শেয়ার বাজার

মেজর জাহিদের স্ত্রীকে আয়নাঘরে নিপীড়নের বিভীষিকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেজর জাহিদের স্ত্রীকে আয়নাঘরে নিপীড়নের বিভীষিকা

পিলখানা সেনা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য সত্য জেনে ফেলায় ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলে নৃশংসভাবে খুন হন সেনা কর্মকর্তা মেজর জাহিদুল ইসলাম। পরবর্তীতে মরণোত্তর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হিসেবে পদোন্নতিপ্রাপ্ত এই কর্মকর্তার জীবনের ওপর অন্ধকার নেমে আসে ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর সদরদপ্তরে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ঘটনার পর। পিলখানা থেকে তার এক কোর্সমেট ও বন্ধু তাকে ফোন করে অফিসারদের হত্যার খবর জানান, যা তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছিলেন। এরপর থেকেই তাকে গোয়েন্দা নজরদারিতে রাখা হয় এবং নিয়মিত নামাজ পড়া ও দাঁড়ি রাখার কারণে নানা ধরনের মানসিক নির্যাতন ও হেনস্তার শিকার হতে হয়। চরম এই পরিস্থিতিতে তিনি স্বেচ্ছায় চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন এবং পরবর্তী সময়ে সাজানো বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

হত্যা নিশ্চিত করার পর তার মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর না করে দীর্ঘ আড়াই বছর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ফেলে রাখা হয় এবং পরবর্তীতে জুরাইন কবরস্থানে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর এই হত্যাকাণ্ডের আসল চিত্র প্রকাশ্যে আসে, যেখানে দেখা যায় রূপনগরের যে ফ্ল্যাটে বন্দুকযুদ্ধের দাবি করা হয়েছিল সেখানে তেমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি। মেজর জাহিদের হাত পেছনে মুচড়ে ভেঙে ফেলার পাশাপাশি অত্যন্ত কাছ থেকে গুলি করে তার বুক ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়েছিল। পরিবারের সদস্যরা চোখের সামনে থেকেও দীর্ঘদিন জানতে পারেননি তার এই নিষ্ঠুর পরিণতির কথা এবং কোথায় রয়েছে তার শেষ ঠিকানা।

স্বামীর মর্মান্তিক মৃত্যুর ওই রাতেই মেজর জাহিদের স্ত্রী জেবুন্নাহার শিলাকে তার কোলের দুগ্ধপোষ্য শিশুসহ ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি সেলে তুলে নেওয়া হয়। ডিবির ওই বন্দিশালায় চার মাস সাতদিন তাদের গুম করে রাখা হয়, যার মধ্যে একটি নোংরা ও পোকায় ভরা কক্ষে ছোট বাচ্চাকে কোলে নিয়ে টানা দুই দিন ও দুই রাত চেয়ারেই বসে কাটাতে বাধ্য করা হয়েছিল তাকে। রিমান্ডের সময় তাকে হোলি আর্টিজান হামলার সঙ্গে স্বামীর সম্পৃক্ততা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং চরম মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হয়। বন্দী অবস্থায় তিনি পর্দা করে নামাজ পড়তে চাইলে ডিবির লোকজন সেই চাদর টেনে ফেলে দিত এবং বিভিন্নভাবে উপহাস ও তাচ্ছিল্য করত। এমনকি স্বামীকে জঙ্গি হিসেবে স্বীকার না করলে তাকে ও তার অবুঝ দুই সন্তানকেও একই পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে লাগাতার হুমকি দেওয়া হতো।

