শেয়ার বাজার

তিন জেলায় কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তিন জেলায় কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

দেশের তিন গুরুত্বপূর্ণ জেলা কুমিল্লা, টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জে সম্প্রতি জিপিএ-৫ প্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের নিয়ে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা উৎসবের আয়োজন করা হয়। 'স্বপ্ন দেখো জীবন গড়ো' এই মূল স্লোগানকে সামনে রেখে এই উৎসবের আয়োজন করে দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো। তরুণ প্রজন্মের মেধা বিকাশ ও তাদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার উৎসাহ জোগাতে এই আয়োজনের পৃষ্ঠপোষকতা করেছে জনপ্রিয় ডিজিটাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিখো। আয়োজকরা জানিয়েছেন, দেশের প্রতিটি জেলার মেধাবী শিক্ষার্থীদের এই উদযাপনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানগুলোকে কেন্দ্র করে প্রতিটি ভেন্যুতে তরুণ শিক্ষার্থীদের ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। সকালের দিকে শিক্ষার্থীরা সারিবদ্ধভাবে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করেন এবং নিজেদের আনন্দ ক্যামেরা বন্দি করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। কুমিল্লা জেলা স্কুল প্রাঙ্গণসহ অন্যান্য ভেন্যুগুলোতে আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়, যেখানে শিক্ষার্থীরা একে অপরের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেন। শুধু সংবর্ধনা গ্রহণই নয়, বরং দিনভর নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও আয়োজনে মেতে উঠেছিল পুরো প্রাঙ্গণ।

অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণের পাশাপাশি বিভিন্ন আনন্দদায়ক খেলার আয়োজন করা হয়, যা শিক্ষার্থীদের মনে বাড়তি আনন্দের খোরাক জোগায়। মজার এসব খেলায় শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং বিজয়ী ও কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়াদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এছাড়া সিরাজগঞ্জে অনুষ্ঠিত আয়োজনে বন্ধুসভার পক্ষ থেকে জাদু প্রদর্শন করা হয়, যা উপস্থিত সবাইকে দারুণ বিনোদন দেয়। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

দিনব্যাপী এই আয়োজনে কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও প্রথম আলো পত্রিকা তুলে দেওয়া হয়, যা তাদের ভবিষ্যৎ চলার পথে অনুপ্রেরণা জোগাবে। সিরাজগঞ্জের জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে মনোজ্ঞ নৃত্য পরিবেশন ও জাদু প্রদর্শনের মাধ্যমে পুরো অনুষ্ঠানটি এক ভিন্ন মাত্রা লাভ করে। পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য জেলাগুলোতেও এই কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা উৎসবের আয়োজন করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

অসুস্থতার কথা বলে কক্ষে যাওয়ার পর মাদ্রাসাছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

অসুস্থতার কথা বলে কক্ষে যাওয়ার পর মাদ্রাসাছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় নিজ বাড়ি থেকে তাসফিয়া খানম ইভা (১৫) নামের নবম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সম্প্রতি সন্ধ্যার দিকে উপজেলার বারশত ইউনিয়নের দুধকুমড়া এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত তাসফিয়া ওই এলাকার মোহাম্মদ ইসমাইলের মেয়ে এবং স্থানীয় একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছিল। আকস্মিক এই মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন সন্ধ্যার দিকে তাসফিয়া অসুস্থতার কথা বলে নিজের শোবার ঘরে প্রবেশ করে। দীর্ঘ সময় ধরে ঘরের ভেতর থেকে কোনো সাড়াশ শব্দ না পেয়ে তার মা কৌতূহলী হয়ে দরজায় গিয়ে ডাকাডাকি শুরু করেন। কিন্তু ভেতর থেকে কোনো সাড়া না পাওয়ায় পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে তারা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় মেয়েটির মরদেহ ঝুলতে দেখতে পান।

প্রিয় সন্তানের এমন আকস্মিক ও রহস্যজনক মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না শোকস্তব্ধ পরিবারের সদস্যরা। তাৎক্ষণিকভাবে তারা বিষয়টি স্থানীয় লোকজনকে জানান এবং পরবর্তীতে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে আনোয়ারা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। পুলিশ পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার প্রাথমিক বিবরণ সংগ্রহ করে।

