শেয়ার বাজার

হরমুজ নিয়ে ইরান ভুল হিসাব করেছে: সাবেক পেন্টাগন কর্মকর্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হরমুজ নিয়ে ইরান ভুল হিসাব করেছে: সাবেক পেন্টাগন কর্মকর্তা

মধ্যপ্রাচ্যের অত্যন্ত সংবেদনশীল হরমুজ প্রণালির ভূরাজনীতিতে তেহরান কৌশলগতভাবে অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন পেন্টাগনের সাবেক এক শীর্ষ কর্মকর্তা। সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই মূল্যায়ন তুলে ধরেন পেন্টাগনের আরব উপদ্বীপ বিষয়ক সাবেক পরিচালক ডেভিড ডেস রোচেস। বর্তমানে তিনি নিয়ার ইস্ট সাউথ এশিয়া সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ-এর অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার মতে, বৈশ্বিক বাণিজ্য ও সামরিক প্রস্তুতির বর্তমান বাস্তবতায় কৌশলগত এই জলপথে চলাচলকারী জাহাজে বাধা দেওয়ার ইরানের পূর্বের সেই সক্ষমতা আর আগের মতো কার্যকর নেই।

মার্কিন এই বিশ্লেষক আরও ব্যাখ্যা করেন যে, ওয়াশিংটন যখন তাদের বিশাল তেল ট্যাঙ্কার বহরকে সামরিক নিরাপত্তার মাধ্যমে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে সচেষ্ট হয়, তখন তেহরান কার্যত নিষ্ক্রিয় দর্শক হয়ে থাকে। তার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতপূর্ণ জলসীমায় যেসব হামলা চালানো হয়েছে, সেগুলোর মাধ্যমে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারকে বড় কোনো ধাক্কা দেওয়া যায়নি। বরং এসব হামলার মূল লক্ষ্যবস্তু ছিল কোনো নির্দিষ্ট তৃতীয় দেশের বিচ্ছিন্ন কিছু বেসামরিক ও বাণিজ্যিক জলযান, যা সামগ্রিক তেল সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের কোনো দীর্ঘমেয়াদি সংকট তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে।

বিশ্লেষণে ডেভিড ডেস রোচেস মার্কিন অর্থনীতির শক্তিশালী অবস্থানের দিকটিও তুলে ধরেছেন যা তেহরানের হিসাবনিকাশকে ভুল প্রমাণ করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বর্তমানে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯২ ডলারে অবস্থান করছে, অথচ সংকট শুরুর প্রাক্কালে এর দাম আড়াই শ ডলারে পৌঁছানোর আশঙ্কা করা হয়েছিল। একই সময়ে মার্কিন শেয়ারবাজারের সূচকগুলো রেকর্ড উচ্চতা স্পর্শ করেছে এবং দেশের অভ্যন্তরীণ তেল উৎপাদনও নতুন মাইলফলক অর্জন করেছে। তার মতে, জ্বালানি খাতসহ সার্বিক অর্থনীতিতে যে বড় ধরনের বিপর্যয় ও ধসের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, মার্কিন প্রশাসনের সুচারু পদক্ষেপে তা সফলভাবে এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

ভবিষ্যৎ কৌশলগত সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে এই সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, তেহরান যদি নতুন করে কোনো সামরিক সংঘাতে জড়ায়, তবে ওয়াশিংটনের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া আগের তুলনায় অনেক বেশি বিস্তৃত ও সর্বাত্মক হবে। এমন পরিস্থিতিতে সামরিক ও বেসামরিক উভয় কাজে ব্যবহার উপযোগী দ্বৈত অবকাঠামোগুলোও হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন। এছাড়া আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরানের সামরিক শক্তি ও সরঞ্জাম পুনর্গঠনের সক্ষমতা প্রতিনিয়ত হ্রাস পাচ্ছে, যা পরবর্তী সংঘাতের সময় দেশটির জন্য বড় ধরনের দুর্বলতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।

