শেয়ার বাজার

ভারত নির্বাচন বিশ্লেষণ করতে পারে, মতামত দেওয়ার অধিকার রাখে না

প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

ভারত নির্বাচন বিশ্লেষণ করতে পারে, মতামত দেওয়ার অধিকার রাখে না

আসন্ন নির্বাচন নিয়ে ভারত বিশ্লেষণ করতে পারে, তবে মতামত দেওয়ার সুযোগ (অধিকার) দেশটি রাখে না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এছাড়া পতিত স্বৈরাচার ভোটের পরিবেশ নষ্টের চেষ্টা করলে সরকার প্রতিহত করতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।  

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে উপদেষ্টা এ কথা জানান। রিজওয়ানা হাসান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়; পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বে রয়েছেন। 

কোনো কোনো জেলায় ডিসিদের গণভোটের পক্ষে সেভাবে প্রচারণায় দেখা যাচ্ছে না- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, আমরা যা করছি তা হলো, আমরা উপদেষ্টারা দেশের ৬৪ জেলায় গিয়ে বিভিন্ন জেলার যারা সুশীল সমাজের আছেন, শিক্ষক প্রতিনিধি আছেন, ছাত্র প্রতিনিধি আছেন, যারা ধর্মীয় নেতা আছেন- সবাইকে গণভোটটা কেন হচ্ছে, গণভোটের অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো কী- এটা বুঝিয়ে দিচ্ছি। এখন যেহেতু নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে গেছে, এখন আর আমরা কোনো উপদেষ্টা সেখানে যাচ্ছি না। আমাদের কিছু ম্যাটেরিয়াল আছে গণভোটের স্বপক্ষে, সেটাই আমরা বিলি করে বেড়াচ্ছি।  

তিনি বলেন, কিন্তু জেলা প্রশাসকেরা কোথায় প্রচার করছেন, করছেন না... জেলা প্রশাসকেরা প্রচার করবেন হচ্ছে যে ১২ তারিখে সাধারণ ভোটের পাশাপাশি একটা গণভোট হবে। সাধারণ ভোটের পাশাপাশি জনগণ যেন গণভোটে যেতে পারে সে খবরটা জানানো। এর বেশি তো আর তাদের কিছু করার কথা না।  

সার্বিকভাবে এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ কেমন দেখছেন? দুই দলের মধ্যে ঢিল ছোড়াছুড়ি হচ্ছে। পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকেও ভোট নিয়ে মন্তব্য আসছে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, শোনেন, প্রথম কথা হচ্ছে নির্বাচনের পরিবেশ তো উত্তেজনাপূর্ণ হবে। এক দল আরেক দলকে হারাবার চেষ্টা করবে, এক দল জিতবার চেষ্টা করবে। যে দল জিতবার চেষ্টা করবে সে তার পক্ষকে ঘায়েল করার জন্য কথা বলবে, প্রতিপক্ষ আরেকজনকে ঘায়েল করার কথা বলবে, এটা খুব স্বাভাবিক কথা।

তিনি বলেন, কোনো কোনো জায়গায় হয়তো ভদ্রতা সভ্যতার সীমাটা রাখা হচ্ছে না, সেজন্য সব দলকেই দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। যদি কোনোটা আইনশৃঙ্খলা পর্যায়ে পৌঁছে যায় তখন সেটা সরকারের দায়িত্ব। তার আগ পর্যন্ত কে কার জনসভায় কী বললো না বললো সেটা তো সরকারের দায়িত্ব না।  

নির্বাচন সম্পূর্ণ একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় মন্তব্য করে রিজওয়ানা হাসান বলেন, সেখানে অন্য দেশ বিশ্লেষণ করতে পারে, কিন্তু মতামত তো দেওয়ার সুযোগ রাখে না। তার বিশ্লেষণ থাকতে পারে কিন্তু কে জিতলে কী ধারণা করবে জিতবার আগেই এত কথা বলে দিলে তো এই মন্তব্য বস্তুনিষ্ঠ সেরকম মনে করার কোনো সুযোগ নেই।  

ভোটের পরিবেশ নষ্ট হলে আওয়ামী লীগকেই দায়ী করা হবে- সরকারের এমন একটা বিবৃতি আছে। এ বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, ভোটের পরিবেশ নষ্ট করার যে আওয়ামী লীগ চেষ্টা করেনি তা তো ঠিক কথা না। ভোটের যেদিন শিডিউল ঘোষণা হলো সেদিনই তো বিভিন্ন জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ করা হলো এবং সেটার ভুক্তভোগী আমরাও কয়েকজন আছি। ফলে ভোটের পরিবেশ নষ্ট করার জন্য যদি পতিত স্বৈরাচারের কোনো শক্তি কোনো রকম চেষ্টা করে সেটা প্রতিরোধ করার জন্য সরকার প্রস্তুত আছে, প্রয়োজনে প্রস্তুতি আমরা বাড়াবো।

