শেয়ার বাজার

কেন কিছু মানুষ বিশ্বাস করেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাই খ্রিস্টবিরোধী, যা মানুষকে শয়তানের উপাসনায় প্ররোচিত করছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কেন কিছু মানুষ বিশ্বাস করেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাই খ্রিস্টবিরোধী, যা মানুষকে শয়তানের উপাসনায় প্ররোচিত করছে

প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষের এই যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মানুষের জীবনযাত্রাকে সহজ করার পাশাপাশি নানা ধরনের নৈতিক ও দার্শনিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তির এই অভূতপূর্ব অগ্রগতি দেখে একশ্রেণির মানুষ চরম আশঙ্কার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। বিশেষ করে খ্রিস্টধর্মের কিছু রক্ষণশীল অনুসারী ও বিশিষ্ট ব্যক্তি দাবি তুলেছেন যে, এই প্রযুক্তি মানবজাতির জন্য কেবল ধ্বংস ডেকে আনবে না, বরং এটি হতে পারে সেই প্রতীক্ষিত খ্রিস্টবিরোধী শক্তি। তাদের মতে, মানুষের তৈরি এই বুদ্ধিমান যন্ত্র শেষ পর্যন্ত মানব সমাজকে ধর্মবিচ্যুত করে এক অন্ধকার জগতের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

সাম্প্রতিক সময়ে টিকটক, ইউটিউব ও বিভিন্ন জনপ্রিয় পডকাস্টের মতো সামাজিক মাধ্যমগুলোতে এই তাত্ত্বিক আলোচনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। এসব প্ল্যাটফর্মে ধর্মীয় আলোচক ও বিশ্লেষকরা দাবি করছেন যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্রমবর্ধমান ক্ষমতা মানুষকে ঐশ্বরিক বিধান থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। এমনকি প্রযুক্তিটি ধীরে ধীরে মানুষের স্বাধীন চিন্তাভাবনা এবং নৈতিক মূল্যবোধকে নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করেছে বলেও তারা মনে করছেন। এই ধারণার মূল ভিত্তি হলো, যে প্রযুক্তি মানুষকে অন্ধ ভক্তিতে পরিণত করে এবং স্রষ্টার অস্তিত্বকে চ্যালেঞ্জ জানায়, তা কোনো না কোনোভাবে শয়তানি শক্তিরই বাহন।

খ্রিস্টীয় ধর্মতত্ত্বের বিভিন্ন ব্যাখ্যার ওপর ভিত্তি করে এই তাত্ত্বিকরা যুক্তি দিচ্ছেন যে, মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে কৃত্রিম উপায়ে অনুকরণ করার এই প্রচেষ্টা আসলে মানবীয় অহংকারের চূড়ান্ত প্রকাশ। বাইবেলের বিভিন্ন ভবিষ্যৎ বাণীর সঙ্গে বর্তমান প্রযুক্তির নানা দিক মিলিয়ে তারা প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন যে, এই যন্ত্র মানবজাতিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে। তাদের মতে, এআই চালিত ব্যবস্থাগুলো এমনভাবে তৈরি হচ্ছে যা ভবিষ্যতে মানুষের ভেতর থেকে নৈতিকতা এবং বিশ্বাসের বোধ মুছে ফেলতে পারে। এর ফলে মানুষ নিজের অজান্তেই এক অলৌকিক ও অন্ধ শক্তির আরাধনায় লিপ্ত হয়ে পড়ছে, যা তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক।

তবে বিজ্ঞানমনষ্ক সমাজ ও প্রযুক্তিবিদরা এই ধরনের ধর্মীয় ব্যাখ্যা এবং আশঙ্কাকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো কেবলই একটি বিজ্ঞানসম্মত টুল বা হাতিয়ার, যা মানুষের কল্যাণে কাজ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটিকে কোনো অশুভ শক্তি বা ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে মেলানো সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক ও অমূলক। তবুও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সুবাদে এই ধরনের ভয় ও ষড়যন্ত্রের তত্ত্বগুলো খুব দ্রুত মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়ছে, যা প্রযুক্তিগত অগ্রগতির পথে এক নতুন মানসিক বাধার সৃষ্টি করছে।

নারায়ণগঞ্জে দিনে-দুপুরে জুয়েলারি দোকানে ডাকাতি, ৮ ভরি স্বর্ণ ও ২০০ ভরি রুপা লুট

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জে দিনে-দুপুরে জুয়েলারি দোকানে ডাকাতি, ৮ ভরি স্বর্ণ ও ২০০ ভরি রুপা লুট

নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় দিনে-দুপুরে একটি জুয়েলারি দোকানে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এই আকস্মিক সশস্ত্র হামলায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর মধ্যে। ডাকাত দল দোকানে প্রবেশ করে অস্ত্রের মুখে উপস্থিত সবাইকে জিম্মি করে এবং মুহূর্তের মধ্যে পুরো এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়।

ক্ষতিগ্রস্ত দোকানমালিক দেবাশীষ ঢালী জানান, সম্প্রতি দুপুরে ৮ থেকে ১০ জনের একটি সশস্ত্র দল তার দোকানে হানা দেয়। ডাকাতরা দোকানে ঢুকে তাকে বেদম মারধর করে এবং ক্যাশ কাউন্টার থেকে জোরপূর্বক চাবি কেড়ে নেয়। এ সময় সিন্দুক ও ড্রয়ার ভেঙে মূল্যবান অলংকার লুট করা হয়।

দোকানের মালিক আরও জানান, লুট হওয়া মালামালের মধ্যে রয়েছে দোকানের বিভিন্ন কদম ও সিন্দুকে রাখা সাড়ে চার ভরি স্বর্ণ এবং ক্রেতাদের কাছ থেকে মেরামতের জন্য জমা রাখা সাড়ে তিন ভরি স্বর্ণ। সব মিলিয়ে প্রায় আট ভরি সোনা এবং দুই শ ভরি রুপার অলংকার লুট করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। এই বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ে তিনি দ্রুত লুট হওয়া মালামাল উদ্ধার এবং অপরাধীদের গ্রেপ্তার করার দাবি জানিয়েছেন।

ঘটনার খবর পেয়ে বন্দর থানার পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন জানিয়েছেন, পুলিশ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। যদিও এখন পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি, তবে জড়িত ডাকাতদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারের জন্য আইনগত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


এফবিআইয়ের বিশাল তথ্যভাণ্ডার হ্যাক, নিরাপত্তার পাহারাদারই এখন নিরাপত্তাহীন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

এফবিআইয়ের বিশাল তথ্যভাণ্ডার হ্যাক, নিরাপত্তার পাহারাদারই এখন নিরাপত্তাহীন

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন বা এফবিআইয়ের সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড় ধরনের আঘাত হানার ঘটনা ঘটেছে। শাইনি হান্টার্স নামের একটি সাইবার অপরাধী গোষ্ঠী যুক্তরাষ্ট্রের এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশ করে বিপুল পরিমাণ স্পর্শকাতর তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে। এই বিশাল নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনায় সংস্থাটির বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক এবং উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে যারা গোপন পরিচয়ে অত্যন্ত সংবেদনশীল দায়িত্ব পালন করেন, তাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে বড় ধরনের শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

হ্যাক হওয়া তথ্যের মধ্যে হাজার হাজার এজেন্টের পরিচয়, ব্যক্তিগত ঠিকানা, যোগাযোগের নম্বর এবং অত্যন্ত গোপনীয় চিকিৎসা সংক্রান্ত রেকর্ড রয়েছে। এমনকি সংস্থার বহু জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও বিশেষ এজেন্টের রক্ত পরীক্ষার ফলসহ নানা শারীরিক জটিলতার তথ্যও হ্যাকারদের কবলে পড়েছে বলে জানা গেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির পক্ষ থেকে এই তথ্যের কিছু নমুনা যাচাই করে সেগুলোর সত্যতা মিলেছে। সাইবার অপরাধীরা হুমকি দিয়েছে যে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাদের দাবি মানা না হলে এই সমস্ত গোপন নথি ও ডেটাবেস উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

চুরি যাওয়া এই ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে পড়লে শত্রুপক্ষের হ্যাকার ও অপরাধী চক্রগুলো তা অপব্যবহার করার সুযোগ পাবে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এর মাধ্যমে বিশ্বাসযোগ্য ফিশিং বার্তা তৈরি, প্রতারণা কিংবা এজেন্টদের সরাসরি লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে হয়রানি করার ঝুঁকি বহুলাংশে বেড়ে গেছে। এছাড়া অনলাইনে সক্রিয় বিভিন্ন অপরাধী চক্র ভুয়া তথ্য দিয়ে সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীকে কোনো এজেন্টের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়ার মতো সহিংস ঘটনাও ঘটাতে পারে। বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের প্রভাবিত বা নিয়োগ করার চেষ্টা করতে পারে বলেও জোরালো আশঙ্কা রয়েছে।

বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ এই আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার এমন নগ্ন নিরাপত্তা ত্রুটি নিয়ে অভ্যন্তরীণ মহলে ব্যাপক ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অপরাধী গোষ্ঠীটি এবার কোনো আর্থিক দাবি না জানিয়ে মূলত এফবিআইয়ের প্রকাশিত একটি পরামর্শমূলক নোট প্রত্যাহারের দাবি তুলেছে। মার্কিন তদন্ত সংস্থাটি জানিয়েছে যে তারা পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং কীভাবে এই নিরাপত্তা বেষ্টনী ভাঙল তা উদ্ঘাটনে জোরালো তদন্ত চলছে। তবে এই আকস্মিক ও বড় ধরনের সাইবার হামলার ফলে সৃষ্ট দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি এবং জাতীয় নিরাপত্তার সংকট কীভাবে মোকাবিলা করা হবে, তা নিয়ে এখনও বড় ধরনের অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।


ইমরানের মুক্তির দাবিতে রাজধানীমুখী মিছিল, ইসলামাবাদে লকডাউন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ইমরানের মুক্তির দাবিতে রাজধানীমুখী মিছিল, ইসলামাবাদে লকডাউন

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের কারাবন্দি অবস্থার প্রতিবাদ ও তার মুক্তির দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। ২০২৩ সাল থেকে কারাগারে থাকা এই নেতার সঙ্গে প্রশাসনের আচরণ এবং তার বিচারিক প্রক্রিয়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে আসছে দলটি। পিটিআইয়ের এই পূর্বঘোষিত কর্মসূচি সফল করতে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার সমর্থক দলবেঁধে ইসলামাবাদের দিকে যাত্রা শুরু করেছেন। সরকারের তরফ থেকে নানা বাধা ও ধরপাকড় উপেক্ষা করেই রাজপথে নেমেছেন তারা, যা বর্তমান প্রশাসনের জন্য বড় ধরনের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

বিক্ষোভ কর্মসূচি প্রতিহত করতে ইসলামাবাদজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বর্তমান সরকার। রাজধানী শহরে জনসমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির পাশাপাশি প্রায় ২২ হাজার পুলিশ ও অন্যান্য আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। নিরাপত্তার অজুহাতে খাইবার পাখতুনখোয়ার সঙ্গে সংযোগকারী প্রধান মহাসড়কগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং বিভিন্ন পয়েন্টে এক হাজারের বেশি কনটেইনার ও কাঁটাতারের প্রতিবন্ধক বসানো হয়েছে। এছাড়া পিটিআইয়ের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা ও মন্ত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে এবং খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদিও এই আইনি পদক্ষেপের মুখে পড়েছেন।

সরকারের এমন কঠোর অবস্থানের তীব্র সমালোচনা করে পিটিআই নেতৃত্ব জানিয়েছে, ইমরান খানের কারাবাসের পরিস্থিতির উন্নতি এবং তার মামলার ন্যায়সংগত শুনানি নিশ্চিত না করা পর্যন্ত তারা আন্দোলন থামাবে না। মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি অভিযোগ করেছেন যে সরকার আতঙ্কিত হয়ে রাজধানী অবরুদ্ধ করেছে এবং তাদের মন্ত্রীদের জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাচ্ছে। তবে দলটির পক্ষ থেকে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে যে বিপুল পরিমাণ নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমর্থকদের সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। অন্যদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে ফয়সাল করিম কুন্দি দাবি করেছেন যে পিটিআইয়ের এই মার্চ দেশে সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতা তৈরির পাঁয়তারা ছাড়া আর কিছু নয়।

এই ব্যাপক লকডাউন ও নিরাপত্তার কড়াকড়ির কারণে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন ইসলামাবাদের সাধারণ বাসিন্দারা। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় এবং প্রধান সড়কগুলো বন্ধ থাকায় জনজীবন প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকেই মনে করছেন, দেশের চলমান অর্থনৈতিক সংকট ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে ক্ষোভ জমে আছে, তা এই আন্দোলনের ফলে বড় কোনো বিস্ফোরণে রূপ নিতে পারে। নানা দমন-পীড়ন সত্ত্বেও পাকিস্তানের রাজনীতিতে ইমরান খানের জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি এবং তার মুক্তির এই আন্দোলন দেশটির বর্তমান রাজনৈতিক সমীকরণকে পুরোপুরি বদলে দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।