শেয়ার বাজার

জাতিসংঘের কালো তালিকায় আরো ৬১ ইসরাইলি কোম্পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘের কালো তালিকায় আরো ৬১ ইসরাইলি কোম্পানি

অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে অবৈধ বসতি স্থাপনের প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে আন্তর্জাতিকভাবে আরও একষট্টিটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে জাতিসংঘ। সম্প্রতি জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই নতুন সংযোজন করা হয়, যার ফলে বিশ্ব সংস্থাটির এই বিতর্কিত তালিকার পরিধি আরও প্রসারিত হলো। মূলত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতিগুলোর সঙ্গে সরাসরি বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখার কারণে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে ইসরাইলি বসতি সম্প্রসারণের সঙ্গে জড়িত কর্পোরেট স্বার্থের বিষয়টি আবারও তীব্র আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে।

সর্বশেষ এই সংযোজনের পর জাতিসংঘের এই বসতি-বিরোধী কালো তালিকায় তালিকাভুক্ত মোট বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে এখন দুই শ চৌদ্দটিতে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বজুড়ে প্রায় এগারোটি ভিন্ন দেশে এসব প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক নিবন্ধন থাকলেও এর একটি বড় অংশই সরাসরি ইসরাইলভিত্তিক কোম্পানি হিসেবে পরিচালিত হয়ে আসছে। তবে লক্ষণীয় বিষয় হলো, গত বছর এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকা এক শ আটান্নটি প্রতিষ্ঠান থেকে যাচাই-বাছাই শেষে ইতিমধ্যে পাঁচটিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ২০২০ সালে জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের একটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবের ভিত্তিতে প্রথমবারের মতো এই তালিকাটি প্রকাশ্যে আনা হয়েছিল।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক এই নতুন তালিকা প্রকাশকে সংশ্লিষ্ট সমস্ত করপোরেট প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি কঠোর সতর্কবার্তা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে মানবাধিকার রক্ষার মৌলিক দায়িত্ব প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেরই রয়েছে এবং এই দায়বদ্ধতা এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। ব্যবসা পরিচালনার সময় কোনো ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘন বা ফিলিস্তিনিদের অধিকার হরণে যাতে এসব প্রতিষ্ঠান জড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য কঠোর যাচাই-বাছাই অব্যাহত থাকবে। যদিও জাতিসংঘের এই তালিকার সরাসরি কোনো আইনি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার নেই, তবে এর মূল উদ্দেশ্য হলো সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর ভূমিকা জনসমক্ষে উন্মোচন করা।

এদিকে জাতিসংঘের এই পদক্ষেপে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে তা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরাইল সরকার। একই সঙ্গে এই কালো তালিকাভুক্তির উদ্যোগে কোনো ধরনের সমর্থন না দেওয়ার জন্য তারা তাদের আন্তর্জাতিক মিত্র দেশগুলোর প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছে। অন্যদিকে, এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে অধিকৃত পশ্চিম তীরের বসতি স্থাপন ও বাণিজ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। কিছুদিন আগে ব্রিটেন এই বসতিগুলোর সঙ্গে সমস্ত ধরনের বাণিজ্যিক লেনদেন নিষিদ্ধ করেছে এবং ফিলিস্তিনিদের ওপর সহিংসতাকে জাতিগত নির্মূলের অংশ বলে অভিহিত করেছে। পাশাপাশি, ফ্রান্স ও কানাডার মতো দেশগুলোও একই ধরনের কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

হঠাৎ ভারতের মাটিতে নামল ৬ মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান, সঙ্গে দুই শতাধিক সেনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হঠাৎ ভারতের মাটিতে নামল ৬ মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান, সঙ্গে দুই শতাধিক সেনা

যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধুনিক ছয়টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান প্রথমবারের মতো ভারতীয় ভূখণ্ডে অবতরণ করেছে। অত্যাধুনিক এই যুদ্ধবিমানগুলোর পাশাপাশি প্রায় দুই শতাধিক মার্কিন সেনাসদস্যও দেশটিতে এসে পৌঁছেছেন। যোধপুর বিমানঘাঁটিতে আয়োজিত আন্তর্জাতিক মহড়া 'তরং শক্তি'তে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে এই বিশেষ সামরিক দলটি ভারতে এসেছে। দুই দেশের সামরিক কৌশলগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই ঘটনাকে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভারতের মাটিতে এই মার্কিন যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি নিশ্চিত করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে আধুনিক বিমানগুলো এবার ভারতীয় বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমানের সঙ্গে একই আকাশসীমায় মহড়া চালাবে। আগামী ১২ অক্টোবর পর্যন্ত চলমান এই বহুজাতিক মহড়া দুই দেশের মধ্যকার প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বকে আরও দৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চলমান এই আন্তর্জাতিক সামরিক মহড়ায় ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও বিশ্বের বেশ কয়েকটি প্রভাবশালী দেশ অংশগ্রহণ করছে। এই তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ, ফ্রান্স, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিমানবাহিনী। এতগুলো দেশের একত্রে এই ধরনের মহড়ায় অংশ নেওয়া বৈশ্বিক সামরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

