শেয়ার বাজার

জবি ছাত্রীর আত্মহত্যা;
অভিযুক্তদের গ্রেফতারে ১২ ঘণ্টার আলটিমেটাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মার্চ ২০২৪

অভিযুক্তদের গ্রেফতারে ১২ ঘণ্টার আলটিমেটাম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ফাইরুজ অবন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে এ ঘটনায় দায়ীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (১৬ মার্চ) বিকেল সাড়ে তিনটায় বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করেন শিক্ষার্থীরা। এরপর ভিক্টোরিয়া পার্ক ও কবি নজরুল সরকারি কলেজ ঘুরে মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে এসে শেষ হয়।

এরপর সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য চত্বরে দাঁড়িয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ছয় দফা দাবি ঘোষণা করেন। এসব দাবি বাস্তবায়নে ১২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন তারা।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ইভান তাহসিভ বলেন, ফাইরুজ অবন্তিকা অসাধারণ শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নানান বিষয়ে উদ্যোগ নিয়েছিলেন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলা থেকে জবি শিক্ষার্থী খাদিজাতুল কুবরাকে মুক্তির জন্য যে আন্দোলন হয়েছিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে, সেখানে অবন্তিকাও নেতৃত্ব দেন। এজন্য তাকে নানান ধরনের হুমকি-ধামকি দেওয়া হয়েছে। এরপরও তিনি পিছপা হননি। কিন্তু তারই এমন করুণ পরিণতি আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না। বিষয়টির সঙ্গে যারা জড়িত সবার বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

অপর এক শিক্ষার্থী বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সব ভাই-বোনদের জন্য নিরাপদ করে তুলবো আমরা। আন্দোলন চালিয়ে যাবো। আমাদের বোনের এমন পরিণতির জন্য যারা দায়ী তাদের শাস্তি নিশ্চিত করতেই হবে।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো- ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে, অভিযুক্ত শিক্ষক দ্বীন ইসলাম ও শিক্ষার্থী আম্মান সিদ্দিকিকে অবিলম্বে গ্রেফতার ও সুষ্ঠু বিচারের আওতায় আনা, দ্রুত সিন্ডিকেট ডেকে অভিযুক্তদের স্থায়ী বহিষ্কার, ভুক্তভোগীর পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বাদী হয়ে এ ঘটনায় মামলা দায়ের করতে হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী নিপিড়ন সেল কার্যকর করতে হবে।

এর আগে শনিবার সকালে অভিযুক্ত সহকারী অধ্যাপক দ্বীন ইসলামকে সহকারী প্রক্টর ও শিক্ষকতা থেকে সাময়িক বরখাস্ত এবং অভিযুক্ত রায়হান সিদ্দিকি আম্মানকে সাময়িক বহিষ্কার করে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

জানা গেছে, ফাইরুজ অবন্তিকা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। শুক্রবার (১৫ মার্চ) রাত ১০টার দিকে প্রথমে ফেসবুকে পোস্ট দেন ফাইরুজ। এরপর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, তিনি মারা গেছেন।


ভারত নির্বাচন বিশ্লেষণ করতে পারে, মতামত দেওয়ার অধিকার রাখে না

প্রকাশিত: ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

ভারত নির্বাচন বিশ্লেষণ করতে পারে, মতামত দেওয়ার অধিকার রাখে না

আসন্ন নির্বাচন নিয়ে ভারত বিশ্লেষণ করতে পারে, তবে মতামত দেওয়ার সুযোগ (অধিকার) দেশটি রাখে না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। এছাড়া পতিত স্বৈরাচার ভোটের পরিবেশ নষ্টের চেষ্টা করলে সরকার প্রতিহত করতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।  

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে উপদেষ্টা এ কথা জানান। রিজওয়ানা হাসান পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়; পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বে রয়েছেন। 

কোনো কোনো জেলায় ডিসিদের গণভোটের পক্ষে সেভাবে প্রচারণায় দেখা যাচ্ছে না- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, আমরা যা করছি তা হলো, আমরা উপদেষ্টারা দেশের ৬৪ জেলায় গিয়ে বিভিন্ন জেলার যারা সুশীল সমাজের আছেন, শিক্ষক প্রতিনিধি আছেন, ছাত্র প্রতিনিধি আছেন, যারা ধর্মীয় নেতা আছেন- সবাইকে গণভোটটা কেন হচ্ছে, গণভোটের অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো কী- এটা বুঝিয়ে দিচ্ছি। এখন যেহেতু নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে গেছে, এখন আর আমরা কোনো উপদেষ্টা সেখানে যাচ্ছি না। আমাদের কিছু ম্যাটেরিয়াল আছে গণভোটের স্বপক্ষে, সেটাই আমরা বিলি করে বেড়াচ্ছি।  