গুমের ঘটনার এক সপ্তাহ পর তার ছয় বছরের শিশুকন্যাকে নানু-দাদু দেখতে চাওয়ার নাম করে জোরপূর্বক কেড়ে নেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে আজিমপুরে একটি জঙ্গি নাটক সাজিয়ে তাকেও সেই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে ফেলা হয়। এতটুকু একটি অবুঝ শিশুকে ক্যামেরার সামনে দাঁড় করিয়ে সংবাদ সম্মেলন করার কারণে আজও গণমাধ্যম দেখলেই সন্তানরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। এরপর ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে আশকোনার একটি বাসা থেকে তাকে ও তার আট মাসের শিশুকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে প্রথমে রিমান্ড এবং পরে দীর্ঘ ছয় বছরের বিভীষিকাময় কারাজীবন চাপিয়ে দেওয়া হয়। কারাগারে বন্দি থাকাকালীন ছোট বাচ্চার জন্য একটি মশারি পর্যন্ত ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি, বরং মশার কামড় থেকে রক্ষা পাওয়ার ওড়না দিয়ে তৈরি improvised মশারিও কর্তৃপক্ষ কেড়ে নিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছিল। দীর্ঘ এই সংগ্রাম ও নির্যাতনের শিকার হয়ে এই পরিবারটি আজ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত, যা তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চরম অমানবিকতার এক জীবন্ত দলিল।

শান্তি আলোচনা ঠেকাতে ইউরোপ ‘সবকিছু করছে’: জাতিসংঘে রাশিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

শান্তি আলোচনা ঠেকাতে ইউরোপ ‘সবকিছু করছে’: জাতিসংঘে রাশিয়া

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার চলমান সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানের উদ্যোগগুলোকে নস্যাৎ করতে ইউরোপীয় দেশগুলো সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে বলে তীব্র অভিযোগ করেছেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ। সম্প্রতি নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই অভিযোগ করেন। লাভরভের মতে, পশ্চিমা দেশগুলোর এই ধরনের আগ্রাসী মনোভাব ও তৎপরতা কেবল যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করছে এবং অঞ্চলটিতে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথকে কঠিন করে তুলছে।

বক্তব্যে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন যে পশ্চিমা দেশগুলো নিয়মিতভাবে ইউক্রেনকে আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত করছে এবং কিয়েভ প্রশাসনকে সামরিক সহায়তা দিয়ে শক্তিশালী করে তুলছে। এমনকি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে সাধারণ মানুষ এবং গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামোগুলোর ওপর হামলা চালাতে ইউক্রেনকে প্রত্যক্ষভাবে মদদ জোগাচ্ছে পশ্চিমা মিত্ররা। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, রাশিয়াকে কৌশলগতভাবে পরাস্ত করার যে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা পশ্চিমারা করেছে, তা শেষ পর্যন্ত তাদের নিজেদেরকেই এক গভীর কৌশলগত অচলাবস্থার মুখে ফেলবে।

ইউরোপীয় রাজনীতির বাইরেও বৈশ্বিক নানা গুরুত্বপূর্ণ সংকট ও ভূরাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে নিজের বক্তব্যে জোরালো অবস্থান তুলে ধরেন সের্গেই লাভরভ। মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘমেয়াদি সংকটের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই অঞ্চলের মূল সমস্যার স্থায়ী সমাধানের এখনই উপযুক্ত সময় এসেছে। এ ক্ষেত্রে জাতিসংঘের পূর্বে গৃহীত অসংখ্য সিদ্ধান্ত ও প্রস্তাবের আলোούে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।

এছাড়াও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের বিভিন্ন আলোচিত বিষয়ে রাশিয়ার দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট করেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তাঁর স্ত্রীকে অবিলম্বে সব ধরনের বন্দিদশা থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি জোর আহ্বান জানান। পাশাপাশি, শক্তি প্রয়োগ করে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার ঘটনাকে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেন তিনি। অন্যদিকে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির নিরাপদ ও সুষম ব্যবহারের লক্ষে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়াতে একটি বিশেষ বৈশ্বিক সংস্থা গঠনের চীনা উদ্যোগকে মস্কো পূর্ণ সমর্থন জানায়।


