শেয়ার বাজার

আরও এক পাকিস্তানি
খুলনাকে শক্তিশালী করতে আসছেন আরও এক পাকিস্তানি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৪

খুলনাকে শক্তিশালী করতে আসছেন আরও এক পাকিস্তানি

বার্তাবেলা ডেস্ক: বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের বড় একটা অংশ জুড়েই আছেন পাকিস্তানের ক্রিকেটাররা। দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ এই আসরে বরাবরের মতো আকর্ষণ তারা। ব্যতিক্রম হয়নি এবারেও। বিপিএলের সাত ফ্র্যাঞ্চাইজ সাধ্যমতো পাকিস্তানের তারকাদের দলে আনার চেষ্টা করেই যাচ্ছে। যার সবশেষ সংযোজন দেখা গেল খুলনায়। 

এবারের বিপিএল শুরুর ৫ দিন আগে তারা দলে টেনেছে পাকিস্তানের অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নাওয়াজকে। বিপিএলের শুরু থেকেই পাকিস্তানি এই ক্রিকেটারকে পেতে আশাবাদী খুলনা টাইগার্স। এ ছাড়া ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলা আরিফ আহমেদকেও তারা দলে নিয়েছে। লিস্ট 'এ' ও প্রথম শ্রেনির ম্যাচ খেলা আরিফ অপেক্ষায় আছেন টি-টোয়েন্টি অভিষেকের।  

সবমিলিয়ে এবারে বেশ শক্তিশালী দল গড়ার চেষ্টাই করেছে খুলনা টাইগার্স। কদিন আগেই দলে যুক্ত হয়েছেন ওশানে থমাস ও নাহিদ রানা। বিদেশিদের মধ্যে এভিন লুইস, ফাহিম আশরাফ, দাসুন শানাকা, শাই হোপ ও মোহাম্মদ ওয়াসিম দলের বড় শক্তি। দেশীয়দের মধ্যে এনামুল হক বিজয়, রুবেল হোসেন, আফিফ হোসেন ধ্রুব কিংবা পারভেজ হোসেন ইমনরা ভরসা জোগাচ্ছেন তাদের। 

মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র ও ফাহিম আশরাফ ছাড়াও মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ, নাহিদুল ইসলামের বোলিং খুলনার বোলিং ভরসা। মোহাম্মদ নাওয়াজের অন্তর্ভুক্তি তাতে বাড়তি শক্তি জোগাবে নিশ্চিতভাবেই। আর তাদের স্পিন আক্রমণে নাসুম আহমেদ বড় ভরসা। আছেন আফিফ নিজেও। 

তবে দলের অধিনায়ক কে হবেন, তা এখনো নিশ্চিত না। আগের আসরে ইয়াসির আলী চৌধুরী শুরুতে নেতৃত্ব দিলেও পরে তাকে সরিয়ে শাই হোপকে অধিনায়ক করা হয়েছিল। এবার ঠিক কে অধিনায়ক হবেন, তা নিয়ে আছে ধোঁয়াশা। দলটির প্রধান কোচের ভূমিকায় থাকবেন সাবেক টাইগার পেসার তালহা জুবায়ের। সাবেক এই টাইগার পেসার এর আগে বিপিএলে পেস বোলিং কোচ হিসেবে কাজ করেছেন।

সাকিবকে ছাড়িয়ে দ্রুততম ২০০ উইকেটের রেকর্ড তাইজুলের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২১ অক্টোবর, ২০২৪

সাকিবকে ছাড়িয়ে দ্রুততম ২০০ উইকেটের রেকর্ড তাইজুলের

তাইজুল ইসলামের দুর্দান্ত টার্ন, অভিষেক টেস্ট খেলতে নামা ম্যাথু ব্রিটজে হয়তো আশাই করেননি বল এতটা ঢুকে যাবে। যতক্ষণে বুঝেছেন, ততক্ষণে উপড়ে গেছে অফস্টাম্প। শূন্য রানেই টেস্ট ক্যারিয়ার শুরু হলো প্রোটিয়া ব্যাটারের। এরই সঙ্গে তাইজুলও নাম লেখালেন দারুণ এক রেকর্ডে।

ব্রিটজকে আউট করে টেস্টে ২০০ উইকেটের মালিক হলেন তাইজুল। ক্যারিয়ারের ৪৮তম টেস্টে এসে এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন বাঁহাতি টাইগার স্পিনার।

তাইজুলের আগে বাংলাদেশের কেবল একজনই ২০০ উইকেটের ক্লাবে ঢুকেছেন। তিনি আর কেউ নন সাকিব আল হাসান। অর্থাৎ দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে ২০০ উইকেটের মালিক হলেন তাইজুল।

তবে একটা জায়গায় সাকিবকে ছাড়িয়ে গেছেন তাইজুল। টেস্টে ২০০ উইকেট তিনি পেয়েছেন ৪৮তম টেস্টে। সাকিবের ২০০ ছুঁতে লেগেছিল ৫৪ টেস্ট।

