শেয়ার বাজার

জয়পুরহাটে আগুনে দগ্ধ হয়ে শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মার্চ ২০২৪

জয়পুরহাটে আগুনে দগ্ধ হয়ে শিশুর মৃত্যু

জয়পুরহাট প্রতিনিধি: জয়পুরহাটে আগুনে দগ্ধ হয়ে তিন বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে জয়পুরহাট ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়। তার নাম অর্ক। সে জয়পুরহাট সদর উপজেলার পারুলিয়া গ্রামের শয়ন মন্ডলের মেয়ে।

জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)  হুমায়ূন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ওসি হুমায়ূন কবির জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অর্ক নিজ বাড়ির বারান্দায় খেলাধুলা করছিল। তখন পূজা দেওয়ার সন্ধ্যাবাতির আগুন লেগে দগ্ধ হয় অর্ক। শিশুটির চিৎকারে স্থানীয়রা তাকে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকালে মারা যায় শিশুটি। তার মরদেহ বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। শিশুটির মৃত্যুতে পুরো গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে

রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৪

রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ব্যানারে একটি হঠাৎ মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানিয়েছে, সম্প্রতি দুপুর ১২টার দিকে ধানমন্ডি ২৭ নম্বর সড়কে এই আকস্মিক বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। ব্যস্ততম এই এলাকায় হঠাৎ ককটেল বিস্ফোরণের শব্দে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সদস্যসচিব তারেকুজ্জামানের নেতৃত্বে সাতমসজিদ রোড এলাকা থেকে এই মিছিলটি শুরু হয়েছিল। মিছিলকারীরা ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালের সামনে দিয়ে অগ্রসর হয়ে বাটা শোরুমের কাছাকাছি এসে সংক্ষিপ্ত জমায়েত শেষ করে। এই সংক্ষিপ্ত পথ পরিক্রমার সময় তারা বেশ কয়েকটি ককটেল ফাটিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করার চেষ্টা করে।

ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত তৎপরতা শুরু করে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিশৃঙ্খলা শেষে ঘটনাস্থল বা আশপাশের এলাকা থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ চারজনকে আটক করতে সক্ষম হয়। ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুর থানা-পুলিশ যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে এবং তাদের হেফাজতে নেয়।

ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম তৈয়ব গণমাধ্যমকে জানান, নিষিদ্ধ সংগঠনের কর্মীরা হঠাৎ মিছিল বের করে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় এবং পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করা হয় এবং তাদের ব্যবহৃত একটি ব্যানারও জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল হালিম জানান, পালানোর সময় ওই এলাকা থেকে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে।


জাতিসংঘের কালো তালিকায় আরো ৬১ ইসরাইলি কোম্পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতিসংঘের কালো তালিকায় আরো ৬১ ইসরাইলি কোম্পানি

অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে অবৈধ বসতি স্থাপনের প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে আন্তর্জাতিকভাবে আরও একষট্টিটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে জাতিসংঘ। সম্প্রতি জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই নতুন সংযোজন করা হয়, যার ফলে বিশ্ব সংস্থাটির এই বিতর্কিত তালিকার পরিধি আরও প্রসারিত হলো। মূলত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতিগুলোর সঙ্গে সরাসরি বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখার কারণে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে ইসরাইলি বসতি সম্প্রসারণের সঙ্গে জড়িত কর্পোরেট স্বার্থের বিষয়টি আবারও তীব্র আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে।

