শেয়ার বাজার

টঙ্গীতে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় মা-ছেলের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টঙ্গীতে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় মা-ছেলের মৃত্যু

গাজীপুরের টঙ্গীতে দ্রুতগতির একটি কাভার্ড ভ্যানের চাপায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মা ও ছেলে নিহত হয়েছেন। সম্প্রতি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী বিআরটি উড়ালসড়কের স্টেশন রোড এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। আকস্মিক এই প্রাণহানিতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় জনতা ঘাতক কাভার্ডভ্যানসহ এর চালককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। পুলিশ গাড়িটি জব্দ করে চালককে হেফাজতে নিয়েছে।

নিহতরা হলেন ৪৫ বছর বয়সী আয়েশা খাতুন এবং তাঁর ২২ বছরের তরুণ ছেলে ইয়াছিন। তাঁদের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা থানার বাদাম মাছিয়া গ্রামে এবং তাঁরা মো. চান মিয়ার স্ত্রী ও সন্তান। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহতরা গ্রামের বাড়িতে একটি পারিবারিক বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ করে আলম এশিয়া পরিবহনের একটি বাসে চড়ে টঙ্গীর নিমতলী এলাকার ভাড়া বাসায় ফিরছিলেন। বাস থেকে নেমে তাঁরা স্টেশন রোড এলাকায় উড়ালসড়কের পাশে ফুটপাতে অবস্থান করছিলেন।

ঠিক সেই মুহূর্তে গাজীপুর থেকে ঢাকাগামী একটি বেপরোয়া গতির কাভার্ডভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদের ওপর তুলে দেয়। এই আকস্মিক দুর্ঘটনায় আয়েশা খাতুন, ইয়াছিনসহ মোট তিনজন গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন ও পথচারীরা অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে তাঁদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় টঙ্গী শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।

হাসপাতালে পৌঁছানোর পর জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মা আয়েশা খাতুন ও ছেলে ইয়াছিনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই দুর্ঘটনায় আহত অপর একজন নারী বর্তমানে ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তাঁর চিকিৎসা চলছে। টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাকছুদুল আলম জানিয়েছেন যে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করেছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আতঙ্কে কয়েক হাজার মানুষ
দোয়ারাবাজারে সুরমার গ্রাসে মানচিত্র থেকে মুছে যাচ্ছে ইদনপুর-আজমপুর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৬ মে, ২০২৬

দোয়ারাবাজারে সুরমার গ্রাসে মানচিত্র থেকে মুছে যাচ্ছে ইদনপুর-আজমপুর

মুহাম্মদ হাবীবুল্লাহ হেলালী

​সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার সুরমা নদীর দক্ষিণ পাড়ে শুরু হয়েছে প্রকৃতির ভয়াবহ তাণ্ডব। রাক্ষুসী সুরমার করাল গ্রাসে মানচিত্র থেকে ক্রমশ বিলীন হতে চলেছে ইদনপুর ও আজমপুর সহ কয়েকটি গ্রাম। প্রতিদিন নদীর পেটে যাচ্ছে ফসলি জমি, ভিটেমাটি আর স্মৃতিবিজড়িত ঘরবাড়ি।

একদিকে সুরমার ভাঙন, অন্যদিকে নোয়াগাঁও খালের তীব্র ভাঙন— এই দুইয়ের সাঁড়াশি আক্রমণে এখন দিশেহারা কয়েক হাজার মানুষ। আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তায় নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর।

​সরেজমিনে দেখা যায়, সুরমা নদীর পাড়জুড়ে শুধু দীর্ঘশ্বাস। চোখের পলকেই নদীগর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে কৃষকের সারা জীবনের সম্বল। আবাদি জমি নদী গিলে ফেলায় প্রান্তিক কৃষকরা এখন ভূমিহীন হওয়ার পথে। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিবছর বর্ষা আসার আগেই ভাঙন তীব্র হয়, কিন্তু স্থায়ী কোনো সমাধান আজও মেলেনি।

