শেয়ার বাজার

মার্কিন চাপে ইরানের সঙ্গে বিমান চলাচল বন্ধ করল ইরাক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মার্কিন চাপে ইরানের সঙ্গে বিমান চলাচল বন্ধ করল ইরাক

ওয়াশিংটনের কঠোর নিষেধাজ্ঞার আশঙ্কায় ইরানের সঙ্গে বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে বড় ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ইরাক। দেশটির প্রধান তিনটি বিমানবন্দরে ইরানি এয়ারলাইনসগুলোর গ্রাউন্ড সার্ভিস বা বিমানজমি সংক্রান্ত সব ধরনের সেবা কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বাগদাদ প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার দীর্ঘমেয়াদী ভূরাজনৈতিক দ্বন্দ্বে নতুন করে বড় ধরনের কূটনৈতিক চাপের মুখে পড়েছে।

ইরাকের সংসদের প্রভাবশালী ইরানপন্থি রাজনীতিবিদ ও গোষ্ঠীগুলো সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিল যেন মার্কিন নিষেধাজ্ঞার হুমকি আমলে নেওয়া না হয়। তা সত্ত্বেও বাগদাদ কর্তৃপক্ষ ওয়াশিংটনের নির্দেশনা বাস্তবায়নের পথ বেছে নেয় এবং স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের সেই আহ্বান সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান—উভয় দেশের সঙ্গেই বাগদাদের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক থাকায় এই দুই পরাশক্তির বিরোধের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা দেশটির জন্য অত্যন্ত দুরূহ হয়ে উঠেছে।

ইরাক ঐতিহাসিকভাবে বাণিজ্য ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পণ্য আমদানির জন্য ইরানের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল, যার মধ্যে প্রধান হলো জ্বালানি গ্যাস। দেশটির বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি বিরাট অংশ এই ইরানি গ্যাসের ওপর সরাসরি নির্ভর করে থাকে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের এই নির্দেশ বাস্তবায়নের জেরে তেহরান কোনো পাল্টা অর্থনৈতিক বা বাণিজ্যিক পদক্ষেপ গ্রহণ করলে তা ইরাকের ভঙ্গুর অর্থনীতিতে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা।

ইতিমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের কারণে বহুমুখী সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে ইরাক, যার প্রধান আয়ের উৎস হলো অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম। কৌশলগত হরমুজ প্রণালিতে চলমান অবরোধ ও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে নানা বাধার কারণে দেশটির প্রধান এই তেল রপ্তানি কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সব মিলিয়ে বিশ্ব পরাশক্তিগুলোর এই বৈরী সম্পর্কের জেরে অর্থনৈতিক মারপ্যাঁচে পড়ে চরম অনিশ্চয়তার দিকে ধাবিত হচ্ছে ইরাকি পরিস্থিতি।

মেজর জাহিদের স্ত্রীকে আয়নাঘরে নিপীড়নের বিভীষিকা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মেজর জাহিদের স্ত্রীকে আয়নাঘরে নিপীড়নের বিভীষিকা

পিলখানা সেনা হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য সত্য জেনে ফেলায় ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার শাসনামলে নৃশংসভাবে খুন হন সেনা কর্মকর্তা মেজর জাহিদুল ইসলাম। পরবর্তীতে মরণোত্তর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হিসেবে পদোন্নতিপ্রাপ্ত এই কর্মকর্তার জীবনের ওপর অন্ধকার নেমে আসে ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বিডিআর সদরদপ্তরে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ঘটনার পর। পিলখানা থেকে তার এক কোর্সমেট ও বন্ধু তাকে ফোন করে অফিসারদের হত্যার খবর জানান, যা তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছিলেন। এরপর থেকেই তাকে গোয়েন্দা নজরদারিতে রাখা হয় এবং নিয়মিত নামাজ পড়া ও দাঁড়ি রাখার কারণে নানা ধরনের মানসিক নির্যাতন ও হেনস্তার শিকার হতে হয়। চরম এই পরিস্থিতিতে তিনি স্বেচ্ছায় চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন এবং পরবর্তী সময়ে সাজানো বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