হরমুজ খুলতে ইরানের ৭ দিনের রোডম্যাপ প্রত্যাখ্যান ট্রাম্পের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হরমুজ খুলতে ইরানের ৭ দিনের রোডম্যাপ প্রত্যাখ্যান ট্রাম্পের

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য ইরানের পক্ষ থেকে সম্প্রতি একটি সাত দিনের রোডম্যাপ পেশ করা হয়েছিল। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সেই প্রস্তাব স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। হোয়াইট হাউসে দেওয়া বক্তব্যে তিনি জানান, তেহরানের এই সর্বশেষ প্রস্তাবটি বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান কূটনৈতিক টানাপোড়েন আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্ক সফরকালে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এই নতুন রোডম্যাপের কথা প্রকাশ করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের কাছে পাঠানো ওই প্রস্তাবে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত সাপেক্ষে এক সপ্তাহের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে স্থগিত থাকা শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু করার প্রস্তাবও ছিল সেখানে। ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, এই প্রস্তাবটি মূলত গত জুন মাসে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের একটি সংক্ষিপ্ত রূপ, যেখানে নানা শর্ত পূরণের পর প্রণালিটি উন্মুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।

ইরানের প্রস্তাবিত রূপরেখা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে লেবাননসহ সব ফ্রন্টে চলমান সামরিক অভিযান পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে। এরপর দ্বিতীয় ধাপে মার্কিন প্রশাসন ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করবে, তেলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে এবং জব্দ হওয়া সম্পদের কিছু অংশ ছেড়ে দেবে। এই প্রক্রিয়াগুলোর সফল সমাপ্তির পর সপ্তম দিনে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার কথা ছিল। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক ইস্যুকে আলোচনার শুরুতে না রেখে প্রণালি খুলে দেওয়াকে প্রধান শর্ত করায় ওয়াশিংটন এই পথ এড়িয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই প্রসঙ্গে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে ইরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি হতে হলে তা দীর্ঘ ও জটিল আলোচনার মধ্য দিয়েই এগোতে হবে। দ্রুত কোনো সমঝোতায় পৌঁছানোর তাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নেই বলে হোয়াইট হাউসের একাধিক সূত্র জানিয়েছে। এর মধ্যেই গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে যে, আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে নতুন করে বিমান হামলার আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সব মিলিয়ে, দুই পক্ষই আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথা বললেও চুক্তির শর্ত এবং কর্মপন্থা নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের অবস্থান এখনো সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী রয়েছে।


নিখোঁজের ছয় দিন পর নারীর মাটিচাপা মরদেহ উদ্ধার, সাবেক স্বামী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নিখোঁজের ছয় দিন পর নারীর মাটিচাপা মরদেহ উদ্ধার, সাবেক স্বামী আটক

নেত্রকোনা সদর উপজেলায় রহস্যজনক নিখোঁজের প্রায় এক সপ্তাহ পর মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ওই নারীর নাম নাজু আক্তার এবং তাঁর বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর। ঘটনার দীর্ঘ ছয় দিন পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঢুকিয়ালি নদের পাড় থেকে তাঁর মরদেহটি উদ্ধার করে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও শোকের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাজু আক্তার গত কয়েক দিন ধরে সম্পূর্ণ নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান মেলাতে পারেননি। পরবর্তীতে নিখোঁজের বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে পুলিশকে অবহিত করা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তথ্যপ্রযুক্তি ও স্থানীয় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে এবং নিখোঁজের রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চালায়।

তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে নাজু আক্তারের সাবেক স্বামীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ঢুকিয়ালি নদের পাড় এলাকায় তল্লাশি চালায়। সেখানে মাটি খুঁড়ে নাজু আক্তারের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি স্থানীয় হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে সুনির্দিষ্ট কারণ উদঘাটনের জন্য আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এটি পূর্ব শত্রুতা নাকি পারিবারিক কলহের জেরে ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে আসলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ।