শেয়ার বাজার

কেইনের পেনাল্টি মিস, পাঁচ গোলের রোমাঞ্চে ইংল্যান্ডকে হারাল স্পেন

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কেইনের পেনাল্টি মিস, পাঁচ গোলের রোমাঞ্চে ইংল্যান্ডকে হারাল স্পেন

উয়েফা নেশনস লিগের হাইভোল্টেজ ম্যাচে ঐতিহ্যবাহী ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিল ইউরোপীয় ফুটবলের দুই পরাশক্তি ইংল্যান্ড ও স্পেন। নির্ধারিত নব্বই মিনিটের লড়াইয়ে উভয় দলই নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিলেও শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ২০১০ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের এই লড়াইয়ে পুরো সময় জুড়েই মাঠে উত্তেজনার আবহ বজায় ছিল।

ম্যাচটির শুরু থেকেই দুই দলের ফুটবলাররা গোলের জন্য মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালাতে থাকেন। পুরো ম্যাচে মোট পাঁচটি গোল হওয়ায় গ্যালারির দর্শকরা দারুণ রোমাঞ্চকর এক ফুটবল সন্ধ্যার সাক্ষী হন। একে অপরের রক্ষণভাগে হানা দিয়ে উভয় দলই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা চালায় এবং প্রথমার্ধেই খেলার ফলাফল নিয়ে সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা তৈরি হয়।

ম্যাচের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ইংল্যান্ডের তারকা স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন, যা ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে বড় ভূমিকা পালন করে। ইংরেজ অধিনায়কের এই সহজ সুযোগ হাতছাড়া হওয়া দলটির জন্য বড় ধাক্কা হয়ে আসে। এই পেনাল্টি মিস না হলে ম্যাচের ফলাফল ভিন্ন হতে পারত বলে মনে করছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা।

ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পর দেখা যায়, নির্ধারিত সময়ে স্নায়ুচাপ ধরে রেখে স্প্যানিশ দলটির খেলোয়াড়রাই কাঙ্ক্ষিত জয় ছিনিয়ে নিয়েছে। এই জয়ে উয়েফা নেশনস লিগের লড়াইয়ে স্পেন নিজেদের অবস্থান আরও সুসংহত করল, অন্যদিকে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের কাছে হেরে হতাশাজনক অভিজ্ঞতা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে ইংলিশদের।

ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুটি আইসিইউ চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুটি আইসিইউ চালু

চিকিৎসা সেবার পরিধি আরও একধাপ বাড়িয়ে নতুন দুটি ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট বা আইসিইউ চালু করেছে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন ও বিশ্বমানের সুযোগ-সুবিধা নিয়ে গঠিত এই বিশেষায়িত ইউনিটগুলো রোগীদের উন্নত চিকিৎসা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে জটিল ও সংকটাপন্ন রোগীদের সেবায় এই সংযোজন বড় ধরনের অগ্রগতি এনে দেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এই অত্যাধুনিক চিকিৎসাব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে গ্যাস্ট্রো-লিভার, সার্জিক্যাল এবং ট্রান্সপ্ল্যান্ট আইসিইউ সেবা। সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে নির্মিত এই ইউনিটগুলোতে মোট ২৫টি পৃথক কেবিনের ব্যবস্থা রয়েছে, যেখানে প্রতিটি কেবিনে একটি করে সর্বমোট ২৫টি শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এর ফলে রোগীরা অধিকতর গোপনীয়তা ও নিবিড় পরিচর্যার সুযোগ পাবেন।

রোগীদের দ্রুত সেরে ওঠার উপযোগী পরিবেশ নিশ্চিত করতে এসব কেবিনে রাখা হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। এর মধ্যে অন্যতম হলো সার্বক্ষণিক বায়ু পরিশোধন বা এয়ার পিউরিফিকেশন ব্যবস্থা, যা সংক্রমণ ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনবে। পাশাপাশি, প্রতিটি কেবিনে দিনভর পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক সূর্যের আলো প্রবেশের সুযোগ রাখা হয়েছে, যা চিকিৎসাধীন রোগীদের মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার জন্য অত্যন্ত সহায়ক।

স্বাস্থ্যখাতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার এই উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ আরও উন্নত ও বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করতে পারবেন। দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে এবং সংকটাপন্ন রোগীদের জীবন রক্ষায় এই বিশেষায়িত আইসিইউ ইউনিটগুলো কার্যকর অবদান রাখবে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।



পাচার হয়ে বাংলাদেশে আসা দুই চিতাবাঘ ফেরত নিতে চায় না জিম্বাবুয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পাচার হয়ে বাংলাদেশে আসা দুই চিতাবাঘ ফেরত নিতে চায় না জিম্বাবুয়ে

অবৈধভাবে পাচার হয়ে বিভিন্ন হাত ঘুরে বাংলাদেশে পৌঁছানো দুটি চিতাবাঘকে ফিরিয়ে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে জিম্বাবুয়ের সরকার। দীর্ঘদিন ধরে সাফারি পার্কে থাকা এই বন্যপ্রাণীগুলোকে নিজেদের দেশে ফেরত পাঠানোর সবরকম কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। আফ্রিকার এই দেশটির এমন অবস্থানে বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে ২০১৮ সালে, যখন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী খাঁচাবন্দী অবস্থায় এই দুটি চিতাবাঘ উদ্ধার করে। বন্যপ্রাণী পাচার চক্রের হাত থেকে উদ্ধারের পর সেগুলোকে তাৎক্ষণিকভাবে গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে স্থানান্তর করা হয়। তখন থেকেই প্রাণী দুটি বিশেষ তত্ত্বাবধানে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এই পার্কে বসবাস করে আসছে।

উদ্ধারের পর থেকেই চিতাবাঘগুলোকে তাদের নিজ আবাসস্থলে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য জিম্বাবুয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে বাংলাদেশ। কিন্তু দীর্ঘ আলোচনা ও পত্রালাপের পরও জিম্বাবুয়ে সরকার তাদের ফিরিয়ে নিতে আনুষ্ঠানিকভাবে অপারগতা প্রকাশ করেছে। তবে কী কারণে তারা এই বন্যপ্রাণীগুলোকে গ্রহণ করতে চাইছে না, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানা যায়নি।

বর্তমানে জিম্বাবুয়ের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া না মেলায় গাজীপুর সাফারি পার্কের হাসপাতালেই বিশেষ পরিচর্যায় রাখা হয়েছে চিতাবাঘ দুটিকে। পার্কের অভিজ্ঞ ভেটেরিনারি সার্জন ও কর্মীরা তাদের সার্বিক স্বাস্থ্য ও খাদ্যাভ্যাসের বিষয়টি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছেন। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন ও আন্তর্জাতিক প্রোটোকল মেনে প্রাণী দুটির আজীবন লালন-পালনের বিষয়টি এখন পার্কের পক্ষ থেকেই নিশ্চিত করা হচ্ছে।