শেয়ার বাজার

দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক বন্দুক হামলায় নিহত ২৭, আহত ২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক বন্দুক হামলায় নিহত ২৭, আহত ২৬

দক্ষিণ আফ্রিকার বিভিন্ন এলাকায় বন্দুকধারীদের চালানো পৃথক দুটি হামলায় অন্তত ২৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এই রক্তক্ষয়ী ঘটনায় আরও ২৬ জন আহত হয়েছেন। দেশটির প্রধান শহরগুলোর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং অপরাধচক্রের তৎপরতা নিয়ে নতুন করে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এই হামলাগুলো চালানো হয়েছে।

প্রথম হামলাটি সংঘটিত হয় জোহানেসবার্গের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত ওয়েডেলা টাউনশিপের একটি পানশালায়। হামলাকারীরা সেখানে উপস্থিত সাধারণ মানুষের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই ১৭ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া আহত হন আরও ১৫ জন। যাওয়ার সময় অপরাধীরা বেশ কিছু মোবাইল ফোন লুট করে এবং দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে পালিয়ে যায়। অপরাধীদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিশেষ অভিযান শুরু করেছে।

এর কিছু সময় পর কেপটাউনের কাছে লাওয়ান্দলে এলাকার একটি দোকানে আরেকটি বড় ধরনের হামলার ঘটনা ঘটে। সেখানে বন্দুকধারীদের নির্বিচার গুলিতে প্রাণ হারান আরও ১০ জন এবং আহত হন ১১ জন। এই দুই বড় ঘটনার মাত্র কিছুদিন আগেই ডারবানের নিকটবর্তী একটি বাড়িতে চলা পার্টিতে আরও ১১ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছিল। ফলে দেশজুড়ে জননিরাপত্তা নিয়ে নাগরিকদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে।

দক্ষিণ আফ্রিকায় দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চমাত্রার সহিংস অপরাধ এবং অস্ত্রধারী সন্ত্রাস একটি বড় জাতীয় সমস্যায় পরিণত হয়েছে। নিয়মিত ঘটছে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড। সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নিতে সরকারের ওপর জনমতের চাপ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অপরাধ দমনে বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি ও অভিযান পরিচালনা করলেও পরিস্থিতির আশানুরূপ উন্নতি হয়নি।

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ

রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকায় জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের নিজস্ব স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে দশটার দিকে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গেছে। স্টুডিওর মালিক ও সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, মোটা অঙ্কের চাঁদা দেওয়ার দাবি অস্বীকার করায় ক্ষিপ্ত হয়ে এই হামলা চালানো হয়। ঘটনার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে অনলাইন এবং সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের দাবি অনুযায়ী, বিএনপি পরিচয়ে একটি পক্ষ তার কাছে চাঁদা দাবি করেছিল। তিনি সেই অবৈধ চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় প্রতিশোধ হিসেবে তার কর্মস্থলে এই ভাঙচুর চালানো হয়। ঘটনার পরপরই মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর। ওই ভিডিওর শুরুতে তিনি বিষয়টি সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টিগোচর করার চেষ্টা করেন এবং সমগ্র ঘটনার বিবরণ দিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ উত্থাপন করেন।

স্টুডিওর দায়িত্বে থাকা এক কর্মকর্তার বর্ণনা মতে, ঘটনার রাতে হঠাৎ করেই প্রায় একশ থেকে দেড় শ মানুষের একটি দল অতর্কিতভাবে কার্যালয়ের ভেতরে প্রবেশ করে। হামলাকারীদের অনেকের হাতেই ধারালো অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। প্রাণভয়ে আতঙ্কিত কর্মীরা যখন শৌচাগারে গিয়ে নিজেদের লুকিয়ে ফেলেন, তখন হামলাকারীরা সেখানেও প্রবেশ করে। অস্ত্র দেখিয়ে তাদের জিম্মি করে মোবাইল ফোন এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

পরে প্রকাশিত বিভিন্ন দৃশ্যে দেখা যায়, স্টুডিওর ভেতরে থাকা দামি ক্যামেরা, বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম এবং মূল্যবান আসবাবপত্র সম্পূর্ণ ভাঙচুর করা হয়েছে। কার্যালয় থেকে অনেক জিনিসপত্র লুটপাট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এদিকে এই ঘটনার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বক্তব্য কিছুটা ভিন্ন। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মূলত জায়গা দখলকে কেন্দ্র করে ইসিবি চত্বরের ওই কার্যালয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

এ বিষয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন গণমাধ্যমকে জানান, জায়গা দখলের বিরোধকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় একটি অফিসে হামলার সংবাদ পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে একটি ছোরাসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী পক্ষের পক্ষ থেকে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে যা ঘটেছে, মেনে নেওয়ার মতো নয়: সাদিয়া আয়মান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে যা ঘটেছে, মেনে নেওয়ার মতো নয়: সাদিয়া আয়মান

জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে সম্প্রতি হামলার ঘটনা ঘটে। চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে এই ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন উদীয়মান অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। তার এই প্রতিবাদ ইতোমধ্যে ভার্চুয়াল দুনিয়ায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে সাদিয়া আয়মান উল্লেখ করেন, সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওর ভেতরে যা ঘটেছে তা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক এবং কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। শিল্পীদের কাজের জায়গায় এ ধরনের সহিংসতা ও আক্রমণ সংস্কৃতির জন্য হুমকিস্বরূপ। তিনি আরও জানান, অন্যের উপার্জনের ওপর এ ধরনের হামলা ও জোরপূর্বক অর্থ আদায়ের অপচেষ্টা সমাজকে ভুল বার্তা দিচ্ছে।

সাম্প্রতিক সময়ে সৃজনশীল অঙ্গনের বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর এমন অনভিপ্রেত হামলার ঘটনা বাড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। শিল্পীরা নিজেদের কর্মক্ষেত্রে সবসময় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে মনে করছেন অনেকে। সালমানের স্টুডিওর ভাঙচুরের পর পুরো বিনোদন জগতে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে এবং সহকর্মীরা এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছেন।

এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন শোবিজ অঙ্গনের অনেকেই। সামাজিক মাধ্যমে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।