শেয়ার বাজার

ইসলামাবাদ সমঝোতায় ফিরতে যুক্তরাষ্ট্রকে শি জিনপিংয়ের আহ্বান, ইরানের প্রশংসা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইসলামাবাদ সমঝোতায় ফিরতে যুক্তরাষ্ট্রকে শি জিনপিংয়ের আহ্বান, ইরানের প্রশংসা

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চলমান সংঘাত এড়াতে ঐতিহাসিক ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) ওয়াশিংটনকে পুনরায় ফিরে আসার তাগিদ দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সম্প্রতি হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এক বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ আহ্বান জানান তিনি। কূটনীত ও সংলাপের মাধ্যমে তেহরান ও ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের বৈরিতা নিরসনের এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দুই দেশের মধ্যকার কৌশলগত উত্তেজনা প্রশমনে বেইজিংয়ের এমন মধ্যস্থতামূলক ভূরাজনৈতিক ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

চীনের শীর্ষ নেতার এমন দায়িত্বশীল ও বিচক্ষণ অবস্থানের প্রতি উষ্ণ অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বার্তায় তিনি শি জিনপিংয়ের এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানান। তেহরান সবসময়ই সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে যেকোনো আন্তর্জাতিক সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে বিশ্বাস করে বলে পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। পূর্বনির্ধারিত রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতিগুলো রক্ষা করা এবং অর্থবহ আলোচনার পরিবেশ তৈরি করা বর্তমান পরিস্থিতিতে অত্যন্ত জরুরি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

উল্লেখ্য যে, এর আগে এই ইসলামাবাদ এমওইউর কাঠামোর আওতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সশস্ত্র সংঘাত সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা সম্ভব হয়েছিল। পাশাপাশি উভয় পক্ষের মধ্যে পরবর্তী কূটনৈতিক বৈঠকের একটি সুনির্দিষ্ট পথরেখাও তৈরি হয়েছিল এই চুক্তির মাধ্যমে। তবে নানা রাজনৈতিক জটিলতা ও আস্থার সংকটের কারণে সেই উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত স্থায়ী হয়নি এবং দুই দেশের সম্পর্কে ফের অবনতি ঘটেছিল। বর্তমান ভূরাজনৈতিক বাস্তবতায় এই পুরনো সমঝোতা পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব হলে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে পারস্পরিক অবিশ্বাস দূর করে কূটনৈতিক আলোচনার টেবিলে বসার ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে তেহরান। মার্কিন প্রশাসনের তরফ থেকে এখনও এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া না গেলেও, চীনের মধ্যস্থতার ফলে পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় সেটাই এখন দেখার বিষয়। আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এ ধরনের আন্তর্জাতিক উদ্যোগগুলো দীর্ঘমেয়াদে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।

ক্যামেরায় ধরা পড়ল কোয়ান্টাম জগতের রহস্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ক্যামেরায় ধরা পড়ল কোয়ান্টাম জগতের রহস্য

কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যার সবচেয়ে বিস্ময়কর ও রহস্যময় একটি ধারণা হলো কোয়ান্টাম এন্ট্যাঙ্গেলমেন্ট বা কোয়ান্টাম জট। এই তত্ত্বর মূল কথা হলো, দুটি কণা যদি একবার কোয়ান্টামগতভাবে জড়িয়ে যায়, তবে তাদের মধ্যে বিশাল দূরত্ব থাকলেও একটির আচরণ অন্যটিকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। বিখ্যাত পদার্থবিদ আলবার্ট আইনস্টাইন এই অদ্ভুত ঘটনাটিকে দূর থেকে ঘটা ভৌতিক কাণ্ড বা স্পুকি অ্যাকশন অ্যাট আ ডিসট্যান্স হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। চিরায়ত পদার্থবিদ্যার নিয়মের সঙ্গে এটি না মেলায় আইনস্টাইন মনে করতেন এর পেছনে কোনো গোপন চলক বা অজানা তথ্য রয়েছে।