যোধপুরের এই মহড়ায় নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষার শক্তি প্রদর্শন করতে ভারতীয় বিমানবাহিনীও শক্তিশালী বহর প্রস্তুত রেখেছে। এই মহড়ায় ফরাসি প্রযুক্তিতে নির্মিত রাফাল, দেশীয় প্রযুক্তির তেজস এবং রুশ যুদ্ধবিমান মিগ-২৯ অংশ নিচ্ছে। বিশ্বের অন্যতম সেরা মার্কিন এফ-৩৫ বিমানের সঙ্গে যৌথ এই মহড়া ভারতীয় বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


জয়পুরহাটে আগুনে দগ্ধ হয়ে শিশুর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মার্চ, ২০২৪

জয়পুরহাটে আগুনে দগ্ধ হয়ে শিশুর মৃত্যু

জয়পুরহাট প্রতিনিধি: জয়পুরহাটে আগুনে দগ্ধ হয়ে তিন বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে জয়পুরহাট ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়। তার নাম অর্ক। সে জয়পুরহাট সদর উপজেলার পারুলিয়া গ্রামের শয়ন মন্ডলের মেয়ে।

জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)  হুমায়ূন কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ওসি হুমায়ূন কবির জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অর্ক নিজ বাড়ির বারান্দায় খেলাধুলা করছিল। তখন পূজা দেওয়ার সন্ধ্যাবাতির আগুন লেগে দগ্ধ হয় অর্ক। শিশুটির চিৎকারে স্থানীয়রা তাকে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।

সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকালে মারা যায় শিশুটি। তার মরদেহ বাড়িতে পাঠানো হয়েছে। শিশুটির মৃত্যুতে পুরো গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে


কেশরহাটে অনুমোদনহীন সমিতির উচ্চ সুদে সর্বশান্ত অনেক পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০ মার্চ, ২০২৪

কেশরহাটে অনুমোদনহীন সমিতির উচ্চ সুদে সর্বশান্ত অনেক পরিবার

রাজশাহী প্রতিনিধি: রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাটে অনুমোদনহীন ব্যবসায়িক সমিতির আড়ালে চলছে উচ্চ হারে সুদের রমরমা ব্যবসা। সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অসহায় মানুষের সাথে প্রতারণা করে চালানো হচ্ছে এই সুদের কারবার। বড় অংকের সুদের কারণে ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে নিম্ন পর্যায়ের দিনমজুরেরা হচ্ছেন সর্বশান্ত ।

সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, কেশরহাট পৌরসভার গোপইল গ্রামের সাজ্জাদ মাষ্টারের ছেলে রাজু। একসময় ছিলেন মুদি দোকানদার। মুদি ব্যবসার আড়ালে তিনি ফেন্সিডিলের ব্যবসাও করতেন এবং নকল সিগারেট ও ফেন্সিডিল’সহ বেশ কয়েকবার আটকও হয়েছিলেন মোহনপুর থানায়।

এরপর তিনি কোন সনদপত্র না নিয়েই কেশরহাটে ‘সাফল্য সমবায় সমিতি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান খুলে বসেন। সুদ বইয়ের মাধ্যমে রাজু তার অবৈধ দাদন ব্যবসাকে বৈধ দেখিয়ে মোহনপুর-কেশরহাটের সাধারন মানুষদের প্রতারিত করছেন। সাধারণ মানুষ প্রতারিত হলেও দিন দিন আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ বনে গেছে রাজু।

অতিরিক্ত সুদ আদায় এবং সরকারি আইন ভঙ্গ করলেও স্থানীয় সমবায় অফিস কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় গ্রাহকরা প্রতারণার শিকার হচ্ছেন এবং অতিরিক্ত সুদ প্রদানের মাধ্যমে সর্বশান্ত হচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে সুদ কারবারিরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কেশরহাট বাজার সংলগ্ন মসজিদ মার্কেটে নামবিহীন অফিস খুলে সুদের ব্যবসা চালাচ্ছে এই ‘সাফল্য সমবায় সমিতি’।

আরোও জানা যায়, সাফল্য সমবায় সমিতির পরিচালক রাজু মোড়া অংকের লাভে ও ব্যাংক চেকের বিনিময়ে সাধারণ মানুষের কাছে টাকা দেন। সুদের ব্যবসা করে এখন সে কোটিপতি। প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা বিভিন্ন সাধারণ মানুষের কাছে সুদে দেওয়া রয়েছে তার।

