শেয়ার বাজার

জাসদ কার্যালয়ে গোপন বৈঠক, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী সন্দেহে আটক ২৬০

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাসদ কার্যালয়ে গোপন বৈঠক, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী সন্দেহে আটক ২৬০

রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গোপন বৈঠক চলাকালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী সন্দেহে আড়াইশ জনের বেশি ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। সম্প্রতি শহীদ আবরার ফাহাদ অ্যাভিনিউর ওই কার্যালয়ে আয়োজিত সভায় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান শুনতে পেয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও হকাররা সন্দেহভাজনদের ঘেরাও করেন। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দীর্ঘ সময় ধরে অভিযান চালিয়ে তাদের ৫টি প্রিজনভ্যানে করে পল্টন ও শাহবাগ থানায় নিয়ে যায়। এই ঘটনার পর এলাকা জুড়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়। ওই ভবনের পাশেই নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দলের কার্যালয় থাকায় একটি সংবেদনশীল স্থানে এমন গোপন সভা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে কয়েকটি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়েছে এবং এই বৈঠকের নেপথ্যে কোনো নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্ধারিত সময়ে সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ডভাবে ওই ভবনের দ্বিতীয় তলায় কর্নেল তাহের মিলনায়তনে জড়ো হতে শুরু করেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে মানুষের উপস্থিতি বাড়তে থাকে এবং একপর্যায়ে ভেতর থেকে স্লোগান ভেসে এলে ব্যবসায়ীদের সন্দেহ হয়। তারা দরজা খোলার চেষ্টা করলে ভেতর থেকে বাধা দেওয়া হয় এবং পরে দরজা খুললে চার শতাধিক মানুষের উপস্থিতি দেখে তারা হতবাক হয়ে যান। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে কিছু লোক সেখান থেকে পালিয়ে গেলেও অনেকেই ভেতরে আটকা পড়েন। খবর পেয়ে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা এবং বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা ঘটনাস্থলে এসে ভবনটি ঘিরে ফেলেন এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। জনস্রোতের কারণে পুলিশ বাধ্য হয়ে ওই পাশের সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে বিকল্প পথে গাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা করে। ঘটনাস্থল থেকে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সাবেক সভাপতি আবু জাফর সূর্যকেও আটক করা হয়, যিনি সেখানে পেশাগত দায়িত্ব পালনের দাবি করলেও এর কোনো সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি।

এদিকে আটক ব্যক্তিদের পল্টন ও শাহবাগ থানায় নিয়ে যাওয়ার পর সেখানে তাদের স্বজন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা ভিড় করেন। পল্টন থানায় পর্যাপ্ত স্থান না থাকায় আটকদের বিভিন্ন কক্ষে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তাদের পরিচয় ও পূর্বের রেকর্ড যাচাইয়ের জন্য দেশের বিভিন্ন থানায় বার্তা পাঠানো হয়েছে। যুবদল ও অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতারা অভিযোগ করেছেন যে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে লোক এনে এই গোপন বৈঠকের মাধ্যমে বড় ধরনের নাশকতার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছিল। পলাতক ফ্যাসিবাদের দোসররা যাতে ঢাকায় কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা করতে না পারে, সেজন্য নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের অনেকের স্বজনরা থানায় এসে হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েন এবং আটকদের মুক্তির দাবি জানাতে থাকেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, আটকদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য এবং থানায় পাঠানো বার্তার জবাব আসার পর তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অন্যদিকে এই ঘটনার সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়ে জাসদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে এটি কোনো গোপন বৈঠক ছিল না, বরং তাদের একটি পূর্বনির্ধারিত কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সভা ছিল। জাসদের দপ্তর সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন জানান, প্রতিনিধি সভায় অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় চারশ নেতাকর্মী এসেছিলেন এবং অনুষ্ঠানের নিরাপত্তার জন্য আগেই পুলিশ প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছিল। তাদের অভিযোগ, সভা চলাকালে বিএনপির নেতাকর্মীরা এসে প্রথমে হামলা ও মারধর চালায় এবং পরবর্তীতে পুলিশ এসে তাদের সব নেতাকর্মীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশের পক্ষ থেকে সভার অনুমতির বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া না গেলেও, আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে যে পরিস্থিতি ও প্রাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। উল্লেখ্য, বিগত রাজনৈতিক সরকারের অন্যতম সহযোগী এই দলের শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাজার রায় ঘোষণা করা হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই ধরনের বৈঠক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

মেঘনায় ট্রলারডুবি, ৩ ভাই–বোনের মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মেঘনায় ট্রলারডুবি, ৩ ভাই–বোনের মরদেহ উদ্ধার

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনার দুদিন পর একই পরিবারের তিন শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে তাদের মৃতদেহগুলো উদ্ধার করেন স্থানীয় উদ্ধারকর্মীরা ও স্বজনরা। মর্মান্তিক এই ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং শোকার্ত পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে ভিড় করছেন স্থানীয়রা।

