শেয়ার বাজার

ভৈরবে বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

ভৈরবে বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ

কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজার জংশনে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী ‘ঢাকা মেইল-২’ ট্রেনের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে। এতে ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ভৈরব বাজার জংশন ছেড়ে কিছু দূর যাওয়ার পর এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল ৮টায় এ রিপোর্ট লেখো পর্যন্ত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে আপ ও ডাউন উভয় লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় এই রুটের বিভিন্ন স্টেশনে একাধিক ট্রেন আটকা পড়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা।

ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মো. ইউসুফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনটি রাত ২টা ৫৫ মিনিটে ভৈরব বাজার জংশনে পৌঁছে কেবিন মাস্টারের কাছ থেকে সামনে অগ্রসর হওয়ার সংকেত পান। জংশন থেকে প্রায় ১৫০ মিটার অগ্রসর হওয়ার পর ইঞ্জিনের পরের চতুর্থ কোচটি লাইনচ্যুত হয়। এতে স্টেশনের আপ ও ডাউন উভয় লাইন বন্ধ হয়ে যায়।

দুর্ঘটনার পরপরই লাইন থেকে ট্রেন সরানোর কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। পরে আখাউড়া থেকে উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বর্তমানে উদ্ধার কাজ চলছে।

নিরাপত্তা জোরদারে সামরিক সরঞ্জাম নিরাপদ স্থানে সরিয়েছে ইরান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিরাপত্তা জোরদারে সামরিক সরঞ্জাম নিরাপদ স্থানে সরিয়েছে ইরান

দেশের সামরিক সক্ষমতা এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা সরঞ্জামগুলোর সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছে তেহরান। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল এই সরঞ্জামগুলোর একটি বড় অংশ দেশটির সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ স্থাপনাগুলোতে স্থানান্তর করা হয়েছে। ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালাই-নিক সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে যেকোনো সম্ভাব্য বাহ্যিক হুমকি থেকে সুরক্ষিত রাখতে এই কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

পারস্য উপসাগর এবং হরমুজ প্রণালির ভূরাজনীতিতে তেহরানের কৌশলগত অবস্থান এবং বিশাল জ্বালানি সম্পদের ভাণ্ডারের কারণে অতীতেও দেশটি বিভিন্ন ধরনের আগ্রাসনের শিকার হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি, ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এবং নৌবাহিনীর শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা চালানো হয়েছিল। তবে প্রতিপক্ষ এই আক্রমণগুলো চালালেও তাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য পুরোপুরি অর্জন করতে পারেনি বলে দৃঢ় দাবি করেছেন ইরানি এই সামরিক কর্মকর্তা।

সামরিক শক্তি ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সুরক্ষিত রাখার অংশ হিসেবে গত কয়েক বছর ধরেই সুপরিকল্পিতভাবে এই ভূগর্ভস্থ অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চালিয়েছে তেহরান। দেশের কৌশলগত প্রতিরক্ষা শক্তির একটি বড় অংশকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার ফলে প্রতিপক্ষের সামরিক পরিকল্পনা বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। বিশেষ করে ইরানের অস্ত্র উৎপাদন এবং সামগ্রিক সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করার যে গোপন পরিকল্পনা শত্রুদেশগুলোর ছিল, তা এই পদক্ষেপে নস্যাৎ হয়ে গেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

বর্তমান ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নিজেদের নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা আরও শানিত করার প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটি। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এবং সম্ভাব্য আগ্রাসন দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করতে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রেজা তালাই-নিক। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তেহরান তাদের সামরিক নীতিতে এ ধরনের পরিবর্তন ও আধুনিকায়ন অব্যাহত রাখবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


জাতিসংঘেও কালো সানগ্লাস পরে ভাষণ দিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী, কিন্তু কেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতিসংঘেও কালো সানগ্লাস পরে ভাষণ দিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী, কিন্তু কেন