ঋণ প্রদানে সমবায় সমিতির পরিচালক রাজু সাধারণ মানুষদের কাছ থেকে সাদা স্ট্যাম্প ও ব্ল্যাক চেক বইয়ের পাতা এবং স্বাক্ষর করা ফাঁকা ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প রেখে দিচ্ছেন টাকা দেন তিনি। টাকা পরিশোধ করার পরও চেক বইয়ের পাতায় নিজেদের ইচ্ছা মত টাকা বসিয়ে আদালতে মামলা করে গ্রাহক হয়রানির বহু অভিযোগ রয়েছে এ সমিতির বিরুদ্ধে।

২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে পরিচালক রাজু দীর্ঘ ৫ বছর যাবৎ সমবায় অধিদপ্তরের সরকারি পরিপত্রের তোয়াক্কা না করেই সদস্যদের কাছ থেকে অতিরিক্ত সুদ আদায়, সাদা চেক ও স্ট্যাম্প এর বিপরীতে ঋণ প্রদান করেন, এমনই অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

তথ্যনুসন্ধানে আরো জানা যায়, মোহনপুর উপজেলার সমবায় অফিসের অধীনে নামে বেনামে অনেক সমিতি রয়েছে, এছাড়া সমাজ সেবা অধিদপ্তর থেকে রেজিষ্ট্রেশন প্রাপ্ত আরও শতাধীক সমিতি রয়েছে। যাদের অধিকাংশই চড়া সুদে ঋণ বিতরণ করে থাকেন। এর মধ্যে অন্যতম কেশরহাটে রাজুর ‘সাফল্য সমবায় সমিতি’ লিমিটেড নামের প্রতিষ্ঠান। সমবায় সমিতি হিসেবে রেজিস্ট্রেশন না নিয়েও সমবায় অধিদপ্তরের কোন আইন কানুনই মানছে না প্রতিষ্ঠানটি।

কেশরহাট বাজারে কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, ‘সাফল্য সমবায় সমিতি’এর পরিচালক রাজু লাভের ওপর এককালীন টাকা দিয়ে মাত্র এক মাস বা তিন মাস মেয়াদে ঋণ পরিশোধ করতে বাধ্য করেন । এতে ঋণ নিয়ে চরম বিপদে পড়েছেন সাধারণ অসহায় মানুষ।

আরোও এক ব্যবসায়ী কান্নাস্বরে জানান, রাজুর কাছে সুদে ৪ লক্ষ টাকা নিয়ে প্রতি মাসে ৪০ হাজার টাকা তাকে লাভ দিতেন। টাকা না দেওয়ার কারনে ওই সুদ ব্যবসায়ী তাকে মোবাইল ফোনে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ী এখন অসহায় অবস্থায় জীবন যাপন করছেন। ব্যবসা বন্ধ করে নিজের জমি জমা বিক্রি করে ওই সুদ ব্যবসায়ীর টাকা দিতেও হিমসিম খেতে হচ্ছে তাকে।

শুধু তাই নই, রাজশাহীর সাহেব বাজারের আরোও এক ব্যবসায়ীর সাথেও প্রতারনা করে প্রায় ৪ লক্ষ টাকা চিট করে নিয়েছে এই সাফল্য সমবায় সমিতির পরিচালক রাজু। এরপর সেই ভুক্তভোগী কেশরহাট পৌরসভায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

এ বিষয়ে মোহনপুর উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা ও সমাজসেবা কর্মকর্তা আনিছা দেলোয়ারা আঞ্জু জানান, কেশরহাটে ‘সাফল্য সমবায় সমিতির’ কোন নিবন্ধন নাই। যেহেতু নিবন্ধন নাই সেহেতু কেউ যদি তার কাছে প্রতারিত হয় তাহলে এর জন্য আমরা দায়ী নই।

মোহনপুর উপজেলার ইউএনও আয়েশা সিদ্দিকা জানান, আমার এ বিষয়ে জানা ছিলোনা। বিস্তারিত আমি খোঁজ নিয়ে তদন্ত করে দেখবো এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

মোহনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) হরিদাস মন্ডল জানান,এ বিষয়ে লিখিত কোন অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

কেশরহাট পৌরসভার মেয়র শহিদুজ্জামান শহিদ জানান, সাফল্য সমবায় সমিতির কোন ট্রেড সনদপত্র নেই। এ বিষয়ে আমি যতটুকু জানি রাজু একজন চিট। তার নামে অনেক অভিযোগ রয়েছে। কিছুদিন আগে একজন ব্যক্তির মোটা অংকের টাকা প্রতারনা করে নেওয়ার লিখিত অভিযোগ পাওয়ায় তাকে আমি ডেকে এনে সময় সাপেক্ষে

পৌরসভাতেই মিমাংসা করে দেই। এই রাজুর খপ্পরে পরে যেন আর কেউ প্রতারিত না হয় সেইদিকে আমি খেয়াল রাখব।

এ বিষয়ে সাফল্য সমবায় সমিতির পরিচালক রাজুর সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করলে তিনি কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি।