শেয়ার বাজার

শাশুড়িকে সম্মান না করায় বাবার চড়, ক্ষুব্ধ ছেলের ছুরিকাঘাতে মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শাশুড়িকে সম্মান না করায় বাবার চড়, ক্ষুব্ধ ছেলের ছুরিকাঘাতে মৃত্যু

রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় পারিবারিক এক তুচ্ছ ঘটনার জেরে মর্মান্তিক এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শাশুড়ির সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করার প্রতিবাদ করায় বাবাকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে হাসানুর রহমান নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। নিহত মহুবার রহমানের বয়স হয়েছিল ৫৫ বছর এবং অভিযুক্ত হাসানুর তার ২২ বছর বয়সী সন্তান। সম্প্রতি রাতে উপজেলার তাম্বুলপুর ইউনিয়নের চর তাম্বুলপুর মাস্টারপাড়া এলাকায় এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটে। এই আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, বেশ কিছুদিন ধরেই হাসানুরের সঙ্গে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সম্পর্কের অবনতি চলছিল। সম্প্রতি তার শাশুড়িসহ কিছু আত্মীয় বাড়িতে এলেও হাসানুর তাদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেননি এবং যথোচিত সম্মান প্রদর্শন বা আপ্যায়ন করেননি। বিষয়টি নিয়ে পরিবারে অস্বস্তি ও বিরোধ তৈরি হলে বাবা মহুবার রহমান ছেলেকে বুঝিয়ে বলেন এবং শাশুড়িকে সম্মান দেখিয়ে কথা বলতে ও খাবার দিতে বলেন। কিন্তু বাবার এই সাধারণ উপদেশ ও শাসন একেবারেই মেনে নিতে পারেননি ক্ষিপ্ত হাসানুর।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, বাবার কথা অমান্য করায় একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে মহুবার রহমান ছেলেকে একটি থাপ্পড় দেন। এতে চরমভাবে উত্তেজিত হয়ে হাসানুর ঘরে থাকা একটি ধারালো ছুরি তুলে নেন এবং সরাসরি বাবার পেটে আঘাত করেন। ছুরিকাঘাতের ফলে মহুবার রহমানের শরীর থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও পথেই তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

তাম্বুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বজলুর রশিদ মুকুল জানান, প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। এর আগেও অভিযুক্ত হাসানুর বিভিন্ন সময়ে তার বাবার গায়ে হাত তুলেছিলেন বলে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা গেছে। শুধু তাই নয়, হাসানুরের বিরুদ্ধে মাদকাসক্তির গুরুতর অভিযোগও রয়েছে। এদিকে পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালিক জানিয়েছেন, ঘটনার পর পরই পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে এবং অভিযুক্ত হাসানুরকে গ্রেফতারে জোরালো অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় যাতায়তে রাঙ্গুনিয়ায় ফ্রি বাস।

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ মার্চ, ২০২৪

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় যাতায়তে রাঙ্গুনিয়ায় ফ্রি বাস।

রাংগুনিয়া প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় রাঙ্গুনিয়ার শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও  রাঙ্গুনিয়া স্টুডেন্টস ফোরামের প্রধান পৃষ্টপোষক ড. হাছান মাহমুদ এমপি'র তত্ত্বাবধানে ফ্রি বাস সাভিস চালু করা হয়েছে।  

বাস সার্ভিস চালু হওয়ায় রাঙ্গুনিয়া থেকে ভর্তি পরীক্ষায় যাতায়াতে শিক্ষার্থীদের পথের দূর্ভোগটা কমবে।’

শনিবার (২ মার্চ) সকালে  “রাঙ্গুনিয়া স্টুডেন্ট ফোরাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়” সংগঠনের উদ্যোগে এ. বি.সি.ও ডি. ইউনিটে ৪ দিনের ফ্রি বাস সার্ভিস চালু করা হয়। ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন “রাঙ্গুনিয়া স্টুডেন্ট ফোরাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়” সংগঠনের সহযোগিতায় প্রতিদিন বাস সার্ভিস রাঙ্গুনিয়ার রোয়াজারহাট থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় যাবে।

কয়েক বছর ধরে রাঙ্গুনিয়ার শিক্ষার্থীদের জন্য সেবাটি চলছে। বাস সার্ভিস উদ্বোধনীতে  উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুবলীগের শাখার সভাপতি বি. কে লিটন চৌধুরী, উপজেলা ছাত্রলীগে সভাপতি রাসেল রাসু,রাঙ্গুনিয়া স্টুডেন্ট'স ফোরাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মোস্তফা আজিজ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাবিনা চৌধুরী, বর্তমান সভাপতি মুহাম্মদ আবু মোকাররম দস্তগীর, সাধারণ সম্পাদক পলাশ বড়ুয়া প্রমুখ। বাসটি ৪৫ জনের বেশি শিক্ষার্থীও অভিভাবককে নিয়ে ট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গমন করে।


‘যুদ্ধাপরাধীদের জায়গা আদালতে, জাতিসংঘের মঞ্চে নয়’Ñনেতানিয়াহুকে এরদোয়ান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

