শেয়ার বাজার

আন্তর্জাতিক ফুটবলে কোন দেশের বিপক্ষে একাধিক হ্যাটট্রিক করেছেন মেসি–রোনালদোরা ও আরও ৮ প্রশ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ফুটবলে কোন দেশের বিপক্ষে একাধিক হ্যাটট্রিক করেছেন মেসি–রোনালদোরা ও আরও ৮ প্রশ্ন

ক্রিকেট এবং ফুটবলের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অনেক রেকর্ড ও রোমাঞ্চকর ইতিহাস রয়েছে। এসব রেকর্ডের অনেক তথ্যই হয়তো আমাদের অনেকের অজানা। ক্রীড়াপ্রেমীদের এই কৌতূহল মেটাতে সম্প্রতি আকর্ষণীয় কিছু প্রশ্নের একটি সংকলন তৈরি করা হয়েছে। যেখানে বিশ্ব ক্রীড়ার নানা অজানা ও কৌতূহলেভরা পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে।

তালিকার অন্যতম আকর্ষণ হলো দেশের ক্রিকেটের সর্বকনিষ্ঠ ওয়ানডে সেঞ্চুরিয়ানের নাম জানা। এছাড়া আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশিবার কোন দুটি দল মুখোমুখি হয়েছে, সেই কৌতূহলও রয়েছে এর মধ্যে। বিশ্ব ক্রিকেটের নানা ঐতিহাসিক মুহূর্ত ও রেকর্ডের নিখুঁত হিসাব এতে উঠে এসেছে।

ফুটবল অঙ্গনের রোমাঞ্চকর পরিসংখ্যানও এই আয়োজনের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে। আন্তর্জাতিক ফুটবলে কোন কোন দেশের বিপক্ষে তারকা ফুটবলার লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো একাধিক হ্যাটট্রিক করার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন, তা নিয়ে রয়েছে বিশেষ কৌতূহল। ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এই তথ্যগুলো বেশ আকর্ষণীয় ও উপভোগ্য হবে।

পাশাপাশি ইউরোপিয়ান ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ আসর উয়েফা নেশনস লিগের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার নামও এতে স্থান পেয়েছে। খেলাধুলার এসব আকর্ষণীয় ও অজানা তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে যেকেউ নিজের ক্রীড়াজ্ঞান কতটা সমৃদ্ধ, তা পরীক্ষা করে নিতে পারবেন।

ট্রাম্প-সি বৈঠকে অর্জন কম, ততেও কেন খুশি চীন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ট্রাম্প-সি বৈঠকে অর্জন কম, ততেও কেন খুশি চীন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের শীর্ষ নেতা সি চিনপিংয়ের সাম্প্রতিক শীর্ষ বৈঠকটি দুই পরাশক্তির সম্পর্কে নতুন কোনো বড় সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে। দীর্ঘ আলোচনার পর কূটনৈতিক মহলে বড় ধরনের কোনো চুক্তি বা দৃশ্যমান অগ্রগতি স্বাক্ষরিত না হওয়ায় অনেকেই একে সীমিত অর্জন হিসেবে দেখছেন। তবে তা সত্ত্বেও বেইজিংয়ের তরফ থেকে এই বৈঠক নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করা হয়েছে এবং একে ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই সাক্ষাতের মূল উদ্দেশ্য ছিল সম্পর্কের বরফ গলানো এবং উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পাওয়া রোধ করা।

বৈঠকের মূল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের নানা জটিল সমীকরণ। এ প্রসঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্প অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় মন্তব্য করেছেন যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে বর্তমানে যে অতিরিক্ত আতঙ্ক বা ভীতি সৃষ্টি করা হচ্ছে তা আদতে একটি বড় ভাঁওতা মাত্র। তাঁর মতে, প্রযুক্তির এই নতুন যুগে নিয়ন্ত্রণ বা ভয়ের নামে যেসব আলোচনা চলছে, শেষ পর্যন্ত তাতে কৌশলগতভাবে চীনই বেশি সুবিধা লাভ করছে। মার্কিন নেতার এমন মন্তব্য প্রযুক্তি দুনিয়ায় নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে এবং এর ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের এই অবস্থান এবং ট্রাম্পের মূল্যায়ন বেইজিংয়ের নীতিনির্ধারকদের জন্য বেশ সুবিধাজনক হয়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। চীনের পক্ষ থেকে মনে করা হচ্ছে, ট্রাম্পের এ ধরনের বক্তব্য তাদের প্রযুক্তিগত অগ্রযাত্রাকে খাটো করার পশ্চিমা প্রচেষ্টাকে কিছুটা হলেও ভোঁতা করে দেয়। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো সংবেদনশীল খাতে মার্কিন রক্ষণশীল নীতিমালার বিরুদ্ধে এটি একধরনের পরোক্ষ স্বীকৃতি। ফলে আনুষ্ঠানিক কোনো বড় চুক্তি স্বাক্ষরিত না হলেও, বৈশ্বিক মঞ্চে নিজেদের কৌশলগত অবস্থান ধরে রাখতে পেরে চীন এই বৈঠক থেকে নিজেদের মতো করে ইতিবাচক বার্তা আদায় করে নিয়েছে।