হত্যা নিশ্চিত করার পর তার মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর না করে দীর্ঘ আড়াই বছর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ফেলে রাখা হয় এবং পরবর্তীতে জুরাইন কবরস্থানে বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর এই হত্যাকাণ্ডের আসল চিত্র প্রকাশ্যে আসে, যেখানে দেখা যায় রূপনগরের যে ফ্ল্যাটে বন্দুকযুদ্ধের দাবি করা হয়েছিল সেখানে তেমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি। মেজর জাহিদের হাত পেছনে মুচড়ে ভেঙে ফেলার পাশাপাশি অত্যন্ত কাছ থেকে গুলি করে তার বুক ঝাঁঝরা করে দেওয়া হয়েছিল। পরিবারের সদস্যরা চোখের সামনে থেকেও দীর্ঘদিন জানতে পারেননি তার এই নিষ্ঠুর পরিণতির কথা এবং কোথায় রয়েছে তার শেষ ঠিকানা।

স্বামীর মর্মান্তিক মৃত্যুর ওই রাতেই মেজর জাহিদের স্ত্রী জেবুন্নাহার শিলাকে তার কোলের দুগ্ধপোষ্য শিশুসহ ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি সেলে তুলে নেওয়া হয়। ডিবির ওই বন্দিশালায় চার মাস সাতদিন তাদের গুম করে রাখা হয়, যার মধ্যে একটি নোংরা ও পোকায় ভরা কক্ষে ছোট বাচ্চাকে কোলে নিয়ে টানা দুই দিন ও দুই রাত চেয়ারেই বসে কাটাতে বাধ্য করা হয়েছিল তাকে। রিমান্ডের সময় তাকে হোলি আর্টিজান হামলার সঙ্গে স্বামীর সম্পৃক্ততা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং চরম মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হয়। বন্দী অবস্থায় তিনি পর্দা করে নামাজ পড়তে চাইলে ডিবির লোকজন সেই চাদর টেনে ফেলে দিত এবং বিভিন্নভাবে উপহাস ও তাচ্ছিল্য করত। এমনকি স্বামীকে জঙ্গি হিসেবে স্বীকার না করলে তাকে ও তার অবুঝ দুই সন্তানকেও একই পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে লাগাতার হুমকি দেওয়া হতো।

গুমের ঘটনার এক সপ্তাহ পর তার ছয় বছরের শিশুকন্যাকে নানু-দাদু দেখতে চাওয়ার নাম করে জোরপূর্বক কেড়ে নেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে আজিমপুরে একটি জঙ্গি নাটক সাজিয়ে তাকেও সেই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে ফেলা হয়। এতটুকু একটি অবুঝ শিশুকে ক্যামেরার সামনে দাঁড় করিয়ে সংবাদ সম্মেলন করার কারণে আজও গণমাধ্যম দেখলেই সন্তানরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। এরপর ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে আশকোনার একটি বাসা থেকে তাকে ও তার আট মাসের শিশুকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে প্রথমে রিমান্ড এবং পরে দীর্ঘ ছয় বছরের বিভীষিকাময় কারাজীবন চাপিয়ে দেওয়া হয়। কারাগারে বন্দি থাকাকালীন ছোট বাচ্চার জন্য একটি মশারি পর্যন্ত ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি, বরং মশার কামড় থেকে রক্ষা পাওয়ার ওড়না দিয়ে তৈরি improvised মশারিও কর্তৃপক্ষ কেড়ে নিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছিল। দীর্ঘ এই সংগ্রাম ও নির্যাতনের শিকার হয়ে এই পরিবারটি আজ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত, যা তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চরম অমানবিকতার এক জীবন্ত দলিল।


হাব নির্বাচনে তসলিমের নেতৃত্বে ‘হাব সম্মিলিত ফোরামের' জয়

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ মার্চ, ২০২৪

হাব নির্বাচনে তসলিমের নেতৃত্বে ‘হাব সম্মিলিত ফোরামের' জয়

হজ এজেন্সিগুলোর সংগঠন হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) এর দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে বর্তমান সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিমের নেতৃত্বের ‘হাব সম্মিলিত ফোরাম’ পূর্ণ প্যানেলে জয়লাভ করেছে।

শনিবার (২ মার্চ) রাজধানীর শাহবাগে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতু্ন্নেসা মুজিব কনভেনশনে হাব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।

