শেয়ার বাজার

চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-ছেলের মৃত্যু

ছেলের চিকিৎসা ও ব্যবসার কাজে ঢাকায় যাওয়ার পথে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা ও ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার কাঁকড়াবুনিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা আবু জাফর মৃধা এবং তার নবম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলে অনিক মৃধা এই করুণ পরিণতির শিকার হন। আবু জাফর পেশায় একজন ব্যবসায়ী ছিলেন এবং মির্জাগঞ্জ উপজেলা সদরের নান্নু শপিং কমপ্লেক্সে তার একটি পোশাকের দোকান ছিল। অন্যদিকে, তার ছেলে অনিক স্থানীয় মির্জাগঞ্জ আইডিয়াল স্কুলের শিক্ষার্থী হিসেবে পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছিল। পরিবারের এই দুই সদস্যের আকস্মিক মৃত্যুতে তাদের গ্রামের বাড়িতে শোকের মাতম চলছে এবং এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি মাদারীপুর জেলার শিবপুর উপজেলার বাখরেকান্দি পুনর্বাসন কেন্দ্রসংলগ্ন মাদবরের কান্দি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা পালকি পরিবহনের একটি বাসের চাকা হঠাৎ পাংচার হয়ে যাওয়ায় চালক ও হেলপার সেটি মেরামতের কাজ করছিলেন। ঠিক সেই মুহূর্তেই বরগুনা থেকে ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের অপর একটি দ্রুতগতির বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটিকে পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এই সংঘর্ষের ফলে বাস দুটির সামনের ও পেছনের অংশ সম্পূর্ণ দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই তিনজন নিহত হন। এছাড়া এই সংঘর্ষের ঘটনায় আরও অন্তত পনেরো থেকে কুড়ি জন যাত্রী গুরুতর আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

দুর্ঘটনার খবর নিশ্চিত করে মাদারীপুরের শিবচর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাকিল আহম্মেদ জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্ত শেষে দ্রুত পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। অন্যদিকে, মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান জানিয়েছেন যে তারা শিবচর হাইওয়ে থানা পুলিশের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর মরদেহগুলো পটুয়াখালীতে তাদের নিজ বাড়িতে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

মাদ্রাসার ছাদে ‘বিদ্যুতায়িত হয়ে’ দগ্ধ ৫ শিক্ষার্থী হাসপাতালে, সবার অবস্থা গুরুতর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মাদ্রাসার ছাদে ‘বিদ্যুতায়িত হয়ে’ দগ্ধ ৫ শিক্ষার্থী হাসপাতালে, সবার অবস্থা গুরুতর

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি আবাসিক মাদ্রাসার ছাদে খেলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পাঁচ শিশু শিক্ষার্থী মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছে। সম্প্রতি বিকেলে ফতুল্লার কাশিপুর হাজীপাড়া এলাকার মাহেলা খাতুন বালিকা মাদ্রাসায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। আহত শিশুদের দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীতে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তাঁরা সবাই জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

দগ্ধ হওয়া শিক্ষার্থীরা সবাই ওই মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রী এবং বিভিন্ন শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। আহতরা হলো ষষ্ঠ শ্রেণির জিদনী, চতুর্থ শ্রেণির লামিয়া আক্তার শাপলা, সপ্তম শ্রেণির সুমাইয়া আক্তার, তৃতীয় শ্রেণির আসিয়া আক্তার আফরোজা এবং চতুর্থ শ্রেণির আতিয়া। ঘটনার দিন বিকেলে পড়াশোনার ফাঁকে তারা সবাই মিলে তিনতলা মাদ্রাসা ভবনের ছাদে খেলাধুলা করতে গিয়েছিল। হঠাৎ ছাদ থেকে কোনো একটা বিকট শব্দ শুনতে পেয়ে মাদ্রাসার লোকজন দ্রুত উপরে ছুটে যান।

মাদ্রাসার ক্যাশিয়ার মো. ইউসুফ আলী জানান, ছাদে গিয়ে তাঁরা দেখতে পান শিশুরা আগুনে ঝলসে যাওয়ার পর যন্ত্রণায় ছটফট করছে। তাৎক্ষণিকভাবে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার তীব্রতা বিবেচনা করে তাদের দ্রুত জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। দগ্ধ শিশুদের ভাষ্যমতে, ছাদে খেলার সময় হঠাৎ করেই তাদের শরীরে আগুন ধরে যায়, তবে ঠিক কীভাবে এই ঘটনা ঘটল তা তারা স্পষ্ট করে বলতে পারেনি।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, ওই মাদ্রাসা ভবনের ছাদের ঠিক ওপর দিয়েই উচ্চক্ষমতার বৈদ্যুতিক তার চলে গেছে। মাদ্রাসার কর্তাব্যক্তিদের ধারণা, ছাদের ওপর থাকা ওই বিপজ্জনক বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে আসায় শিশুগুলো বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দগ্ধ হয়েছে। এদিকে, জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে দগ্ধ হওয়া পাঁচ শিশুর অবস্থাই অত্যন্ত গুরুতর। চিকিৎসকরা তাঁদের জীবন বাঁচাতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এবং জরুরি বিভাগে নিবিড় পর্যবেক্ষণ রাখা হয়েছে।


ধর্ষণ ও সিইসি বিতর্কে দিল্লি উত্তাল, এর মধ্যেই ‘ভজন ক্লাবিং’-এ মোদি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ধর্ষণ ও সিইসি বিতর্কে দিল্লি উত্তাল, এর মধ্যেই ‘ভজন ক্লাবিং’-এ মোদি

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে যখন নারীদের নিরাপত্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে, ঠিক সেই সময়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া নিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম হয়েছে। সম্প্রতি দিল্লির দীনদয়াল উপাধ্যায় পার্কে ভারতীয় জনসংঘের নেতা দীনদয়াল উপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে 'ভজন ক্লাবিং' নামক একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী তরুণ শিল্পীদের সঙ্গে খঞ্জনি বাজিয়ে এবং ভক্তিমূলক সংগীতের তালে তাল মিলিয়ে আনন্দ উপভোগ করেন, যার ভিডিও পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটির তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই 'ভজন ক্লাবিং' বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। প্রচলিত ভজনের সঙ্গে আধুনিক আলোর রোশনাই ও সমসাময়িক বাদ্যযন্ত্রের এই সংমিশ্রণকে আধ্যাত্মিকতা ও তরুণ সংস্কৃতির মিলন হিসেবে দেখছেন আয়োজকরা। ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করে এটিকে ঐতিহ্য ও নতুন প্রজন্মের শক্তির চমৎকার মেলবন্ধন হিসেবে অভিহিত করেছে। দলটির নেতাদের মতে, আধুনিকতার ছোঁয়ায় তরুণদের মাঝে ভারতীয় সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিকতা ছড়িয়ে দেওয়ার এটি একটি অনন্য মাধ্যম।

তবে এই আয়োজনের সময় নির্বাচন ও নিরাপত্তা নিয়ে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিরোধীরা এর তীব্র সমালোচনা করেছেন। ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপসহ অনেকেই প্রধানমন্ত্রীর এই ব্যস্ততার টাইম নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং দিল্লির একটি পার্কে ঘটে যাওয়া কিশোরী ধর্ষণের ঘটনার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। সম্প্রতি দক্ষিণ দিল্লিতে এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার জেরে রাজধানীজুড়ে নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে ব্যাপক বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সামাজিক উত্তেজনার মধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর এমন বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

একই সঙ্গে দেশের নির্বাচন কমিশনও বিরোধী দলগুলোর প্রবল চাপের মুখে রয়েছে। এসআইআর কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে কংগ্রেসসহ বিভিন্ন বিরোধী দল দেশজুড়ে আন্দোলন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে। একদিকে নারী নিরাপত্তা এবং অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত রাজনৈতিক সংকটের এই যুগপৎ পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক ও সমালোচনার ঝড় বইছে।


জবি ছাত্রীর আত্মহত্যা;
অভিযুক্তদের গ্রেফতারে ১২ ঘণ্টার আলটিমেটাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ মার্চ, ২০২৪

অভিযুক্তদের গ্রেফতারে ১২ ঘণ্টার আলটিমেটাম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ফাইরুজ অবন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে এ ঘটনায় দায়ীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (১৬ মার্চ) বিকেল সাড়ে তিনটায় বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করেন শিক্ষার্থীরা। এরপর ভিক্টোরিয়া পার্ক ও কবি নজরুল সরকারি কলেজ ঘুরে মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে এসে শেষ হয়।

এরপর সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য চত্বরে দাঁড়িয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ছয় দফা দাবি ঘোষণা করেন। এসব দাবি বাস্তবায়নে ১২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন তারা।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী ইভান তাহসিভ বলেন, ফাইরুজ অবন্তিকা অসাধারণ শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নানান বিষয়ে উদ্যোগ নিয়েছিলেন। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলা থেকে জবি শিক্ষার্থী খাদিজাতুল কুবরাকে মুক্তির জন্য যে আন্দোলন হয়েছিল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে, সেখানে অবন্তিকাও নেতৃত্ব দেন। এজন্য তাকে নানান ধরনের হুমকি-ধামকি দেওয়া হয়েছে। এরপরও তিনি পিছপা হননি। কিন্তু তারই এমন করুণ পরিণতি আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না। বিষয়টির সঙ্গে যারা জড়িত সবার বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

অপর এক শিক্ষার্থী বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সব ভাই-বোনদের জন্য নিরাপদ করে তুলবো আমরা। আন্দোলন চালিয়ে যাবো। আমাদের বোনের এমন পরিণতির জন্য যারা দায়ী তাদের শাস্তি নিশ্চিত করতেই হবে।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো- ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে, অভিযুক্ত শিক্ষক দ্বীন ইসলাম ও শিক্ষার্থী আম্মান সিদ্দিকিকে অবিলম্বে গ্রেফতার ও সুষ্ঠু বিচারের আওতায় আনা, দ্রুত সিন্ডিকেট ডেকে অভিযুক্তদের স্থায়ী বহিষ্কার, ভুক্তভোগীর পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বাদী হয়ে এ ঘটনায় মামলা দায়ের করতে হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী নিপিড়ন সেল কার্যকর করতে হবে।

এর আগে শনিবার সকালে অভিযুক্ত সহকারী অধ্যাপক দ্বীন ইসলামকে সহকারী প্রক্টর ও শিক্ষকতা থেকে সাময়িক বরখাস্ত এবং অভিযুক্ত রায়হান সিদ্দিকি আম্মানকে সাময়িক বহিষ্কার করে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

জানা গেছে, ফাইরুজ অবন্তিকা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। শুক্রবার (১৫ মার্চ) রাত ১০টার দিকে প্রথমে ফেসবুকে পোস্ট দেন ফাইরুজ। এরপর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, তিনি মারা গেছেন।