শেয়ার বাজার

মজুত করা ১ লাখ ৪২ হাজার লিটার ভোজ্যতেল জব্দ, ৬ লাখ টাকা জরিমানা

প্রকাশিত: বৃহঃস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

মজুত করা ১ লাখ ৪২ হাজার লিটার ভোজ্যতেল জব্দ, ৬ লাখ টাকা জরিমানা

ভোজ্যতেলের কৃত্রিম সংকট রোধে দেশব্যাপী অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ৪২ হাজার ১৭৩ লিটার ভোজ্যতেলের অস্বাভাবিক মজুত শনাক্ত করেছে র‍্যাব। অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন জেলায় পরিচালিত সমন্বিত অভিযানে মোট ৯টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। এসব অভিযানে ১ লাখ ৪২ হাজার ১৭৩ লিটার ভোজ্যতেলের অস্বাভাবিক মজুত শনাক্ত করা হয়। এসময় বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

র‍্যাব-৭ এর তত্ত্বাবধানে ফেনী জেলার রামপুরার তাকিয়া রোড এলাকায় যৌথ অভিযানে অবৈধভাবে মজুত করা ৩০ হাজার লিটার ভোজ্যতেল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় দুইটি প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

নরসিংদীর সদরেও অভিযান চালিয়ে বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ ও মদিনা ট্রেডিংয়ের বিরুদ্ধে যথাক্রমে ৫ হাজার ও ২০ হাজার লিটার তেল অবৈধভাবে মজুত ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সংরক্ষণের প্রমাণ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

সাতক্ষীরা জেলা সদরে সাধু স্টোর ও হাজী ট্রেডার্সের মালিকদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত মজুত, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য সংরক্ষণ, লাইসেন্স না থাকা এবং বৈধ রসিদ প্রদর্শনে ব্যর্থতার অভিযোগে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

বাগেরহাটের চুলকাটি বাজারে মেসার্স রাজ স্টোরে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২০ হাজার ৪০০ লিটার তেল মজুতের প্রমাণ পাওয়া যায়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে না পারায় প্রতিষ্ঠানটিকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এদিকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে মো. মঈনের গুদামে অভিযান চালিয়ে ১ হাজার ২০০ লিটার অবৈধভাবে মজুত তেল পাওয়া যায়। বিএসটিআই লাইসেন্স ও মান নিয়ন্ত্রণ সনদ না থাকায় তাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

কুষ্টিয়া সদরে বাবুল পাল স্টোরে ৫ হাজার ৫৭৩ লিটার তেল মজুতের অভিযোগে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। একইভাবে মৌলভীবাজারে মৌলভী ক্যাশ অ্যান্ড ক্যারিতে তেল থাকা সত্ত্বেও বিক্রি না করে মজুত রাখায় ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

উইং কমান্ডার ইন্তেখাব চৌধুরী আরও জানান, বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি এবং ভোক্তাদের ভোগান্তি রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযান চলমান রয়েছে।

কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন। স্থানীয় সময় সকালে নিউইয়র্কে কুয়েতের স্থায়ী মিশনে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও সুদৃঢ় সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার নানা দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। বৈঠকে উভয় দেশের শীর্ষ নেতারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোকে আরও প্রশস্ত করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আলোচনাকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ ও কুয়েতের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের কথা সস্নেহে স্মরণ করেন এবং এই সম্পর্কের ভিত্তি মজবুত করার ক্ষেত্রে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক অবদানের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যের ওপর ভিত্তি করে যে অংশীদারত্ব গড়ে উঠেছে, তা বর্তমান সময়ে উভয় দেশের জনগণের কল্যাণে আরও গভীর ও বহুমাত্রিক হওয়া প্রয়োজন। কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সও বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে শ্রমশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, নতুন খাতে বিনিয়োগ এবং সার্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। এছাড়া আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নানা সমসাময়িক বিষয় নিয়েও দুই নেতার মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে এবং আগামী দিনে বিভিন্ন বহুপক্ষীয় ফোরামে নিয়মিত যোগাযোগ ও পারস্পরিক সমন্বয় বজায় রাখার বিষয়ে তাঁরা একমত পোষণ করেন।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান ও উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন। ক্রোয়াশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই প্লেনকোভিচ, থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল এবং সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এসব বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা ও দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির মতো সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে অংশীদারত্ব বাড়ানোর উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এসব কূটনৈতিক তৎপরতা বাংলাদেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।


চৌদ্দগ্রামে তরুণ রাজনীতিবীদের উদ্যোগে সাংবাদিকদের সম্মানে দোয়া ও ইফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৩ এপ্রিল, ২০২৪

চৌদ্দগ্রামে তরুণ রাজনীতিবীদের উদ্যোগে সাংবাদিকদের সম্মানে দোয়া ও ইফতার

এম এ  আলম (চৌদ্দগ্রাম) প্রতিনিধি: প্রতি বছরের ন্যায় এবারও মুহসিনুল উম্মাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, ইসলামী ঐক্যজোটের কেন্দ্রীয় ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও আল মক্কা ট্রাভেলসের স্বত্তাধিকারী মুফতি মোঃ খোরশেদ আলমের উদ্যোগে চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের সম্মানে দোয়া ও ইফতার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (০৩ এপ্রিল) বিকেলে অফবিট রেষ্টুরেন্টে আয়োজিত অনুষ্ঠানে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা করেন মুফতি মোঃ খোরশেদ আলম। দৈনিক যায়যায়নি পত্রিকার প্রতিনিধি মোঃ বেলাল হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিনিধি মাহবুবুর রহমান মিয়াজী, এই চ্যারিটি সোসাইটির চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল মামুন, দৈনিক আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি মোঃ আকতারুজ্জামান, সাপ্তাহিক চৌদ্দগ্রাম পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মোঃ এমদাদ উল্যাহ, দৈনিক কালবেলার প্রতিনিধি আবু বকর সুজন, দৈনিক কালেরকণ্ঠের প্রতিনিধি আবুল বাশার রানা। 

অন্যান্যেদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আল মক্কা ট্রাভেলস মুন্সিরহাট শাখার পরিচালক সামছুল আলম, বার্তাবলো.কম এবং দৈনিক আমাদের নতুন সময়ের প্রতিনিধি এম এ আলম, এশিয়ান টিভির প্রতিনিধি কামাল হোসেন নয়ন, আনন্দ টিভির প্রতিনিধি মিজানুর রহমান মিনু, দৈনিক দেশ রুপান্তরের প্রতিনিধি মনোয়ার হোসেন, দৈনিক সকালের সময়ের প্রতিনিধি মুহা. ফখরুদ্দিন ইমন, দৈনিক মানবজমিনের প্রতিনিধি মোঃ শাহীন আলম, কুমিল্লার টিভির প্রতিনিধি আনিসুর রহমান, দৈনিক প্রতিদিনের সংবাদের প্রতিনিধি গোলাম রসুল, দৈনিক গণজাগরণের প্রতিনিধি সফিউল রানা, দৈনিক গণমুক্তির প্রতিনিধি খোরশেদ আলম। 

অনুষ্ঠানে চৌদ্দগ্রামের প্রয়াত সাংবাদিক ও কবরবাসী সকল বাবা-মায়ের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন ইসলামী ঐক্যজোট চৌদ্দগ্রাম উপজেলার যুগ্ম আহবায়ক মাওলানা মোবারক করিম। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে সাংবাদিকদের উৎসাহ প্রদানে মুফতি খোরশেদ আলমের মতো অন্যান্য রাজনীতিবীদ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহবান জানান সাংবাদিকবৃন্দ। এরআগে মুফতি মোঃ খোরশেদ আলম সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত শতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদের পোষাক বিতরণ করেন।


খসড়া হুবহু পাস হয়ে গেলেও সরকার আওয়ামী লীগের মতো করে সেটি ব্যবহার করবে না: তথ্য উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

খসড়া হুবহু পাস হয়ে গেলেও সরকার আওয়ামী লীগের মতো করে সেটি ব্যবহার করবে না: তথ্য উপদেষ্টা

বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সাইবার সুরক্ষা আইনে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার উদ্যোগ নিয়েছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং তা জনসমক্ষে আলোচনাও করা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, অতীতের স্বৈরাচারী সরকারের মতো এই আইনের অপব্যবহার করা হবে না এবং জনগণের বাকস্বাধীনতা খর্ব করার কোনো অভিপ্রায় তাদের নেই।

নতুন এই সংশোধনীর খসড়ায় ডিজিটাল মাধ্যমে মানহানি বা কাউকে হেয়প্রতিপন্ন করার মতো বিষয়গুলোকে পুনরায় ফৌজদারি অপরাধের আওতায় নিয়ে আসার প্রস্তাব করা হয়েছে। মূলত সাইবার অপরাধ দমনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত সম্মানহানি রোধে আইনি সুরক্ষা বজায় রাখতেই এই ধারাগুলো রাখা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তবে অতীতে যেভাবে এই আইন ব্যবহার করে ভিন্নমত দমন করা হতো, বর্তমান প্রশাসন সেই নীতি থেকে সম্পূর্ণ দূরে থাকবে।

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জানিয়েছেন যে, আগের সরকারের আমলে এই আইনের অপব্যবহারের কারণে অনেকেই হয়রানির শিকার হয়েছেন। কিন্তু বর্তমান অন্তর্বর্তী প্রশাসন মানুষের মৌলিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। তাই আগের মতো দমনমূলক উদ্দেশ্যে এই আইন ব্যবহার করা হবে না এবং এর প্রয়োগ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে নিশ্চিত করা হবে যেন সাধারণ নাগরিক বা গণমাধ্যমকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত না হন।

আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সাইবার অপরাধ রোধে কঠোর বিধান প্রয়োজন থাকলেও তার যত্রতত্র ব্যবহার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার অন্তরায়। সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া এই আশ্বাসের পর জনমনে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। সংশ্লিষ্ট মহল আশা করছে, চূড়ান্ত সংশোধনীতে এমন কিছু সুনির্দিষ্ট সুরক্ষাকবচ রাখা হবে যাতে অপরাধী শাস্তি পায় কিন্তু নিরপরাধ কেউ অযথা আইনি হয়রানির মুখে না পড়েন।