শেয়ার বাজার

নেতিবাচক মন্তব্য থেকে সন্তানকে দূরে রাখতে চান জনপ্রিয় ব্যতিক্রমী দম্পতি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নেতিবাচক মন্তব্য থেকে সন্তানকে দূরে রাখতে চান জনপ্রিয় ব্যতিক্রমী দম্পতি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিত মুখ হান্না ও শেন বারকো দম্পতি নিজেদের ব্যতিক্রমী জীবনযাত্রার জন্য প্রায়ই আলোচনায় থাকেন। হান্নার স্বামী শেন শারীরিক প্রতিবন্ধকতার শিকার হওয়ায় এই দম্পতির দাম্পত্য জীবন নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহের কমতি নেই। ইউটিউবে 'স্কুইরমি অ্যান্ড গ্রাবস' নামের চ্যানেল পরিচালনা করে তারা বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। সম্প্রতি এই জনপ্রিয় দম্পতি তাদের প্রথম সন্তানের আগমনের অপেক্ষায় থাকার সুখবরটি ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন। তবে অনাগত সন্তানকে ঘিরে তাদের পরিকল্পনা বেশ সুনির্দিষ্ট এবং তারা এখন থেকেই সন্তানের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিয়ে দারুণ সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন।

সন্তান সম্ভোগের বিষয়টি দীর্ঘ সময় পর্যন্ত সবার অগোচরে রেখেছিলেন এই দম্পতি। সম্প্রতি মার্কিন ম্যাগাজিন দ্য পিপল-এর এক প্রতিবেদনে প্রকাশ পায় যে, গর্ভধারণের প্রায় পাঁচ মাস পর গত সেপ্টেম্বর মাসে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এই সুসংবাদটি প্রকাশ্যে এনেছেন। ভিডিও বার্তায় শেন জানিয়েছেন যে, জীবনের এই বিশেষ ও ব্যক্তিগত আনন্দঘন সময়টি তারা প্রথমে নিজেদের মতো করে উপভোগ করতে চেয়েছিলেন। মূলত অনলাইনের নানা ধরনের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া এবং অবাঞ্ছিত মন্তব্য এড়াতেই তারা এই খবরটি কিছু দিন জনসমক্ষে আনা থেকে বিরত ছিলেন। স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রোফিতে আক্রান্ত শেন আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে, অনেকে হয়তো তার প্রতিবন্ধিতাকে কেন্দ্র করে তাকে বাবা হওয়ার অযোগ্য বলে কটূক্তি করতে পারেন।

অনাগত সন্তানের অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়টি এই দম্পতির কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাচ্ছে। শেনের মতে, তাদের সন্তান এখনো এতটুকু বড় হয়নি যে সে নিজে ইন্টারনেটে তার তথ্য প্রকাশের বিষয়ে কোনো সম্মতি জানাতে পারবে। তাই দায়িত্বশীল অভিভাবক হিসেবে হান্না ও শেন নিজেই সেই সিদ্ধান্ত নিতে চান এবং সন্তানের গোপনীয়তা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। হান্নাও একই সুরে কথা বলেছেন এবং জানিয়েছেন যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সবসময় সবার জন্য নিরাপদ বা ইতিবাচক জায়গা নয়। তারা নিজেরা পাবলিক ফিগার হিসেবে যেকোনো সমালোচনার মুখোমুখি হতে মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকলেও, কোনোভাবেই তাদের অবারিত জীবনযাত্রার বলি বানাতে চান না নিরীহ সন্তানকে।

এর আগেও এই দম্পতিকে অনলাইনে নানা ধরনের অযাচিত মন্তব্য ও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। সম্প্রতি একটি প্রদর্শনীতে তোলা ছবি নিয়ে হান্নার খাওয়া-দাওয়া বা জীবনযাপন নিয়েও তীর্যক মন্তব্য ছুড়ে দিয়েছেন ট্রলকারীরা। তবে এসব নেতিবাচক বিষয়কে এখন আর বিশেষ পাত্তা দেন না হান্না ও শেন। তাদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় তারা বুঝেছেন যে মানুষের এসব মতামত সাময়িক বিরক্তির কারণ হলেও বাস্তব জীবনে এর কোনো প্রভাব নেই। সন্তানের আগমনের এই আনন্দময় মুহূর্তে তারা সমস্ত নেতিবাচকতাকে দূরে ঠেলে দিয়ে একটি সুন্দর ও ইতিবাচক ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