আইনস্টাইনের সেই ধারণার সঠিকতা যাচাই করতে গিয়ে ষাটের দশকে পদার্থবিদ স্যার জন বেল একটি তাত্ত্বিক সমাধানের প্রস্তাব করেছিলেন। বেলের অসমতা নামে পরিচিত এই সূত্রের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখতে চেয়েlardı যে কণাগুলোর আচরণের পেছনে আসলেই কোনো গোপন তথ্য কাজ করে কি না। বিভিন্ন পরীক্ষায় এর আগে বেলের অসমতা লঙ্ঘনের প্রমাণ মিলেছিল, যা কোয়ান্টাম জগতের অদ্ভুত আচরণকে আরও জোরালো করে তুলেছে। তবে এতদিন বিষয়টি কেবল গাণিতিক হিসাব-নিকাশ ও পরীক্ষাগারের পরিসংখ্যানেই সীমাবদ্ধ ছিল।

এই জটিল বিষয়টিকে দৃশ্যমান করতে কয়েক বছর আগে যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক একটি অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছিলেন। গবেষক দলটি বিশেষ এক ধরনের ক্যামেরা ব্যবহার করে প্রথমবারের মতো কোয়ান্টাম এন্ট্যাঙ্গেলমেন্টের দৃশ্যমান প্রভাব ক্যামেরাবন্দি করতে সক্ষম হন। এই পরীক্ষার অংশ হিসেবে তাঁরা অতিবেগুনি লেজার রশ্মি বিটা-বেরিয়াম বোরেট ক্রিস্টালের ওপর ফেলে ফোটন কণাগুলোকে বিভক্ত করেন। এর ফলে তৈরি হওয়া জোড়া ফোটন কণাগুলো পরস্পরের সঙ্গে কোয়ান্টাম জটে আবদ্ধ হয়ে পড়ে এবং তাদের আচরণে বেলের অসমতা লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া যায়।

এই গবেষণায় ব্যবহৃত ক্যামেরাটি এতটাই সংবেদনশীল ছিল যে এটি অতি ক্ষুদ্র একক ফোটন কণা আলাদাভাবে শনাক্ত করতে পারত। যখনই মূল ফোটনের সঙ্গে তার এন্ট্যাঙ্গেলড সঙ্গী কণাটি ধরা পড়ত, তখনই ক্যামেরাটি ছবি তুলে সেই মুহূর্তটি সংরক্ষণ করত। এই গবেষণার অন্যতম মূল প্রণেতা বিজ্ঞানী মাইলস প্যাজেট মনে করেন, কোয়ান্টাম এন্ট্যাঙ্গেলমেন্ট যাচাইয়ের ক্ষেত্রে এই যুগান্তকারী পরীক্ষাটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এবং কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফির মতো আধুনিক প্রযুক্তির প্রসারে এই ধরনের গবেষণা নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে।


সংবিধান সংশোধনে আবার গণভোট করবে সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সংবিধান সংশোধনে আবার গণভোট করবে সরকার

দেশের সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিয়েছে বর্তমান সরকার। সম্প্রতি জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত বিশেষ কমিটির তৃতীয় বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত উঠে আসে। কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সংবিধানে কোনো ধরনের মৌলিক পরিবর্তন আনা হলে তা জনগণের সরাসরি মতামতের ভিত্তিতেই বাস্তবায়ন করা হবে। আর এই লক্ষ্যেই ভবিষ্যতে পুনরায় একটি সাংবিধানিক গণভোট আয়োজনের পরিকল্পনা করছে সরকার। সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক, বিশিষ্ট জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের শীর্ষ নেতারা আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। দুপুর আড়াইটা থেকে শুরু হয়ে বিকেল সোয়া পাঁচটা পর্যন্ত চলা এই দীর্ঘ বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা সংবিধান সংস্কারের নানা দিক নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন এবং নিজেদের সুচিন্তিত মতামত তুলে ধরেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দৈনিক দেশ রূপান্তরের সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি সরকারের এই অবস্থানের কথা গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন।

