শেয়ার বাজার

ইরাকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের বিদায়, বন্ধ হচ্ছে সদর দপ্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইরাকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের বিদায়, বন্ধ হচ্ছে সদর দপ্তর

ইরাকে অবস্থানরত মার্কিন নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক সামরিক জোটের প্রধান সদর দপ্তর আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ হতে যাচ্ছে। ইরাকি সরকারের পক্ষ থেকে সম্প্রতি এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি বর্তমানে সম্পূর্ণ স্থিতিশীল রয়েছে এবং পুরো ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ এখন পুরোপুরি স্থানীয় সশস্ত্র বাহিনীর হাতে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য সামনে এসেছে।

ইরাকের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানের কার্যালয়ের পরিচালক আবদুল আমির আল-শাম্মারি জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই এই জোটের সদর দপ্তর বন্ধের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, বর্তমানে তাদের সার্বভৌম ভূখণ্ডে কোনো ধরনের বিদেশি সামরিক ঘাঁটি টিকে নেই। দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি সন্তোষজনক থাকায় জনগণের উদ্বেগের কোনো অবকাশ নেই বলেও আশ্বস্ত করেছেন এই সামরিক কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, উগ্রবাদী গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট বা আইএস দমনের মূল লক্ষ্য নিয়ে ২০১৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে এই আন্তর্জাতিক জোট গঠিত হয়েছিল। সেই সময় ওই সশস্ত্র গোষ্ঠীটি ইরাক ও সিরিয়ার বিশাল অংশ দখল করে নিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও এই জোটে ফ্রান্স ও স্পেনের মতো প্রভাবশালী পশ্চিমা দেশগুলো যুক্ত ছিল। পরবর্তীতে গত বছর ওয়াশিংটন ও বাগদাদের যৌথ সমঝোতায় এই সামরিক মিশন সমাপ্তির দুই ধাপের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়।

চুক্তির অংশ হিসেবে এর আগে আনবার প্রদেশের আইন আল-আসাদ বিমানঘাঁটি থেকে মার্কিন সেনাদের প্রত্যাহার করা হয় এবং তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেয় স্থানীয় বাহিনী। অন্যদিকে, পরিকল্পনার শেষ ধাপে ইরবিল বিমানঘাঁটি থেকে সিরিয়ায় পরিচালিত সামরিক কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘটছে। তবে বিদেশি জোটের বিদায়ের পরও ভবিষ্যতের সম্পর্কের ধরন নির্ধারণে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বজায় রাখতে কাজ করবে।

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ

রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকায় জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের নিজস্ব স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে দশটার দিকে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গেছে। স্টুডিওর মালিক ও সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, মোটা অঙ্কের চাঁদা দেওয়ার দাবি অস্বীকার করায় ক্ষিপ্ত হয়ে এই হামলা চালানো হয়। ঘটনার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে অনলাইন এবং সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের দাবি অনুযায়ী, বিএনপি পরিচয়ে একটি পক্ষ তার কাছে চাঁদা দাবি করেছিল। তিনি সেই অবৈধ চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় প্রতিশোধ হিসেবে তার কর্মস্থলে এই ভাঙচুর চালানো হয়। ঘটনার পরপরই মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর। ওই ভিডিওর শুরুতে তিনি বিষয়টি সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টিগোচর করার চেষ্টা করেন এবং সমগ্র ঘটনার বিবরণ দিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ উত্থাপন করেন।

স্টুডিওর দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তার বর্ণনা মতে, ঘটনার রাতে হঠাৎ করেই প্রায় একশ থেকে দেড় শ মানুষের একটি দল অতর্কিতভাবে কার্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করে। হামলাকারীদের অনেকের হাতেই ধারালো অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। প্রাণভয়ে আতঙ্কিত কর্মীরা যখন শৌচাগারে গিয়ে নিজেদের লুকিয়ে ফেলেন, তখন হামলাকারীরা সেখানেও প্রবেশ করে। অস্ত্র দেখিয়ে তাদের জিম্মি করে মোবাইল ফোন এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

পরে প্রকাশিত বিভিন্ন দৃশ্যে দেখা যায়, স্টুডিওর ভেতরে থাকা দামি ক্যামেরা, বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম এবং মূল্যবান আসবাবপত্র সম্পূর্ণ ভাঙচুর করা হয়েছে। কার্যালয় থেকে অনেক জিনিসপত্র লুটপাট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এদিকে এই ঘটনার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বক্তব্য কিছুটা ভিন্ন। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মূলত জায়গা দখলকে কেন্দ্র করে ইসিবি চত্বরের ওই কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

এ বিষয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানান, জায়গা দখলের বিরোধকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় একটি অফিসে হামলার সংবাদ পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে একটি ছোরাসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী পক্ষের পক্ষ থেকে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


আজকের নামাজের সময়সূচি: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আজকের নামাজের সময়সূচি: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দৈনন্দিন জীবনকে সুশৃঙ্খল করতে এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের গুরুত্ব অপরিসীম। একজন মুমিনের জীবনে আত্মিক প্রশান্তি ও রহমত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম হলো এই সালাত বা নামাজ। ইসলাম ধর্মে নির্ধারিত সময়ে ঠিকমতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানের ওপর অবশ্য পালনীয় ফরজ বিধান হিসেবে নির্ধারিত রয়েছে।

মুসলমানদের সুবিধার্থে ঢাকা ও এর আশপাশের অঞ্চলের জন্য নির্দিষ্ট দৈনিক নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়ে থাকে। তবে ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে রাজধানী ঢাকার সময়ের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সময়ের কিছুটা তারতম্য হয়ে থাকে। তাই দেশের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দাদের নিজ নিজ এলাকার সময়ের সঙ্গে সমন্বয় করে এই সূচি অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

নামাজ কেবল ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি মানুষের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে তোলে। জীবনের শত ব্যস্ততার মাঝেও সৃষ্টিকর্তার ইবাদতের জন্য নির্দিষ্ট সময় বের করা একজন মুমিনের প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। এই নিয়মিত সময়সূচি মেনে চলা মুসল্লিদের সঠিক সময়ে সালাত আদায়ে বিশেষভাবে সহায়তা করে থাকে।

নিয়মিত সালাত আদায়ের মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর আরও কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে এবং জীবনে ইমানের নুর বা আলো লাভ করতে পারে। তাই সব ধরনের ব্যস্ততা দূরে ঠেলে সঠিক সময়ে নামাজ আদায় করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে, যা একজন মুমিনের দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতার চাবিকাঠি।


বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় শোক জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে মোদীর চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০২ মার্চ, ২০২৪

বেইলি রোডে আগুনের ঘটনায় শোক জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে মোদীর চিঠি

রাজধানীর বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

শনিবার (২ মার্চ) ঢাকায় ভারতের হাইকমিশন এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে গতকাল শুক্রবার শোক জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি পাঠান ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

চিঠিতে ২৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় আন্তরিক শোক প্রকাশ করেছেন নরেন্দ্র মোদী। একই সঙ্গে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন তিনি।

নরেন্দ্র মোদী বলেন, এই দুঃসময়ে বাংলাদেশের পাশে রয়েছে ভারত। একই সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ চিন্তাভাবনা ও প্রার্থনা বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে থাকবে।