মানুষের ভেতরে ভোটের পরিবেশ নিয়ে ভয় কাজ করছে- এ বিষয়ে তিনি বলেন, আপনি আমাকে সুনির্দিষ্ট তথ্য দেবেন যে কোন মানুষ আপনাকে বলেছে তার ভোট দিতে ভয় লাগছে। আমরা যে এত কয়টা জেলায় গেলাম সব জায়গায় আমরা দেখে এসেছি প্রতিটি জায়গায় নির্বাচনের একটা আমেজ শুরু হয়েছে। যখন আমরা গেছি তখনও কিন্তু নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়নি। তো প্রচার-প্রচারণা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উত্তেজনাও বাড়বে, আগ্রহও বাড়বে, আনন্দও বাড়বে। এটা সবসময় বাংলাদেশে হয়ে থাকে। কোনো জায়গাতে কোনো মানুষ আমাকে বলেনি যে আপা ভোট দিতে কেমন করে যাবো আমার ভয় লাগছে। আপনাকে যদি কেউ এটা বলে থাকে আমাদের জানাবেন তার ভয় দূর করার দায়িত্ব অবশ্যই আমাদের।

সরকারের এ উপদেষ্টা আরও বলেন, এই যে ভয়ের একটা আবহ তৈরি করা নানান প্রচার-প্রচারণা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, নানান কিছু ভিত্তিহীন বক্তব্য দিয়ে দিয়ে একটা ভয়ের আবহ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ জন্যই বলা হচ্ছে যে পতিত স্বৈরাচার যদি নির্বাচনের পরিবেশকে বিঘ্ন করার জন্য কোনো কাজ করে আমরা সেটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো।

ভয়াবহ বন্যায় থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকককে দুর্যোগকবলিত ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ভয়াবহ বন্যায় থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকককে দুর্যোগকবলিত ঘোষণা

টানা ও ভারী বর্ষণের ফলে সৃষ্ট মারাত্মক জলাবদ্ধতার কারণে থাইল্যান্ডের প্রধান শহর ব্যাংকককে আনুষ্ঠানিকভাবে দুর্যোগকবলিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে চলা অবিরাম বৃষ্টির কারণে শহরের বিভিন্ন প্রধান সড়ক ও জনপদ পানির নিচে তলিয়ে গেছে, যা সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত করে তুলেছে। কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

প্রবল বর্ষণের ফলে সৃষ্ট এই আকস্মিক বন্যায় ব্যাংককের বিস্তীর্ণ নিচু এলাকাগুলো চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা অতিরিক্ত বৃষ্টির চাপ সামলাতে না পারায় প্রধান সড়কগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে এবং অনেক ঘরবাড়িতে পানি ঢুকে পড়েছে। এতে নগরবাসীর দৈনন্দিন কাজকর্ম প্রায় থমকে গেছে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় স্থানীয় প্রশাসন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ যৌথভাবে দুর্গত এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম জোরদার করেছে। আটকা পড়া সাধারণ মানুষকে উদ্ধারের জন্য বিশেষ নৌকা ও উদ্ধারকারী দল মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি, ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও জরুরি চিকিৎসাসামগ্রী বিতরণের কাজ নিরবচ্ছিন্নভাবে চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে ব্যাংককের প্রশাসন নাগরিকদের অপ্রয়োজনে ঘরের বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করছে। সরকারের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে যাতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পানি অপসারণ করে জনজীবন স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়।


কেন কিছু মানুষ বিশ্বাস করেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাই খ্রিস্টবিরোধী, যা মানুষকে শয়তানের উপাসনায় প্ররোচিত করছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কেন কিছু মানুষ বিশ্বাস করেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাই খ্রিস্টবিরোধী, যা মানুষকে শয়তানের উপাসনায় প্ররোচিত করছে

প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষের এই যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মানুষের জীবনযাত্রাকে সহজ করার পাশাপাশি নানা ধরনের নৈতিক ও দার্শনিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তির এই অভূতপূর্ব অগ্রগতি দেখে একশ্রেণির মানুষ চরম আশঙ্কার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। বিশেষ করে খ্রিস্টধর্মের কিছু রক্ষণশীল অনুসারী ও বিশিষ্ট ব্যক্তি দাবি তুলেছেন যে, এই প্রযুক্তি মানবজাতির জন্য কেবল ধ্বংস ডেকে আনবে না, বরং এটি হতে পারে সেই প্রতীক্ষিত খ্রিস্টবিরোধী শক্তি। তাদের মতে, মানুষের তৈরি এই বুদ্ধিমান যন্ত্র শেষ পর্যন্ত মানব সমাজকে ধর্মবিচ্যুত করে এক অন্ধকার জগতের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