ক্যামেরায় ধরা পড়ল কোয়ান্টাম জগতের রহস্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ক্যামেরায় ধরা পড়ল কোয়ান্টাম জগতের রহস্য

কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যার সবচেয়ে বিস্ময়কর ও রহস্যময় একটি ধারণা হলো কোয়ান্টাম এন্ট্যাঙ্গেলমেন্ট বা কোয়ান্টাম জট। এই তত্ত্বর মূল কথা হলো, দুটি কণা যদি একবার কোয়ান্টামগতভাবে জড়িয়ে যায়, তবে তাদের মধ্যে বিশাল দূরত্ব থাকলেও একটির আচরণ অন্যটিকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। বিখ্যাত পদার্থবিদ আলবার্ট আইনস্টাইন এই অদ্ভুত ঘটনাটিকে দূর থেকে ঘটা ভৌতিক কাণ্ড বা স্পুকি অ্যাকশন অ্যাট আ ডিসট্যান্স হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। চিরায়ত পদার্থবিদ্যার নিয়মের সঙ্গে এটি না মেলায় আইনস্টাইন মনে করতেন এর পেছনে কোনো গোপন চলক বা অজানা তথ্য রয়েছে।

আইনস্টাইনের সেই ধারণার সঠিকতা যাচাই করতে গিয়ে ষাটের দশকে পদার্থবিদ স্যার জন বেল একটি তাত্ত্বিক সমাধানের প্রস্তাব করেছিলেন। বেলের অসমতা নামে পরিচিত এই সূত্রের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখতে চেয়েlardı যে কণাগুলোর আচরণের পেছনে আসলেই কোনো গোপন তথ্য কাজ করে কি না। বিভিন্ন পরীক্ষায় এর আগে বেলের অসমতা লঙ্ঘনের প্রমাণ মিলেছিল, যা কোয়ান্টাম জগতের অদ্ভুত আচরণকে আরও জোরালো করে তুলেছে। তবে এতদিন বিষয়টি কেবল গাণিতিক হিসাব-নিকাশ ও পরীক্ষাগারের পরিসংখ্যানেই সীমাবদ্ধ ছিল।

এই জটিল বিষয়টিকে দৃশ্যমান করতে কয়েক বছর আগে যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক একটি অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছিলেন। গবেষক দলটি বিশেষ এক ধরনের ক্যামেরা ব্যবহার করে প্রথমবারের মতো কোয়ান্টাম এন্ট্যাঙ্গেলমেন্টের দৃশ্যমান প্রভাব ক্যামেরাবন্দি করতে সক্ষম হন। এই পরীক্ষার অংশ হিসেবে তাঁরা অতিবেগুনি লেজার রশ্মি বিটা-বেরিয়াম বোরেট ক্রিস্টালের ওপর ফেলে ফোটন কণাগুলোকে বিভক্ত করেন। এর ফলে তৈরি হওয়া জোড়া ফোটন কণাগুলো পরস্পরের সঙ্গে কোয়ান্টাম জটে আবদ্ধ হয়ে পড়ে এবং তাদের আচরণে বেলের অসমতা লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া যায়।

এই গবেষণায় ব্যবহৃত ক্যামেরাটি এতটাই সংবেদনশীল ছিল যে এটি অতি ক্ষুদ্র একক ফোটন কণা আলাদাভাবে শনাক্ত করতে পারত। যখনই মূল ফোটনের সঙ্গে তার এন্ট্যাঙ্গেলড সঙ্গী কণাটি ধরা পড়ত, তখনই ক্যামেরাটি ছবি তুলে সেই মুহূর্তটি সংরক্ষণ করত। এই গবেষণার অন্যতম মূল প্রণেতা বিজ্ঞানী মাইলস প্যাজেট মনে করেন, কোয়ান্টাম এন্ট্যাঙ্গেলমেন্ট যাচাইয়ের ক্ষেত্রে এই যুগান্তকারী পরীক্ষাটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এবং কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফির মতো আধুনিক প্রযুক্তির প্রসারে এই ধরনের গবেষণা নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে।