দুটি প্যানেল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। শাহাদাত হোসাইন তসলিমের নেতৃত্বে হাব সম্মিলিত ফোরাম ও জামাল উদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে ‘হাব গণতান্ত্রিক ঐক্য পরিষদ’। শাহাদাত হোসাইন তসলিমের প্রাপ্ত ভোট ৪০৪, অন্যদিকে জামাল উদ্দিন আহমদ ২২৭ ভোট পান। তসলিম ১৭৭ ভোট বেশি পেয়ে নির্বাচিত হন।

হাব কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের ২৭টি পদে হাব সম্মিলিত ফোরামের প্রার্থীরা জয়লাভ করেন। ঢাকা আঞ্চলিক পরিষদের ১৩টি ও চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের ৭টি পদেও ফোরামের প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে সিলেট আঞ্চলিক পরিষদের ৭ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

এছাড়া সিলেট ও চট্টগ্রামে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ করা হয়। নির্বাচনে পর্যবেক্ষক হিসেবে ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (বাণিজ্য সংগঠন) জিনাত রেহান, উপসচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, এম এম মোস্তফা জামাল চৌধুরী ও মোহাম্মদ মশিউর রহমান।


খাজনা কমাতে ঘুষ গ্রহণ ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তার, ভিডিও ভাইরাল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

খাজনা কমাতে ঘুষ গ্রহণ ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তার, ভিডিও ভাইরাল

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সাধারণ মানুষ নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে দীর্ঘদিনের অভিযোগ রয়েছে। সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ, ভূমি সংক্রান্ত যেকোনো কাজ কিংবা বকেয়া খাজনা পরিশোধের ক্ষেত্রেও ঘুষ দেওয়া ছাড়া কোনো উপায় থাকে না। সম্প্রতি উপজেলার চাঁপাপুর ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আয়েশা খাতুনের বিরুদ্ধে লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে বড় অংকের সরকারি রাজস্ব মওকুফ করে দেওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। সাধারণ মানুষ ও ভুক্তভোগীরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, চাঁপাপুর ইউনিয়নের ঝাঁখর মৌজায় প্রায় দুই একর আয়তনের একটি জলাশয়ের প্রায় অর্ধশত বছরের বকেয়া খাজনা ও জরিমানা মিলিয়ে মোট ৩ লাখ ৮৬ হাজার ৯০৭ টাকা পাওনা ছিল। কিন্তু অভিযুক্ত ভূমি কর্মকর্তা আয়েশা খাতুন মাত্র ৬ হাজার ৫৭৯ টাকা নিয়ে এই বিশাল অঙ্কের বকেয়া পরিশোধের ব্যবস্থা করে দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অনলাইন রসিদ ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, নির্ধারিত নিয়মের বাইরে গিয়ে অত্যন্ত কম টাকায় দীর্ঘদিনের বকেয়া পরিশোধ দেখিয়ে এই ঘাপলা করা হয়েছে। এই পুরো প্রক্রিয়ার একটি ভিডিও ক্লিপ সম্প্রতি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে এবং সর্বত্র সমালোচনার ঝড় ওঠে।

তবে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত ঘুষ লেনদেন ও অনিয়মের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে উড়িয়ে দিয়েছেন অভিযুক্ত সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আয়েশা খাতুন। তাঁর দাবি, বর্তমান ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা সিস্টেমে চাইলেই কেউ কোনো অনিয়ম করতে পারে না এবং এটি পুরোপুরি সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। তিনি আরও জানান, পুরোনো কাগজপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করে এবং সরকারি নীতিমালা ও আইন মেনেই ওই জমির সঠিক কর ও জরিমানা আদায় করা হয়েছে। ঘুষ নেওয়ার ভিডিওটি পরিকল্পিতভাবে ছড়ানো হয়েছে বলে দাবি করে তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ প্রমাণের চেষ্টা করেন।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহল এই ধরনের কর্মকাণ্ডকে সরকারি রাজস্ব চুরির সামিল বলে অভিহিত করেছেন এবং এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। চাঁপাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন হিটলু গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এ ধরনের ঘটনা যদি প্রমাণিত হয়, তবে তা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অপরাধমূলক। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি অবিলম্বে এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তপূর্বক কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান। এদিকে পুরো বিষয়টি সম্পর্কে বক্তব্য নেওয়ার জন্য আদমদীঘি উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশরাফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।