শেয়ার বাজার

পেঁয়াজ রপ্তানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞা ; লাগাম টানতে মাঠে নামছে ভোক্তা-অধিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৩

পেঁয়াজ রপ্তানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞা ; লাগাম টানতে মাঠে নামছে ভোক্তা-অধিকার

বার্তাবেলা: পেঁয়াজ রপ্তানিতে ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরই বাংলাদেশের বাজারে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। হু হু করে বাড়ানো হচ্ছে এই কৃষিপণ্যটির দাম। এ অবস্থায় বাজার নিয়ন্ত্রণে অভিযানে নামছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ভোক্তা-অধিকার জানিয়েছে, পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে ঢাকাসহ সারাদেশে অভিযান চালানো হবে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ভারত। যা গতকাল শুক্রবার থেকে কার্যকর হয়। ভারত সরকারের এ ঘোষণার পর বাংলাদেশের বাজারে রাতারাতি পেঁয়াজের দাম লাগামহীনভাবে বাড়তে শুরু করে।

সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, দেশে আমদানি করা পেঁয়াজের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে ভারতের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞায় তেমন প্রভাব পড়বে না।

ভারতের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব ফরেন ট্রেড বা বৈদেশিক বাণিজ্যবিষয়ক মহাপরিচালকের কার্যালয় বৃহস্পতিবার (৭ ডিসেম্বর) জানিয়েছে, নিজেদের দেশে পেঁয়াজের সরবরাহ ও দাম স্বাভাবিক রাখতে পণ্যটি রপ্তানির ওপর আগামী মার্চ পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।

ভোক্তা-অধিকারের বিজ্ঞাপ্তিতে বলা হয়েছে, ৯ ডিসেম্বর থেকে ঢাকা মহানগরসহ সারাদেশে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কর্তৃক পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে অভিযান পরিচালনা করা হবে। ঢাকায় অধিদপ্তরের চারজন কর্মকর্তার নেতৃত্বে চারটি পৃথক টিম বাজার অভিযান পরিচালনা করবে। এছাড়া দেশের সব বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয় সারাদেশে অভিযান পরিচালনা করবে।

ভারতের বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ায় গত ২৯ অক্টোবর টনপ্রতি পেঁয়াজের রপ্তানি মূল্য ৮০০ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ বিধিনিষেধ দেওয়া হলেও সময়সীমার শেষ হওয়ার তিন সপ্তাহ আগেই নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলো।

এদিকে, ভারত রপ্তানি বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পরই দেশের বাজারে হু হু করে বাড়ছে পেঁয়াজের দাম। একদিনের ব্যবধানে দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ১২০ টাকা। রাজধানীর খুচরা বাজারে এখন এ পেঁয়াজের কেজি ২৪০ টাকা। আর কেজিতে ৯০ টাকা বেড়ে ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা। কেউ কেউ ২২০ টাকাও দাম হাঁকছেন।

শনিবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর রামপুরা কাঁচাবাজার, উত্তর বাড্ডা, মধ্য বাড্ডা, গোদারাঘাট, উলন বাজারসহ কয়েকটি বাজারে ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

রাজধানীর বাজারে আটা ময়দা ও ডিমসহ নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রাজধানীর বাজারে আটা ময়দা ও ডিমসহ নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী

রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে নিত্যপণ্যের বাড়তি দামের চাপে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন খরচ অব্যাহতভাবে বাড়ছে। সম্প্রতি নয়াবাজার, কারওয়ান বাজার ও কেরাণীগঞ্জের বউবাজার ঘুরে দেখা গেছে যে আটা, ময়দা, ডিম ও মাছের দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। ছুটির দিনে চাহিদা বেশি থাকায় প্রায় সব ধরনের সবজির দামও কেজিতে কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সীমিত আয়ের মানুষের জন্য বাজার খরচ সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