সবশেষে তিনি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের ইরান নীতির মধ্যকার মৌলিক কৌশলগত পার্থক্যের বিষয়টিও স্পষ্ট করেছেন। তার মতে, তেল আবিব তেহরানে বর্তমান শাসনব্যবস্থার পতন এবং তাদের অস্তিত্বের সংকট হিসেবে ইরানকে দেখতে চাইলেও ওয়াশিংটন ইরানকে কেবল একটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা হুমকি বলেই বিবেচনা করে। ফলে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে তেহরানকে বিরত রাখা এবং তাদের আঞ্চলিক প্রক্সি নেটওয়ার্ক দুর্বল করার অভিন্ন লক্ষ্য অর্জিত হওয়ার পর দুই মিত্র দেশের অবস্থান আলাদা হয়ে যেতে পারে। তখন ইসরাইল চূড়ান্তভাবে ইরানের সামরিক হুমকি চিরতরে মুছে ফেলতে চাইলেও যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও অভ্যন্তরীণ পরিবর্তনের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের দিকেই বেশি মনোযোগী হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের পথে চীনের জোড়া জায়ান্ট পান্ডা, থাকবে ১০ বছর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের পথে চীনের জোড়া জায়ান্ট পান্ডা, থাকবে ১০ বছর

যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে সফলভাবে দীর্ঘ যাত্রা শুরু করেছে চীনের জনপ্রিয় দুই জায়ান্ট পান্ডা। দীর্ঘমেয়াদী প্রাণী বিনিময় কর্মসূচির অংশ হিসেবে পান্ডা দুটিকে আটলান্টার একটি বিখ্যাত চিড়িয়াখানার প্রাঙ্গণে পাঠানো হচ্ছে। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার দীর্ঘস্থায়ী ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশ্বজুড়ে এই বিশেষ কূটনীতি বেশ সুপরিচিত এবং এটি দুই দেশের জনগণের মাঝে পারস্পরিক সৌহার্দ্য বাড়াতে ভূমিকা রাখে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পান্ডা দুটির এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে প্রায় ১৫ ঘণ্টা সময় লাগার কথা রয়েছে। যাত্রাপথে প্রাণীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আরামদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। প্রাণী বিশেষজ্ঞরা পুরো সময় জুড়েই পান্ডা দুটির স্বাস্থ্য ও মানসিক অবস্থা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। পর্যাপ্ত বাঁশ এবং পানীয় জলের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে তাদের দীর্ঘ বিমানযাত্রার এই বিশেষ ফ্লাইটে।

আটলান্টার এই চিড়িয়াখানায় আগামী এক দশক অর্থাৎ পুরো দশ বছর অবস্থান করবে পান্ডা জোড়াটি। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বেশ কিছু পান্ডা চীনে ফিরিয়ে নেওয়া হলেও, নতুন এই জুটির আগমন দেশটির দর্শকদের জন্য এক বিশাল আনন্দের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ পান্ডাগুলোকে বরণ করতে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রেখেছে। দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করার আগে তাদের নতুন পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়ার পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতির ক্ষেত্রে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। রাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝেও সাংস্কৃতিক ও পরিবেশগত অংশীদারিত্ব বজায় রাখতে এই ধরনের পদক্ষেপ বরাবরই কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষ ও পর্যটকরা এই নতুন অতিথিদের সাদরে গ্রহণ করবেন এবং এটি দুই দেশের সুসম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।


জাতিসংঘের কালো তালিকায় আরো ৬১ ইসরাইলি কোম্পানি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতিসংঘের কালো তালিকায় আরো ৬১ ইসরাইলি কোম্পানি

অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে অবৈধ বসতি স্থাপনের প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে আন্তর্জাতিকভাবে আরও একষট্টিটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে জাতিসংঘ। সম্প্রতি জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই নতুন সংযোজন করা হয়, যার ফলে বিশ্ব সংস্থাটির এই বিতর্কিত তালিকার পরিধি আরও প্রসারিত হলো। মূলত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতিগুলোর সঙ্গে সরাসরি বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখার কারণে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে ইসরাইলি বসতি সম্প্রসারণের সঙ্গে জড়িত কর্পোরেট স্বার্থের বিষয়টি আবারও তীব্র আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে।

