শেয়ার বাজার

সাত ইসলামি দলের ঐক্যের রূপরেখা চূড়ান্ত করতে রোববার বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সাত ইসলামি দলের ঐক্যের রূপরেখা চূড়ান্ত করতে রোববার বৈঠক

দেশের কওমি ধারার প্রভাবশালী সাতটি ইসলামি দলের মধ্যকার দীর্ঘদিনের দূরত্ব ঘুচিয়ে একটি বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তোলার প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। এই ঐক্যের প্রক্রিয়াকে চূড়ান্ত রূপ দিতে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে দেশের শীর্ষস্থানীয় ইসলামি চিন্তাবিদ ও নেতাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, ইসলামি দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং অভিন্ন প্ল্যাটফর্ম তৈরির লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

হেফাজতে ইসলামের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী এই বিশেষ বৈঠকের আয়োজন করেছেন। কওমি ঘরানার শীর্ষ এই নেতার আহ্বানে সাড়া দিয়ে বিভিন্ন দলের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিরা এই বৈঠকে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। ফটিকছড়ির স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় বা নির্ধারিত কার্যালয়ে এই রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

বৈঠকের মূল এজেন্ডা হলো সংশ্লিষ্ট দলগুলোর মতামত নিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর খসড়া রূপরেখা চূড়ান্ত করা। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ইসলামি দল ভিন্ন ভিন্ন প্ল্যাটফর্মে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে, যা অনেক সময় বৃহত্তর স্বার্থে অনৈক্য তৈরি করে। এই উদ্যোগ সফল হলে ভবিষ্যতে দেশের ধর্মীয় ও সামাজিক অঙ্গনে ইসলামি শক্তিগুলোর ভূমিকা আরও সুসংহত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগে বিভিন্ন অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় দলগুলোর মধ্যে ঐক্যের প্রাথমিক সম্মতি পাওয়া গিয়েছিল। আজকের এই বৈঠকে সেই सहमतिকে আইনি ও কাঠামোগত রূপ দেওয়ার জন্য সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা নিয়ে আলোচনা হবে। বৈঠক শেষে অংশ নেওয়া দলগুলোর পক্ষ থেকে যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের বিষয়ে গণমাধ্যমকে বিস্তারিত জানানো হতে পারে।

‘যুদ্ধাপরাধীদের জায়গা আদালতে, জাতিসংঘের মঞ্চে নয়’Ñনেতানিয়াহুকে এরদোয়ান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

‘যুদ্ধাপরাধীদের জায়গা আদালতে, জাতিসংঘের মঞ্চে নয়’Ñনেতানিয়াহুকে এরদোয়ান

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ান অত্যন্ত কঠোর ভাষায় মন্তব্য করেছেন যে, যুদ্ধাপরাধীদের স্থান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের মতো মর্যাদাপূর্ণ মঞ্চে হতে পারে না। ইস্তাম্বুলে আয়োজিত ২৯তম আন্তর্জাতিক বিজনেস ফোরামের সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন যে, রক্তপাতের সঙ্গে জড়িতদের আন্তর্জাতিক আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। মূলত ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া হিসেবেই তিনি এই মন্তব্য করেন।

তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির পরিবেশিত তথ্য অনুযায়ী, ফিলিস্তিন সংকটের বিষয়ে দেশটির অনড় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন এরদোয়ান। তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন যে, যারা প্রকাশ্যে গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে তাদের যদি দ্রুত উপযুক্ত বিচার ও ইতিহাসের মুখোমুখি করা না হয়, তবে এই ধরনের নৃশংসতা আবারও ঘটার আশঙ্কা থেকে যায়। ফিলিস্তিনি জনগণ কখনই একা নয় এবং গাজাবাসীর ন্যায্য অধিকার আদায়ের এই লড়াইয়ে তুরস্ক সব সময় তাদের পাশে থাকবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বক্তব্যের একপর্যায়ে ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের সান্ত্বনা দিয়ে তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, তারা কোনো অবস্থাতেই একা বা বিশ্ববাসীর দ্বারা পরিত্যক্ত নন। গাজায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য যারা রক্তক্ষয়ী ও দীর্ঘ লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন, তুরস্ক তাদের কোনোভাবেই পরিত্যাগ করবে না। বিশ্ববিবেককে জাগ্রত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী মানুষের প্রতি আঙ্কারার এই নৈতিক ও রাজনৈতিক সমর্থন ভবিষ্যতেও নিরবচ্ছিন্নভাবে অব্যাহত থাকবে।

বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে রজব তাইয়েব এরদোয়ান আরও বলেন যে, মধ্যপ্রাচ্যসহ সমগ্র অঞ্চল বর্তমানে এক ভয়ানক সংকটের পূর্ণাঙ্গ ঝড়ের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। তুরস্ককে কেন্দ্র করে ভূ-রাজনীতিতে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা নিরসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সংঘাত বন্ধ এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অবিলম্বে কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।


মার্কিন পুঁজিবাজার, সরকারি সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এআই বটের অনধিকার প্রবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মার্কিন পুঁজিবাজার, সরকারি সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এআই বটের অনধিকার প্রবেশ

অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক মহলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন দেশের সরকারি পোর্টাল, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ওপেনএআইয়ের বট বা এজেন্টগুলোর অনুমতিহীন প্রবেশাধিকারের ঘটনা সামনে এসেছে। আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই আগ্রাসী আচরণ ডেটা প্রাইভেসি এবং সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। বিশেষ করে গোপনীয় ও সংরক্ষিত ডেটার সুরক্ষা নিশ্চিত করা নিয়ে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এর আগে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ দেশটির সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছিলেন। তিনি জানান যে, ওপেনএআইয়ের স্বয়ংক্রিয় এজেন্টগুলো এমন কিছু নথিপত্র এবং ডিজিটাল পাতার নাগাল পেয়েছে যা সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত ছিল না। সরকারি সুরক্ষাবেষ্টনী ও গোপনীয়তার নীতিমালা এড়িয়ে এ ধরনের সংবেদনশীল তথ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রবেশ সংশ্লিষ্ট করণিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতাকেই ফুটিয়ে তুলেছে।

অস্ট্রেলিয়ার এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মার্কিন পুঁজিবাজারের বিভিন্ন পোর্টাল এবং বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রেও একই ধরনের অনিয়মের তথ্য মিলছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব গবেষণা ও সংরক্ষিত ডেটাবাসেও এই এআই বটগুলোর অযাচিত উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে। এর ফলে প্রাতিষ্ঠানিক গোপনীয়তা বজায় রাখা এবং সাইবার অপরাধ রোধ করা আগের চেয়ে অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রযুক্তি জায়ান্ট এবং ওপেনএআইয়ের মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর দাবি জোরালো হচ্ছে। সরকারি ও প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য সুরক্ষায় আরও কঠোর নীতিমালা প্রণয়নের পাশাপাশি এআই বটগুলোর কাজের পরিধি নির্ধারণ করে দেওয়ার ওপর জোর দিচ্ছেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা। অন্যথায় এই ধরনের অনধিকার প্রবেশের ঘটনা ভবিষ্যতে আরও বড় কোনো ডিজিটাল সংকটের সৃষ্টি করতে পারে বলে তারা সতর্ক করেছেন।


গভীর রাতে দরজা ভেঙে ঢুকল ডাকাত দল, সামনে পেয়েই কোপাল বাবা–ছেলেকে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

গভীর রাতে দরজা ভেঙে ঢুকল ডাকাত দল, সামনে পেয়েই কোপাল বাবা–ছেলেকে

দেশের একটি এলাকায় গভীর রাতে এক ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। সংঘবদ্ধ একদল সশস্ত্র ডাকাত ঘরের দরজা ভেঙে জোরপূর্বক ভেতরে প্রবেশ করে। এই আকস্মিক হামলায় পরিবারের সদস্যরা চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং প্রতিরোধের চেষ্টা করলে বিপত্তি ঘটে।

ডাকাত দলের সদস্যরা ঘরে ঢুকেই হামলা চালায় এবং ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গৃহকর্তা ও তার ছেলেকে গুরুতর জখম করে। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন টের পাওয়ার আগেই অপরাধীরা দ্রুত তাণ্ডব চালায়।

পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, এই সুযোগে ডাকাতদল ঘরের আলমারি ও বাক্স ভেঙে নগদ প্রায় ৬০ হাজার টাকা এবং পৌনে দুই ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নেয়। মুহূর্তের মধ্যে সবকিছু লুটে নিয়ে দুর্বৃত্তরা নির্বিঘ্নে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

স্থানীয়রা দ্রুত আহত বাবা-ছেলেকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যান। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে।