শেয়ার বাজার

সেরা হয়ে ১২ কোটি টাকা পেলেন, ১৬ বছর বয়সী কে এই নেনে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সেরা হয়ে ১২ কোটি টাকা পেলেন, ১৬ বছর বয়সী কে এই নেনে

বিশ্বমঞ্চে এক অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন থাইল্যান্ডের তরুণ রকশিল্পী নেনে রয়্যাল। মাত্র ষোলো বছর বয়সেই বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় প্রতিভাবান অন্বেষণমূলক অনুষ্ঠান 'আমেরিকাস গট ট্যালেন্ট'-এর ২১তম আসরের সেরার মুকুট অর্জন করেছেন তিনি। তাঁর এই অভাবনীয় সাফল্যে বিশ্বজুড়ে সংগীতপ্রেমী ও ভক্তরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই তাঁর ব্যতিক্রমী গায়কী ও পরিবেশনা বিচারক এবং দর্শকদের মুগ্ধ করেছিল।

গ্র্যান্ড ফিনালের চূড়ান্ত লড়াইয়ে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আসা প্রথিতযশা শিল্পীদের পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়নের ট্রফি নিজের করে নেন এই কিশোরী। বিচারকদের পাশাপাশি সাধারণ দর্শকদের কাছ থেকেও তিনি পেয়েছেন অভূতপূর্ব সমর্থন ও ভোটের জোয়ার। এই প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়ার সুবাদে আকর্ষণীয় পুরস্কার হিসেবে তিনি জিতে নিয়েছেন বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২ কোটি টাকার সমপরিমাণ অর্থ।

সংগীতের প্রতি অনুরাগ এবং শৈশব থেকেই কঠোর পরিশ্রমের ফলেই এই বিশাল অর্জন সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। মাত্র ষোলো বছর বয়সে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এমন বড় একটি খেতাব জয় করায় থাইল্যান্ডে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। দেশটির সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিশিষ্ট শিল্পীরাও এই উদীয়মান তারকাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

এই অভাবনীয় সাফল্যের পর নেনে রয়্যালের সামনে সংগীত জগতে এক নতুন ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দুয়ার উন্মোচিত হলো। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তাঁকে নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা, যা ভবিষ্যতে তাঁকে আরও বহুদূর নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই বিজয় বিশ্বমঞ্চে থাইল্যান্ডের সাংস্কৃতিক পরিচিতিকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

সংবিধান সংশোধনে আবার গণভোট করবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সংবিধান সংশোধনে আবার গণভোট করবে সরকার

দেশের সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিয়েছে বর্তমান সরকার। সম্প্রতি জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির তৃতীয় বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত উঠে আসে। কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সংবিধানে কোনো ধরনের মৌলিক পরিবর্তন আনা হলে তা জনগণের সরাসরি মতামতের ভিত্তিতেই বাস্তবায়ন করা হবে। আর এই লক্ষ্যেই ভবিষ্যতে পুনরায় একটি সাংবিধানিক গণভোট আয়োজনের পরিকল্পনা করছে সরকার। সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক, বিশিষ্ট জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের শীর্ষ নেতারা আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। দুপুর আড়াইটা থেকে শুরু হয়ে বিকেল সোয়া পাঁচটা পর্যন্ত চলা এই দীর্ঘ বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা সংবিধান সংস্কারের নানা দিক নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন এবং নিজেদের সুচিন্তিত মতামত তুলে ধরেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দৈনিক দেশ রূপান্তরের সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি সরকারের এই অবস্থানের কথা গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন।

বৈঠকে উপস্থিত সাংবাদিক ও সম্পাদকদের পক্ষ থেকে সংবিধান সংশোধনের বিষয়টি জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে সম্পন্ন করার জোরালো তাগিদ দেওয়া হয়। তারা মনে করেন, দেশের সর্বোচ্চ আইন পরিবর্তনের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দূরত্ব কমানো অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে প্রধান বিরোধী দল যাতে এই সংস্কার প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত হতে পারে, সেজন্য তাদের সর্বোচ্চ আস্থায় নেওয়ার আহ্বান জানান সাংবাদিকরা। এর জবাবে সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রধান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান যে, বিরোধী দলকে এই কমিটিতে যুক্ত করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তবে বিরোধীরা শেষ পর্যন্ত এই বৈঠকে অংশ না নিলেও, আগামীতে যখন সংসদে এই বিলটি তোলা হবে তখন তারা সংসদীয় আলোচনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন বলে কমিটি আশাবাদী। এছাড়া, আগামী বছরের শুরুতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সংসদের প্রথম অধিবেশনেই এই সংশোধন বিলটি পাস করার ব্যাপারে বিশেষ কমিটি অত্যন্ত আশাবাদী বলে বৈঠকে জানানো হয়।

