শেয়ার বাজার

নরসিংদীতে ট্রাক্টর-মোটরসাইকেল সংঘর্ষ, নিহত ১

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

নরসিংদীতে ট্রাক্টর-মোটরসাইকেল সংঘর্ষ, নিহত ১

বার্তাবেলা (নরসিংদী) প্রতিনিধি: নরসিংদীর রায়পুরায় মোটরসাইকেল ও ট্রাক্টরের সংঘর্ষে মো: মাহবুব মিয়া নামে এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছে। এসময় গুরুতর আহত হয়েছে  মোটরসাইকেলের অপর আরোহী ইব্রাহিম।

রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে উপজেলার মহেষপুর ইউনিয়নের নীলকুঠি-আলগী আঞ্চলিক সড়কে মানিকনগর গ্রামের মান্নান মাস্টারের বাড়ির সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

রায়পুরা থানার উপপরিদর্শক নিতাই চন্দ্র দাস ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

নিহত মো: মাহবুব মিয়া উপজেলার মহেষপুর ইউনিয়নের মানিকনগর গ্রামের ছাত্তার মিয়ার ছেলে। অপরদিকে আহত ইব্রাহিম মিয়া কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর ভাগলপুর জহিরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, দুই বন্ধু মোটরসাইকেল যুগে আলগী থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় তারা মানিকনগর এলাকায় পৌছলে বিপরীত দিক থেকে ছেড়ে আসা দ্রুতগতির ট্রাক্টরের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে মোটরসাইকেলের চালক রাস্তায় ছিটকে পড়ে ট্রাক্টরের সামনের চাকার চাপায় গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাঁদের হাসপাতালে নেওয়ার পথে মো: মাহবুব মিয়ার মারা যায় এবং মোটরসাইকেলের অপর আরোহী ইব্রাহিম মিয়াকে গুরুতর আহত অবস্থায় কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর ভাগলপুর জহিরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

রায়পুরা থানার উপপরিদর্শক নিতাই চন্দ্র দাস বলেন, মরদেহ  উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর ট্রাক্টর ফেলে চালক পালিয়ে গেছে ট্রাক্টরটি জব্দ করা হয়েছ। এখনো পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। ময়না তদন্তের পর তদন্ত সাপেক্ষে  আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


ট্রাম্প-সি বৈঠকে অর্জন কম, ততেও কেন খুশি চীন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ট্রাম্প-সি বৈঠকে অর্জন কম, ততেও কেন খুশি চীন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের শীর্ষ নেতা সি চিনপিংয়ের সাম্প্রতিক শীর্ষ বৈঠকটি দুই পরাশক্তির সম্পর্কে নতুন কোনো বড় সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে। দীর্ঘ আলোচনার পর কূটনৈতিক মহলে বড় ধরনের কোনো চুক্তি বা দৃশ্যমান অগ্রগতি স্বাক্ষরিত না হওয়ায় অনেকেই একে সীমিত অর্জন হিসেবে দেখছেন। তবে তা সত্ত্বেও বেইজিংয়ের তরফ থেকে এই বৈঠক নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করা হয়েছে এবং একে ইতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই সাক্ষাতের মূল উদ্দেশ্য ছিল সম্পর্কের বরফ গলানো এবং উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পাওয়া রোধ করা।

বৈঠকের মূল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের নানা জটিল সমীকরণ। এ প্রসঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্প অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় মন্তব্য করেছেন যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে বর্তমানে যে অতিরিক্ত আতঙ্ক বা ভীতি সৃষ্টি করা হচ্ছে তা আদতে একটি বড় ভাঁওতা মাত্র। তাঁর মতে, প্রযুক্তির এই নতুন যুগে নিয়ন্ত্রণ বা ভয়ের নামে যেসব আলোচনা চলছে, শেষ পর্যন্ত তাতে কৌশলগতভাবে চীনই বেশি সুবিধা লাভ করছে। মার্কিন নেতার এমন মন্তব্য প্রযুক্তি দুনিয়ায় নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে এবং এর ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের এই অবস্থান এবং ট্রাম্পের মূল্যায়ন বেইজিংয়ের নীতিনির্ধারকদের জন্য বেশ সুবিধাজনক হয়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। চীনের পক্ষ থেকে মনে করা হচ্ছে, ট্রাম্পের এ ধরনের বক্তব্য তাদের প্রযুক্তিগত অগ্রযাত্রাকে খাটো করার পশ্চিমা প্রচেষ্টাকে কিছুটা হলেও ভোঁতা করে দেয়। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো সংবেদনশীল খাতে মার্কিন রক্ষণশীল নীতিমালার বিরুদ্ধে এটি একধরনের পরোক্ষ স্বীকৃতি। ফলে আনুষ্ঠানিক কোনো বড় চুক্তি স্বাক্ষরিত না হলেও, বৈশ্বিক মঞ্চে নিজেদের কৌশলগত অবস্থান ধরে রাখতে পেরে চীন এই বৈঠক থেকে নিজেদের মতো করে ইতিবাচক বার্তা আদায় করে নিয়েছে।

