্থানীয় কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল রানা শালুও বিষয়টি দ্রুত প্রশাসনের নজরে আনেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ দেন। পরবর্তীতে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে। ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে ড্রেজার মালিক মিলন মিয়া এবং নৌকা মালিক হেলোয়ার হোসেনকে মোট দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। সেই সঙ্গে ভবিষ্যতে নদীতীর থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করবেন না মর্মে তাঁদের কাছ থেকে মুচলেকাও আদায় করা হয়েছে।

সংবিধান সংশোধনে আবার গণভোট করবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সংবিধান সংশোধনে আবার গণভোট করবে সরকার

দেশের সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিয়েছে বর্তমান সরকার। সম্প্রতি জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির তৃতীয় বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত উঠে আসে। কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সংবিধানে কোনো ধরনের মৌলিক পরিবর্তন আনা হলে তা জনগণের সরাসরি মতামতের ভিত্তিতেই বাস্তবায়ন করা হবে। আর এই লক্ষ্যেই ভবিষ্যতে পুনরায় একটি সাংবিধানিক গণভোট আয়োজনের পরিকল্পনা করছে সরকার। সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক, বিশিষ্ট জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের শীর্ষ নেতারা আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। দুপুর আড়াইটা থেকে শুরু হয়ে বিকেল সোয়া পাঁচটা পর্যন্ত চলা এই দীর্ঘ বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা সংবিধান সংস্কারের নানা দিক নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন এবং নিজেদের সুচিন্তিত মতামত তুলে ধরেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দৈনিক দেশ রূপান্তরের সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি সরকারের এই অবস্থানের কথা গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন।

বৈঠকে উপস্থিত সাংবাদিক ও সম্পাদকদের পক্ষ থেকে সংবিধান সংশোধনের বিষয়টি জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে সম্পন্ন করার জোরালো তাগিদ দেওয়া হয়। তারা মনে করেন, দেশের সর্বোচ্চ আইন পরিবর্তনের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দূরত্ব কমানো অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে প্রধান বিরোধী দল যাতে এই সংস্কার প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত হতে পারে, সেজন্য তাদের সর্বোচ্চ আস্থায় নেওয়ার আহ্বান জানান সাংবাদিকরা। এর জবাবে সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রধান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান যে, বিরোধী দলকে এই কমিটিতে যুক্ত করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তবে বিরোধীরা শেষ পর্যন্ত এই বৈঠকে অংশ না নিলেও, আগামীতে যখন সংসদে এই বিলটি তোলা হবে তখন তারা সংসদীয় আলোচনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন বলে কমিটি আশাবাদী। এছাড়া, আগামী বছরের শুরুতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সংসদের প্রথম অধিবেশনেই এই সংশোধন বিলটি পাস করার ব্যাপারে বিশেষ কমিটি অত্যন্ত আশাবাদী বলে বৈঠকে জানানো হয়।

বৈঠকটিতে দেশের শাসনব্যবস্থায় ক্ষমতার ভারসাম্য আনয়নের বিষয়টিও বিশেষ গুরুত্ব পায়। অতীতে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ক্ষেত্রে যে একচ্ছত্র ও বিশাল ক্ষমতার চর্চা দেখা গেছে, তা রাষ্ট্র ও জাতির সামগ্রিক মঙ্গলের জন্য অনুকূল ছিল না বলে অভিমত দেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আসন্ন সংবিধান সংশোধনে ক্ষমতার এই ভারসাম্যহীনতা দূর করার দাবি জানান তারা। কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রতিটি মতামতকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়ার আশ্বাস দেন। তিনি জানান যে, সমাজের দায়িত্বশীল পেশাজীবী ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের এই সুচিন্তিত মতামতগুলো সংবিধান সংশোধনের চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরিতে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে। দেশের সকল মহলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমেই একটি গ্রহণযোগ্য সংবিধান প্রণয়নই সরকারের মূল উদ্দেশ্য বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়।


বসুন্ধরা সিটিতে সনির নতুন শোরুম ও ক্যামেরা সার্ভিস সেন্টার চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বসুন্ধরা সিটিতে সনির নতুন শোরুম ও ক্যামেরা সার্ভিস সেন্টার চালু

রাজধানীর অন্যতম জনপ্রিয় শপিং মল বসুন্ধরা সিটিতে বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি ব্র্যান্ড সনির একটি নতুন শোরুম এবং বিশেষায়িত ক্যামেরা সার্ভিস সেন্টার চালু করা হয়েছে। সম্প্রতি আয়োজিত এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই আধুনিক সেবা কেন্দ্রগুলোর যাত্রা শুরু হয়। এর ফলে দেশের ফটোগ্রাফি এবং ভিডিওগ্রাফি জগতের পেশাদার শিল্পী ও সাধারণ শৌখিন ব্যবহারকারীরা এখন অনেক সহজেই উন্নত মানের সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