বাজারে প্রতি কেজি খোলা আটা ৫০ টাকা এবং ময়দা ৬৫ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে যা এক মাস আগে কম ছিল। পাইকারিতে ৫০ কেজির ময়দার বস্তার দাম বেড়ে যাওয়ায় এর প্রভাব বনরুটি ও বেকারি পণ্যে পড়ার উপক্রম হয়েছিল। এছাড়া প্রতি ডজন ডিম ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে যা ছয় মাস আগের তুলনায় বেশ খানিকটা বেশি। ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দামও গত দেড় মাসের তুলনায় কেজিতে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সবজি বাজারে কাঁচামরিচ, পটোল, বেগুন, করলা এবং শিম চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে কারওয়ান বাজারের বিক্রেতা শাহানাজ বেগম জানান যে বৃষ্টির কারণে সবজি সরবরাহে ঘাটতি থাকায় দাম বাড়তির দিকে রয়েছে। অন্যদিকে মাছের বাজারে রুই, কাতলা, পাবদা ও চিংড়ির দাম বেশি থাকলেও সরবরাহ বাড়ার কারণে ইলিশের দাম কিছুটা কমেছে। গরুর মাংস এবং খাসির মাংসের দাম অবশ্য অপরিবর্তিত রয়েছে।

চলতি অর্থবছরের বাজেটে বহু নিত্যপণ্যে কর কমানো হলেও খুচরা বাজারে তার সুফল পুরোপুরি পৌঁছাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ভোক্তারা। কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রতিনিধি নাজের হোসাইন জানান যে কর কমানোর পরও দাম না কমায় বিষয়টি সরকারের গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। বাজারে পণ্যের দাম না কমায় সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসছে না।


ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধিতে দেশের কৃষকদের উৎপাদন খরচ ও দুশ্চিন্তা বৃদ্ধি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধিতে দেশের কৃষকদের উৎপাদন খরচ ও দুশ্চিন্তা বৃদ্ধি

সার ও বীজের চড়া দামের সংকটের মধ্যে সম্প্রতি একলাফে লিটারে ২০ টাকা ডিজেলের দাম বাড়ায় দেশের কৃষকদের কষ্ট আরও বেড়ে গেছে। আধুনিক ও যন্ত্রনির্ভর কৃষিতে জমি প্রস্তুত, সেচ দেওয়া, ফসল কাটা এবং মাড়াইয়ের মতো প্রায় সব কাজেই জ্বালানি হিসেবে ডিজেল অপরিহার্য। কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বছরে মোট ৪৩ লাখ ৫০ হাজার টন ডিজেলের চাহিদার প্রায় ২৪ শতাংশ কৃষিকাজে ব্যবহৃত হয়। এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে কৃষকদের অতিরিক্ত প্রায় ২ হাজার ৮৮ কোটি টাকা ব্যয় বৃদ্ধি পাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিশেষ করে বোরো মৌসুমে সেচ কার্যক্রমের ৮০ শতাংশই ডিজেলচালিত যন্ত্রের ওপর নির্ভরশীল থাকায় উৎপাদন খরচ বহুগুণ বেড়ে যাবে। ধান উৎপাদনে খ্যাতিসম্পন্ন নওগাঁ, ঠাকুরগাঁও, জয়পুরহাটসহ বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকেরা জানিয়েছেন যে ডিজেলের দাম বাড়ায় জমি চাষ, সেচ ও ফসল মাড়াইয়ের খরচ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। কোথাও কোথাও পাওয়ার টিলারের খরচ এবং সেচপাম্পের ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মালিকেরা। এর ফলে বিপ্রতি ফসল উৎপাদনে অতিরিক্ত দেড় থেকে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়তি খরচ হচ্ছে প্রান্তিক চাষিদের।

