শেয়ার বাজার

টেনেসিতে ২০০ বছর পর এই প্রথম কোনো নারীর মৃত্যুদণ্ড হতে যাচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টেনেসিতে ২০০ বছর পর এই প্রথম কোনো নারীর মৃত্যুদণ্ড হতে যাচ্ছে

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে প্রায় দুই শ বছর পর কোনো নারী বন্দীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রস্তুতি চলছে। বর্তমানে ৫০ বছর বয়সী ক্রিস্টা পাইক নামের ওই নারী প্রাণঘাতী ইনজেকশন নেওয়ার মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন। তবে তাঁর জীবন বাঁচাতে এবং দণ্ড মওকুফ করতে আইনজীবীরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আইনি লড়াই অব্যাহত রেখেছেন। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই আইনি প্রক্রিয়ার কারণে বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে ১৯৯৫ সালে, যখন পাইকের বয়স ছিল মাত্র আঠারো বছর। ওই সময় তিনি তাঁর তৎকালীন প্রেমিক ট্যাডারিল শিপের সঙ্গে মিলে ১৯ বছর বয়সী কলিন স্লেমার নামের এক তরুণকে নৃশংসভাবে হত্যা করেন। কিশোর-কিশোরীদের একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্রে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়, যেখানে নির্যাতন চালিয়ে স্লেমারকে হত্যা করা হয়েছিল। এই অপরাধে পাইকের মৃত্যুদণ্ড হলেও তাঁর সহযোগীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়।

মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের এই প্রক্রিয়ার সামনে দাঁড়িয়ে পাইক কিছু বিশেষ ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তিনি চান না দণ্ড কার্যকরের সময় তাঁর পরিবারের কেউ সেখানে উপস্থিত থাকুক। এছাড়া, তাঁকে যে দলটি ইনজেকশন দেবে, তা যেন সম্পূর্ণ নারী সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয়—এমনটাই তাঁর প্রত্যাশা। কারাগার কর্তৃপক্ষ তাঁকে নারী রক্ষীদের মাধ্যমে স্থানান্তরের বিষয়টি বিবেচনা করলেও এর শতভাগ নিশ্চয়তা দিতে পারেনি।

অন্যদিকে, নিহত কলিন স্লেমারের মা মে মার্টিনেজ অবিলম্বে এই রায় কার্যকরের জোরালো দাবি জানিয়েছেন। তিনি মনে করেন, অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত হলেই কেবল তাঁর মৃত মেয়ের আত্মা শান্তি পাবে। পক্ষান্তরে, পাইকের আইনজীবীরা যুক্তি দিয়ে বলছেন যে বর্তমানে একই অপরাধে কোনো কিশোরী দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁকে সম্ভবত মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতো না। তারা পাইকের মর্মান্তিক ও বেদনাদায়ক শৈশবকে আদালতের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন।

মনোবিজ্ঞানীদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ক্রিস্টা পাইক শৈশবে চরম নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন এবং একাধিকবার যৌন নিপীড়নের মুখোমুখি হন। যারা তাঁকে রক্ষা করার কথা ছিল, তারাই তাঁকে নির্যাতন করেছিল বলে চিকিৎসকদের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে মৃত্যুদণ্ডের বিধান থাকলেও টেনেসিতে এটি অত্যন্ত বিরল ঘটনা। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে এখন দেখার বিষয় আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কোন দিকে মোড় নেয়।

মার্কিন পুঁজিবাজার, সরকারি সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এআই বটের অনধিকার প্রবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মার্কিন পুঁজিবাজার, সরকারি সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এআই বটের অনধিকার প্রবেশ

অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক মহলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন দেশের সরকারি পোর্টাল, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ওপেনএআইয়ের বট বা এজেন্টগুলোর অনুমতিহীন প্রবেশাধিকারের ঘটনা সামনে এসেছে। আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই আগ্রাসী আচরণ ডেটা প্রাইভেসি এবং সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। বিশেষ করে গোপনীয় ও সংরক্ষিত ডেটার সুরক্ষা নিশ্চিত করা নিয়ে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এর আগে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ দেশটির সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছিলেন। তিনি জানান যে, ওপেনএআইয়ের স্বয়ংক্রিয় এজেন্টগুলো এমন কিছু নথিপত্র এবং ডিজিটাল পাতার নাগাল পেয়েছে যা সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত ছিল না। সরকারি সুরক্ষাবেষ্টনী ও গোপনীয়তার নীতিমালা এড়িয়ে এ ধরনের সংবেদনশীল তথ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রবেশ সংশ্লিষ্ট করণিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতাকেই ফুটিয়ে তুলেছে।

অস্ট্রেলিয়ার এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মার্কিন পুঁজিবাজারের বিভিন্ন পোর্টাল এবং বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রেও একই ধরনের অনিয়মের তথ্য মিলছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব গবেষণা ও সংরক্ষিত ডেটাবাসেও এই এআই বটগুলোর অযাচিত উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে। এর ফলে প্রাতিষ্ঠানিক গোপনীয়তা বজায় রাখা এবং সাইবার অপরাধ রোধ করা আগের চেয়ে অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রযুক্তি জায়ান্ট এবং ওপেনএআইয়ের মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর দাবি জোরালো হচ্ছে। সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য সুরক্ষায় আরও কঠোর নীতিমালা প্রণয়নের পাশাপাশি এআই বটগুলোর কাজের পরিধি নির্ধারণ করে দেওয়ার ওপর জোর দিচ্ছেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা। অন্যথায় এই ধরনের অনধিকার প্রবেশের ঘটনা ভবিষ্যতে আরও বড় কোনো ডিজিটাল সংকটের সৃষ্টি করতে পারে বলে তারা সতর্ক করেছেন।


সাপের কামড়ে আইসিইউতে রাবি শিক্ষার্থী, প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবিতে প্রশাসন ভবন ঘেরাও

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সাপের কামড়ে আইসিইউতে রাবি শিক্ষার্থী, প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবিতে প্রশাসন ভবন ঘেরাও

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলে ঘুমন্ত অবস্থায় এক শিক্ষার্থীকে কালাচ সাপে কাটার ঘটনা ঘটে। এই মারাত্মক দুর্ঘটনার পর হলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে হল প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে সরব হন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন ঘেরাও করে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবং এর আগে হলের বিভিন্ন কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন। ক্যাম্পাসে এ ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি রোধে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে বলে আন্দোলনকারীরা অভিযোগ তোলেন। বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীরা হলের চারপাশের ঝোপঝাড় পরিষ্কার ও কার্যকর স্নেক নেট স্থাপনের জোর দাবি জানান।

ঘটনার শিকার হওয়া ওই শিক্ষার্থীর নাম নুরনবী ইসলাম, যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন সায়েন্স অ্যান্ড লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী। ভোরের দিকে নিজের আবাসিক রুমের ভেতর ঘুমাচ্ছিলেন তিনি, ঠিক তখনই বিষাক্ত কালাচ সাপ তাঁকে দংশন করে। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে অ্যান্টিভেনম প্রদান করেন এবং পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাঁকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে অর্থাৎ আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা চিকিৎসাধীন সহপাঠীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা হলের নানা অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে পোস্টার ও লিফলেট প্রদর্শন করেন। তাদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে সিট বাণিজ্য বন্ধ, হলের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দূরীকরণ এবং খাবারের মান বাড়ানোর মতো বিভিন্ন দাবি তুলে ধরা হয়। হল সংসদের নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন যে, হলের ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও চারপাশের জঙ্গল পরিষ্কার রাখার জন্য বারবার তাগাদা দেওয়া হলেও প্রশাসন কোনো কর্ণপাত করেনি। অপর্যাপ্ত জনবল ও যন্ত্রপাতির অজুহাতে দীর্ঘদিন ধরে চলা এসব সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ না নেওয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা মনে করছেন, প্রশাসনের এই উদাসীনতার কারণেই একজন শিক্ষার্থীকে মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। ছাত্র সংসদের নেতৃবৃন্দ মন্তব্য করেন যে, হলের মতো সুরক্ষিত জায়গায় যদি শিক্ষার্থীরা নিরাপদ না থাকে, তবে প্রশাসনের কার্যক্রম নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তৈরি হয়। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ছাত্র উপদেষ্টা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালান। তবে সুনির্দিষ্ট ও স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস না পাওয়ায় শিক্ষার্থীরা তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অনড় অবস্থান ঘোষণা করেন।


