শেয়ার বাজার

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে চাকরি, পদ ১৫

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে চাকরি, পদ ১৫

দেশের বেকার যুবকদের জন্য সরকারি চাকরিতে প্রবেশের আরেকটি নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন গ্রেডে লোকবল নিয়োগের উদ্দেশ্যে একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত এই বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশের যোগ্য ও আগ্রহী নাগরিকদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অনলাইনে দরখাস্ত আহ্বান করা হয়েছে। সরকারি এই প্রতিষ্ঠানে কাজ করার মাধ্যমে প্রার্থীরা নিজেদের ক্যারিয়ার গড়ার একটি চমৎকার সুযোগ পাবেন।

মন্ত্রণালয়ের এই নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী মোট ১৫টি শূন্য পদে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। পদগুলোর মধ্যে রয়েছে হিসাবরক্ষক, সাঁট মুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক এবং অফিস সহায়ক পদ। ১২ থেকে ২০তম গ্রেডের এসব পদে বেতন স্কেল পদভেদে আলাদা নির্ধারিত রয়েছে, যা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রদান করা হবে। প্রতিটি পদের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অন্যান্য শর্ত বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শর্তানুযায়ী আগ্রহী প্রার্থীদের বয়স নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে ১৮ থেকে ৩২ বছরের সীমার মধ্যে হতে হবে। প্রার্থীদের অনলাইনে টেলিটকের নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদনপত্র পূরণ করে জমা দিতে হবে। পদের ধরন অনুযায়ী আবেদন ফি ভিন্ন ভিন্ন নির্ধারণ করা হয়েছে, যা অনলাইনে আবেদন জমা দেওয়ার সময় পরিশোধ করতে হবে। নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সঠিক সময়ে আবেদন সম্পন্ন না করলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।

এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের জন্য আবেদন কার্যক্রম ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে এবং তা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত চলমান থাকবে। আগামী ১৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখের মধ্যে ইচ্ছুক প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। চাকরিপ্রার্থীরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট অথবা নির্ধারিত লিংকের মাধ্যমে বিজ্ঞপ্তির বিস্তারিত তথ্য জেনে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে পারবেন।

নরসিংদীতে ট্রাক্টর-মোটরসাইকেল সংঘর্ষ, নিহত ১

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

নরসিংদীতে ট্রাক্টর-মোটরসাইকেল সংঘর্ষ, নিহত ১

বার্তাবেলা (নরসিংদী) প্রতিনিধি: নরসিংদীর রায়পুরায় মোটরসাইকেল ও ট্রাক্টরের সংঘর্ষে মো: মাহবুব মিয়া নামে এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছে। এসময় গুরুতর আহত হয়েছে  মোটরসাইকেলের অপর আরোহী ইব্রাহিম।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে উপজেলার মহেষপুর ইউনিয়নের নীলকুঠি-আলগী আঞ্চলিক সড়কে মানিকনগর গ্রামের মান্নান মাস্টারের বাড়ির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

রায়পুরা থানার উপপরিদর্শক নিতাই চন্দ্র দাস ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

নিহত মো: মাহবুব মিয়া উপজেলার মহেষপুর ইউনিয়নের মানিকনগর গ্রামের ছাত্তার মিয়ার ছেলে। অপরদিকে আহত ইব্রাহিম মিয়া কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর ভাগলপুর জহিরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, দুই বন্ধু মোটরসাইকেল যুগে আলগী থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় তারা মানিকনগর এলাকায় পৌছলে বিপরীত দিক থেকে ছেড়ে আসা দ্রুতগতির ট্রাক্টরের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে মোটরসাইকেলের চালক রাস্তায় ছিটকে পড়ে ট্রাক্টরের সামনের চাকার চাপায় গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাঁদের হাসপাতালে নেওয়ার পথে মো: মাহবুব মিয়ার মারা যায় এবং মোটরসাইকেলের অপর আরোহী ইব্রাহিম মিয়াকে গুরুতর আহত অবস্থায় কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর ভাগলপুর জহিরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

রায়পুরা থানার উপপরিদর্শক নিতাই চন্দ্র দাস বলেন, মরদেহ  উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর ট্রাক্টর ফেলে চালক পালিয়ে গেছে ট্রাক্টরটি জব্দ করা হয়েছ। এখনো পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। ময়না তদন্তের পর তদন্ত সাপেক্ষে  আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



