শেয়ার বাজার

জাতিসংঘ সফর শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ সফর শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের একষট্টিতম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদান শেষে দেশের পথে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করার উদ্দেশ্যে তাঁর এই পাঁচ দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। এই সফরে তাঁর সঙ্গী ছিলেন সরকারের উচ্চপর্যায়ের বেশ কজন কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদলের সদস্যবৃন্দ। সফরসূচি অনুযায়ী সকল কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করার পর তিনি এখন ঢাকার উদ্দেশ্যে আকাশপথ অতিক্রম করছেন।

নিউইয়র্কে অবস্থানকালে জাতিসংঘের মূল অধিবেশনের পাশাপাশি বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও পার্শ্বসৈনিক কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সামনে দেশের সমসাময়িক অর্জন, গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা এবং বৈশ্বিক নানা সংকট মোকাবিলারে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন তিনি। বিশেষ করে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে তাঁর বাংলায় দেওয়া ভাষণ প্রবাসী বাঙালি ও দেশের জনগণের মধ্যে দারুণ উদ্দীপনার সৃষ্টি করে।

এই সফরে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ কর্তাব্যক্তিদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ওইসব বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়াদি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদার করার বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। বিশ্বনেতাদের সঙ্গে এই ধরনের কূটনৈতিক যোগাযোগের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও সুদৃঢ় হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

নিউইয়র্কের ব্যস্ত কর্মসূচি ও কূটনৈতিক ব্যস্ততা সফলভাবে শেষ করে প্রধানমন্ত্রীর বহনকারী বিমানটি নির্ধারিত সময়েই ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে। তাঁর এই প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে দলীয় নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ করা গেছে। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি সরকারি বাসভবনে ফিরে তিনি দেশের চলমান প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক বিষয়গুলো নিয়ে পুনরায় কাজ শুরু করবেন বলে জানা গেছে।

‘বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত’

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

‘বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত’

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ প্রাতরাশ বৈঠকে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্থানীয় সময় সকালে ম্যানহাটনে জেপি মর্গানের সদর দপ্তরে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং এতে বিশ্বখ্যাত বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেন যে বাংলাদেশ এখন ব্যবসার জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার সর্বাত্মক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। রাজনীতিতে আসার পূর্বের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে তিনি জানান যে আস্থার পরিবেশ এবং পূর্বানুমেয় নীতিই বিনিয়োগের প্রধান চালিকাশক্তি। আয়োজক প্রতিষ্ঠান জেপি মর্গান এবং উপস্থিত ব্যবসায়ীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি উল্লেখ করেন যে, উভয়ের লক্ষ্য ভিন্ন হলেও সাফল্যের মূলমন্ত্র মূলত একই সূত্রে গাঁথা।

দেশের বিশাল সম্ভাবনা তুলে ধরে সরকারপ্রধান জানান যে ১৮ কোটির বেশি জনসংখ্যার বাংলাদেশে একটি কর্মক্ষম তরুণ সমাজ এবং ক্রমবর্ধমান বাজার রয়েছে। ঐতিহ্যবাহী তৈরি পোশাক ও উৎপাদন খাতের বাইরেও জ্বালানি, অবকাঠামো, লজিস্টিকস, তথ্যপ্রযুক্তি, ডিজিটাল সেবা, জলবায়ু অর্থায়ন, কৃষি এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতে বিনিয়োগের অপার ক্ষেত্র উন্মুক্ত রয়েছে। আগামী ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে এক ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বর্তমান প্রশাসন। এই মহাযজ্ঞ বাস্তবায়নে নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা সহজীকরণ, বিনিয়োগ সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ, কর প্রশাসন উন্নত করা এবং মুনাফা সহজে নিজ দেশে নেওয়ার মতো যুগান্তকারী পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে নতুন অংশীদারত্ব গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিনিয়োগকারীদের আস্থাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন যে কোনো দেশ কেবল মুখের কথায় আকৃষ্ট হয় না, বরং বাস্তব নীতিমালা এবং তার কার্যকর প্রয়োগই মূল বিষয়। মূলধন স্থানান্তর থেকে শুরু করে মুনাফা ফেরতের সহজ প্রক্রিয়া এবং বিধিমালার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর বলে তিনি মন্তব্য করেন। স্বল্পমেয়াদি কোনো লক্ষ্য নয়, বরং উভয় পক্ষের দীর্ঘমেয়াদি সমৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য একটি শক্তিশালী অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে চায় বাংলাদেশ। ওয়াল স্ট্রিটের বৃহৎ প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে এসে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক বাজারে প্রবেশের আহ্বান জানান তিনি। সরকারের এই উদ্যোগগুলো সমন্বয় করার জন্য অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিশেষ সহকারী তানভীর গনি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী দেশটিতে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পুঁজি বিনিয়োগের আহ্বান জানান। তিনি স্পষ্টভাবে জানান যে ব্যবসায়িক প্রতিবন্ধকতা দূর করতে এবং যেকোনো ধরনের গঠনমূলক পরামর্শ শুনতে তার প্রশাসন সবসময় প্রস্তুত রয়েছে। পরিশেষে, তিনি খুব শীঘ্রই যুক্তরাষ্ট্রের এই শীর্ষ ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের একটি প্রতিনিধিদলকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। বাংলাদেশের প্রথম সার্বভৌম বন্ড চালুর ক্ষেত্রে জেপি মর্গানের সহযোগিতার ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন যে এটি দেশের পুঁজিবাজারকে বৈশ্বিক কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই বৈঠকের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে বৈশ্বিক উৎপাদন ও সেবামূলক খাতের একটি শক্তিশালী কেন্দ্রে রূপান্তরের পথ আরও সুগম হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।


