শেয়ার বাজার

জাতিসংঘে কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ার যে প্রতিশ্রুতি দিলেন তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘে কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ার যে প্রতিশ্রুতি দিলেন তারেক রহমান

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে প্রথমবারের মতো ভাষণ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক রূপরেখা এবং কূটনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ আকর্ষণ করেন তিনি। তাঁর এই বক্তব্যে দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং একটি জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনের সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার উঠে আসে। বিশ্বনেতাদের সামনে এটি ছিল বর্তমান সরকারের নীতি নির্ধারণী অবস্থান স্পষ্ট করার একটি বড় সুযোগ।

ভাষণে প্রধানমন্ত্রী দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির পাশাপাশি একটি বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, দেশের আপামর জনসাধারণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের জোরালো ভূমিকার কথা তুলে ধরেন তিনি। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় দুর্নীতি দমনের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতির কথাও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

বিশ্বমঞ্চে দেশের সার্বভৌমত্ব এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ওপর ভিত্তি করে বৈদেশিক সম্পর্ক বজায় রাখার ঘোষণা দেন সরকারপ্রধান। আঞ্চলিক শান্তি রক্ষা ও সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশ সবসময় বিশ্ববাসীর পাশে থাকবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। এছাড়া বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থাকে আরও কার্যকর ও মানবিক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি। বিশ্বনেতারা তাঁর এই বক্তব্যে বাংলাদেশের নতুন ভাবমূর্তির প্রতিফলন দেখতে পেয়েছেন বলে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

জাতিসংঘের এই অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ দেশের অভ্যন্তরীণ সংস্কার কার্যক্রমকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরেছে। এই সফরের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ করার ক্ষেত্রে নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। দেশের জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়নে বিশ্ব সম্প্রদায়ের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। বিশ্বমঞ্চে এই সফল উপস্থিতি বাংলাদেশের কূটনৈতিক ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হামলা বলছে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হামলা বলছে পুলিশ

রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকায় জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গত কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া এই আকস্মিক হামলায় স্টুডিওর ভেতরে থাকা বিভিন্ন আসবাবপত্র ও দামি সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনার পর থেকেই স্থানীয় এলাকাবাসী ও ভক্তদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন হঠাৎ করে বেশ কয়েকটি পিকআপভর্তি একদল লোক ওই এলাকায় এসে তাণ্ডব চালায়। তারা শুধু সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওই নয়, বরং আশপাশের কয়েকটি বাড়ি ও অন্যান্য স্থাপনাও লক্ষ্য করে হামলা চালায়। হামলাকারীরা নির্বিচারে ভাঙচুর চালিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করে এবং একপর্যায়ে স্টুডিও থেকে মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

প্রাথমিক তদন্তের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, মূলত জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ইতোমধ্যে তিনজনকে আটক করেছে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ।

আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই হামলার মূল হোতা এবং পেছনের উসকানিদাতাদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। বর্তমানে ওই এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্তদের পক্ষ থেকে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।


এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী হলেন প্রকৌশলী মোঃ বেলাল হোসেন

প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬

এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী হলেন প্রকৌশলী মোঃ বেলাল হোসেন

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী (রুটিন)পদে দায়িত্ব পেয়েছেন সংস্থারই অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোঃ বেলাল হোসেন তিনি এই পদের আগে প্রোগ্রাম ফর সাপোর্টিং রুরাল ব্রীজ প্রকল্পে প্রেষণে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। ৪ জানুয়ারী ২০২৬ ইং বুধবার স্মারকে ৪৬.০০.০০০০.০০০.০৬৭.১২.০০০৭.২৫.৪৯/১(১৪) স্হানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব সচিব আশফিকুন নাহার সাক্ষরে এই আদেশ জারি হয়।

বর্তমানে তিনি অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (মানব সম্পদ উন্নয়ন, মান নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ ইউনিট)-এ কর্মরত থেকে পিইডিপি-৪ ইউনিটের দায়িত্ব যথাযথভাবে ন্যায় ও নিষ্ঠার সাথে পালন করছেন এবং দীর্ঘদিন তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে প্রশাসন শাখায় সততা ও দক্ষতার সহিত দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

তিনি একজন মেধাবী, চৌকস, কর্মঠ, দক্ষ, সৎ প্রকৌশলী হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন। চাকরিতে যোগদানের পর পেশাগত উৎকর্ষ সাধনে তিনি দেশে-বিদেশে বিভিন্ন কারিগরি, ব্যবস্থাপনা, পরিকল্পনা ও অন্যান্য বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

প্রশিক্ষণ, আন্তর্জাতিক সেমিনার, ওয়ার্কশপ ও সরকারি দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে তিনি বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন। এলজিইডিতে সদালাপী ও সজ্জন হিসেবে তাঁর বেশ সুনাম আছে।


চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ০৮ এপ্রিল, ২০২৬

চার কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী

দেশের চার কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের দর্শন হলো ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক।


বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য এ এম মাহবুব উদ্দিনের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।

প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন-উত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের নাগরিকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’ এই দর্শনে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে গত ১০ মার্চ দেশের ১০টি জেলা এবং ৩টি সিটি করপোরেশনের ৩৭ হাজার ৮১৪টি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আগামীতে দেশের প্রায় চার কোটি প্রান্তিক ও নিম্নবিত্ত পরিবারকে পর্যায়ক্রমে এই কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

নোয়াখালী-১ (চাটখিল ও সোনাইমুড়ী) নির্বাচনি এলাকা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আশা করছি সংসদ সদস্যের নির্বাচনি এলাকার দরিদ্র পরিবারের নারী সদস্যদের ক্ষমতায়ন ও স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের এই ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা সম্ভব হবে।