তিনি বলেন, কিন্তু জেলা প্রশাসকেরা কোথায় প্রচার করছেন, করছেন না... জেলা প্রশাসকেরা প্রচার করবেন হচ্ছে যে ১২ তারিখে সাধারণ ভোটের পাশাপাশি একটা গণভোট হবে। সাধারণ ভোটের পাশাপাশি জনগণ যেন গণভোটে যেতে পারে সে খবরটা জানানো। এর বেশি তো আর তাদের কিছু করার কথা না।  

সার্বিকভাবে এখন পর্যন্ত ভোটের পরিবেশ কেমন দেখছেন? দুই দলের মধ্যে ঢিল ছোড়াছুড়ি হচ্ছে। পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকেও ভোট নিয়ে মন্তব্য আসছে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে উপদেষ্টা বলেন, শোনেন, প্রথম কথা হচ্ছে নির্বাচনের পরিবেশ তো উত্তেজনাপূর্ণ হবে। এক দল আরেক দলকে হারাবার চেষ্টা করবে, এক দল জিতবার চেষ্টা করবে। যে দল জিতবার চেষ্টা করবে সে তার পক্ষকে ঘায়েল করার জন্য কথা বলবে, প্রতিপক্ষ আরেকজনকে ঘায়েল করার কথা বলবে, এটা খুব স্বাভাবিক কথা।

তিনি বলেন, কোনো কোনো জায়গায় হয়তো ভদ্রতা সভ্যতার সীমাটা রাখা হচ্ছে না, সেজন্য সব দলকেই দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। যদি কোনোটা আইনশৃঙ্খলা পর্যায়ে পৌঁছে যায় তখন সেটা সরকারের দায়িত্ব। তার আগ পর্যন্ত কে কার জনসভায় কী বললো না বললো সেটা তো সরকারের দায়িত্ব না।  

নির্বাচন সম্পূর্ণ একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় মন্তব্য করে রিজওয়ানা হাসান বলেন, সেখানে অন্য দেশ বিশ্লেষণ করতে পারে, কিন্তু মতামত তো দেওয়ার সুযোগ রাখে না। তার বিশ্লেষণ থাকতে পারে কিন্তু কে জিতলে কী ধারণা করবে জিতবার আগেই এত কথা বলে দিলে তো এই মন্তব্য বস্তুনিষ্ঠ সেরকম মনে করার কোনো সুযোগ নেই।  

ভোটের পরিবেশ নষ্ট হলে আওয়ামী লীগকেই দায়ী করা হবে- সরকারের এমন একটা বিবৃতি আছে। এ বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা বলেন, ভোটের পরিবেশ নষ্ট করার যে আওয়ামী লীগ চেষ্টা করেনি তা তো ঠিক কথা না। ভোটের যেদিন শিডিউল ঘোষণা হলো সেদিনই তো বিভিন্ন জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ করা হলো এবং সেটার ভুক্তভোগী আমরাও কয়েকজন আছি। ফলে ভোটের পরিবেশ নষ্ট করার জন্য যদি পতিত স্বৈরাচারের কোনো শক্তি কোনো রকম চেষ্টা করে সেটা প্রতিরোধ করার জন্য সরকার প্রস্তুত আছে, প্রয়োজনে প্রস্তুতি আমরা বাড়াবো।

মানুষের ভেতরে ভোটের পরিবেশ নিয়ে ভয় কাজ করছে- এ বিষয়ে তিনি বলেন, আপনি আমাকে সুনির্দিষ্ট তথ্য দেবেন যে কোন মানুষ আপনাকে বলেছে তার ভোট দিতে ভয় লাগছে। আমরা যে এত কয়টা জেলায় গেলাম সব জায়গায় আমরা দেখে এসেছি প্রতিটি জায়গায় নির্বাচনের একটা আমেজ শুরু হয়েছে। যখন আমরা গেছি তখনও কিন্তু নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়নি। তো প্রচার-প্রচারণা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উত্তেজনাও বাড়বে, আগ্রহও বাড়বে, আনন্দও বাড়বে। এটা সবসময় বাংলাদেশে হয়ে থাকে। কোনো জায়গাতে কোনো মানুষ আমাকে বলেনি যে আপা ভোট দিতে কেমন করে যাবো আমার ভয় লাগছে। আপনাকে যদি কেউ এটা বলে থাকে আমাদের জানাবেন তার ভয় দূর করার দায়িত্ব অবশ্যই আমাদের।