​ইদনপুর গ্রামের মাস্টার নজির উদ্দিন ভাঙনের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে বলেন, 'আমাদের চোখের সামনে দুটি গ্রাম ছোট হয়ে আসছে। এভাবে চলতে থাকলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ইদনপুর ও আজমপুর গ্রামের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাবে না। '

​একই আর্তনাদ শোনা গেল আজমপুর গ্রামের সিরাজ মিয়ার কণ্ঠে। তিনি বলেন, 'নদী তো শুধু মাটি নেয় না, আমাদের স্বপ্নগুলোও নিয়ে যাচ্ছে। বাড়িঘর সরিয়ে নেওয়ার মতো জায়গাও এখন আর অবশিষ্ট নেই।'

​শুধু সুরমা নদী নয়, মরার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে নোয়াগাঁও খালের ভাঙন। এই খালের ভাঙনে ইদনপুরসহ দক্ষিণ পাড়ের বাসিন্দারা চরম আতঙ্কে রয়েছেন। এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে ড্রেজার দিয়ে এই খালে মাটি ভরাট করা এবং সুরমা নদীর পাড় রক্ষায় পরিকল্পিত ও টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা এখন সময়ের দাবি।

​ইদনপুরের বাসিন্দা এখলাছুর রহমান রাজু ক্ষোভ ও আর্তি নিয়ে জানান নোয়াগাঁও খালের ভাঙন আমাদের আরও বেশি অসহায় করে তুলেছে। নদী আর খালের মাঝখানে আমরা যেন এক চিলতে দ্বীপে বন্দি হয়ে আছি। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পুরো এলাকা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।' 

​এলাকাবাসী তাদের এই মানবিক বিপর্যয় থেকে বাঁচতে ছাতক-দোয়ারাবাজার আসনের সংসদ সদস্য ও জননেতা কলিমউদ্দিন আহমেদ মিলনের দ্রুত সুদৃষ্টি ও ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একইসাথে সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের জরুরি পদক্ষেপ দাবি করেছেন তারা।

​এ বিষয়ে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী (এসও) সাদ্দাম হোসেন জানান,

​'আমরা ভাঙনের তীব্রতা সম্পর্কে অবগত আছি। ইদনপুর ও আজমপুর এলাকার বর্তমান পরিস্থিতি এবং নদী ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে। বরাদ্দ ও নির্দেশনা পেলে দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।'

​তবে সরকারি প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা কাটিয়ে দ্রুত কাজ শুরু না হলে, নদীপাড়ের এই প্রাচীন জনপদগুলো কেবল ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই নেবে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল। দোয়ারাবাজারের এই বিপন্ন মানুষের এখন একটাই চাওয়া— ভিটেমাটি আঁকড়ে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা।


এআই শিক্ষার নতুন পাঠ চীনা স্কুলে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

এআই শিক্ষার নতুন পাঠ চীনা স্কুলে

প্রযুক্তির দ্রুত অগ্রগতির সঙ্গে তাল মেলাতে চীনের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই বিষয়ের পাঠদান শুরু হয়েছে। সম্প্রতি শুরু হওয়া শরৎকালীন শিক্ষাবর্ষ থেকেই দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই আধুনিক প্রযুক্তির পাঠ্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতের পড়ালেখা ও কর্মক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে তুলতে এই উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির শিক্ষা প্রশাসন। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কেবল এআই প্রযুক্তির ব্যবহারই শেখানো হচ্ছে না, বরং এই প্রযুক্তির দেওয়া তথ্যের সত্যতা যাচাই এবং সঠিক প্রশ্ন করার কৌশলও শেখানো হচ্ছে।

নতুন এই পাঠ্যক্রমের অংশ হিসেবে ব্যবহারিক ক্লাসে শিক্ষার্থীরা নিজেরাই ছোটখাটো প্রোগ্রাম তৈরি এবং ছবি শনাক্তকরণের মতো কাজ হাতে-কলমে শিখছে। পূর্ব চীনের চিয়াংসু প্রদেশের নানচিং কেলিহুয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এমন একটি ক্লাসে শিক্ষার্থীদের ট্যাবলেট ব্যবহার করে বুদ্ধিমান বিক্রয়যন্ত্রের কার্যপ্রণালি তৈরি করতে দেখা গেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পেছনের কার্যক্রম ও বিপুল পরিমাণ প্রশিক্ষণ তথ্যের ধারণা শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিষ্কার করতে এই ধরনের বাস্তবমুখী কার্যক্রম বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখছে। বারবার ভুল সংশোধন করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তিগত কাজের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করছে।