নতুন এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশের গ্রাহকদের দীর্ঘদিনের একটি প্রত্যাশা পূরণ হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন থেকে ক্যামেরা ব্যবহারকারীদের আর কোনো ডিভাইসের ত্রুটি মেরামতের জন্য দেশের বাইরে পাঠানোর প্রয়োজন পড়বে না। তাঁরা খুব সহজেই স্থানীয় বাজার থেকে সনির অফিশিয়াল ও নির্ভরযোগ্য মেরামত সুবিধা এবং কারিগরি সহায়তা গ্রহণ করতে সক্ষম হবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত আয়োজক ও সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমান সময়ে দেশের বাজারে মানসম্মত ক্যামেরা ও ভিডিওগ্রাফি সরঞ্জামের চাহিদা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ক্রমবর্ধমান চাহিদাকে সামনে রেখেই গ্রাহকদের দোরগোড়ায় বিশ্বমানের সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই নতুন শোরুম ও সার্ভিস সেন্টারটি স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সনি ব্র্যান্ডের পণ্যের ওপর গ্রাহকদের আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।

সংশ্লিষ্টরা আরও আশা প্রকাশ করেন যে, এই সার্ভিস সেন্টারটি চালু হওয়ার ফলে দেশের উদীয়মান তরুণ কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও ফটোগ্রাফারদের কাজের গতি অনেক বেড়ে যাবে। কোনো রকম দীর্ঘসূত্রিতা ছাড়াই তারা তাদের ক্যামেরা ও যন্ত্রাংশ দ্রুত সার্ভিসিং করিয়ে নিতে পারবেন। এই সেবা কেন্দ্রটি দেশের ডিজিটাল মিডিয়া ও ক্যামেরা শিল্পের প্রসারে একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।


কনটেন্ট ক্রিয়েটর ভিডিওতে দেখান বিপুল টাকা-পয়সা, একরাতেই চুরি হলো ১২০ ভরি গয়না

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কনটেন্ট ক্রিয়েটর ভিডিওতে দেখান বিপুল টাকা-পয়সা, একরাতেই চুরি হলো ১২০ ভরি গয়না

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের বিলাসবহুল জীবনযাপন ও সম্পদের প্রদর্শনী আজকাল বহু মানুষের জন্য বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনছে। সম্প্রতি ভারতের কন্যাকুমারী জেলার নাগেরকয়েল এলাকায় এমনই এক চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী নারী মধুমিতা সামাজিক মাধ্যমে বেশ পরিচিত একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং তাঁর সাড়ে চার লাখের বেশি অনুসারী রয়েছে। নিজের অনলাইন অ্যাকাউন্টে তিনি প্রায়ই বিপুল পরিমাণ সোনা, হীরা ও নগদ টাকা দেখিয়ে বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করতেন। এই অতিরিক্ত প্রসাধন ও প্রচারই শেষ পর্যন্ত চোরদের প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে তাঁকে।

পুলিশ ও সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি মধুমিতার পরিবারের সদস্যরা কিছু কেনাকাটার জন্য বাসা থেকে বাইরে গিয়েছিলেন। এই সুবর্ণ সুযোগটিকেই কাজে লাগায় দুর্বৃত্তরা এবং ভিআইপি গার্ডেন এলাকায় অবস্থিত তাঁর বাড়িতে হানা দেয়। পরিবারের লোকজন বাড়ি ফিরে দেখতে পান যে ঘরের লকার ভাঙা এবং ভেতরে থাকা সব মূল্যবান জিনিসপত্র উধাও। চোরেরা অত্যন্ত সুকৌশলে পুরো বাসা থেকে প্রায় ১২০ ভরি সোনা ও হীরার গয়না ছাড়াও নগদ অর্থ লুটে নিয়ে যায়। সব মিলিয়ে চুরি যাওয়া এই সম্পত্তির আর্থিক মূল্য প্রায় এক কোটি রুপি ছাড়িয়ে যাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

ঘটনার পর থেকেই তদন্তে নেমে পুলিশ অবাক হয়েছে মধুমিতার অনলাইন কার্যক্রমের ধরণ দেখে। অতীতে তাঁর বিভিন্ন রিল ও পোস্টে মূল্যবান সম্পদ কীভাবে নিরাপদে রাখতে হয়, সে বিষয়ে বড়াই করতে দেখা গেছে। এমনকি সম্প্রতি একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, এক শিশুর গায়ে তিনি বেশ কিছু নগদ টাকা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এই ধরনের ভিডিও এবং নিয়মিত বিলাসবহুল জীবনযাত্রার প্রদর্শনই অপরাধীদের তাঁর বাসা সম্পর্কে সব তথ্য পেতে সহায়তা করেছিল কি না, তা এখন গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এই পোস্ট ও রিলগুলোই এখন এই চাঞ্চল্যকর মামলার মূল তদন্তের ক্ষেত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। অপরাধীরা দীর্ঘদিন ধরে তাঁর গতিবিধির ওপর নজর রাখছিল কিংবা অনলাইনে দেওয়া তথ্য থেকেই চুরির পরিকল্পনা সাজিয়েছিল—এমন নানা দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার পর এলাকায় চরম আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এই বড় চুরির ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে এবং লুণ্ঠিত সম্পদ উদ্ধার করতে এরই মধ্যে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচটি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে।