শেয়ার বাজার

নিখোঁজ শিশুর জন্য অপেক্ষা-উদ্বেগ, কী করছে পুলিশ?

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিখোঁজ শিশুর জন্য অপেক্ষা-উদ্বেগ, কী করছে পুলিশ?

বাংলাদেশে কোনো শিশু হারিয়ে যাওয়ার মতো সংবেদনশীল ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে মাঠে নামার জন্য পুলিশের সুনির্দিষ্ট কোনো বিশেষায়িত ইউনিট নেই। সাধারণ থানা পুলিশের ওপরই এসব শিশু উদ্ধারের মূল দায়িত্ব ন্যস্ত থাকে, যাদের অন্যান্য নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি এই কাজ করতে হয়। ফলে অনেক সময় নিখোঁজ শিশুর সন্ধানে যে দ্রুত গতির ও সমন্বিত তৎপরতা প্রয়োজন, তা ব্যাহত হয় বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর অভিযোগ অনুযায়ী, সন্তান নিখোঁজ হওয়ার পর থানায় সাধারণ ডায়েরি বা জিডি করতে গেলেও নানা জটিলতার মুখোমুখি হতে হয়। রাজধানীর বিভিন্ন থানা বা দেশের অন্যান্য অঞ্চলে অনেক সময় ২৪ ঘণ্টা না পার হলে পুলিশ জিডি নিতে চায় না, যা চরম উৎকণ্ঠার সময়ে পরিবারগুলোকে আরও অসহায় করে তোলে। এই ধরনের অনীহা ও কালক্ষেপণের ফলে অপরাধীরা আরও বেশি সুযোগ পেয়ে যায় এবং নিখোঁজ শিশুকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়ে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশু নিখোঁজ হওয়ার প্রথম কয়েক ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এই সময়ের মধ্যেই সর্বাত্মক উদ্ধার তৎপরতা শুরু করা জরুরি। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর দুর্বলতা এবং আধুনিক প্রযুক্তির অপর্যাপ্ত ব্যবহারের কারণে পুলিশ তাৎক্ষণিক কোনো অপারেশন শুরু করতে পারে না। ফলে সাধারণ মানুষকে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া ও কালক্ষেপণের মধ্য দিয়ে যেতে হয়, যা শিশু সুরক্ষার ক্ষেত্রে বড় একটি অন্তরায় হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতি উত্তরণে শিশু নিখোঁজের তাৎক্ষণিক তদন্ত ও উদ্ধারের জন্য একটি বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিট গঠনের দাবি জোরালো হচ্ছে। পাশাপাশি, থানায় জিডি করার ক্ষেত্রে অযথা সময়ক্ষেপণ বন্ধ করে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযোগ গ্রহণ এবং প্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন মানবাধিকারকর্মীরা।

খসড়া হুবহু পাস হয়ে গেলেও সরকার আওয়ামী লীগের মতো করে সেটি ব্যবহার করবে না: তথ্য উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

খসড়া হুবহু পাস হয়ে গেলেও সরকার আওয়ামী লীগের মতো করে সেটি ব্যবহার করবে না: তথ্য উপদেষ্টা

বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সাইবার সুরক্ষা আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার উদ্যোগ নিয়েছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং তা জনসমক্ষে আলোচনাও করা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, অতীতের স্বৈরাচারী সরকারের মতো এই আইনের অপব্যবহার করা হবে না এবং জনগণের বাকস্বাধীনতা খর্ব করার কোনো অভিপ্রায় তাদের নেই।

নতুন এই সংশোধনীর খসড়ায় ডিজিটাল মাধ্যমে মানহানি বা কাউকে হেয়প্রতিপন্ন করার মতো বিষয়গুলোকে পুনরায় ফৌজদারি অপরাধের আওতায় নিয়ে আসার প্রস্তাব করা হয়েছে। মূলত সাইবার অপরাধ দমনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত সম্মানহানি রোধে আইনি সুরক্ষা বজায় রাখতেই এই ধারাগুলো রাখা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তবে অতীতে যেভাবে এই আইন ব্যবহার করে ভিন্নমত দমন করা হতো, বর্তমান প্রশাসন সেই নীতি থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকবে।

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জানিয়েছেন যে, আগের সরকারের আমলে এই আইনের অপব্যবহারের কারণে অনেকেই হয়রানির শিকার হয়েছেন। কিন্তু বর্তমান অন্তর্বর্তী প্রশাসন মানুষের মৌলিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। তাই আগের মতো দমনমূলক উদ্দেশ্যে এই আইন ব্যবহার করা হবে না এবং এর প্রয়োগ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে নিশ্চিত করা হবে যেন সাধারণ নাগরিক বা গণমাধ্যমকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত না হন।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সাইবার অপরাধ রোধে কঠোর বিধান প্রয়োজন থাকলেও তার যত্রতত্র ব্যবহার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার অন্তরায়। সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এই আশ্বাসের পর জনমনে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। সংশ্লিষ্ট মহল আশা করছে, চূড়ান্ত সংশোধনীতে এমন কিছু সুনির্দিষ্ট সুরক্ষাকবচ রাখা হবে যাতে অপরাধী শাস্তি পায় কিন্তু নিরপরাধ কেউ অযথা আইনি হয়রানির মুখে না পড়েন।


সড়কে রহস্যময় ঘটনা, ‘ভূত-জ্বীন’ থেকে বাঁচতে মিলাদ মাহফিল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সড়কে রহস্যময় ঘটনা, ‘ভূত-জ্বীন’ থেকে বাঁচতে মিলাদ মাহফিল

পাবনার চাটমোহর উপজেলার কাটেঙ্গা ভাঙ্গা মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় সম্প্রতি বেশ কিছু অদ্ভুত ও রহস্যজনক ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গত কিছুদিন ধরে ওই তিন মাথার মোড়ে রাতেরবেলা নানা ধরনের অস্বাভাবিক দৃশ্য চোখে পড়ছে। কখনো সাপ বা বিড়াল আকস্মিক সামনে চলে আসার পর মুহূর্তে তা মিলিয়ে যাচ্ছে, আবার কখনো অদ্ভুত কোনো শব্দ শোনা যাচ্ছে। এমন সব আকস্মিক ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা গুঞ্জন শুরু হয়।

এই রহস্যের সূত্রপাত হয় যখন রাতে এক ব্যক্তিকে রাতের অন্ধকারে কোনো অজানা বস্তু পাশের একটি পুকুরে ফেলে দেয়। ওই ব্যক্তির আর্তচিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন দ্রুত এগিয়ে এসে তাকে পুকুরের পানি থেকে জীবিত উদ্ধার করেন। এরপর থেকেই মূলত এলাকাবাসীর মনে ভূতুড়ে বা জ্বীনের আছর থাকার বিশ্বাস জোরালো হয়। সাধারণ মানুষের চলাচলও ওই সড়কে রাতেরবেলা কমে যায়, কারণ অজানা এই আতঙ্কে অনেকেই ঘর থেকে বের হতে ভয় পাচ্ছিলেন।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং গ্রামবাসীর ভয় দূর করতে শেষ পর্যন্ত উদ্যোগী হন স্থানীয় মুরব্বিরা। এলাকার মানুষের কাছ থেকে চাল ও ডাল সংগ্রহ করে শনিবার রাতে একটি বিশেষ মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। সেখানে প্রায় ছয়শতাধিক নারী, পুরুষ ও শিশু স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। মাহফিল শেষে উপস্থিত সকলের মাঝে খিচুড়ি তবারক বিতরণ করা হয় এবং সবাই নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যান।