রিসোর্ট ভাড়া নিয়ে ‘ডিজে পার্টি’, আড়ালে চলে মাদক কেনাবেচা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রিসোর্ট ভাড়া নিয়ে ‘ডিজে পার্টি’, আড়ালে চলে মাদক কেনাবেচা

গাজীপুর জেলার একটি নিভৃত রিসোর্টে সম্প্রতি চোখ ধাঁধানো এক ডিজে পার্টির আয়োজন করা হয়। বাহ্যিক দিক থেকে এটি সাধারণ তরুণ-তরুণীদের একটি বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান বলে মনে হলেও এর পেছনে ভিন্ন এক উদ্দেশ্য কাজ করছিল। মূলত আনন্দ-উল্লাসের এই আসরকে আড়াল হিসেবে ব্যবহার করে সেখানে জমজমাট মাদক কেনাবেচা চলছিল বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়াতে বেশ সুকৌশলে এই গোপন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছিল।

অনুষ্ঠানটিতে অংশগ্রহণের জন্য আয়োজকদের পক্ষ থেকে টিকিটের চড়া মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই ডিজে পার্টিতে যোগ দিতে ইচ্ছুক অতিথিদের জনপ্রতি ছয় থেকে বারো হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হয়েছে। টিকিটের এই চড়া দামের কারণে সমাজের একটি নির্দিষ্ট ও বিত্তশালী শ্রেণির তরুণ-তরুণীরাই মূলত এই আয়োজনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। অতিরিক্ত মুনাফার লোভে আয়োজকরা টিকিটের ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে নানা ধরনের অনৈতিক কার্যক্রমের প্রসার ঘটাচ্ছিল।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই আয়োজনের পেছনের রমরমা অবৈধ বাণিজ্যের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মহলের নজরে আসে। সাধারণত এ ধরনের রিসোর্টভিত্তিক গোপন পার্টিগুলোতে মাদকের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের অসামাজিক কার্যকলাপের আসর বসে থাকে। প্রশাসনের কড়া নজরদারি এড়িয়ে প্রত্যন্ত অঞ্চলের রিসোর্টগুলোকে এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নিরাপদ রুট বা আখড়া হিসেবে বেছে নিচ্ছে একটি চক্র। রিসোর্টের মালিকপক্ষ বা স্থানীয় প্রভাবশালী কোনো মহলের যোগসাজশ ছাড়া এমন বড় আয়োজন করা সম্ভব কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

এ ধরনের ঘটনাগুলো বর্তমান তরুণ সমাজের নৈতিক অবক্ষয়ের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির ইঙ্গিত দেয়। এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী রিসোর্ট কেন্দ্রিক এ ধরনের অবৈধ ডিজে পার্টি এবং মাদক ব্যবসার উৎস উদঘাটনে তৎপরতা শুরু করেছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনৈতিক কর্মকাণ্ড রোধে রিসোর্টগুলোর ওপর কঠোর নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।


বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় শোক জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে মোদীর চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ মার্চ, ২০২৪

বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় শোক জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে মোদীর চিঠি

রাজধানীর বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

শনিবার (২ মার্চ) ঢাকায় ভারতের হাইকমিশন এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে গতকাল শুক্রবার শোক জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি পাঠান ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

চিঠিতে ২৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় আন্তরিক শোক প্রকাশ করেছেন নরেন্দ্র মোদী। একই সঙ্গে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন তিনি।

নরেন্দ্র মোদী বলেন, এই দুঃসময়ে বাংলাদেশের পাশে রয়েছে ভারত। একই সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ চিন্তাভাবনা ও প্রার্থনা বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে থাকবে।