শেয়ার বাজার

‘কিউবা কোনো হুমকি নয় বরং মার্কিন অবরোধই হুমকি’

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

‘কিউবা কোনো হুমকি নয় বরং মার্কিন অবরোধই হুমকি’

যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কিউবা কখনোই কোনো ধরনের হুমকি নয় বলে পরিষ্কার জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এই অবস্থান তুলে ধরে বলেন, দুই দেশের মধ্যকার সব ধরনের বিরোধ আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে নিরসন করা সম্ভব। হাভানা সবসময় সার্বভৌম সমতার নীতিতে বিশ্বাস করে এবং যেকোনো গঠনমূলক সংলাপে অংশ নিতে প্রস্তুত রয়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের তাগিদ দিয়ে রদ্রিগেজ জানান, অভ্যন্তরীণ কোনো বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার শর্তে এবং কোনো ধরনের পূর্বশর্ত ছাড়াই ওয়াশিংটনের সঙ্গে বসতে চায় কিউবা। আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি পূর্ণ সম্মান দেখিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব এবং পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তবে কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার কড়া সমালোচনা করে একে দেশটির জনগণের বিরুদ্ধে সমষ্টিগত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তার মতে, কিউবার সাধারণ পরিবারগুলোকে চরম অর্থনৈতিক দুর্ভোগ ও সংকটের মধ্যে ফেলতে পরিকল্পিতভাবেই এই অবরুদ্ধ পরিস্থিতি বজায় রাখা হয়েছে।

ওয়াশিংটনের বর্তমান নীতির মূল উদ্দেশ্য দ্বীপরাষ্ট্রটিতে ইচ্ছাকৃতভাবে মানবিক সংকট তৈরি করা বলে অভিযোগ করেন ব্রুনো রদ্রিগেজ। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, মার্কিন এই কঠোর নীতিগুলো আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং এর ফলে সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের ভাবমূর্তি ‘নজিরবিহীন তলানিতে’ নামিয়েছেন নেতানিয়াহু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের ভাবমূর্তি ‘নজিরবিহীন তলানিতে’ নামিয়েছেন নেতানিয়াহু

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কর্মকাণ্ডের ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দেশটির অবস্থান ও কৌশলগত ভাবমূর্তি রেকর্ড পরিমাণে নিচে নেমে গেছে। দেশটির প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম হারেৎজ প্রকাশিত এক সম্পাদকীয়তে এমন মন্তব্য করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে দুই দেশের সম্পর্কে সম্ভাব্য সংকট নিয়ে যেসব সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছিল, নেতানিয়াহু তা সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। মার্কিন রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা দ্বিপক্ষীয় ঐকমত্য ক্ষুণ্ণ করার ক্ষেত্রেও বর্তমান ইসরাইলি সরকারের ভূমিকা রয়েছে বলে পত্রিকাটি মনে করে।

সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, মার্কিন রাজনীতিতে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রিপাবলিকান পার্টির পক্ষে নেতানিয়াহুর অতিমাত্রায় ও প্রকাশ্য পক্ষপাতিত্ব ডেমোক্র্যাট শিবিরের কাছে ইসরাইলকে কোণঠাসা করে তুলেছে। তবে এই অবনতি কেবল ডেমোক্র্যাটদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি বলে জানিয়েছে হারেৎজ। বিগত দুই বছরে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ছাড়াও ইতামার বেন-গভির ও বেজালেল স্মোটরিচের নেতৃত্বাধীন সরকারের নীতিগুলো রিপাবলিকান মহলের মধ্যেও ইসরাইল সম্পর্কে বিরূপ ধারণার জন্ম দিয়েছে।

বর্তমান ইসরাইলি প্রশাসনের বেশ কিছু বিতর্কিত নীতি ও পদক্ষেপ দুই দেশের সম্পর্কে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এর মধ্যে রয়েছে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে উগ্র বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বৃদ্ধি এবং গাজা, পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে বসবাসকারী খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ওপর বিভিন্ন ধরনের হামলা। এছাড়া সম্প্রতি ইরান সংঘাতের জেরে জ্বালানি মূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সৃষ্ট ভূরাজনৈতিক চাপ ইসরাইলের ঐতিহ্যগত মিত্রদেরও নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। এমনকি ইসরাইলের সবচেয়ে কট্টর সমর্থক হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিরাও এখন দেশটির নজিরবিহীন সমালোচনা করতে শুরু করেছেন।