শুধু তথ্যপ্রযুক্তির ক্লাস নয়, বরং ভাষা ও ভূগোলের মতো নিয়মিত পাঠ্যকালেও এআই প্রযুক্তির ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত করা হচ্ছে। বেইজিং ন্যাশনাল ডে স্কুলের বিভিন্ন ক্লাসে শিক্ষার্থীরা প্রাচীন সেতু সম্পর্কে তথ্য খোঁজা কিংবা সম্পদনির্ভর শহরের অর্থনৈতিক পরিবর্তন বিশ্লেষণে এআইয়ের সহায়তা নিচ্ছে। তবে প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে শিক্ষকদের পক্ষ থেকে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে, যাতে শিক্ষার্থীরা অন্ধভাবে প্রযুক্তির ওপর নির্ভর না করে প্রথমে নিজেরা চিন্তা করতে পারে। চীনের বিভিন্ন প্রাদেশিক অঞ্চল ইতোমধ্যে নিজস্ব পাঠ্যক্রম নির্দেশিকা তৈরি করেছে এবং চিয়াংসু প্রদেশে এটি পুরোপুরি চালু হয়েছে।

পড়াশোনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অন্তর্ভুক্তি দেশের শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। শানতোং প্রদেশে বাধ্যতামূলক শিক্ষার অংশ হিসেবে প্রথম শ্রেণি থেকেই নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্লাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত ঐচ্ছিক বিষয় হিসেবেও চালুর সুযোগ রাখছে। দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, আগামী দিনে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের সামগ্রিক পাঠ্যক্রমের সঙ্গে এআই শিক্ষাকে আরও নিবিড়ভাবে যুক্ত করা হবে। বিশেষ করে গ্রামীণ ও অনুন্নত অঞ্চলের বিদ্যালয়গুলোতে এআই শিক্ষা কেন্দ্রগুলোকে শক্তিশালী করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।


ইবিতে প্রেমিক যুগল আটক, আজ বিয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ইবিতে প্রেমিক যুগল আটক, আজ বিয়ে

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্জন স্থানে অনৈতিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। ক্যাম্পাসসংলগ্ন একটি মেসের পাশের এলাকা থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের ধরে ফেলেন এবং পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মীদের হাতে সোপর্দ করেন। এই ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁদের প্রক্টর অফিসে নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে এবং পুরো বিষয়টি নিয়ে ক্যাম্পাসে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, আটক হওয়া ওই ছাত্র ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের এবং ছাত্রী ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। গত কিছুদিন ধরে ওই জুটির গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় স্থানীয় লোকজন তাঁদের ওপর নজর রাখছিলেন। একপর্যায়ে রাতে তাঁদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হন এবং তাঁদের ঘিরে ধরেন। পরে নিরাপত্তাকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং তাঁদের প্রক্টর অফিসে নিয়ে যান।

প্রক্টর অফিসে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের মুখে দুই শিক্ষার্থীই নিজেদের ভুল স্বীকার করেন এবং উভয়েই স্বেচ্ছায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এই পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি উভয় পক্ষের অভিভাবকদের উপস্থিতিতে তাঁদের বিয়ের আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেয়। লিখিত মুচলেকায় শিক্ষার্থীরা জানান যে তাঁরা পরিবারের সম্মতিতে এবং নিজেদের ইচ্ছায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান জানান, শিক্ষার্থীরা দোষ স্বীকার করায় এবং বিয়ের পক্ষে মত দেওয়ায় অভিভাবক ডেকে তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে বলে তিনি স্পষ্ট করেন। এছাড়া নির্দিষ্ট সময়ের পর মেস খোলা রাখার দায়ে সংশ্লিষ্ট মেস মালিককেও তলব করা হবে বলে প্রক্টর অফিস থেকে জানানো হয়েছে।