তিন জেলায় কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

তিন জেলায় কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

দেশের তিন গুরুত্বপূর্ণ জেলা কুমিল্লা, টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জে সম্প্রতি জিপিএ-৫ প্রাপ্ত মেধাবী শিক্ষার্থীদের নিয়ে এক বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা উৎসবের আয়োজন করা হয়। 'স্বপ্ন দেখো জীবন গড়ো' এই মূল স্লোগানকে সামনে রেখে এই উৎসবের আয়োজন করে দেশের শীর্ষস্থানীয় জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো। তরুণ প্রজন্মের মেধা বিকাশ ও তাদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার উৎসাহ জোগাতে এই আয়োজনের পৃষ্ঠপোষকতা করেছে জনপ্রিয় ডিজিটাল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শিখো। আয়োজকরা জানিয়েছেন, দেশের প্রতিটি জেলার মেধাবী শিক্ষার্থীদের এই উদযাপনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানগুলোকে কেন্দ্র করে প্রতিটি ভেন্যুতে তরুণ শিক্ষার্থীদের ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। সকালের দিকে শিক্ষার্থীরা সারিবদ্ধভাবে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করেন এবং নিজেদের আনন্দ ক্যামেরা বন্দি করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। কুমিল্লা জেলা স্কুল প্রাঙ্গণসহ অন্যান্য ভেন্যুগুলোতে আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়, যেখানে শিক্ষার্থীরা একে অপরের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেন। শুধু সংবর্ধনা গ্রহণই নয়, বরং দিনভর নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও আয়োজনে মেতে উঠেছিল পুরো প্রাঙ্গণ।

অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণের পাশাপাশি বিভিন্ন আনন্দদায়ক খেলার আয়োজন করা হয়, যা শিক্ষার্থীদের মনে বাড়তি আনন্দের খোরাক জোগায়। মজার এসব খেলায় শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং বিজয়ী ও কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়াদের হাতে আকর্ষণীয় পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এছাড়া সিরাজগঞ্জে অনুষ্ঠিত আয়োজনে বন্ধুসভার পক্ষ থেকে জাদু প্রদর্শন করা হয়, যা উপস্থিত সবাইকে দারুণ বিনোদন দেয়। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা তাদের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

দিনব্যাপী এই আয়োজনে কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট ও প্রথম আলো পত্রিকা তুলে দেওয়া হয়, যা তাদের ভবিষ্যৎ চলার পথে অনুপ্রেরণা জোগাবে। সিরাজগঞ্জের জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে মনোজ্ঞ নৃত্য পরিবেশন ও জাদু প্রদর্শনের মাধ্যমে পুরো অনুষ্ঠানটি এক ভিন্ন মাত্রা লাভ করে। পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য জেলাগুলোতেও এই কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা উৎসবের আয়োজন করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।


নদীতে ভেসে যাওয়া ছোট্ট হাতিকে পৌঁছে দেওয়া হলো মা হাতির কাছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নদীতে ভেসে যাওয়া ছোট্ট হাতিকে পৌঁছে দেওয়া হলো মা হাতির কাছে

নদীর খরস্রোতে ভেসে যাওয়া একটি ছোট্ট হাতিশাবককে উদ্ধারের পর নিরাপদে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছেন স্থানীয় কতিপয় মৎস্যজীবী। উত্তরবঙ্গের একটি নদীর জলরাশির মধ্যে হঠাৎ করেই বিপদের মুখে পড়েছিল ওই বন্য প্রাণীটি। নদীর মাঝখানে জলের ওপর শুধু একটি ছোট্ট শুঁড় ভেসে থাকতে দেখে বিষয়টি নজরে আসে মৎস্যজীবীদের। আর সেই দৃশ্য দেখেই তারা বুঝতে পারেন যে কোনো একটি বন্য হাতি তীব্র স্রোতের কবলে পড়ে ভেসে যাচ্ছে।

উদ্ধারকাজে নিয়োজিত দলটি ছিল নর্থ বেঙ্গল ফিশারমেনস ফোরামের পাঁচ সদস্যের একটি দল। ওই সময় তারা নিজেদের কাজে নদীর জলে অবস্থান করছিলেন। দূর থেকে এই দৃশ্য দেখার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁরা এক মুহূর্তও সময় নষ্ট না করে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। ক্রান্তি-পাঞ্জাব বাঁধের নিকটবর্তী এলাকা থেকে তারা নিজেদের ছোট কাঠের নৌকাটি নিয়ে সরাসরি স্রোতের বিপরীতে এগিয়ে যান।

ছোট্ট নৌকা নিয়ে তারা প্রায় তিন মাইল দীর্ঘ বিপজ্জনক পথ পাড়ি দিয়ে মাঝনদীতে সেই অসহায় শাবকের কাছে পৌঁছান। প্রবল স্রোতের বিপরীতে নৌকা চালিয়ে বন্য প্রাণীর জীবন বাঁচানোর এই সাহসিকতা স্থানীয় এলাকায় দারুণ প্রশংসিত হয়েছে। মৎস্যজীবীদের এই দ্রুত পদক্ষেপ ও বিচক্ষণতার কারণেই শেষ পর্যন্ত বড় কোনো বিপদ থেকে রক্ষা পায় হাতিশাবকটি।

নদীর বিভিন্ন চরে ঘুরে বেড়ানো মৎস্যজীবীদের এই দলটির অক্লান্ত পরিশ্রমে অবশেষে শিশু হাতিটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। পরবর্তী সময়ে বন বিভাগের নির্দেশনা ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় শাবকটিকে তার মায়ের খোঁজে নির্দিষ্ট এলাকায় ছেড়ে দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে বন্যপ্রাণী রক্ষায় সাধারণ মানুষের সচেতনতা ও মানবিক মূল্যবোধের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো।