শেয়ার বাজার

সরকারি মেডিকেল কলেজ: হাসপাতাল নেই ১২টিতে, ব্যবহারিক শিক্ষায় বাধা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি মেডিকেল কলেজ: হাসপাতাল নেই ১২টিতে, ব্যবহারিক শিক্ষায় বাধা

একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে নিজস্ব হাসপাতাল থাকা সবচেয়ে অপরিহার্য শর্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। কারণ চিকিৎসা বিদ্যায় পাঠ্যপুস্তকের তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি ব্যবহারিক শিক্ষার প্রধান ল্যাবরেটরি হিসেবে কাজ করে এই চিকিৎসালয়। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্যি যে দেশের ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজের মধ্যে বর্তমানে ১২টিরই নিজস্ব কোনো হাসপাতাল নেই। ফলে শত শত শিক্ষার্থীকে তাদের ক্লিনিক্যাল শিক্ষা ও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের জন্য বিভিন্ন জেলা সদর বা জেনারেল হাসপাতালের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করতে হচ্ছে। কলেজ থেকে এসব হাসপাতালের দূরত্ব অনেক সময় কয়েক কিলোমিটার হওয়ায় শিক্ষার্থীদের নিয়মিত যাতায়াত করতে গিয়েও নানা ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী পাবনা নোয়াখালী ও কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৮ সালে এবং পরবর্তী সময়ে যশোর ও জামালপুর কলেজ যুক্ত হলেও এদের নিজস্ব হাসপাতাল আজও গড়ে ওঠেনি। অন্যদিকে রাঙামাটি হবিগঞ্জ নীলফামারী নেত্রকোনা নওগাঁ মাগুরা এবং চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের নিজস্ব কোনো স্থায়ী একাডেমিক ভবন কিংবা হাসপাতাল কোনোটিই নেই। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও কাজের গতি অত্যন্ত মন্থর থাকায় নির্ধারিত সময়ে তার এক-তৃতীয়াংশ কাজও সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। এর ফলে শিক্ষার্থী ভর্তির পর ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের যে প্রাথমিক তাগিদ তৈরি হয় তা এই কাঠামোগত দুর্বলতার কারণে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

জেলা সদর বা জেনারেল হাসপাতালগুলো মূলত মাধ্যমিক পর্যায়ের চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকে যেখানে জটিল রোগী শয্যা পর্যাপ্ত অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা এবং বিশেষায়িত বিভাগের মারাত্মক ঘাটতি রয়েছে। নোয়াখালী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা মো সাইফুল ইসলাম সম্প্রতি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে তাদের শিক্ষার্থীদের প্রায় দশ কিলোমিটার দূরের জেনারেল হাসপাতালে ক্লাস করতে হয় যা যাতায়াতের দিক থেকে বেশ সময়সাপেক্ষ। এছাড়া এসব হাসপাতালে বৈচিত্র্যময় জটিল কেস ও উন্নত ব্যবস্থাপনা না থাকায় শিক্ষার্থীরা পূর্ণাঙ্গ ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। রাঙামাটি মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা প্রীতি প্রসূন বড়ুয়াও জানান যে তাদের দীর্ঘদিনের কার্যক্রম জেনারেল হাসপাতালের মাধ্যমেই পরিচালিত হয়ে আসছে যদিও নতুন ভবন নির্মাণের কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে।

চিকিৎসা শিক্ষার মান নিয়ন্ত্রণে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন ফর মেডিকেল এডুকেশন বা ডব্লিউএফএমই পর্যাপ্ত ক্লিনিক্যাল টিচিং সুবিধার ওপর সবসময় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা মোজাহেরুল হক মনে করেন হাসপাতালের ঘাটতি থাকার কারণে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অন্যদের তুলনায় কম দক্ষতা নিয়ে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করছেন। এর ফলে চিকিৎসকদের পেশাগত মানের ক্ষেত্রে একধরনের বৈষম্য তৈরি হচ্ছে যা সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বাংলাদেশ মেডিকেল এডুকেশন অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের মানদণ্ড অনুযায়ীও ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সূচক যা কোনোভাবেই উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।

উল্লেখ্য মেডিকেল কলেজের নিজস্ব হাসপাতাল মূলত তৃতীয় পর্যায়ের বা বিশেষায়িত সেবাকেন্দ্র হিসেবে কাজ করে যেখানে জটিল রোগের উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হয়। হবিগঞ্জ ও নেত্রকোনা মেডিকেল কলেজের মতো নতুন প্রতিষ্ঠানগুলোতে এখনও জেলা হাসপাতালের কয়েকটি কক্ষে পাঠদান ও দাপ্তরিক কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে। এই সংকট শুধু শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনকেই ব্যাহত করছে না বরং এর ফলে স্থানীয় সাধারণ মানুষও উন্নত ও বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই চিকিৎসা শিক্ষার মান আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে দ্রুত এসব মেডিকেল কলেজের নিজস্ব আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুক হামলায় নিহত ১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুক হামলায় নিহত ১৭

দক্ষিণ আফ্রিকার একটি এলাকায় সম্প্রতি সংঘটিত এক নৃশংস বন্দুক হামলায় ১৭ জন সাধারণ মানুষ নিহত হয়েছেন। দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, হঠাৎ করে ঘটে যাওয়া এই রক্তক্ষয়ী সহিংসতায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার পর থেকেই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে এক ধরনের নিরাপত্তাহীনতা কাজ করছে এবং তারা দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আক্রমণকারীরা হঠাৎ করেই একটি নির্দিষ্ট স্থানে অতর্কিত হামলা চালায় এবং নির্বিচারে গুলি ছুড়তে শুরু করে। এতে ঘটনাস্থলেই বহু মানুষের মৃত্যু হয় এবং আহত হন আরও অনেকে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন এবং আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করান।

পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগ এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল কারণ উদঘাটনে এবং অপরাধীদের ধরতে যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছে। এখন পর্যন্ত এই হামলার সুনির্দিষ্ট কোনো মোটিভ বা উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া না গেলেও, পূর্ব শত্রুতা কিংবা গ্যাং সহিংসতার জেরে এটি ঘটে থাকতে পারে বলে অনুমান করছেন তদন্তকারীরা। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজনদের আইনের আওতায় আনতে দেশজুড়ে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

এই মর্মান্তিক ঘটনার পর দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন মহল থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে এবং দেশটিতে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জোরালো হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অপরাধীদের কঠোর শাস্তির পাশাপাশি সীমান্তবর্তী বা অপরাধপ্রবণ অঞ্চলগুলোতে পুলিশের টহল বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন। সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে বলে জানানো হয়েছে।


পুলিশ সেজে যাত্রীকে জরিমানা, অর্থ না পেয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে ধাক্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পুলিশ সেজে যাত্রীকে জরিমানা, অর্থ না পেয়ে চলন্ত ট্রেন থেকে ধাক্কা

ভারতের বিহারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে ট্রেনের যাত্রীদের জিম্মি করে অর্থ আদায়ের এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। ট্রেনের বিশেষ কামরায় উঠে সাধারণ ও শ্রমজীবী যাত্রীদের টার্গেট করে এই অপরাধ চালাত রোহিত তিওয়ারি নামের এক যুবক। নিজেকে কখনো পুলিশ, কখনো রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী বা এসটিএফের কর্মকর্তা দাবি করে সে বিভিন্ন অজুহাতে যাত্রীদের কাছ থেকে জরিমানা আদায় করত। কেউ তার এই অবৈধ দাবির প্রতিবাদ করলে তাকে শারীরিক লাঞ্ছনা ও মারধরের মুখোমুখি হতে হতো।

এই চক্রের শিকার হন ২১ বছর বয়সী এক তরুণ নিতিন কুমার, যিনি সম্প্রতি একটি বিশেষ ট্রেনে করে নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন। গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে ট্রেন চলাকালীন সময়ে ধূমপানের মিথ্যা অভিযোগ তুলে তাকে জোরপূর্বক ট্রেন থেকে নামিয়ে নেয় ওই প্রতারক। পরবর্তীতে বক্সার স্টেশনের কাছাকাছি এলাকা থেকে নিতিনের ফোন ব্যবহার করে তার পরিবারের কাছে ১০ হাজার রুপি মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে পাঁচ হাজার রুপি পাঠানো হলেও পরদিন আরও ২০ হাজার রুপি চাঁদা দাবি করা হলে তাদের সন্দেহ জাগে।