যুক্তরাষ্ট্রের পথে চীনের জোড়া জায়ান্ট পান্ডা, থাকবে ১০ বছর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের পথে চীনের জোড়া জায়ান্ট পান্ডা, থাকবে ১০ বছর

যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে সফলভাবে দীর্ঘ যাত্রা শুরু করেছে চীনের জনপ্রিয় দুই জায়ান্ট পান্ডা। দীর্ঘমেয়াদী প্রাণী বিনিময় কর্মসূচির অংশ হিসেবে পান্ডা দুটিকে আটলান্টার একটি বিখ্যাত চিড়িয়াখানার প্রাঙ্গণে পাঠানো হচ্ছে। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার দীর্ঘস্থায়ী ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশ্বজুড়ে এই বিশেষ কূটনীতি বেশ সুপরিচিত এবং এটি দুই দেশের জনগণের মাঝে পারস্পরিক সৌহার্দ্য বাড়াতে ভূমিকা রাখে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পান্ডা দুটির এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে প্রায় ১৫ ঘণ্টা সময় লাগার কথা রয়েছে। যাত্রাপথে প্রাণীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আরামদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। প্রাণী বিশেষজ্ঞরা পুরো সময় জুড়েই পান্ডা দুটির স্বাস্থ্য ও মানসিক অবস্থা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। পর্যাপ্ত বাঁশ এবং পানীয় জলের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে তাদের দীর্ঘ বিমানযাত্রার এই বিশেষ ফ্লাইটে।

আটলান্টার এই চিড়িয়াখানায় আগামী এক দশক অর্থাৎ পুরো দশ বছর অবস্থান করবে পান্ডা জোড়াটি। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বেশ কিছু পান্ডা চীনে ফিরিয়ে নেওয়া হলেও, নতুন এই জুটির আগমন দেশটির দর্শকদের জন্য এক বিশাল আনন্দের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ পান্ডাগুলোকে বরণ করতে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রেখেছে। দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করার আগে তাদের নতুন পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতির ক্ষেত্রে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। রাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝেও সাংস্কৃতিক ও পরিবেশগত অংশীদারিত্ব বজায় রাখতে এই ধরনের পদক্ষেপ বরাবরই কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষ ও পর্যটকরা এই নতুন অতিথিদের সাদরে গ্রহণ করবেন এবং এটি দুই দেশের সুসম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।


এমবাপ্পের গোলে তুরস্কের বিপক্ষে জয়, শুরু হলো ফ্রান্সে জিদান-যুগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

এমবাপ্পের গোলে তুরস্কের বিপক্ষে জয়, শুরু হলো ফ্রান্সে জিদান-যুগ

ফুটবল বিশ্বে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ফরাসি জাতীয় দলের ডাগআউটে শুরু হলো জিনেদিন জিদানের নতুন অধ্যায়। বিশ্বকাপ টুর্নামেন্টের পর দিদিয়ের দেশমের স্থলাভিষিক্ত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এই কিংবদন্তি ফুটবলার। উয়েফা নেশনস লিগের সাম্প্রতিক ম্যাচে তুরস্কের মুখোমুখি হয়েছিল ফরাসি দল, যেখানে নতুন কোচের অধীনে মাঠে নেমেই জয় তুলে নিয়েছে তারা। এই জয়ের ফলে ফরাসি শিবিরে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং কোচ হিসেবে জিদানের শুরুটা বেশ দারুণ হয়েছে।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলই আক্রমণ ও প্রতি আক্রমণে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালায়। তবে তুরস্কের রক্ষণভাগ ভাঙতে ফরাসি ফরোয়ার্ডদের বেশ কিছু সময় অপেক্ষা করতে হয়। খেলার গতিপ্রকৃতি যখন ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছিল, ঠিক তখনই নির্ধারিত সুযোগটি লুফে নেয় দলটি। প্রতিপক্ষের জমাট রক্ষণ ভেদ করে কাঙ্ক্ষিত গোলটি আদায় করে নেন ফরাসি তারকারা, যা শেষ পর্যন্ত ব্যবধান গড়ে দেয়।

এই জয় এনে দেওয়ার পেছনে মিডফিল্ডার মাইকেল ওলিস এবং তারকা ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পের দারুণ বোঝাপড়া বড় ভূমিকা পালন করে। মাইকেল ওলিসের নিখুঁত ও চমৎকার পাস থেকে বল পেয়ে তা সফলভাবে জালে জড়ান কিলিয়ান এমবাপো। এই একমাত্র গোলটির ওপর ভর করেই শেষ পর্যন্ত স্বস্তির জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ফ্রান্স। দলের নির্ভরযোগ্য এই ফুটবলারদের পারফরম্যান্স নতুন কোচের আস্থার প্রতিদান দিয়েছে।

খেলার পর ফরাসি কোচ জিনেদিন জিদান দলের এমন পারফরম্যান্সে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম ম্যাচেই জয় পাওয়ায় তার ওপর থাকা প্রাথমিক চাপ কিছুটা কমেছে। ২০২৬-২৭ মৌসুমের এই প্রতিযোগিতায় নিজেদের প্রথম ম্যাচেই এমন সাফল্য পাওয়ায় ভক্ত-সমর্থকদের মধ্যেও উন্মাদনা দেখা গেছে। সামনের দিনগুলোতে দলটি আরও পরিপক্ব ও আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।