শেয়ার বাজার

প্রায় দুই মাসের বদলে মাত্র দুই ঘণ্টায় শনাক্ত হবে মস্তিষ্কের টিউমার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রায় দুই মাসের বদলে মাত্র দুই ঘণ্টায় শনাক্ত হবে মস্তিষ্কের টিউমার

যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস বা এনএইচএস মস্তিষ্কের টিউমার দ্রুত শনাক্ত করার জন্য একটি যুগান্তকারী জিনগত পরীক্ষার ব্যবস্থা চালু করেছে। এর ফলে রোগীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে, কারণ যেখানে আগে টিউমারের সুনির্দিষ্ট ধরন জানতে আট সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতো, সেখানে এখন মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই পরীক্ষার ফল পাওয়া সম্ভব হচ্ছে। এই প্রযুক্তির সফল ব্যবহারের মাধ্যমে রোগীরা চরম অনিশ্চয়তা ও মানসিক চাপ থেকে মুক্ত হয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কার্যকর চিকিৎসা শুরু করতে পারবেন।

নতুন এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্কের টিউমার থেকে সংগৃহীত টিস্যুর নমুনা একটি বিশেষ সিকোয়েন্সিং যন্ত্রের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয়। অক্সফোর্ড ন্যানোপোরের তৈরি জুতার বাক্সের আকৃতির এই যন্ত্রটি ডিএনএ অণুকে একটি ক্ষুদ্র ছিদ্রের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করে টিউমারের স্বতন্ত্র জিনগত বৈশিষ্ট্যগুলো নিখুঁতভাবে চিহ্নিত করে। এর সঙ্গে নটিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের তৈরি বিশেষ সফটওয়্যার যুক্ত থাকায় প্রচলিত মাইক্রোস্কোপিক পদ্ধতির চেয়ে অনেক বেশি গভীর ও বিস্তারিত আণবিক শ্রেণিবিন্যাস পাওয়া যায়।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এই পদ্ধতির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো অস্ত্রোপচার চলাকালীনই টিউমারের প্রকৃতি ও ধরন সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট ধারণা পাওয়া যায়। এর ফলে সার্জনরা অপারেশন চলাকালেই বুঝতে পারেন টিউমার অপসারণের সঠিক কৌশল ও পরিধি কী হওয়া উচিত। সম্প্রতি নটিংহামের এক রোগীর ওপর এই প্রযুক্তির সফল প্রয়োগ করা হয়েছে, যেখানে অস্ত্রোপচারের সময় পরীক্ষার প্রাথমিক ফল পাওয়ায় রোগীর দীর্ঘদিনের দুশ্চিন্তা দ্রুত দূর হয়েছে।

যুক্তরাজ্যে প্রতি বছর ১২ হাজারের বেশি মানুষের দেহে প্রাথমিক মস্তিষ্কের টিউমার ধরা পড়ে এবং শিশু ও তরুণদের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ এটি। এই বাস্তবতায় এনএইচএস ইংল্যান্ড প্রাথমিক পর্যায়ে নটিংহাম, বার্মিংহাম, লন্ডন ও নিউক্যাসলের পাঁচটি বিশেষায়িত কেন্দ্রে এই আধুনিক পরীক্ষাটি চালু করেছে। পরবর্তীতে ব্রিস্টল, অক্সফোর্ড, লিডস ও ম্যানচেস্টারের মতো প্রধান শহরগুলোতেও এই চিকিৎসা সেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসার ঘটলে এটি দেশের নিয়মিত চিকিৎসাব্যবস্থার একটি অপরিহার্য অংশে পরিণত হবে। দ্রুত রোগ নির্ণয়ের পাশাপাশি এটি রোগীদের জন্য ব্যক্তিকেন্দ্রিক চিকিৎসা, নতুন ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল এবং উন্নত সেবা গ্রহণের পথ প্রশস্ত করবে। এনএইচএসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, এই উদ্ভাবন ক্যানসার চিকিৎসায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে এবং বহু রোগীর জীবন বাঁচাতে এটি অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।

বসতভিটা বাঁচাতে গ্রামবাসীই আটক করলেন ড্রেজার, পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বসতভিটা বাঁচাতে গ্রামবাসীই আটক করলেন ড্রেজার, পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার বালাসীঘাট সংলগ্ন ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নদীভাঙন থেকে নিজেদের বসতভিটা ও ফসলি জমি রক্ষার্থে কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের পূর্ব খোলাবাড়ী গ্রামের সাধারণ মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই সাহসী পদক্ষেপ নেন। সম্প্রতি দুপুরে নদীর তীরবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত একটি ড্রেজার ও একটি নৌকা আটক করেন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই অবৈধ কার্যক্রমের কারণে নদীভাঙন তীব্র আকার ধারণ করায় তারা নিজেরাই মাঠে নামতে বাধ্য হন।

স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের অভিযোগ অনুযায়ী, বালাসীঘাটের নিকটবর্তী খোলাবাড়ী গ্রামের উজান অংশে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে নিয়মবহির্ভূতভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। নদীর একেবারে কাছ থেকে বালু তোলার ফলে এর আশেপাশের অঞ্চলে মারাত্মক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে পূর্ব খোলাবাড়ী এবং উত্তর উড়িয়া গ্রামের অসংখ্য বসতবাড়ি, উর্বর ফসলি জমি ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এলাকাবাসী জানান, এর আগেও তারা এই অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধের দাবিতে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তરે অভিযোগ এবং মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছিলেন, কিন্তু তাতে কোনো সুফল মেলেনি।

ভুক্তভোগী এলাকাবাসী জানান, ভিটেমাটি হারানোর আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না দেখায় তারা নিজেরাই নদীতে গিয়ে ড্রেজারগুলো আটক করেন। স্থানীয় বাসিন্দা আবুল হোসেন ও আব্দুর রশিদ বলেন, নদী ভাঙতে ভাঙতে তাদের শেষ সম্বলটুকু কেড়ে নেওয়ার উপক্রম করেছে, তাই ঘরবাড়ি বাঁচাতে তারা বাধ্য হয়ে এই প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন। অপর এক বাসিন্দা ওমর আলী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এভাবে বালু উত্তোলন চলতে থাকলে তাদের পথে বসা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না, তাই স্থায়ীভাবে এই ভাঙন রোধ করা জরুরি।

পরিস্থিতি বেগবান হওয়ায় স্থানীয় কঞ্চিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল রানা শালুও বিষয়টি দ্রুত প্রশাসনের নজরে আনেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ দেন। পরবর্তীতে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে। ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে ড্রেজার মালিক মিলন মিয়া এবং নৌকা মালিক হেলোয়ার হোসেনকে মোট দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। সেই সঙ্গে ভবিষ্যতে নদীতীর থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করবেন না মর্মে তাঁদের কাছ থেকে মুচলেকাও আদায় করা হয়েছে।


সৌদি মিত্ররা একজোট, হামলা চালিয়ে যাচ্ছে হুতি বিদ্রোহীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সৌদি মিত্ররা একজোট, হামলা চালিয়ে যাচ্ছে হুতি বিদ্রোহীরা

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি সশস্ত্র গোষ্ঠী কর্তৃক সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা তীব্র আকার ধারণ করায় রিয়াদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে তার মিত্রদেশগুলো। সম্প্রতি হুতিরা সৌদি আরবের বিভিন্ন ভূখণ্ড লক্ষ্য করে অনবরত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক নিরাপত্তাকে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। এই পরিস্থিতিতে সৌদি কর্তৃপক্ষ আকাশপথে বেশ কিছু ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে ধ্বংস করলেও দেশটির প্রধান তেল বন্দর এবং গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে চরম নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সার্বিক এই সংকটময় পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের শীর্ষ ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ হুতিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে জীবন বাজি রেখে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জোরালো বার্তা দিয়েছেন।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সেনাপ্রধানেরা একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মিলিত হতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। গত আগস্ট মাসে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’র রূপরেখা অনুযায়ী যেকোনো এক দেশের ওপর আক্রমণকে সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে এবং সেই অনুযায়ী যৌথ সামরিক কৌশল নির্ধারণ করা হবে। চুক্তির কার্যকারিতা বাড়াতে এবং মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে তুরস্কের সেনাপ্রধান সম্প্রতি সৌদি আরব সফর করেছেন। তবে চুক্তিটি এখনো তুর্কি পার্লামেন্টে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত না হওয়ায় আঙ্কারার পক্ষ থেকে আপাতত মূলত দ্বিপক্ষীয় ও কারিগরি সহায়তা প্রদানের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় লোহিত সাগর উপকূলের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইয়ানবু তেল বন্দর রক্ষায় সেনা ও আধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে ফ্রান্স। ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ জানিয়েছেন, বন্দরটির সুরক্ষায় সেনাসদস্য এবং রাডার সিস্টেম মোতায়েন করা হলেও সরাসরি কোনো সংঘাতে জড়ানোর ইচ্ছা তাদের নেই। হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ থাকায় বর্তমানে সৌদি আরবের জ্বালানি তেল রপ্তানি সম্পূর্ণভাবে ইয়ানবু বন্দরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে, আর তাই এই গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো রক্ষা করা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

এদিকে কূটনৈতিক অঙ্গনেও এই সংঘাত নিরসনে নানা ধরনের তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি তুরস্কের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, আগামী দিনে এই প্রতিরক্ষা জোটে ইরানসহ মুসলিম বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ রয়েছে। আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখা এবং সম্ভাব্য বড় ধরনের সংঘাত এড়ানোর লক্ষ্যেই এই বহুমুখী কূটনৈতিক ও সামরিক পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।


প্রতিষ্ঠানের সাফল্যে সব কর্মীকে আইফোন উপহার দিলেন মালিক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

প্রতিষ্ঠানের সাফল্যে সব কর্মীকে আইফোন উপহার দিলেন মালিক

ব্যবসায়িক সাফল্যের উদ্‌যাপন সবসময়ই বিশেষ কিছু নিয়ে আসে, তবে সম্প্রতি এক অভিনব পন্থায় কর্মীদের পুরস্কৃত করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন এক উদ্যোক্তা দম্পতি। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি কর্মীর হাতে উপহার হিসেবে নতুন মডেলের আইফোন তুলে দিয়েছেন তারা। এমন উদার মানসিকতা ও কর্মীপ্রীতির দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তা দারুণ সাড়া ফেলে। নেটিজেনরা এই দম্পতির ভূয়সী প্রশংসা করছেন এবং অনেকেই মন্তব্য করছেন যে, এমন মালিক পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।

সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওটিতে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার হাসিনা ও নিশাদ দম্পতি একে একে সব কর্মীকে ডেকে তাদের হাতে আইফোন তুলে দিচ্ছেন। কর্মীদের মুখে আনন্দের ঝিলিক এবং কাজের প্রতি তাদের নিবেদনের স্বীকৃতিস্বরূপ এই উপহার প্রদান করা হয়। ভিডিওটির নিচে অজস্র মন্তব্য জমা হয়েছে, যেখানে সাধারণ মানুষ বিভিন্ন মন্তব্য করে এই দম্পতির প্রশংসা করছেন। একজন মজা করে লিখেছেন যে, তার কর্মক্ষেত্রের বস ভিডিওটি দেখার পর মন্তব্য করেছেন এটি নাকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি!

আধুনিক করপোরেট সংস্কৃতিতে কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা রাখতে এ ধরনের উদ্যোগ প্রায়ই বেশ বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। অনেক সময় বেতন বা বোনাসের বাইরেও বিশেষ উপহার কর্মীদের প্রতিষ্ঠাগতো আনুগত্য বাড়াতে সাহায্য করে। হাসিনা ও নিশাদ দম্পতির এই ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ প্রমাণ করে যে, প্রতিষ্ঠানের অংশীদার হিসেবে কর্মীদের অবদানকে কতটা গুরুত্ব দেওয়া উচিত। তাদের এই কাজের মাধ্যমে অন্যান্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোও অনুপ্রাণিত হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সব মিলিয়ে, ছোট হোক বা বড়, যেকোনো ব্যবসায়িক অর্জনের পেছনে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের পরিশ্রমই মূল চাবিকাঠি হিসেবে কাজ করে। এই দম্পতি যেভাবে তাদের কর্মীদের মূল্যায়ন করেছেন, তা বর্তমান কর্মসংস্থান বাজারে এক বিরল ও ইতিবাচক উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তাদের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনের বার্তা আসছে।