পরিবারের লোকজনের এমন অস্বাভাবিক মনে হওয়ায় তারা দ্রুত বিষয়টি বক্সার রেলওয়ে থানাকে অবহিত করেন এবং পুলিশের সহায়তায় তদন্ত শুরু হয়। পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে রোহিত তিওয়ারিকে আটক করতে সক্ষম হয় এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ আরা ও জগজীবন হল্ট স্টেশনের মধ্যবর্তী রেললাইন এলাকা থেকে এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করে। পরবর্তীতে নিহতের বাবা ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি নিখোঁজ নিতিনের বলে শনাক্ত করেন।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, চাহিদামতো চাঁদার টাকা আদায় করতে না পেরে রোহিত ওই যুবককে চলন্ত ট্রেন থেকে বাইরে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছিলেন। গ্রেপ্তারকৃত রোহিতের বিরুদ্ধে এর আগেও নানা অপরাধে একাধিক মামলা রয়েছে এবং তিনি প্রায় পঁচিশ মাস কারাভোগ করেছিলেন। সম্প্রতি জামিনে মুক্ত হয়ে আসার পর তিনি আবারও একই ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। পুলিশ তার কাছ থেকে অন্য এক ব্যক্তির মানিব্যাগসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিও উদ্ধার করেছে।


ইরান-কিউবা ইস্যুতে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা চীনের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ইরান-কিউবা ইস্যুতে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা চীনের

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এক উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে মার্কিন বিভিন্ন নীতির তীব্র সমালোচনা করেছে চীন। সম্প্রতি দেওয়া ভাষণে দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝেং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় বড় দেশগুলোকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে বৈশ্বিক নিয়মনীতি মেনে চলা এবং আইনের শাসন সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে পরাশক্তিগুলোর নেতৃত্ব দেওয়া উচিত। যদিও তিনি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের নাম উচ্চারণ করেননি, তবে তার বক্তব্যে ওয়াশিংটনের আন্তর্জাতিক নীতির প্রতি স্পষ্ট অসন্তোষ প্রকাশ পেয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে চীনা এই শীর্ষ নেতা উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার প্রতি গভীর সম্মান দেখানোর ওপর জোর দেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে কোনো ধরনের একতরফা সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণের চেয়ে আলোচনার মাধ্যমেই সব বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান করা উচিত। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বলপ্রয়োগের নীতি পরিহার করে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে সংলাপের টেবিলে বসার আহ্বান জানায় বেইজিং।

কিউবার ওপর দীর্ঘদিনের মার্কিন চাপ ও নিষেধাজ্ঞার কঠোর সমালোচনা করে হান ঝেং অবিলম্বে তা বন্ধের দাবি জানান। তিনি সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর প্রতি কিউবার বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগের হুমকি অবিলম্বে বন্ধ করার এবং আরোপিত অবরোধ পুরোপুরি প্রত্যাহারের তাগিদ দেন। এর কিছু সময় পর রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভও কিউবার ওপর মার্কিন বাণিজ্যিক বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের জোরালো দাবি জানান এবং হাভানাকে সন্ত্রাসবাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার আহ্বান জানান।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যকার বৈঠকের ঠিক পরপরই জাতিসংঘে বেইজিংয়ের এমন কঠোর অবস্থান বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ওয়াশিংটনে দুই নেতার শীর্ষ বৈঠকের সুনির্দিষ্ট কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনার রেশ কাটতে না কাটতেই জাতিসংঘে এই কূটনৈতিক দূরত্ব স্পষ্ট হলো। বিশেষ করে ইরান প্রসঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসন বেইজিংয়ের কাছ থেকে একধরনের আশ্বাস পাওয়ার দাবি করলেও, জাতিসংঘে চীনের উপসাগরীয় সার্বভৌমত্বের পক্ষে অবস্থান দুই দেশের ভিন্ন কৌশলই তুলে ধরে।

উন্নয়নশীল বিশ্বের অন্যতম বিশ্বস্ত অংশীদার হিসেবে নিজেদের তুলে ধরে চীনা ভাইস প্রেসিডেন্ট বিশ্বমঞ্চে সমতার নীতির ওপর জোর দেন। তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ে বড় কিংবা ছোট—সব রাষ্ট্রই সমান মর্যাদার অধিকারী এবং বৈশ্বিক বিষয়গুলো পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমেই পরিচালিত হওয়া উচিত। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বেইজিং সব সময় বহুমেরুকরণ এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের পক্ষে অবস্থান নেবে বলেও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।