টেস্টে বাংলাদেশের সেরা ৫ উইকেট শিকারি

১. সাকিব আল হাসান-২৪৬ উইকেট

২. তাইজুল ইসলাম-২০১ উইকেট*

৩. মেহেদী হাসান মিরাজ-১৮৩ উইকেট*

৪. মোহাম্মদ রফিক-১০০ উইকেট

৫. মাশরাফি বিন মর্তুজা-৭৮ উইকেট।

চলতি টেস্টে উইকেটসংখ্যা বাড়তে পারে।


নিষেধাজ্ঞায় পড়তে পারে ব্রাজিল
তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ : আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিষেধাজ্ঞায় পড়তে পারে ব্রাজিল

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৩

তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ : আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিষেধাজ্ঞায় পড়তে পারে ব্রাজিল

অনিয়মের অভিযোগে ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট এডনাল্ডো রদ্রিগেজকে বহিষ্কার করেছে দেশটির আদালত। তবে তৃতীয় পক্ষের এই হস্তক্ষেপে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিষেধাজ্ঞায় পড়তে পারে ব্রাজিল।

২০২১ সালে অন্তর্বতীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন রদ্রিগেজ। পরবর্তীতে নির্বাচনের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে প্রেসিডেন্ট পদে বহাল হন। নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৬ সাল পর্যন্ত তার মেয়াদ ছিল।

কিন্তু ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোর আদালত অনিয়মের অভিযোগে তাকে বহিষ্কার করেছে। যদিও রদ্রিগেজের আপিল করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু তৃতীয় পক্ষ যেভাবে ফুটবল ফেডারেশনে হস্তক্ষেপ করেছে, তা ফিফার নিয়ম বহির্ভূত।

তাই ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশন বা সিবিএফের ওপর নেমে আসতে পারে নিষেধাজ্ঞা। আর এই নিষেধাজ্ঞা পেলে ব্রাজিল দল, তাদের কর্মকর্তা এবং রেফারিরা আন্তর্জাতিক ম্যাচ এবং ইভেন্টে অংশ নিতে পারবে না।

সিবিএফের কিছু নির্বাহী কর্মকর্তা রদ্রিগেজের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ আনেন। ব্যাপারটা গড়ায় আদালত পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার রিও ডি জেনেরোর কোর্ট থেকে আসে নির্দেশনা

এতে বলা হয়, রদ্রিগেজকে তার পদ থেকে ছাঁটাই করে ৩০ দিনের মধ্যে নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করতে হবে। এ সময়ে সিবিএফের দায়িত্ব পালন করবেন দেশটির ক্রীড়া আদালতের প্রধান জোসে পারদিজ। তার অধীনেই হবে নতুন নির্বাচন।


ডায়াবেটিস হলে ফল খাবেন, না খাবেন না

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ডায়াবেটিস হলে ফল খাবেন, না খাবেন না

ডায়াবেটিস রোগীদের খাদ্যতালিকা নিয়ে জনমনে নানা ধরনের প্রশ্ন ও সংশয় কাজ করে থাকে। বিশেষ করে মিষ্টি জাতীয় ফল খাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় ভোগেন। চিকিৎসাবিজ্ঞান ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়াবেটিস থাকলে ফল খাওয়া বারণ নয়, তবে তা খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ না করলে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ফলের পরিবর্তে ফল গ্রহণের প্রক্রিয়া। জুস, স্মুদি বা চিনি মেশানো বিভিন্ন ধরনের শরবত এড়িয়ে চলাই শ্রেয়। তরল আকারে ফল খেলে এর ভেতরের প্রাকৃতিক শর্করা খুব দ্রুত রক্তে মিশে যায়, যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা হঠাৎ বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই প্রক্রিয়াজাত বা রসালো পানীতির বদলে ফল খাওয়ার সময় অন্যান্য মাধ্যম বাদ দিতে হবে।

এই কারণে পুষ্টিবিদরা সব সময় প্রক্রিয়াজাত জুসের বদলে আস্ত বা গোটা ফল খাওয়ার ওপর জোর দেন। গোটা ফল চিবিয়ে খেলে তাতে থাকা ফাইবার বা আঁশ হজম প্রক্রিয়ায় ধীরগতি আনে, ফলে রক্তে শর্করা ধীরে শোষিত হয়। ফাইবার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে দারুণ কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে।

তাই রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে শরীরের পুষ্টির চাহিদা মেটাতে ডায়াবেটিস রোগীরা নিয়মিত তাজা ও গোটা ফল খেতে পারেন। তবে কোন ফল কী পরিমাণ খাওয়া উচিত, সে বিষয়ে অবশ্যই পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সচেতন জীবনযাপন ও সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রেখে সুস্থ জীবনযাপন করা সম্ভব।