সাম্প্রতিক সময়ে টিকটক, ইউটিউব ও বিভিন্ন জনপ্রিয় পডকাস্টের মতো সামাজিক মাধ্যমগুলোতে এই তাত্ত্বিক আলোচনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। এসব প্ল্যাটফর্মে ধর্মীয় আলোচক ও বিশ্লেষকরা দাবি করছেন যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্রমবর্ধমান ক্ষমতা মানুষকে ঐশ্বরিক বিধান থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। এমনকি প্রযুক্তিটি ধীরে ধীরে মানুষের স্বাধীন চিন্তাভাবনা এবং নৈতিক মূল্যবোধকে নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করেছে বলেও তারা মনে করছেন। এই ধারণার মূল ভিত্তি হলো, যে প্রযুক্তি মানুষকে অন্ধ ভক্তিতে পরিণত করে এবং স্রষ্টার অস্তিত্বকে চ্যালেঞ্জ জানায়, তা কোনো না কোনোভাবে শয়তানি শক্তিরই বাহন।

খ্রিস্টীয় ধর্মতত্ত্বের বিভিন্ন ব্যাখ্যার ওপর ভিত্তি করে এই তাত্ত্বিকরা যুক্তি দিচ্ছেন যে, মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে কৃত্রিম উপায়ে অনুকরণ করার এই প্রচেষ্টা আসলে মানবীয় অহংকারের চূড়ান্ত প্রকাশ। বাইবেলের বিভিন্ন ভবিষ্যৎ বাণীর সঙ্গে বর্তমান প্রযুক্তির নানা দিক মিলিয়ে তারা প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন যে, এই যন্ত্র মানবজাতিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে। তাদের মতে, এআই চালিত ব্যবস্থাগুলো এমনভাবে তৈরি হচ্ছে যা ভবিষ্যতে মানুষের ভেতর থেকে নৈতিকতা এবং বিশ্বাসের বোধ মুছে ফেলতে পারে। এর ফলে মানুষ নিজের অজান্তেই এক অলৌকিক ও অন্ধ শক্তির আরাধনায় লিপ্ত হয়ে পড়ছে, যা তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক।

তবে বিজ্ঞানমনষ্ক সমাজ ও প্রযুক্তিবিদরা এই ধরনের ধর্মীয় ব্যাখ্যা এবং আশঙ্কাকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো কেবলই একটি বিজ্ঞানসম্মত টুল বা হাতিয়ার, যা মানুষের কল্যাণে কাজ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটিকে কোনো অশুভ শক্তি বা ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে মেলানো সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক ও অমূলক। তবুও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সুবাদে এই ধরনের ভয় ও ষড়যন্ত্রের তত্ত্বগুলো খুব দ্রুত মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়ছে, যা প্রযুক্তিগত অগ্রগতির পথে এক নতুন মানসিক বাধার সৃষ্টি করছে।


আবার আলোচনায় বিএনপির চাঁদাবাজি ও দখল, নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না কেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আবার আলোচনায় বিএনপির চাঁদাবাজি ও দখল, নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না কেন

গত ফেব্রুয়ারি মাসের জাতীয় নির্বাচনে জয়লাভের পর বিএনপি সরকার গঠন করার ইতোমধ্যে ছয় মাসের বেশি সময় অতিক্রান্ত হয়েছে। তবে এই দীর্ঘ সময়েও দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কাঙ্ক্ষিত কোনো উন্নতি ঘটেছ কি না, তা নিয়ে জনমনে বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সাধারণ মানুষের মাঝে সরকারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নানা সংশয় তৈরি হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে উদ্বেগ দিন দিন বাড়ছে।

বিশেষ করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের একাংশের বিরুদ্ধে হামলা, চাঁদাবাজি এবং জোরপূর্বক দখলের গুরুতর অভিযোগ উঠছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য জেলা ও মহানগরে এই ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের চিত্র প্রায়ই সামনে আসছে। সাধারণ ব্যবসায়ী ও সাধারণ নাগরিকরা এই পরিস্থিতির কারণে চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে একটি সিন্ডিকেট যেভাবে অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে, তা দ্রুত দমন করা সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এই ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসন কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা বললেও মাঠপর্যায়ে তার কার্যকর বাস্তবায়ন দেখা যাচ্ছে না। ফলে সাধারণ মানুষের মনে সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে নানা প্রশ্নের উদ্রেক হচ্ছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ক্ষমতাসীন দলের নীতিনির্ধারকদের পক্ষ থেকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হলেও অপরাধপ্রবণতা পুরোপুরি রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। জনস্বার্থে এই ধরনের বেআইনি দখল ও চাঁদাবাজি শক্ত হাতে দমন করা না গেলে সরকারের সার্বিক অর্জন প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে বলে সতর্ক করছেন সংশ্লিষ্টরা।