বৈঠকটিতে দেশের শাসনব্যবস্থায় ক্ষমতার ভারসাম্য আনয়নের বিষয়টিও বিশেষ গুরুত্ব পায়। অতীতে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ক্ষেত্রে যে একচ্ছত্র ও বিশাল ক্ষমতার চর্চা দেখা গেছে, তা রাষ্ট্র ও জাতির সামগ্রিক মঙ্গলের জন্য অনুকূল ছিল না বলে অভিমত দেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আসন্ন সংবিধান সংশোধনে ক্ষমতার এই ভারসাম্যহীনতা দূর করার দাবি জানান তারা। কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রতিটি মতামতকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়ার আশ্বাস দেন। তিনি জানান যে, সমাজের দায়িত্বশীল পেশাজীবী ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের এই সুচিন্তিত মতামতগুলো সংবিধান সংশোধনের চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরিতে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে। দেশের সকল মহলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমেই একটি গ্রহণযোগ্য সংবিধান প্রণয়নই সরকারের মূল উদ্দেশ্য বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়।


বোমা আশ্রয়কেন্দ্র থেকে নিউইয়র্ক—সুযোগ কাজে লাগাচ্ছেন ইরানের নেতারা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বোমা আশ্রয়কেন্দ্র থেকে নিউইয়র্ক—সুযোগ কাজে লাগাচ্ছেন ইরানের নেতারা

যুদ্ধের দীর্ঘ সাত মাস পেরিয়ে যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নিহত হওয়ার ঘটনার মধ্য দিয়ে এই অঞ্চলে বড় ধরনের সংঘাতের সূচনা হয়েছিল। বর্তমান যুদ্ধাবস্থার মধ্যে এই উচ্চপর্যায়ের সফরকে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নিজেদের অবস্থান শক্ত করা এবং অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার একটি বড় সুযোগ হিসেবে দেখছে তেহরান। গত কয়েকদিন ধরে মার্কিন ও পশ্চিমা প্রতিনিধিদের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনার মাধ্যমে তেহরান তাদের কূটনৈতিক তৎপরতা নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে।

সম্প্রতি নিউইয়র্কে এক বিরল কূটনৈতিক পদক্ষেপে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকে মিলিত হন। পাশাপাশি তিনি ইউরোপের দশটিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি এবং জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গেও গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেন। বিশেষভাবে লক্ষণীয় যে, চলমান সংঘাতে ইরানের সামরিক অভিযানের মুখে পড়া দেশগুলোর মধ্যে জর্ডান অন্যতম হওয়া সত্ত্বেও এই বৈঠকটি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এদিকে জাতিসংঘে দেওয়া ভাষণে ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন যে তেহরান কখনোই বিদেশি শক্তির কাছে নতিস্বীকার করবে না। তাঁর এই কঠোর অবস্থান দেশের ভেতরকার কট্টরপন্থী রাজনৈতিক মহলে ইতিবাচক সাড়া ফেললেও, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের কারণে রক্ষণশীল আইনপ্রণেতাদের একাংশের সমালোচনার মুখেও পড়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে মার্কিন প্রশাসনের কাছে নতুন একটি সমঝোতার প্রস্তাব পাঠিয়েছে তেহরান। এই প্রস্তাব অনুযায়ী, ইরানের ওপর থেকে সমস্ত অর্থনৈতিক অবরোধ প্রত্যাহার করা হলে তারা কৌশলগত হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার এবং পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে আলোচনায় বসার পথ উন্মুক্ত করবে। ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন যে এই শর্ত বাস্তবায়নের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে সাত দিনের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে, যদিও শর্তগুলোর সুনির্দিষ্ট বিবরণ এখনো জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি। আঞ্চলিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে যে তেল বিক্রির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, নৌ অবরোধ প্রত্যাহার এবং সাম্প্রতিক সময়ে আরোপিত অন্যান্য অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা বাতিল করাই তেহরানের প্রধান দাবি।

