শেয়ার বাজার

ধানমন্ডিতে নিষিদ্ধ আ.লীগের ঝটিকা মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ধানমন্ডিতে নিষিদ্ধ আ.লীগের ঝটিকা মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৪

রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার ব্যস্ততম সড়কে হঠাৎ করেই রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে। সম্প্রতি নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের ব্যানারে একটি ঝটিকা মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ধানমন্ডি ২৭ নম্বর রোডের মিনা বাজার সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর কাড়ে এবং আকস্মিক গোলমযোগের সৃষ্টি হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মিছিল চলাকালীন দুর্বৃত্তরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করে। এই সময়ে হঠাৎ করে পরপর দুটি ককটেল বিস্ফোরণের বিকট শব্দে চারপাশ কেঁপে ওঠে। এতে স্থানীয় সাধারণ পথচারী ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ও চরম উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত তৎপরতা শুরু করে। ঘটনাস্থল ও তার আশপাশের এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করা হয় এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। বর্তমানে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং ঘটনার পেছনের মূল উস্কানিদাতাদের শনাক্ত করার কাজ চলছে।

ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ ইমদাদুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে এই আকস্মিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জনমনে আতঙ্ক তৈরি করার এই অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।

সন্ত্রাসী দেশ আমাকে এই প্রশ্ন করছে—পাকিস্তানি সাংবাদিককে পাল্টা প্রশ্ন জয়শঙ্করের

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সন্ত্রাসী দেশ আমাকে এই প্রশ্ন করছে—পাকিস্তানি সাংবাদিককে পাল্টা প্রশ্ন জয়শঙ্করের

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের সাইডলাইনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের এক সাংবাদিকের মুখোমুখি হন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। ওই সাংবাদিক ভারত সরকারের বিরুদ্ধে পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদে সহায়তার অভিযোগ এনে একটি প্রশ্ন উত্থাপন করেন। এর জবাবে তাৎক্ষণিকভাবে কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানান ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি উল্টো প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে জানতে চান যে একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র কীভাবে তাকে এই ধরনের প্রশ্ন করতে পারে।

এই ঘটনার পর ভারতীয় প্রতিনিধিদলের প্রধান জয়শঙ্করসহ অন্যান্য সদস্যরা অবিলম্বে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। তবে চলে যাওয়ার সময়ও ওই সাংবাদিক নিজের প্রশ্ন ও বক্তব্য চালিয়ে যান। ভারত দীর্ঘদিন ধরেই প্রতিবেশী রাষ্ট্র পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদে মদদ দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ করে আসছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যকার রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন এই ধরনের মুখোমুখি অবস্থানের মধ্য দিয়ে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

এর আগে জম্মু ও কাশ্মীরের পেহেলগামে পর্যটকদের ওপর বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলায় একাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটে। এই রক্তাক্ত ঘটনার জেরে ভারত তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এবং পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পরিচালনা করে। নয়াদিল্লির দাবি ছিল, ওই এলাকাগুলোতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সশস্ত্র গোষ্ঠী লস্কর-ই-তাইয়েবা ও জইশ-ই-মুহাম্মদের অবকাঠামো ও ঘাঁটি সক্রিয় রয়েছে। এই সামরিক উত্তেজনার রেশ আন্তর্জাতিক ফোরামগুলোতেও নিয়মিতভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে।

এদিকে জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলেও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে ভারত। ভারতীয় কূটনীতিক ক্ষিতিজ ত্যাগী মন্তব্য করেছেন যে, ইসলামাবাদের উচিত অন্যের ভূখণ্ড দখলের উচ্চাশা বা সন্ত্রাসবাদের পথ পরিহার করে নিজেদের অভ্যন্তরীণ উন্নয়ন ও অর্থনীতির দিকে মনোযোগ দেওয়া। তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক মঞ্চে এই ধরনের রাজনৈতিক নাটক করে পাকিস্তানের গভীর অর্থনৈতিক সংকট বা ঋণগ্রস্ত অবস্থার কোনো স্থায়ী সমাধান হবে না।

