রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে নিত্যপণ্যের বাড়তি দামের কারণে সাধারণ মানুষের জীবনে অস্বস্তি কাটছে না। সম্প্রতি নয়াবাজার, কারওয়ান বাজার ও কেরানীগঞ্জের বউবাজার ঘুরে দেখা গেছে যে সবজির পাশাপাশি ডিম, মাছ, মুরগি, আটা, ময়দা ও ভোজ্যতেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। এর ফলে সীমিত আয়ের মানুষের দৈনন্দিন বাজার খরচ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কর-শুল্ক কমানোর সুফল খুচরা বাজারে পুরোপুরি না পৌঁছানোয় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, প্রতি কেজি খোলা আটা ৫০ টাকা এবং ময়দা ৬৫ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে যা এক মাস আগে কম ছিল। ময়দার বস্তার দাম বেড়ে যাওয়ায় এর প্রভাব বেকারি পণ্যের ওপর পড়ার উপক্রম হয়েছিল। এছাড়া ছুটির দিনে চাহিদা বাড়ায় প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃষ্টির কারণে সবজি সরবরাহে কিছুটা ঘাটতি রয়েছে বলে বিক্রেতারা জানিয়েছেন।
ডিম ও মাংসের বাজারেও দামের বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ করা গেছে। বর্তমানে প্রতি ডজন ডিম ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে যা ছয় মাস আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। ব্রয়লার মুরগি ১৯০ থেকে ২০০ টাকা এবং সোনালি ও হাইব্রিড মুরগি চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে গরুর মাংস ও খাসির মাংসের দাম আগের মতো অপরিবর্তিত রয়েছে।
মাছের বাজারেও ক্রেতাদের জন্য স্বস্তির কোনো খবর নেই কারণ রুই, কাতলা, পাঙাশ ও পাবদাসহ বিভিন্ন মাছ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে বাজারে ইলিশের সরবরাহ কিছুটা বাড়ায় এর দাম আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রতিনিধি নাজের হোসাইন জানিয়েছেন যে কর কমানোর পরও খুচরা পর্যায়ে পণ্যের দাম না কমায় বিষয়টি সরকারের গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।