বৈঠকে উপস্থিত সাংবাদিক ও সম্পাদকদের পক্ষ থেকে সংবিধান সংশোধনের বিষয়টি জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে সম্পন্ন করার জোরালো তাগিদ দেওয়া হয়। তারা মনে করেন, দেশের সর্বোচ্চ আইন পরিবর্তনের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দূরত্ব কমানো অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে প্রধান বিরোধী দল যাতে এই সংস্কার প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত হতে পারে, সেজন্য তাদের সর্বোচ্চ আস্থায় নেওয়ার আহ্বান জানান সাংবাদিকরা। এর জবাবে সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রধান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান যে, বিরোধী দলকে এই কমিটিতে যুক্ত করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তবে বিরোধীরা শেষ পর্যন্ত এই বৈঠকে অংশ না নিলেও, আগামীতে যখন সংসদে এই বিলটি তোলা হবে তখন তারা সংসদীয় আলোচনায় সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন বলে কমিটি আশাবাদী। এছাড়া, আগামী বছরের শুরুতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সংসদের প্রথম অধিবেশনেই এই সংশোধন বিলটি পাস করার ব্যাপারে বিশেষ কমিটি অত্যন্ত আশাবাদী বলে বৈঠকে জানানো হয়।

বৈঠকটিতে দেশের শাসনব্যবস্থায় ক্ষমতার ভারসাম্য আনয়নের বিষয়টিও বিশেষ গুরুত্ব পায়। অতীতে প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার ক্ষেত্রে যে একচ্ছত্র ও বিশাল ক্ষমতার চর্চা দেখা গেছে, তা রাষ্ট্র ও জাতির সামগ্রিক মঙ্গলের জন্য অনুকূল ছিল না বলে অভিমত দেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আসন্ন সংবিধান সংশোধনে ক্ষমতার এই ভারসাম্যহীনতা দূর করার দাবি জানান তারা। কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের প্রতিটি মতামতকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়ার আশ্বাস দেন। তিনি জানান যে, সমাজের দায়িত্বশীল পেশাজীবী ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের এই সুচিন্তিত মতামতগুলো সংবিধান সংশোধনের চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরিতে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে। দেশের সকল মহলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমেই একটি গ্রহণযোগ্য সংবিধান প্রণয়নই সরকারের মূল উদ্দেশ্য বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়।


হঠাৎ ভারতের মাটিতে নামল ৬ মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান, সঙ্গে দুই শতাধিক সেনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

হঠাৎ ভারতের মাটিতে নামল ৬ মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান, সঙ্গে দুই শতাধিক সেনা

যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধুনিক ছয়টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান প্রথমবারের মতো ভারতীয় ভূখণ্ডে অবতরণ করেছে। অত্যাধুনিক এই যুদ্ধবিমানগুলোর পাশাপাশি প্রায় দুই শতাধিক মার্কিন সেনাসদস্যও দেশটিতে এসে পৌঁছেছেন। যোধপুর বিমানঘাঁটিতে আয়োজিত আন্তর্জাতিক মহড়া 'তরং শক্তি'তে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে এই বিশেষ সামরিক দলটি ভারতে এসেছে। দুই দেশের সামরিক কৌশলগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই ঘটনাকে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভারতের মাটিতে এই মার্কিন যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি নিশ্চিত করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে আধুনিক বিমানগুলো এবার ভারতীয় বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমানের সঙ্গে একই আকাশসীমায় মহড়া চালাবে। আগামী ১২ অক্টোবর পর্যন্ত চলমান এই বহুজাতিক মহড়া দুই দেশের মধ্যকার প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বকে আরও দৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চলমান এই আন্তর্জাতিক সামরিক মহড়ায় ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও বিশ্বের বেশ কয়েকটি প্রভাবশালী দেশ অংশগ্রহণ করছে। এই তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশ, ফ্রান্স, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিমানবাহিনী। এতগুলো দেশের একত্রে এই ধরনের মহড়ায় অংশ নেওয়া বৈশ্বিক সামরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

যোধপুরের এই মহড়ায় নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষার শক্তি প্রদর্শন করতে ভারতীয় বিমানবাহিনীও শক্তিশালী বহর প্রস্তুত রেখেছে। এই মহড়ায় ফরাসি প্রযুক্তিতে নির্মিত রাফাল, দেশীয় প্রযুক্তির তেজস এবং রুশ যুদ্ধবিমান মিগ-২৯ অংশ নিচ্ছে। বিশ্বের অন্যতম সেরা মার্কিন এফ-৩৫ বিমানের সঙ্গে যৌথ এই মহড়া ভারতীয় বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।