স্থানীয় বাসিন্দা ইসমাইল জানান, ভূত বা এ জাতীয় অবাস্তব কিছুতে বিশ্বাস না থাকলেও জ্বীনের অস্তিত্ব থাকতে পারে বলে তারা মনে করেন। তাই ইসলামী শরিয়তের বিধান অনুযায়ী মিলাদ ও দোয়া মাহফিল করে আল্লাহর দরবারে এই বিপদ থেকে মুক্তির আকুতি জানানো হয়েছে। এদিকে স্থানীয়দের এই কর্মকাণ্ড নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই হাস্যরস ও ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও তৈরি করায় বিষয়টি নিয়ে এলাকায় নতুন করে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে ইসলামী চিন্তাবিদ মুফতি মোহাম্মদ মফিজ উদ্দিন স্পষ্ট করে জানান যে, সমাজে প্রচলিত ভূতের কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। তবে পবিত্র কোরআনের আলোকে বদজ্বীনের প্রভাব বা আছর থাকার বিষয়টি অস্বীকার করা যায় না। তিনি উল্লেখ করেন যে, এ ধরনের অদৃশ্য ভয় বা বদজ্বীন থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য পবিত্র কোরআনে সুনির্দিষ্ট দোয়া ও সুরক্ষার বিধান রয়েছে যা পাঠ করলে মানুষ নিরাপদ থাকতে পারে।


এক সিনেমার পরেই অভিনয় ছাড়েন শাহরুখের নায়িকা, স্বামী ৪৮ হাজার কোটি রুপির মালিক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

এক সিনেমার পরেই অভিনয় ছাড়েন শাহরুখের নায়িকা, স্বামী ৪৮ হাজার কোটি রুপির মালিক

বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানের বিপরীতে অভিনয় করে দারুণ পরিচিতি পেলেও মাত্র একটি চলচ্চিত্র দিয়েই রূপালী জগৎকে চিরতরে বিদায় জানান অভিনেত্রী গায়ত্রী জোশী। ২০০৪ সালে মুক্তি পাওয়া অত্যন্ত প্রশংসিত 'স্বদেশ' সিনেমায় তাঁর অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের নজর কাড়লেও তিনি অভিনয় পেশা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেননি। আশুতোষ গোয়ারিকর পরিচালিত এই ছবিটিতে মুখ্য নারী চরিত্রে অভিনয় করে রাতারাতি তারকাখ্যাতি অর্জন করা সত্ত্বেও তিনি পরবর্তীতে আর কোনো সিনেমায় কাজ করার প্রস্তাব গ্রহণ করেননি।

চলচ্চিত্র জগৎ থেকে চিরতরে দূরে সরে যাওয়ার পর গায়ত্রী জোশী সম্পূর্ণভাবে তার পারিবারিক জীবন ও কর্পোরেট দায়িত্ব পালনে মনোনিবেশ করেন। অভিনয়ের সুদিনেই তিনি ব্যবসায়ী বিকাশ ওবেরয়কে বিয়ে করেন এবং এরপর থেকেই তিনি মূলত একজন সফল উদ্যোক্তা পত্নী ও সমাজকর্মী হিসেবে নিজের জীবন অতিবাহিত করতে শুরু করেন। ওবেরয় গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকাশ ওবেরয় বিশাল সম্পত্তির অধিকারী, যা প্রায় ৪৮ হাজার কোটি টাকার সমান।

ব্যক্তিগত জীবনে এই সাবেক অভিনেত্রী অত্যন্ত বিলাসবহুল জীবনযাপন করলেও তিনি সাধারণ প্রচারের আলো থেকে বরাবরই নিজেকে দূরে রাখতে পছন্দ করেন। চলচ্চিত্রাঙ্গন ও গ্ল্যামার দুনিয়ার চাকচিক্য ছেড়ে তিনি নিজের সংসার ও ব্যবসায়িক বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেই ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছেন। গায়ত্রীর এই হঠাৎ অভিনয় ছাড়ার সিদ্ধান্ত এবং তার ব্যক্তিগত জীবনের এই বিশাল সাম্রাজ্য এখনও অনেক ভক্ত ও অনুসারীদের মাঝে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনার জন্ম দেয়।