সবমিলিয়ে দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের এই বৈঠকটি বিশ্ব রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একদিকে ওয়াশিংটনের কৌশলগত সতর্কবার্তা এবং অন্যদিকে বেইজিংয়ের বাস্তবমুখী সন্তুষ্টি—সব মিলিয়ে দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন বজায় থাকলেও সরাসরি সংঘাত এড়াতে এই আলোচনা কার্যকরী ভূমিকা রেখেছে। ভবিষ্যতের বাণিজ্য নীতি এবং প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতায় দুই পরাশক্তি কীভাবে নিজেদের অবস্থান বজায় রাখে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।


এফবিআইয়ের বিশাল তথ্যভাণ্ডার হ্যাক, নিরাপত্তার পাহারাদারই এখন নিরাপত্তাহীন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

এফবিআইয়ের বিশাল তথ্যভাণ্ডার হ্যাক, নিরাপত্তার পাহারাদারই এখন নিরাপত্তাহীন

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন বা এফবিআইয়ের সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের আঘাত হানার ঘটনা ঘটেছে। শাইনি হান্টার্স নামের একটি সাইবার অপরাধী গোষ্ঠী যুক্তরাষ্ট্রের এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশ করে বিপুল পরিমাণ স্পর্শকাতর তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে। এই বিশাল নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনায় সংস্থাটির বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক এবং উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে যারা গোপন পরিচয়ে অত্যন্ত সংবেদনশীল দায়িত্ব পালন করেন, তাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

হ্যাক হওয়া তথ্যের মধ্যে হাজার হাজার এজেন্টের পরিচয়, ব্যক্তিগত ঠিকানা, যোগাযোগের নম্বর এবং অত্যন্ত গোপনীয় চিকিৎসা সংক্রান্ত রেকর্ড রয়েছে। এমনকি সংস্থার বহু জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও বিশেষ এজেন্টের রক্ত পরীক্ষার ফলসহ নানা শারীরিক জটিলতার তথ্যও হ্যাকারদের কবলে পড়েছে বলে জানা গেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির পক্ষ থেকে এই তথ্যের কিছু নমুনা যাচাই করে সেগুলোর সত্যতা মিলেছে। সাইবার অপরাধীরা হুমকি দিয়েছে যে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের দাবি মানা না হলে এই সমস্ত গোপন নথি ও ডেটাবেস উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

চুরি যাওয়া এই ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে পড়লে শত্রুপক্ষের হ্যাকার ও অপরাধী চক্রগুলো তা অপব্যবহার করার সুযোগ পাবে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এর মাধ্যমে বিশ্বাসযোগ্য ফিশিং বার্তা তৈরি, প্রতারণা কিংবা এজেন্টদের সরাসরি লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে হয়রানি করার ঝুঁকি বহুলাংশে বেড়ে গেছে। এছাড়া অনলাইনে সক্রিয় বিভিন্ন অপরাধী চক্র ভুয়া তথ্য দিয়ে সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীকে কোনো এজেন্টের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়ার মতো সহিংস ঘটনাও ঘটাতে পারে। বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের প্রভাবিত বা নিয়োগ করার চেষ্টা করতে পারে বলেও জোরালো আশঙ্কা রয়েছে।

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ এই আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার এমন নগ্ন নিরাপত্তা ত্রুটি নিয়ে অভ্যন্তরীণ মহলে ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অপরাধী গোষ্ঠীটি এবার কোনো আর্থিক দাবি না জানিয়ে মূলত এফবিআইয়ের প্রকাশিত একটি পরামর্শমূলক নোট প্রত্যাহারের দাবি তুলেছে। মার্কিন তদন্ত সংস্থাটি জানিয়েছে যে তারা পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং কীভাবে এই নিরাপত্তা বেষ্টনী ভাঙল তা উদ্ঘাটনে জোরালো তদন্ত চলছে। তবে এই আকস্মিক ও বড় ধরনের সাইবার হামলার ফলে সৃষ্ট দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি এবং জাতীয় নিরাপত্তার সংকট কীভাবে মোকাবিলা করা হবে, তা নিয়ে এখনও বড় ধরনের অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।


আমরাও একদিন চাঁদে যাবো: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ জুন, ২০২৪

আমরাও একদিন চাঁদে যাবো: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ একদিন চাঁদে যাবে, এমন প্রত্যাশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন প্রজন্মকে সেভাবে জ্ঞান-বিজ্ঞানে দক্ষ করে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, ‘একসময় আমাদের চাঁদেও যেতে হবে, চাঁদও জয় করতে হবে। সেই বিজ্ঞানসম্পন্ন জ্ঞানটা যেন আমাদের শিশুরা এখন থেকে পায়, সেজন্য ব্যবস্থা নিতে হবে।’

বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৩’ এবং ‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৪’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মহাকাশ গবেষণা এবং এ বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ সৃষ্টির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় করে দিয়েছি, অ্যারোস্পেস এবং অ্যাভিয়েশন ইউনিভার্সিটিও করেছি। অ্যারোনটিক্যাল সেন্টারও করে দিয়েছি। গবেষণা এবং সেই সঙ্গে আমাদের শিশুদের এখন থেকে সেভাবে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।’

শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সরকারের আন্তরিকতা ও উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সবসময় আমরা একটা সুষম, জনকল্যাণমুখী, সর্বজনীন, মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা করতে চাই। আর শুধু ওই কেতাবই পড়ে না, ছোট ছোট শিশুদের ভেতরে যে মেধা-মনন সেগুলোও তো আমাদের বের করে আনতে হবে। তাদের সুযোগ দিতে হবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘তাদের ভেতরে যে একটা কিছু করার ক্ষমতা আছে, সেটা যাতে বিকশিত হয় সেই সুযোগটা সৃষ্টি করা দরকার। আর সেদিকে লক্ষ রেখেই কিন্তু শিক্ষা কারিকুলাম-আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞানের মধ্যে নিয়ে এসে স্কুলে কম্পিউটার করা হচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে প্রতিটি স্কুলে কম্পিউটার ল্যাব করা। প্রথমে এটা মাধ্যমিক থেকে শুরু করেছিলাম, এখন আমাদের লক্ষ্য প্রাইমারি থেকেই শুরু করে দেবো।’

দুই বছরের জন্য প্রি-প্রাইমারি চালুর কথা জানিয়ে সরকার প্রধান বলেন, ‘প্রি-প্রাইমারি আমরা চালু করেছি। প্রি-প্রাইমারি এক বছরের জন্য, এখন আমরা সেটা দুই বছরের জন্য করতে চাচ্ছি। শুধু পড়াশোনা না, আসবে-যাবে, একসঙ্গে বসবে, বন্ধুদের নিয়ে খেলাধুলা করবে, ওই খেলাধুলার মধ্য থেকেই তাদের ভেতরে যে সুপ্ত মেধাটা আছে, সেই মেধাটা কীভাবে বিকশিত করা যায়, সেই ধরনের ব্যবস্থা আমাদের নিতে হবে। তাহলেই কিন্তু এই ছেলে-মেয়ে, এরাই তো ভবিষ্যৎ আমাদের। সেভাবে আমরা তাদের তৈরি করে দেবো।

শেখ হাসিনা বলেন, আজকের যুগ হচ্ছে প্রযুক্তির, কাজেই কম্পিউটার শেখা, আমরা যেমন ল্যাব করে দিচ্ছি, ইনকিউবেশন সেন্টারও করে দিচ্ছি। সেভাবে আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন জনগোষ্ঠী আমরা গড়ে তুলতে চাই। সেদিকে লক্ষ রেখেই আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের বাংলাদেশ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। তাহলে আমাদের স্মার্ট সিটিজেন হবে। স্মার্ট সরকার, স্মার্ট অর্থনীতি, স্মার্ট সমাজ। অর্থাৎ প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ জনশক্তি। এই ছোটবেলা থেকে, শিশুকাল থেকে ধীরে ধীরে তারা গড়ে উঠবে, দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে। দেশের উন্নয়নে তাদের চিন্তা-ভাবনা, তারা আরও নতুন নতুন উদ্ভাবনী শক্তি দিয়েই দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। সেটাই আমি চাই।’

আজকের শিশুরা আগামী দিনের কর্ণধার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকের শিশু আগামী দিনের নাগরিক। যারা একদিন এ দেশের কর্ণধার হবে। এই শিশুদের মধ্য থেকেই একদিন কেউ প্রধানমন্ত্রী হবে, মন্ত্রী হবে, বড় বড় সরকারি চাকরি করবে, বৈজ্ঞানিক হবে।’

তিনি বলেন, ‘আজকের শিশুরাই আগামী দিনে স্মার্ট বাংলাদেশের পরিচালক হিসেবে পরিচালনার দায়িত্ব নেবে, সেটাই আমাদের আশা। ২০৪১ সালের মধ্যে হবে স্মার্ট বাংলাদেশ এবং আর ২১০০ সালে ডেল্টা প্ল্যানও করে দিয়েছি। যেন প্রজন্মের পর প্রজন্ম তারা সুন্দর জীবন পায়, সেটাই আমার লক্ষ্য।’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘আমাদের ছেলে-মেয়েরা শিক্ষাদীক্ষায়, সংস্কৃতি চর্চায়, খেলাধুলা, সবদিকে যেন উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে। সেটাই আমরা করতে চাই। তার জন্য যা যা প্রয়োজন সব কিছু আমরা করবো।’

এ বছর ১৮ ক্যাটাগরিতে মোট ১২৬ শিক্ষার্থী, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৩’ প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ৫৪ শিক্ষার্থী, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ফরিদ আহমেদ।