অন্যদিকে জাতিসংঘে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে ভারত পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে বেসামরিক নাগরিকদের মৃত্যু এবং দমনপীড়নের প্রসঙ্গ টানে। পাশাপাশি শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ও ওষুধ সরবরাহে বাধার অভিযোগও করা হয়। তবে ইসলামাবাদ বরাবরই এই সমস্ত ভারতীয় অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে এবং কাশ্মীরকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে।


সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হামলা বলছে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হামলা বলছে পুলিশ

রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকায় জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গত কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া এই আকস্মিক হামলায় স্টুডিওর ভেতরে থাকা বিভিন্ন আসবাবপত্র ও দামি সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটনার পর থেকেই স্থানীয় এলাকাবাসী ও ভক্তদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন হঠাৎ করে বেশ কয়েকটি পিকআপভর্তি একদল লোক ওই এলাকায় এসে তাণ্ডব চালায়। তারা শুধু সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওই নয়, বরং আশপাশের কয়েকটি বাড়ি ও অন্যান্য স্থাপনাও লক্ষ্য করে হামলা চালায়। হামলাকারীরা নির্বিচারে ভাঙচুর চালিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করে এবং একপর্যায়ে স্টুডিও থেকে মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

প্রাথমিক তদন্তের পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, মূলত জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ইতোমধ্যে তিনজনকে আটক করেছে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ।

আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই হামলার মূল হোতা এবং পেছনের উসকানিদাতাদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। বর্তমানে ওই এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্তদের পক্ষ থেকে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।


ম্যানচেস্টার সিটি ১১৫টি অভিযোগের 'অনেকগুলোতেই দোষী সাব্যস্ত'

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ম্যানচেস্টার সিটি ১১৫টি অভিযোগের 'অনেকগুলোতেই দোষী সাব্যস্ত'

যুক্তরাজ্যের শীর্ষস্থানীয় ফুটবল ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে আনীত আর্থিক বিধি লঙ্ঘনের দীর্ঘমেয়াদী অভিযোগের তদন্তে বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। ক্লাবটির বিরুদ্ধে আনা মোট ১১৫টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগের একটি বড় অংশ প্রমাণিত হয়েছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। বিবিসি স্পোর্টের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র।

দীর্ঘদিন ধরে প্রিমিয়ার লিগের এই ক্লাবটির আর্থিক লেনদেন এবং স্বচ্ছতা নিয়ে নানা গুঞ্জন ও তদন্ত চলছিল। অবশেষে সেই তদন্তের প্রাথমিক ফলাফলে ক্লাবটি একাধিক গুরুতর অনিয়মে জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। এই রায়ের ফলে বিশ্বফুটবলের অন্যতম প্রভাবশালী এই ক্লাবের সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের নিয়ম অনুযায়ী ক্লাবগুলোকে কঠোর আর্থিক শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে চলতে হয়, যা এফএফপি বা ফাইন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লে নামে পরিচিত। ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে এই বিধিমালা বারবার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছিল। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া এবং তথ্য বিশ্লেষণের পর কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে ক্লাবটি নিয়ম ভেঙে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছে।

এই রায়ের পর ম্যানচেস্টার সিটির ভবিষ্যৎ নিয়ে ফুটবল বিশ্বে গভীর শঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে। প্রমাণিত অভিযোগগুলোর কারণে ক্লাবটির বিরুদ্ধে পয়েন্ট কাটা থেকে শুরু করে বড় ধরনের আর্থিক জরিমানা কিংবা টুর্নামেন্ট থেকে নিষিদ্ধ করার মতো কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। আগামী দিনে এই পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেয় ক্লাব কর্তৃপক্ষ, সেদিকেই এখন সবার নজর রয়েছে।