সড়কে রহস্যময় ঘটনা, ‘ভূত-জ্বীন’ থেকে বাঁচতে মিলাদ মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সড়কে রহস্যময় ঘটনা, ‘ভূত-জ্বীন’ থেকে বাঁচতে মিলাদ মাহফিল

পাবনার চাটমোহর উপজেলার কাটেঙ্গা ভাঙ্গা মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় সম্প্রতি বেশ কিছু অদ্ভুত ও রহস্যজনক ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গত কিছুদিন ধরে ওই তিন মাথার মোড়ে রাতেরবেলা নানা ধরনের অস্বাভাবিক দৃশ্য চোখে পড়ছে। কখনো সাপ বা বিড়াল আকস্মিক সামনে চলে আসার পর মুহূর্তে তা মিলিয়ে যাচ্ছে, আবার কখনো অদ্ভুত কোনো শব্দ শোনা যাচ্ছে। এমন সব আকস্মিক ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা গুঞ্জন শুরু হয়।

এই রহস্যের সূত্রপাত হয় যখন রাতে এক ব্যক্তিকে রাতের অন্ধকারে কোনো অজানা বস্তু পাশের একটি পুকুরে ফেলে দেয়। ওই ব্যক্তির আর্তচিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে তাকে পুকুরের পানি থেকে জীবিত উদ্ধার করেন। এরপর থেকেই মূলত এলাকাবাসীর মনে ভূতুড়ে বা জ্বীনের আছর থাকার বিশ্বাস জোরালো হয়। সাধারণ মানুষের চলাচলও ওই সড়কে রাতেরবেলা কমে যায়, কারণ অজানা এই আতঙ্কে অনেকেই ঘর থেকে বের হতে ভয় পাচ্ছিলেন।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং গ্রামবাসীর ভয় দূর করতে শেষ পর্যন্ত উদ্যোগী হন স্থানীয় মুরব্বিরা। এলাকার মানুষের কাছ থেকে চাল ও ডাল সংগ্রহ করে শনিবার রাতে একটি বিশেষ মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। সেখানে প্রায় ছয়শতাধিক নারী, পুরুষ ও শিশু স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। মাহফিল শেষে উপস্থিত সকলের মাঝে খিচুড়ি তবারক বিতরণ করা হয় এবং সবাই নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যান।

স্থানীয় বাসিন্দা ইসমাইল জানান, ভূত বা এ জাতীয় অবাস্তব কিছুতে বিশ্বাস না থাকলেও জ্বীনের অস্তিত্ব থাকতে পারে বলে তারা মনে করেন। তাই ইসলামী শরিয়তের বিধান অনুযায়ী মিলাদ ও দোয়া মাহফিল করে আল্লাহর দরবারে এই বিপদ থেকে মুক্তির আকুতি জানানো হয়েছে। এদিকে স্থানীয়দের এই কর্মকাণ্ড নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই হাস্যরস ও ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও তৈরি করায় বিষয়টি নিয়ে এলাকায় নতুন করে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে ইসলামী চিন্তাবিদ মুফতি মোহাম্মদ মফিজ উদ্দিন স্পষ্ট করে জানান যে, সমাজে প্রচলিত ভূতের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। তবে পবিত্র কোরআনের আলোকে বদজ্বীনের প্রভাব বা আছর থাকার বিষয়টি অস্বীকার করা যায় না। তিনি উল্লেখ করেন যে, এ ধরনের অদৃশ্য ভয় বা বদজ্বীন থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য পবিত্র কোরআনে সুনির্দিষ্ট দোয়া ও সুরক্ষার বিধান রয়েছে যা পাঠ করলে মানুষ নিরাপদ থাকতে পারে।