সর্বশেষ এই সংযোজনের পর জাতিসংঘের এই বসতি-বিরোধী কালো তালিকায় তালিকাভুক্ত মোট বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে এখন দুই শ চৌদ্দটিতে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বজুড়ে প্রায় এগারোটি ভিন্ন দেশে এসব প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্যিক নিবন্ধন থাকলেও এর একটি বড় অংশই সরাসরি ইসরাইলভিত্তিক কোম্পানি হিসেবে পরিচালিত হয়ে আসছে। তবে লক্ষণীয় বিষয় হলো, গত বছর এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকা এক শ আটান্নটি প্রতিষ্ঠান থেকে যাচাই-বাছাই শেষে ইতিমধ্যে পাঁচটিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ২০২০ সালে জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের একটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবের ভিত্তিতে প্রথমবারের মতো এই তালিকাটি প্রকাশ্যে আনা হয়েছিল।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক এই নতুন তালিকা প্রকাশকে সংশ্লিষ্ট সমস্ত করপোরেট প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি কঠোর সতর্কবার্তা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে মানবাধিকার রক্ষার মৌলিক দায়িত্ব প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেরই রয়েছে এবং এই দায়বদ্ধতা এড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। ব্যবসা পরিচালনার সময় কোনো ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘন বা ফিলিস্তিনিদের অধিকার হরণে যাতে এসব প্রতিষ্ঠান জড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য কঠোর যাচাই-বাছাই অব্যাহত থাকবে। যদিও জাতিসংঘের এই তালিকার সরাসরি কোনো আইনি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার এখতিয়ার নেই, তবে এর মূল উদ্দেশ্য হলো সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর ভূমিকা জনসমক্ষে উন্মোচন করা।

এদিকে জাতিসংঘের এই পদক্ষেপে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে তা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরাইল সরকার। একই সঙ্গে এই কালো তালিকাভুক্তির উদ্যোগে কোনো ধরনের সমর্থন না দেওয়ার জন্য তারা তাদের আন্তর্জাতিক মিত্র দেশগুলোর প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছে। অন্যদিকে, এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে অধিকৃত পশ্চিম তীরের বসতি স্থাপন ও বাণিজ্য নিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। কিছুদিন আগে ব্রিটেন এই বসতিগুলোর সঙ্গে সমস্ত ধরনের বাণিজ্যিক লেনদেন নিষিদ্ধ করেছে এবং ফিলিস্তিনিদের ওপর সহিংসতাকে জাতিগত নির্মূলের অংশ বলে অভিহিত করেছে। পাশাপাশি, ফ্রান্স ও কানাডার মতো দেশগুলোও একই ধরনের কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে।


ভারতের উত্তরপ্রদেশে প্রবল বৃষ্টি-বজ্রসহ ঝড়, নিহত ১০

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ভারতের উত্তরপ্রদেশে প্রবল বৃষ্টি-বজ্রসহ ঝড়, নিহত ১০

ভারতের উত্তরপ্রদেশ রাজ্যে হঠাৎ করেই বয়ে যাওয়া প্রবল ঝড় ও ভারি বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন ধরনের দুর্ঘটনায় অন্তত ১০ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। একইসঙ্গে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে আহত হয়েছেন আরও ১৭ জন মানুষ। সম্প্রতি রাজ্যটির বিস্তীর্ণ এলাক জুড়েই এই মৌসুমী তাণ্ডব আঘাত হানে, যার ফলে স্বাভাবিক জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, আকস্মিক এই দুর্যোগে বহু ঘরবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দুর্যোগের ভয়াবহতার চিত্র তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মূলত দেয়াল চাপা পড়া এবং গাছ ভেঙে পড়ার ঘটনাগুলোতেই হতাহতের সংখ্যা বেশি। এর মধ্যে মাটির দেয়াল ধসে পড়ে পাঁচজন এবং উপড়ে পড়া গাছের নিচে চাপা পড়ে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। কেবল গোরখপুর জেলাই গাছ পড়ার কারণে চারজন নিহত এবং ১৪ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। এছাড়া লক্ষ্ণৌসহ আশেপাশের বিভিন্ন এলাকার কাঁচা ঘরবাড়ি ও কৃষিজমিতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, রাজ্যের ৬৩টি জেলায় স্বাভাবিকের তুলনায় বহু গুণ বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। রাজধানী লক্ষ্ণৌয়ে ১২৫ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে এবং বান্দা ও ফতেহগড়ের মতো কিছু অঞ্চলে এই মাত্রা দুই শ মিলিমিটার ছাড়িয়ে গেছে। অতি বৃষ্টির কারণে অনেক নিচু এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে এবং প্রধান সড়কগুলোতে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। নেপাল সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় নদীর পানি বৃদ্ধির আশঙ্কা থাকায় বিশেষ সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।

পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর পূর্ব ও মধ্য উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন অংশে আরও ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে। নদী তীরবর্তী অঞ্চলগুলোতে মাঝারি ধরনের আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি রয়েছে বলে সতর্ক করা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার স্কুলগুলো বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে এবং উদ্ধারকারী দলগুলোকে সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।