এ বিষয়ে আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। পুলিশ নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে। এই অপ্রীতিকর মৃত্যুর ঘটনায় থানায় আইনগত প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর আসল কারণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।


আন্তর্জাতিক ফুটবলে কোন দেশের বিপক্ষে একাধিক হ্যাটট্রিক করেছেন মেসি–রোনালদোরা ও আরও ৮ প্রশ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আন্তর্জাতিক ফুটবলে কোন দেশের বিপক্ষে একাধিক হ্যাটট্রিক করেছেন মেসি–রোনালদোরা ও আরও ৮ প্রশ্ন

ক্রিকেট এবং ফুটবলের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অনেক রেকর্ড ও রোমাঞ্চকর ইতিহাস রয়েছে। এসব রেকর্ডের অনেক তথ্যই হয়তো আমাদের অনেকের অজানা। ক্রীড়াপ্রেমীদের এই কৌতূহল মেটাতে সম্প্রতি আকর্ষণীয় কিছু প্রশ্নের একটি সংকলন তৈরি করা হয়েছে। যেখানে বিশ্ব ক্রীড়ার নানা অজানা ও কৌতূহলেভরা পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে।

তালিকার অন্যতম আকর্ষণ হলো দেশের ক্রিকেটের সর্বকনিষ্ঠ ওয়ানডে সেঞ্চুরিয়ানের নাম জানা। এছাড়া আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশিবার কোন দুটি দল মুখোমুখি হয়েছে, সেই কৌতূহলও রয়েছে এর মধ্যে। বিশ্ব ক্রিকেটের নানা ঐতিহাসিক মুহূর্ত ও রেকর্ডের নিখুঁত হিসাব এতে উঠে এসেছে।

ফুটবল অঙ্গনের রোমাঞ্চকর পরিসংখ্যানও এই আয়োজনের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে। আন্তর্জাতিক ফুটবলে কোন কোন দেশের বিপক্ষে তারকা ফুটবলার লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো একাধিক হ্যাটট্রিক করার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন, তা নিয়ে রয়েছে বিশেষ কৌতূহল। ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এই তথ্যগুলো বেশ আকর্ষণীয় ও উপভোগ্য হবে।

পাশাপাশি ইউরোপিয়ান ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ আসর উয়েফা নেশনস লিগের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার নামও এতে স্থান পেয়েছে। খেলাধুলার এসব আকর্ষণীয় ও অজানা তথ্য যাচাইয়ের মাধ্যমে যেকেউ নিজের ক্রীড়াজ্ঞান কতটা সমৃদ্ধ, তা পরীক্ষা করে নিতে পারবেন।


বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস

রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানীতে একটি বহুতল বাণিজ্যিক ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গত ২৬ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এফআর টাওয়ারের সংলগ্ন একটি ২৬ তলা ভবনে এই আগুন লাগার বিপত্তি ঘটে। হঠাৎ করেই ভবনটির একটি নির্দিষ্ট তলা থেকে ধোঁয়া ও শিখা বের হতে দেখলে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষকে অবহিত করা হয়।

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সেদিন বিকেল ৫টা ৩৬ মিনিটে তাদের কাছে আগুন লাগার এই খবর পৌঁছায়। ২৬ তলা ওই ভবনটির ২৩ তলায় আগুন সূত্রপাত হয়েছিল বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট ডিউটি অফিসার। ওই নির্দিষ্ট ফ্লোরে দুটি বায়িং হাউসের কার্যক্রম পরিচালিত হতো। অগ্নিকাণ্ডের তীব্রতায় সেখানকার গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু এয়ার কন্ডিশনার বা এসি এবং সার্ভার পুরোপুরি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার ও নির্বাপণ কাজ শুরু করে। দমকল বাহিনীর কর্মীদের পেশাদারিত্ব ও দ্রুত পদক্ষেপের কারণে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ার সুযোগ পায়নি। দীর্ঘ প্রায় আধা ঘণ্টার প্রচেষ্টায় সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে সক্ষম হন ফায়ার কর্মীরা।

প্রাথমিকভাবে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ কিংবা ক্ষয়ক্ষতির আর্থিক পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেনি। তবে সৌভাগ্যবশত এই আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। জনবহুল এলাকায় এমন ঘটনায় তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত তৎপরতা বড় ধরনের বিপর্যয় এড়াতে সহায়তা করেছে।