‘যুদ্ধাপরাধীদের জায়গা আদালতে, জাতিসংঘের মঞ্চে নয়’Ñনেতানিয়াহুকে এরদোয়ান

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ান অত্যন্ত কঠোর ভাষায় মন্তব্য করেছেন যে, যুদ্ধাপরাধীদের স্থান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের মতো মর্যাদাপূর্ণ মঞ্চে হতে পারে না। ইস্তাম্বুলে আয়োজিত ২৯তম আন্তর্জাতিক বিজনেস ফোরামের সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করেন যে, রক্তপাতের সঙ্গে জড়িতদের আন্তর্জাতিক আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। মূলত ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া হিসেবেই তিনি এই মন্তব্য করেন।

তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির পরিবেশিত তথ্য অনুযায়ী, ফিলিস্তিন সংকটের বিষয়ে দেশটির অনড় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন এরদোয়ান। তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন যে, যারা প্রকাশ্যে গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে তাদের যদি দ্রুত উপযুক্ত বিচার ও ইতিহাসের মুখোমুখি করা না হয়, তবে এই ধরনের নৃশংসতা আবারও ঘটার আশঙ্কা থেকে যায়। ফিলিস্তিনি জনগণ কখনই একা নয় এবং গাজাবাসীর ন্যায্য অধিকার আদায়ের এই লড়াইয়ে তুরস্ক সব সময় তাদের পাশে থাকবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বক্তব্যের একপর্যায়ে ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের সান্ত্বনা দিয়ে তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, তারা কোনো অবস্থাতেই একা বা বিশ্ববাসীর দ্বারা পরিত্যক্ত নন। গাজায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য যারা রক্তক্ষয়ী ও দীর্ঘ লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন, তুরস্ক তাদের কোনোভাবেই পরিত্যাগ করবে না। বিশ্ববিবেককে জাগ্রত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী মানুষের প্রতি আঙ্কারার এই নৈতিক ও রাজনৈতিক সমর্থন ভবিষ্যতেও নিরবচ্ছিন্নভাবে অব্যাহত থাকবে।

বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে রজব তাইয়েব এরদোয়ান আরও বলেন যে, মধ্যপ্রাচ্যসহ সমগ্র অঞ্চল বর্তমানে এক ভয়ানক সংকটের পূর্ণাঙ্গ ঝড়ের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। তুরস্ককে কেন্দ্র করে ভূ-রাজনীতিতে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা নিরসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সংঘাত বন্ধ এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে অবিলম্বে কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।


তদবির শিখতে ইনস্টিটিউট খোলার কথা বললেন এমপি শাহাজাদা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

তদবির শিখতে ইনস্টিটিউট খোলার কথা বললেন এমপি শাহাজাদা

বার্তাবেলা ডেস্ক: রাস্তাঘাটসহ এলাকার উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর কাছে ডিও লেটার (আধা সরকারি পত্র) দিয়ে এবং সংসদে বক্তব্য দিয়েও কোনো লাভ হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন পটুয়াখালী-৩ আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য এসএম শাহাজাদা। এমন অভিযোগ করে তিনি তদবির শিখতে ইনস্টিটিউট খোলার কথা বলেছেন।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ সম্পর্কে আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

স্পিকারকে উদ্দেশ করে শাহাজাদা বলেন, আমরা সংসদে কথা বলি। আমাকে ৭ মিনিট সময় দিয়েছেন। এজন্য লাখ টাকার বেশি ব্যয় হয়েছে। আমরা কথা বলি, কথাগুলোর বাস্তবায়ন হওয়ার প্রয়োজন। তা না হলে শুধু কথা বলবো এলাকার লোকজন ফেসবুকে দেখবেন এটা তো! আমরা যে কথাগুলো বলি এটার যদি প্রয়োজনীয়তা থাকে তাহলে তা বাস্তবায়ন হওয়া দরকার। বাস্তবায়নে আমরা মন্ত্রণালয়ে ডিও দেই। সংসদে কথা বলি। এছাড়া তো বাকি কোনো জায়গা নেই।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমরা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কিছু বৈষম্য দেখি। আমরা দেখি কোনো না কোনো আসনে বিস্তর কাজ হয়। অনেক রাস্তা যায়। সেখানকার জনগণ ভোট দেয়। সেখানকার জনগণের ভোট একটি, আমার এলাকার জনগণেরও ভোট একটি। এরপরও আমরা অনেক সময় বৈষম্যের শিকার হই। এই বৈষম্য থেকে আমার নির্বাচনী এলাকা মুক্তি পাবে এই প্রার্থনা করি। না হলে জানতে চাই- ডিও লেটার দিয়ে কীভাবে তদবির করতে হয়। এই তদবির করার জন্য কোনো ইনস্টিটিউট খুলতে হবে। সেখানে গিয়ে আমরা তদবির শিখবো এবং তদবির করে কাজ নেবো।

শাহাজাদার এ বক্তব্যের সময় সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে সমর্থন জানান। তিনি আরও বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকা গলাচিপার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ছাদ থেকে রোগীর গায়ে পলেস্তারা খসে খসে পড়ে। ফ্যান খুলে চিকিৎসকরা আহত হন।