কৃষি অর্থনীতিবিদ জাহাঙ্গীর আলম খান মনে করেন, ডিজেলের দাম বাড়ার কারণে কৃষকদের উৎপাদন খরচ অনেক বেড়ে যাবে এবং তাঁরা কঠিন সংকটের মুখে পড়বেন, যা পরবর্তীতে খাদ্যে মূল্যস্ফীতি বাড়াতে পারে। কৃষকদের রক্ষায় তিনি সরকারকে নগদ অর্থসহ প্রণোদনা দেওয়ার সুপারিশ করেছেন। একই সঙ্গে কৃষকদের দাবি, ফসলের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় ধানের ন্যায্য দামও যেন সেই অনুপատ বাড়িয়ে দেওয়া হয়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আব্দুর রহিম জানিয়েছেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাব সবার মতো কৃষকদের ওপরও পড়ছে এবং কৃষকদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি, কৃষিজমিতে ডিজেলনির্ভর সেচের ওপর চাপ কমাতে বিকল্প হিসেবে সৌরবিদ্যুচ্চালিত পাম্প বসানোর কাজও চলমান রয়েছে।


পাকিস্তান থেকে জাহাজে এবার যা যা এসেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২ ডিসেম্বর, ২০২৪

পাকিস্তান থেকে জাহাজে এবার যা যা এসেছে

দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তান থেকে সরাসরি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে কনটেইনারবাহী জাহাজ ‘এমভি ইউয়ান জিয়াং ফা ঝং’। এবার জাহাজটিতে চিনি, আখের গুড়, ডলোমাইট, সোডা অ্যাশ, থ্রি-পিস, খেজুর ছাড়াও নানান ধরনের পণ্য এসেছে।

এসব পণ্যের ৮৬ শতাংশই পাকিস্তান থেকে এসেছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিশোধিত চিনি ও খনিজ পদার্থ ডলোমাইট।

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে কনটেইনারবাহী জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছায়। গত ১১ ডিসেম্বর পাকিস্তানের করাচি বন্দর থেকে ৮১১ টিইইউস (২০ ফুট দৈর্ঘ্যের একক) কনটেইনার নিয়ে জাহাজটি রওনা দেয়।

এই জাহাজটিই সংযুক্ত আরব আমিরাত হয়ে প্রথমে পাকিস্তান এবং পরে ৩৭০টিইইউস কনটেইনার নিয়ে গত ১১ নভেম্বর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে। সেসময় জাহাজটির বিভিন্ন কনটেইনারে সোডা অ্যাশ, ডলোমাইট চুনাপাথর, ম্যাগনেশিয়াম ভাঙা কাচ, কাঁচামাল কাপড়, রং, গাড়ির যন্ত্রাংশ, পেঁয়াজ, আলু, খেজুর, জিপসাম, পুরোনো লোহার টুকরা, মার্বেল ব্লক, কপার ওয়্যার, রেজিন এবং মাদক হুইস্কি, ভদকা ও ওয়াইন ছিল। ১২ নভেম্বর জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দর ত্যাগ করে। ওইসময় তা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বেশ শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। ফের সেই একই জাহাজ করাচি থেকে চট্টগ্রামে এসেছে দ্বিগুণেরও বেশি পণ্য নিয়ে। যদিও এর আগে পাকিস্তান থেকে চট্টগ্রামে পণ্য আনা-নেওয়া হতো তৃতীয় কোনো বন্দরের মাধ্যমে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জাহাজটি কনটেইনার খালাস ও খালি কনটেইনার লোড করার জন্য বন্দরের এনসিটি জেটিতে দুদিন অবস্থান করবে। কাজ শেষে যাওয়ার পথে চট্টগ্রাম থেকে ইন্দোনেশিয়ার বন্দরের জন্য ৪০০ টিইইউ’স (২০ ফুট দীর্ঘ হিসাবে) এবং মালয়েশিয়ার বন্দরের জন্য ৬০০ টিইইউ’স খালি কনটেইনার নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

জাহাজটিতে এবার আরব আমিরাত ও পাকিস্তান থেকে আনা হয়েছে ৮১১ একক কনটেইনার পণ্য। যা জাহাজটির প্রথম ট্রিপের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি। এর মধ্যে ৬৭৮ একক কনটেইনার পণ্যই এসেছে পাকিস্তান থেকে। দেশটি থেকে এবার সবচেয়ে বেশি এসেছে পরিশোধিত চিনি ও খনিজ পদার্থ ডলোমাইট।

পাকিস্তান থেকে এবার ২৮৫ কনটেইনারে ১ লাখ ৪৮ হাজার ২০০ ব্যাগ চিনি আনা হয়েছে। যার পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৭ হাজার টন।

কাঁচশিল্পে ব্যবহারের জন্য চিনির পর পাকিস্তান থেকে সবচেয়ে বেশি আনা হয়েছে ডলোমাইট। এবার ১৭১ কনটেইনারে ডলোমাইট আমদানি হয়েছে। এই কাঁচামাল এনেছে নাসির ফ্লোট গ্লাস ও আকিজ গ্লাস ইন্ডাস্ট্রিজ। পাকিস্তান থেকে আমদানি হওয়া আরেকটি পণ্য হলো সোডা অ্যাশ। এই পণ্য আমদানি হয়েছে ১৩৮ কনটেইনারে। শিল্পে ব্যবহারের এই কাঁচামাল এনেছে নাসির ফ্লোট গ্লাসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

এছাড়া শতভাগ রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানাগুলো এনেছে কাপড়ের রোল। মোট ৪৬টি কনটেইনারে রয়েছে কাপড়ের রোল। আলু আমদানি হয়েছে ১৮ একক কনটেইনারে। এছাড়া জয়পুরহাটের পিঅ্যান্ডপি ট্রেডিং ২০ কনটেইনারে আখের গুড় এনেছে। এসব পণ্যের পাশাপাশি পুরোনো লোহার টুকরা, রেজিন, থ্রি-পিস ইত্যাদি পণ্য আমদানি হয়েছে।

পাকিস্তান ছাড়াও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আনা হয়েছে খাদ্যপণ্য, খেজুর, লুব অয়েল, যন্ত্রাংশ ইত্যাদি। পাকিস্তানের পাশাপাশি আমিরাত থেকেও ১০ কনটেইনার চিনি আমদানি হয়েছে।

‘এমভি ইউয়ান জিয়াং ফা ঝং’ জাহাজটির স্থানীয় প্রতিনিধি কর্ণফুলী লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান রিজেনসি লাইনস লিমিটেড এই সংস্থার বাংলাদেশে স্থানীয় প্রতিনিধি হিসেবে যুক্ত হয়েছে। দুবাই ভিত্তিক কনটেইনার জাহাজ পরিচালনাকারী সংস্থা ফিডার লাইনস ডিএমসিসি দুবাই-করাচি-চট্টগ্রাম-মালয়েশিয়া-ইন্দোনেশিয়া-ভারত-দুবাই রুটে ‘এমভি ইউয়ান জিয়াং ফা ঝং’ জাহাজটি চালু করেছে।

কর্ণফুলী লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক আনিস উদ দৌলা বলেন, জাহাজটিতে প্রথমবারের তুলনায় এবার দ্বিগুণ কনটেইনার এসেছে। সরাসরি জাহাজটি আসায় সময় কয়েকদিন কম লাগছে। এতে ব্যবসায়ীদের খরচ সাশ্রয় হচ্ছে।

শিপিং এজেন্ট, বন্দর ব্যবহারকারী ও আমদানিকারকদের মতে, দুবাই-করাচি-চট্টগ্রাম রুটে সরাসরি কনটেইনার জাহাজ চালু হওয়ায় মেরিটাইমে গুরুত্বপূর্ণ দুই বিবেচ্য বিষয় ‘ভাড়া’ ও ‘সময়’ সাশ্রয় হচ্ছে। পাকিস্তান থেকে এত দিন শ্রীলঙ্কা বা সিঙ্গাপুর হয়ে চট্টগ্রামে পণ্য আমদানি হতো। তাতে এসব কনটেইনার একবার এসব বন্দরে নামানো হতো। আবার চট্টগ্রামমুখী জাহাজে তুলে দেওয়া হতো। এতে সময় লাগতো বেশি। এখন সরাসরি জাহাজসেবা চালুর কারণে ১০ দিনে পণ্য হাতে পাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।