সবমিলিয়ে দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের এই বৈঠকটি বিশ্ব রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একদিকে ওয়াশিংটনের কৌশলগত সতর্কবার্তা এবং অন্যদিকে বেইজিংয়ের বাস্তবমুখী সন্তুষ্টি—সব মিলিয়ে দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন বজায় থাকলেও সরাসরি সংঘাত এড়াতে এই আলোচনা কার্যকরী ভূমিকা রেখেছে। ভবিষ্যতের বাণিজ্য নীতি এবং প্রযুক্তিগত প্রতিযোগিতায় দুই পরাশক্তি কীভাবে নিজেদের অবস্থান বজায় রাখে, এখন সেটাই দেখার বিষয়।


সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি’কে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে দাগনভূঁঞা থানা পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি’কে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে দাগনভূঁঞা থানা পুলিশ

বার্তাবেলা ডেস্ক: সাম্প্রতিক সময়ে দাগনভূঁঞা থানায় যোগদানকৃত অফিসার ইনচার্জ(ওসি)আবুল হাসিম দাগনভূঁঞা থানায় যোগদানের পর থেকেই থানাধীন এলাকায় চুরি-ছিনতাই ইফটিজিং কিশোর গ্যাং মাদকসেবন ও মাদক ক্রয়- বিক্রয়ের সাথে জড়িত এবং  পরোয়ানাভুক্ত আসামী গ্রেফতারসহ নানান অপরাধ দমনে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন । 

তারাই ধারাবাহিকতায় সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সোনাগাজী সার্কেল  দিকনির্দেশনায় অফিসার ইনচার্জ আবুল হাসিম এর সার্বিক তত্তাবধানে এসআই/মোঃ ফখরুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ অদ্য ২১ ফেব্রুয়ারি ২৪ ইং রাতে ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করিয়া ০৪টি সিআর সাজা প্রাপ্ত যাবৎ আত্নগোপনে থাকা আসামি মর্ডান ব্রীক ফিল্ডের মালিক মোঃ ছালেহ উদ্দিন ছালু’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় দাগনভূঁঞা থানা পুলিশের একটি চৌকস ট্রিম। 

এই বিষয়ে দাগনভূঁঞা থানার ওসি আবুল হাসিম সাংবাদিকদের জানান গ্রেফতারকৃত আসামি সাজা এড়াতে দীর্ঘদিন দিন ধরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনে আছেন।গ্রেফতারকৃত আসামীকে বিধি মোতাবেক অদ্য ২১ ফেব্রুয়ারি ২৪ ইং বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হইয়াছে।


পাচার হয়ে বাংলাদেশে আসা দুই চিতাবাঘ ফেরত নিতে চায় না জিম্বাবুয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পাচার হয়ে বাংলাদেশে আসা দুই চিতাবাঘ ফেরত নিতে চায় না জিম্বাবুয়ে

অবৈধভাবে পাচার হয়ে বিভিন্ন হাত ঘুরে বাংলাদেশে পৌঁছানো দুটি চিতাবাঘকে ফিরিয়ে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে জিম্বাবুয়ের সরকার। দীর্ঘদিন ধরে সাফারি পার্কে থাকা এই বন্যপ্রাণীগুলোকে নিজেদের দেশে ফেরত পাঠানোর সবরকম কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। আফ্রিকার এই দেশটির এমন অবস্থানে বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে ২০১৮ সালে, যখন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী খাঁচাবন্দী অবস্থায় এই দুটি চিতাবাঘ উদ্ধার করে। বন্যপ্রাণী পাচার চক্রের হাত থেকে উদ্ধারের পর সেগুলোকে তাৎক্ষণিকভাবে গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে স্থানান্তর করা হয়। তখন থেকেই প্রাণী দুটি বিশেষ তত্ত্বাবধানে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এই পার্কে বসবাস করে আসছে।

উদ্ধারের পর থেকেই চিতাবাঘগুলোকে তাদের নিজ আবাসস্থলে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য জিম্বাবুয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে বাংলাদেশ। কিন্তু দীর্ঘ আলোচনা ও পত্রালাপের পরও জিম্বাবুয়ে সরকার তাদের ফিরিয়ে নিতে আনুষ্ঠানিকভাবে অপারগতা প্রকাশ করেছে। তবে কী কারণে তারা এই বন্যপ্রাণীগুলোকে গ্রহণ করতে চাইছে না, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানা যায়নি।

বর্তমানে জিম্বাবুয়ের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া না মেলায় গাজীপুর সাফারি পার্কের হাসপাতালেই বিশেষ পরিচর্যায় রাখা হয়েছে চিতাবাঘ দুটিকে। পার্কের অভিজ্ঞ ভেটেরিনারি সার্জন ও কর্মীরা তাদের সার্বিক স্বাস্থ্য ও খাদ্যাভ্যাসের বিষয়টি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছেন। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন ও আন্তর্জাতিক প্রোটোকল মেনে প্রাণী দুটির আজীবন লালন-পালনের বিষয়টি এখন পার্কের পক্ষ থেকেই নিশ্চিত করা হচ্ছে।