নিহত তিন শিশু সম্পর্কে আপন ভাই-বোন। গত কয়েকদিন আগে মেঘনা নদীতে একটি ট্রলারডুবির আকস্মিক দুর্ঘটনায় তারা নিখোঁজ হয়েছিল। ঘটনার পর থেকেই তাদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস এবং স্থানীয় লোকজন নদীতে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছিলেন। দীর্ঘ চেষ্টার পর অবশেষে নদী থেকে তাদের নিথর দেহগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

তবে এই হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনায় এখনো নিখোঁজ রয়েছেন শিশুদের বাবা হেলাল উদ্দিন। তাকে খুঁজে পেতে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও কোস্টগার্ডের যৌথ উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। নিখোঁজ বাবাকে দ্রুত উদ্ধারের আশায় নদীপাড়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন তাদের স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

স্থানীয় প্রশাসন ও নদী নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত যাত্রী বহন বা নদীপথে সুরক্ষাব্যবস্থার ঘাটতির কারণে প্রায়ই এমন দুর্ঘটনা ঘটছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে। একই সঙ্গে নদীপথে চলাচলকারী সকল জলযানকে আরও সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


হরমুজ নিয়ে ইরান ভুল হিসাব করেছে: সাবেক পেন্টাগন কর্মকর্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হরমুজ নিয়ে ইরান ভুল হিসাব করেছে: সাবেক পেন্টাগন কর্মকর্তা

মধ্যপ্রাচ্যের অত্যন্ত সংবেদনশীল হরমুজ প্রণালির ভূরাজনীতিতে তেহরান কৌশলগতভাবে অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন পেন্টাগনের সাবেক এক শীর্ষ কর্মকর্তা। সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই মূল্যায়ন তুলে ধরেন পেন্টাগনের আরব উপদ্বীপ বিষয়ক সাবেক পরিচালক ডেভিড ডেস রোচেস। বর্তমানে তিনি নিয়ার ইস্ট সাউথ এশিয়া সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ-এর অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার মতে, বৈশ্বিক বাণিজ্য ও সামরিক প্রস্তুতির বর্তমান বাস্তবতায় কৌশলগত এই জলপথে চলাচলকারী জাহাজে বাধা দেওয়ার ইরানের পূর্বের সেই সক্ষমতা আর আগের মতো কার্যকর নেই।

মার্কিন এই বিশ্লেষক আরও ব্যাখ্যা করেন যে, ওয়াশিংটন যখন তাদের বিশাল তেল ট্যাঙ্কার বহরকে সামরিক নিরাপত্তার মাধ্যমে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে সচেষ্ট হয়, তখন তেহরান কার্যত নিষ্ক্রিয় দর্শক হয়ে থাকে। তার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতপূর্ণ জলসীমায় যেসব হামলা চালানো হয়েছে, সেগুলোর মাধ্যমে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারকে বড় কোনো ধাক্কা দেওয়া যায়নি। বরং এসব হামলার মূল লক্ষ্যবস্তু ছিল কোনো নির্দিষ্ট তৃতীয় দেশের বিচ্ছিন্ন কিছু বেসামরিক ও বাণিজ্যিক জলযান, যা সামগ্রিক তেল সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের কোনো দীর্ঘমেয়াদি সংকট তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে।

বিশ্লেষণে ডেভিড ডেস রোচেস মার্কিন অর্থনীতির শক্তিশালী অবস্থানের দিকটিও তুলে ধরেছেন যা তেহরানের হিসাবনিকাশকে ভুল প্রমাণ করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বর্তমানে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯২ ডলারে অবস্থান করছে, অথচ সংকট শুরুর প্রাক্কালে এর দাম আড়াই শ ডলারে পৌঁছানোর আশঙ্কা করা হয়েছিল। একই সময়ে মার্কিন শেয়ারবাজারের সূচকগুলো রেকর্ড উচ্চতা স্পর্শ করেছে এবং দেশের অভ্যন্তরীণ তেল উৎপাদনও নতুন মাইলফলক অর্জন করেছে। তার মতে, জ্বালানি খাতসহ সার্বিক অর্থনীতিতে যে বড় ধরনের বিপর্যয় ও ধসের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, মার্কিন প্রশাসনের সুচারু পদক্ষেপে তা সফলভাবে এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

ভবিষ্যৎ কৌশলগত সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে এই সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, তেহরান যদি নতুন করে কোনো সামরিক সংঘাতে জড়ায়, তবে ওয়াশিংটনের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া আগের তুলনায় অনেক বেশি বিস্তৃত ও সর্বাত্মক হবে। এমন পরিস্থিতিতে সামরিক ও বেসামরিক উভয় কাজে ব্যবহার উপযোগী দ্বৈত অবকাঠামোগুলোও হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের সামরিক শক্তি ও সরঞ্জাম পুনর্গঠনের সক্ষমতা প্রতিনিয়ত হ্রাস পাচ্ছে, যা পরবর্তী সংঘাতের সময় দেশটির জন্য বড় ধরনের দুর্বলতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।

সবশেষে তিনি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের ইরান নীতির মধ্যকার মৌলিক কৌশলগত পার্থক্যের বিষয়টিও স্পষ্ট করেছেন। তার মতে, তেল আবিব তেহরানে বর্তমান শাসনব্যবস্থার পতন এবং তাদের অস্তিত্বের সংকট হিসেবে ইরানকে দেখতে চাইলেও ওয়াশিংটন ইরানকে কেবল একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা হুমকি বলেই বিবেচনা করে। ফলে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে তেহরানকে বিরত রাখা এবং তাদের আঞ্চলিক প্রক্সি নেটওয়ার্ক দুর্বল করার অভিন্ন লক্ষ্য অর্জিত হওয়ার পর দুই মিত্র দেশের অবস্থান আলাদা হয়ে যেতে পারে। তখন ইসরাইল চূড়ান্তভাবে ইরানের সামরিক হুমকি চিরতরে মুছে ফেলতে চাইলেও যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও অভ্যন্তরীণ পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের দিকেই বেশি মনোযোগী হবে।


শ্রীলীলার এক পোস্টে ১ কোটি ১১ লাখ লাইক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

শ্রীলীলার এক পোস্টে ১ কোটি ১১ লাখ লাইক

দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীলীলা কেবল বড় পর্দাতেই নয়, বরং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দারুণ প্রভাব বিস্তার করে চলেছেন। সম্প্রতি তাঁর ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে প্রকাশিত একটি বিশেষ ভিডিও ক্লিপ ইন্টারনেট দুনিয়ায় এক নতুন নজির সৃষ্টি করেছে। সামাজিক মাধ্যমটির বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট ও পোস্টের পরিসংখ্যান রাখা নির্ভরযোগ্য ট্র্যাকার রিল্যাক্সের তথ্য অনুযায়ী এই অভিনব মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। অভিনেত্রীর অনুরাগীরা ভিডিওটিতে ব্যাপক মাত্রায় ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন যা তার অনলাইন জনপ্রিয়তাকেই প্রমাণ করে।

প্রকাশিত ওই ইনস্টাগ্রাম রিলসটিতে ইতোমধ্যে কোটিরও বেশি মানুষ পছন্দ বা লাইক দিয়েছেন যা সংখ্যায় প্রায় ১ কোটি ১১ লাখের ঘরে পৌঁছেছে। শুধু তাই নয়, ভিডিওটির কমেন্ট বক্সে জমা পড়েছে প্রায় ৩৬ হাজার ৩০০ এর অধিক মন্তব্য এবং এটি দেখার সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে ২৫ কোটি ৮১ লাখ। এই বিপুল পরিমাণ প্রতিক্রিয়া ও ভিউ সাধারণত দক্ষিণ এশিয়ার মূলধারার শীর্ষ তারকাদের পোস্টে দেখা যায়। সাধারণ ছবি বা অন্যান্য রিলসের তুলনায় এই নির্দিষ্ট ভিডিওটি দর্শকদের মাঝে অবিশ্বাস্য রকমের উন্মাদনা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার পাশাপাশি শ্রীলীলা তাঁর অভিনয় ক্যারিয়ারেও অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন। তিনি দক্ষিণি সিনেমার গণ্ডি পেরিয়ে এবার জনপ্রিয় হিন্দি সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখতে চলেছেন এবং সেখানে তাঁর অভিষেক নিয়ে চলছে নানা আলোচনা। পরিচালক অনুরাগ বসুর একটি নতুন সিনেমায় জনপ্রিয় অভিনেতা কার্তিক আরিয়ানের বিপরীতে স্ক্রিন শেয়ার করতে যাচ্ছেন এই তারকা। এর পাশাপাশি খ্যাতিমান অভিনেতা ধানুশের সাথে 'ওম: চ্যাপটার ওয়ান' শিরোনামের সিনেমাতেও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি।

ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের নানা দিক, নান্দনিক ফ্যাশন সেন্স, ঐতিহ্যবাহী পোশাকের সাজ এবং শুটিংয়ের নেপথ্য মুহূর্ত প্রায়ই ভক্তদের সাথে ভাগ করে নেন এই অভিনেত্রী। তাঁর ঝুলিতে বর্তমানে আরও বেশ কয়েকটি নতুন সিনেমার কাজ রয়েছে যা মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। চিকিৎসাবিদ্যা থেকে অভিনয়ে এসে অল্প সময়েই তারকাখ্যাতি অর্জন করা শ্রীলীলা এখন দুই ইন্ডাস্ট্রির নির্মাতাদের কাছেই অন্যতম পছন্দের মুখ। সামাজিক মাধ্যমের এই নতুন রেকর্ড তাঁর ক্যারিয়ারের মুকুটে আরও একটি নতুন সাফল্যের পালক যুক্ত করল।