সরকারের এ উপদেষ্টা আরও বলেন, এই যে ভয়ের একটা আবহ তৈরি করা নানান প্রচার-প্রচারণা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, নানান কিছু ভিত্তিহীন বক্তব্য দিয়ে দিয়ে একটা ভয়ের আবহ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এ জন্যই বলা হচ্ছে যে পতিত স্বৈরাচার যদি নির্বাচনের পরিবেশকে বিঘ্ন করার জন্য কোনো কাজ করে আমরা সেটার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবো।


জাতিসংঘের কালো তালিকায় আরো ৬১ ইসরাইলি কোম্পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতিসংঘের কালো তালিকায় আরো ৬১ ইসরাইলি কোম্পানি

অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে অবৈধ বসতি স্থাপনের প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে আন্তর্জাতিকভাবে আরও একষট্টিটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে জাতিসংঘ। সম্প্রতি জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই নতুন সংযোজন করা হয়, যার ফলে বিশ্ব সংস্থাটির এই বিতর্কিত তালিকার পরিধি আরও প্রসারিত হলো। মূলত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতিগুলোর সঙ্গে সরাসরি বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখার কারণে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে ইসরাইলি বসতি সম্প্রসারণের সঙ্গে জড়িত কর্পোরেট স্বার্থের বিষয়টি আবারও তীব্র আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে।

সর্বশেষ এই সংযোজনের পর জাতিসংঘের এই বসতি-বিরোধী কালো তালিকায় তালিকাভুক্ত মোট বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে এখন দুই শ চৌদ্দটিতে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বজুড়ে প্রায় এগারোটি ভিন্ন দেশে এসব প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক নিবন্ধন থাকলেও এর একটি বড় অংশই সরাসরি ইসরাইলভিত্তিক কোম্পানি হিসেবে পরিচালিত হয়ে আসছে। তবে লক্ষণীয় বিষয় হলো, গত বছর এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকা এক শ আটান্নটি প্রতিষ্ঠান থেকে যাচাই-বাছাই শেষে ইতিমধ্যে পাঁচটিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ২০২০ সালে জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের একটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবের ভিত্তিতে প্রথমবারের মতো এই তালিকাটি প্রকাশ্যে আনা হয়েছিল।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক এই নতুন তালিকা প্রকাশকে সংশ্লিষ্ট সমস্ত করপোরেট প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি কঠোর সতর্কবার্তা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে মানবাধিকার রক্ষার মৌলিক দায়িত্ব প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেরই রয়েছে এবং এই দায়বদ্ধতা এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। ব্যবসা পরিচালনার সময় কোনো ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘন বা ফিলিস্তিনিদের অধিকার হরণে যাতে এসব প্রতিষ্ঠান জড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য কঠোর যাচাই-বাছাই অব্যাহত থাকবে। যদিও জাতিসংঘের এই তালিকার সরাসরি কোনো আইনি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার নেই, তবে এর মূল উদ্দেশ্য হলো সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর ভূমিকা জনসমক্ষে উন্মোচন করা।

এদিকে জাতিসংঘের এই পদক্ষেপে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে তা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরাইল সরকার। একই সঙ্গে এই কালো তালিকাভুক্তির উদ্যোগে কোনো ধরনের সমর্থন না দেওয়ার জন্য তারা তাদের আন্তর্জাতিক মিত্র দেশগুলোর প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছে। অন্যদিকে, এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে অধিকৃত পশ্চিম তীরের বসতি স্থাপন ও বাণিজ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। কিছুদিন আগে ব্রিটেন এই বসতিগুলোর সঙ্গে সমস্ত ধরনের বাণিজ্যিক লেনদেন নিষিদ্ধ করেছে এবং ফিলিস্তিনিদের ওপর সহিংসতাকে জাতিগত নির্মূলের অংশ বলে অভিহিত করেছে। পাশাপাশি, ফ্রান্স ও কানাডার মতো দেশগুলোও একই ধরনের কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।


চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ০৮ এপ্রিল, ২০২৬

চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী

দেশের চার কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের দর্শন হলো ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক।


বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য এ এম মাহবুব উদ্দিনের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।

প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন-উত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের নাগরিকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’ এই দর্শনে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে গত ১০ মার্চ দেশের ১০টি জেলা এবং ৩টি সিটি করপোরেশনের ৩৭ হাজার ৮১৪টি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আগামীতে দেশের প্রায় চার কোটি প্রান্তিক ও নিম্নবিত্ত পরিবারকে পর্যায়ক্রমে এই কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

নোয়াখালী-১ (চাটখিল ও সোনাইমুড়ী) নির্বাচনি এলাকা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আশা করছি সংসদ সদস্যের নির্বাচনি এলাকার দরিদ্র পরিবারের নারী সদস্যদের ক্ষমতায়ন ও স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের এই ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা সম্ভব হবে।