ওয়াশিংটনের সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির জ্যেষ্ঠ ফেলো সিনা তৌসি উল্লেখ করেছেন যে নতুন এই প্রস্তাবের মূল বিষয়বস্তু অতীতের চুক্তির সঙ্গে মিল থাকলেও এবার শর্ত পূরণের ক্রম বা কৌশল পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন বিন্যাস অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রকে প্রথমে কিছু বাস্তব ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে এবং তার পরই কেবল ইরান হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের কৌশলগত চাপ হ্রাস করবে। এর আগে গত জুনে হওয়া একটি সমঝোতায় যুক্তরাষ্ট্র নৌ অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, ইরানের পুনর্গঠনে বড় অঙ্কের তহবিল প্রদান এবং হরমুজ ব্যবস্থাপনায় ইরানের ভূমিকা মেনে নিতে রাজি হয়েছিল। তবে দুই পক্ষের পারস্পরিক অনাস্থা ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগের কারণে সেই সমঝোতা শেষ পর্যন্ত টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি।

বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান ও ওমানের মধ্যে হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলাদাভাবে আলোচনা চলমান রয়েছে। তবে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের গভীর অবিশ্বাস এবং জটিল শর্তের বেড়াজালে শেষ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক আলোচনায় ফেরা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে এখনো যথেষ্ট অনিশ্চয়তা রয়েছে। এদিকে নিউইয়র্কে ইরানের এই জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতার ঠিক বিপরীতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জাতিসংঘ ভাষণের সময় বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদলের তীব্র প্রতিবাদ এবং ওয়াকআউটের ঘটনা ঘটে। সব মিলিয়ে, চলমান সংঘাতের মধ্যেও তেহরান আলোচনার দরজা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়নি বরং কূটনৈতিক উপায়ে সংকট সমাধানের বার্তা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।


খসড়া হুবহু পাস হয়ে গেলেও সরকার আওয়ামী লীগের মতো করে সেটি ব্যবহার করবে না: তথ্য উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

খসড়া হুবহু পাস হয়ে গেলেও সরকার আওয়ামী লীগের মতো করে সেটি ব্যবহার করবে না: তথ্য উপদেষ্টা

বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সাইবার সুরক্ষা আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার উদ্যোগ নিয়েছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং তা জনসমক্ষে আলোচনাও করা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, অতীতের স্বৈরাচারী সরকারের মতো এই আইনের অপব্যবহার করা হবে না এবং জনগণের বাকস্বাধীনতা খর্ব করার কোনো অভিপ্রায় তাদের নেই।

নতুন এই সংশোধনীর খসড়ায় ডিজিটাল মাধ্যমে মানহানি বা কাউকে হেয়প্রতিপন্ন করার মতো বিষয়গুলোকে পুনরায় ফৌজদারি অপরাধের আওতায় নিয়ে আসার প্রস্তাব করা হয়েছে। মূলত সাইবার অপরাধ দমনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত সম্মানহানি রোধে আইনি সুরক্ষা বজায় রাখতেই এই ধারাগুলো রাখা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তবে অতীতে যেভাবে এই আইন ব্যবহার করে ভিন্নমত দমন করা হতো, বর্তমান প্রশাসন সেই নীতি থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকবে।

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জানিয়েছেন যে, আগের সরকারের আমলে এই আইনের অপব্যবহারের কারণে অনেকেই হয়রানির শিকার হয়েছেন। কিন্তু বর্তমান অন্তর্বর্তী প্রশাসন মানুষের মৌলিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। তাই আগের মতো দমনমূলক উদ্দেশ্যে এই আইন ব্যবহার করা হবে না এবং এর প্রয়োগ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে নিশ্চিত করা হবে যেন সাধারণ নাগরিক বা গণমাধ্যমকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত না হন।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সাইবার অপরাধ রোধে কঠোর বিধান প্রয়োজন থাকলেও তার যত্রতত্র ব্যবহার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার অন্তরায়। সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এই আশ্বাসের পর জনমনে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। সংশ্লিষ্ট মহল আশা করছে, চূড়ান্ত সংশোধনীতে এমন কিছু সুনির্দিষ্ট সুরক্ষাকবচ রাখা হবে যাতে অপরাধী শাস্তি পায় কিন্তু নিরপরাধ কেউ অযথা আইনি হয়রানির মুখে না পড়েন।