মার্কিন জনমত জরিপের সাম্প্রতিক তথ্য তুলে ধরে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মাঝে ইসরাইলবিরোধী মনোভাব তীব্র আকার ধারণ করেছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে নেতানিয়াহুর কোনো ধরনের জোরালো বা আড়ম্বরপূর্ণ বক্তব্য এই রূঢ় ও কঠিন বাস্তবতাকে ঢাকতে পারবে না। মার্কিন জনগণের দৃষ্টিভঙ্গিতে ইসরাইলের মর্যাদা কতটা নিচে নেমে গেছে এবং এর সুদূরপ্রসারী পরিণতি ভবিষ্যতে দুই দেশের মিত্রতায় কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, তা প্রতিটি ইসরাইলি নাগরিকের উপলব্ধি করা প্রয়োজন বলে সম্পাদকীয়তে সতর্ক করা হয়েছে।


সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ

রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকায় জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের নিজস্ব স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে দশটার দিকে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গেছে। স্টুডিওর মালিক ও সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, মোটা অঙ্কের চাঁদা দেওয়ার দাবি অস্বীকার করায় ক্ষিপ্ত হয়ে এই হামলা চালানো হয়। ঘটনার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে অনলাইন এবং সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের দাবি অনুযায়ী, বিএনপি পরিচয়ে একটি পক্ষ তার কাছে চাঁদা দাবি করেছিল। তিনি সেই অবৈধ চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় প্রতিশোধ হিসেবে তার কর্মস্থলে এই ভাঙচুর চালানো হয়। ঘটনার পরপরই মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর। ওই ভিডিওর শুরুতে তিনি বিষয়টি সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টিগোচর করার চেষ্টা করেন এবং সমগ্র ঘটনার বিবরণ দিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ উত্থাপন করেন।

স্টুডিওর দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তার বর্ণনা মতে, ঘটনার রাতে হঠাৎ করেই প্রায় একশ থেকে দেড় শ মানুষের একটি দল অতর্কিতভাবে কার্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করে। হামলাকারীদের অনেকের হাতেই ধারালো অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। প্রাণভয়ে আতঙ্কিত কর্মীরা যখন শৌচাগারে গিয়ে নিজেদের লুকিয়ে ফেলেন, তখন হামলাকারীরা সেখানেও প্রবেশ করে। অস্ত্র দেখিয়ে তাদের জিম্মি করে মোবাইল ফোন এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

পরে প্রকাশিত বিভিন্ন দৃশ্যে দেখা যায়, স্টুডিওর ভেতরে থাকা দামি ক্যামেরা, বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম এবং মূল্যবান আসবাবপত্র সম্পূর্ণ ভাঙচুর করা হয়েছে। কার্যালয় থেকে অনেক জিনিসপত্র লুটপাট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এদিকে এই ঘটনার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বক্তব্য কিছুটা ভিন্ন। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মূলত জায়গা দখলকে কেন্দ্র করে ইসিবি চত্বরের ওই কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

এ বিষয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানান, জায়গা দখলের বিরোধকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় একটি অফিসে হামলার সংবাদ পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে একটি ছোরাসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী পক্ষের পক্ষ থেকে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


দুঃস্থ, অসহায়, পথচারী ও শ্রমজীবি মানুষের মধ্যে ইফতার বিতরণ করেন: উল্লাপাড়া ছাত্রলীগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩১ মার্চ, ২০২৪

দুঃস্থ, অসহায়, পথচারী ও শ্রমজীবি মানুষের মধ্যে ইফতার বিতরণ করেন: উল্লাপাড়া ছাত্রলীগ

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় দুঃস্থ, অসহায়, পথচারী ও শ্রমজীবি মানুষের মধ্যে ইফতার বিতরণ করা হয়েছে। 

রবিবার (৩১ মার্চ) বিকেলে স্থানীয় সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা শফিকুল ইসলাম শফির অনুপ্রেরণায় ছাত্রলীগ নেতা মোঃ শরিফুল ইসলাম শক্তির উদ্যোগে প্রায় ৩ শতাধিক রোজাদারের মধ্যে এ ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। শরিফুল সিরাজগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক মানব সম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক, সহ সম্পাদক ও উল্লাপাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক পদে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।

ইফতার বিতরণ অনুষ্ঠানে শক্তি বলেন, শিক্ষা, শান্তি ও প্রগতির পতাকা বাহী সংগঠন বাংলাদেশে ছাত্রলীগের একজন কর্মী হিসেবে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে মাস ব্যাপী ইফতার বিতরণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে নিজ অর্থায়নে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও রোজাদারদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হলো। এ সময় তিনি আরও বলেন, কয়েক দিন পরেই পবিত্র ঈদুল ফিতর। ঈদ বয়ে আনুক সকলের জন্য শান্তি ও সম্প্রতি।

বিতরণ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আমিনুজ্জামান অলক, সাবেক ছাত্রনেতা শফিকুল ইসলাম পলাশ, দবির উদ্দিন, হাবিবুল্লাহ বেলালী শিশির, সুজন সরকার সহ ছাত্রলীগের আরো অনেকে।