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত বৈশ্বিক সংকট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ। তবে তাঁর নাতিদীর্ঘ এই ভাষণের মূল বিষয়বস্তুর পাশাপাশি বিশ্বমঞ্চে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয় তাঁর চোখে থাকা একটি কালো সানগ্লাস। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সাধারণত কমাণ্ডিং ও আনুষ্ঠানিক পোশাকের রীতি থাকলেও, নেপালের এই শীর্ষ নেতা তাঁর চিরচেনা স্টাইল বজায় রেখে কালো স্যুট এবং ঐতিহ্যবাহী নেপালি টুপির সঙ্গে কালো চশমা পরেই পোডিয়ামে দাঁড়িয়েছিলেন। জনসমক্ষে তাকে খুব কম সময়ই এই চশমা ছাড়া দেখা যায় এবং নিউইয়র্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক মঞ্চেও তিনি এই পরিচিত রূপটিই ধরে রাখেন।

জাতিসংঘের সেই সাধারণ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে বালেন্দ্র শাহ বিশ্বনেতাদের সামনে জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ প্রভাব তুলে ধরে জোরালো বক্তব্য রাখেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে জলবায়ু সংকট কোনো ভৌগোলিক সীমান্ত মেনে চলে না এবং এর বিরূপ প্রভাব উন্নয়নশীল দেশগুলোকে অসমভাবে ও নির্মমভাবে সহ্য করতে হচ্ছে। সম্প্রতি নেপালে ঘটে যাওয়া হিমবাহ ধসের ফলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যার প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান যে এই মর্মান্তিক বিপর্যয় কেবল একটি দেশের একক সমস্যা নয়, বরং এটি সমগ্র পৃথিবীর জন্যই এক স্পষ্ট সতর্কবার্তা। এরপর তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি কড়া বার্তা দিয়ে জলবায়ুজনিত দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত স্বল্পোন্নত দেশগুলোর পুনর্বাসন ও পুনরুদ্ধারে জরুরি ভিত্তিতে পর্যাপ্ত অর্থায়নের জোরালো দাবি জানান।

নেপালের প্রভাবশালী গণমাধ্যম দ্য কাঠমান্ডু পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, বালেন্দ্র শাহ অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে জনসম্মুখে এই স্বতন্ত্র রাজনৈতিক পরিচিতি ও ইমেজ গড়ে তুলেছেন। বিদেশি কূটনীতিক ও রাষ্ট্রদূতোদের সঙ্গে বৈঠক কিংবা আনুষ্ঠানিক কোনো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে তিনি নিয়মিতই এই সানগ্লাস পরে উপস্থিত হন। তবে মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক কিংবা ঘরোয়া ব্যক্তিগত আলোচনায় তিনি এই চশমা খুলে রাখেন বলে জানা গেছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রবেশ করার আগে তিনি একজন জনপ্রিয় র‍্যাপার এবং পরবর্তীতে কাঠমান্ডু মহানগরের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। সেই সময় থেকেই জনসম্মুখে তাঁর এই সানগ্লাস পরিধানের অভ্যাস তরুণ প্রজন্ম ও সাধারণ মানুষের মাঝে তাঁর প্রথা ভাঙার স্বাধীন চেতনার প্রতীক হিসেবে খ্যাতি লাভ করে।

রাজনীতির মাঠে এই সানগ্লাস পরা নিয়ে এর আগে নেপালের জাতীয় সংসদেও বেশ ভালো রকমের বিতর্ক ও সমালোচনা তৈরি হয়েছিল। রাজনৈতিক বিরোধীরা তাঁর এই আচরণকে ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও শিষ্টাচারবহির্ভূত বলে আখ্যায়িত করলে তিনি চিকিৎসকের ছাড়পত্র ও মেডিকেল রিপোর্ট স্পিকারের দপ্তরে জমা দেন। চিকিৎসকদের মতে, চোখের একটি বিশেষ চিকিৎসাজনিত সমস্যার কারণে তাঁকে সব সময় এই সানগ্লাস পরে থাকতে হয় এবং এ বিষয়ে তাঁর আনুষ্ঠানিক অনুমোদনও রয়েছে। মূলত রাজনৈতিক ইমেজের পাশাপাশি এই শারীরিক বাধ্যবাধকতার কারণেই তিনি বিশ্বমঞ্চ থেকে শুরু করে সব ধরনের কূটনৈতিক বৈঠকে সানগ্লাসটি ব্যবহার করে আসছেন।

নেপালের এই নেতার সংবাদ সম্মেলন বা টেলিভিশন ক্যামেরার সামনে কথা বলার প্রবণতা খুবই কম, তিনি মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমেই সরাসরি জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। ফলে তাঁর এই কালো সানগ্লাসটি ধীরে ধীরে তাঁর ব্যক্তিগত রাজনৈতিক ব্র্যান্ডের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে। এমনকি দেশটির জনপ্রিয় অনলাইন মার্কেটপ্লেসে তাঁর ব্যবহারের আদলে তৈরি বিশেষ মডেলের সানগ্লাসও বিক্রি হয়, যা তরুণ প্রজন্মের কাছে দারুণ ফ্যাশন আইটেম হিসেবে সমাদৃত। এই সমস্ত ভিন্নধর্মী বৈশিষ্ট্য মিলিয়ে নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে এক অন্যতম আলোচিত ও কৌতূহলোদ্দীপক ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছেন।


শান্তি আলোচনা ঠেকাতে ইউরোপ ‘সবকিছু করছে’: জাতিসংঘে রাশিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

শান্তি আলোচনা ঠেকাতে ইউরোপ ‘সবকিছু করছে’: জাতিসংঘে রাশিয়া

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার চলমান সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানের উদ্যোগগুলোকে নস্যাৎ করতে ইউরোপীয় দেশগুলো সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে বলে তীব্র অভিযোগ করেছেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ। সম্প্রতি নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই অভিযোগ করেন। লাভরভের মতে, পশ্চিমা দেশগুলোর এই ধরনের আগ্রাসী মনোভাব ও তৎপরতা কেবল যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করছে এবং অঞ্চলটিতে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথকে কঠিন করে তুলছে।

বক্তব্যে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন যে পশ্চিমা দেশগুলো নিয়মিতভাবে ইউক্রেনকে আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত করছে এবং কিয়েভ প্রশাসনকে সামরিক সহায়তা দিয়ে শক্তিশালী করে তুলছে। এমনকি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে সাধারণ মানুষ এবং গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামোগুলোর ওপর হামলা চালাতে ইউক্রেনকে প্রত্যক্ষভাবে মদদ জোগাচ্ছে পশ্চিমা মিত্ররা। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, রাশিয়াকে কৌশলগতভাবে পরাস্ত করার যে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা পশ্চিমারা করেছে, তা শেষ পর্যন্ত তাদের নিজেদেরকেই এক গভীর কৌশলগত অচলাবস্থার মুখে ফেলবে।

ইউরোপীয় রাজনীতির বাইরেও বৈশ্বিক নানা গুরুত্বপূর্ণ সংকট ও ভূরাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে নিজের বক্তব্যে জোরালো অবস্থান তুলে ধরেন সের্গেই লাভরভ। মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘমেয়াদি সংকটের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই অঞ্চলের মূল সমস্যার স্থায়ী সমাধানের এখনই উপযুক্ত সময় এসেছে। এ ক্ষেত্রে জাতিসংঘের পূর্বে গৃহীত অসংখ্য সিদ্ধান্ত ও প্রস্তাবের আলোούে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।

এছাড়াও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের বিভিন্ন আলোচিত বিষয়ে রাশিয়ার দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট করেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে অবিলম্বে সব ধরনের বন্দিদশা থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি জোর আহ্বান জানান। পাশাপাশি, শক্তি প্রয়োগ করে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার ঘটনাকে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেন তিনি। অন্যদিকে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির নিরাপদ ও সুষম ব্যবহারের লক্ষে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়াতে একটি বিশেষ বৈশ্বিক সংস্থা গঠনের চীনা উদ্যোগকে মস্কো পূর্ণ সমর্থন জানায়।