সর্বশেষ এই সংযোজনের পর জাতিসংঘের এই বসতি-বিরোধী কালো তালিকায় তালিকাভুক্ত মোট বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে এখন দুই শ চৌদ্দটিতে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বজুড়ে প্রায় এগারোটি ভিন্ন দেশে এসব প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক নিবন্ধন থাকলেও এর একটি বড় অংশই সরাসরি ইসরাইলভিত্তিক কোম্পানি হিসেবে পরিচালিত হয়ে আসছে। তবে লক্ষণীয় বিষয় হলো, গত বছর এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকা এক শ আটান্নটি প্রতিষ্ঠান থেকে যাচাই-বাছাই শেষে ইতিমধ্যে পাঁচটিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ২০২০ সালে জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের একটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবের ভিত্তিতে প্রথমবারের মতো এই তালিকাটি প্রকাশ্যে আনা হয়েছিল।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক এই নতুন তালিকা প্রকাশকে সংশ্লিষ্ট সমস্ত করপোরেট প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি কঠোর সতর্কবার্তা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে মানবাধিকার রক্ষার মৌলিক দায়িত্ব প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেরই রয়েছে এবং এই দায়বদ্ধতা এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। ব্যবসা পরিচালনার সময় কোনো ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘন বা ফিলিস্তিনিদের অধিকার হরণে যাতে এসব প্রতিষ্ঠান জড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য কঠোর যাচাই-বাছাই অব্যাহত থাকবে। যদিও জাতিসংঘের এই তালিকার সরাসরি কোনো আইনি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার নেই, তবে এর মূল উদ্দেশ্য হলো সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর ভূমিকা জনসমক্ষে উন্মোচন করা।

এদিকে জাতিসংঘের এই পদক্ষেপে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে তা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরাইল সরকার। একই সঙ্গে এই কালো তালিকাভুক্তির উদ্যোগে কোনো ধরনের সমর্থন না দেওয়ার জন্য তারা তাদের আন্তর্জাতিক মিত্র দেশগুলোর প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছে। অন্যদিকে, এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে অধিকৃত পশ্চিম তীরের বসতি স্থাপন ও বাণিজ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। কিছুদিন আগে ব্রিটেন এই বসতিগুলোর সঙ্গে সমস্ত ধরনের বাণিজ্যিক লেনদেন নিষিদ্ধ করেছে এবং ফিলিস্তিনিদের ওপর সহিংসতাকে জাতিগত নির্মূলের অংশ বলে অভিহিত করেছে। পাশাপাশি, ফ্রান্স ও কানাডার মতো দেশগুলোও একই ধরনের কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।


হঠাৎ জ্বর, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই মৃত্যু ঢাবি শিক্ষার্থীর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হঠাৎ জ্বর, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই মৃত্যু ঢাবি শিক্ষার্থীর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রসায়ন বিভাগের এক মেধাবী শিক্ষার্থী হঠাৎ জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। মারা যাওয়া ওই শিক্ষার্থীর নাম মুরাদুল ইসলাম মুরাদ, যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র ছিলেন। তিনি অমর একুশে হলের আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে ক্যাম্পাসে অবস্থান করতেন এবং তার পৈতৃক নিবাস নীলফামারী জেলায়। তার এই আকস্মিক প্রয়াণে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সহপাঠী ও হল সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাতে হঠাৎ করেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন মুরাদ। তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটতে থাকায় হলের বন্ধু ও সিনিয়র ভাইয়েরা তাকে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নেন। কিন্তু হাসপাতালে পৌঁছানোর পথেই তার মৃত্যু ঘটে, যা চিকিৎসকদের কাছে নেওয়ার সুযোগটুকুও দেয়নি।

পরদিন সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল মাঠে মরহুমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত জানাজায় রসায়ন বিভাগের শিক্ষক, শহীদুল্লাহ হলের আবাসিক শিক্ষার্থী এবং তার অসংখ্য সহপাঠী ও শুভানুধ্যায়ী অংশ নেন। পরে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমিনূল ইসলাম ভূঁইয়া Media-র কাছে এই মর্মান্তিক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তরুণ এই শিক্ষার্থীর এমন অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। এক শোকবার্তায় ডাকসুর পক্ষ থেকে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়। স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের আগেই ঝরে যাওয়া এই তরুণের স্মৃতিচারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শোক প্রকাশ করছেন তার সহপাঠীরা।