শেয়ার বাজার

বোমা হামলা থেকে জাতিসংঘে, কূটনীতির নতুন অধ্যায়ে ইরান

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বোমা হামলা থেকে জাতিসংঘে, কূটনীতির নতুন অধ্যায়ে ইরান

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিসের কঠোর সুরক্ষাবলয়ে নিউ ইয়র্কের ম্যানহাটনের রাস্তায় হাঁটতে দেখা গেছে ইরানের শীর্ষ কূটনীতিককে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে বিশ্বনেতারা যখন সমবেত হয়েছেন, তখন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাদের দেশের অবস্থান জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন। অতীতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বিত বিমান হামলার মুখে ইরানের নেতৃত্বের টিকে থাকা নিয়ে নানা শঙ্কা তৈরি হলেও, বর্তমান দৃশ্যপট সম্পূর্ণ ভিন্ন এক কূটনৈতিক অধ্যায়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ উভয় মহলের কথা মাথায় রেখেই তেহরানের নীতিনির্ধকারকেরা অত্যন্ত সুকৌশলে এই যুক্তরাষ্ট্র সফরের পরিকল্পনা করেছিলেন।

নিউইয়র্কে অবস্থানকালে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউরোপের দশটির বেশি দেশের প্রতিনিধি সহ প্রায় দুই ডজন বিদেশি কূটনীতিদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন। এমনকি যে জর্ডানের ভূখণ্ডে সম্প্রতি ইরান হামলা চালিয়েছিল, সেই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আয়মান সাফাদির সঙ্গেও তিনি আলোচনায় অংশ নেন। তবে এই সফরের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা ছিল মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে আরাগচির সরাসরি বৈঠক। দীর্ঘ তিন মাস ধরে স্থবির হয়ে থাকা কূটনৈতিক আলোচনা পুনরায় চালু করার লক্ষ্যেই এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান এই আলোচনার অংশ হিসেবে ওয়াশিংটনের কাছে একটি নতুন প্রস্তাব উপস্থাপন করেছে তেহরান। ওই প্রস্তাব অনুযায়ী, আমেরিকা ইরানের ওপর থেকে অর্থনৈতিক অবরোধ শিথিল করলে ইরান হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে বিবেচনা করবে এবং একটি স্থায়ী সমঝোতার পথে এগোবে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেন যে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান কখনোই কারো কাছে মাথা নত করবে না। তার এই দৃঢ় অবস্থান দেশের ভেতরে থাকা কট্টরপন্থীদের একাংশের কাছে প্রশংসিত হলেও, সার্বিক এই কূটনৈতিক উদ্যোগের কারণে তারা তীব্র সমালোচনাও করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে গিয়ে দেশটির প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করার সিদ্ধান্তকে দেশের কট্টরপন্থী আইনপ্রণেতাদের অনেকে এক ধরনের ‘আত্মসমর্পণ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। বিশেষ করে রক্ষণশীল আইনপ্রণেতা ইব্রাহিম রেজাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই বৈঠকের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং এর উপযুক্ত ব্যাখ্যা দাবি করেছেন। যুদ্ধকালীন নিষেধাজ্ঞা ও মার্কিন নৌ-অবরোধের কারণে যখন ইরানের অর্থনীতি চরম বিপর্যস্ত, তখন শত্রুপক্ষের দেশে গিয়ে এই ধরনের রাজনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের ঝুঁকি ছিল। তা সত্ত্বেও ইরানি প্রতিনিধিদল বিশ্ববাসীর কাছে টিকে থাকার বার্তা পৌঁছে দিতে এবং আলোচনার নতুন পথ উন্মুক্ত করতে সফল হয়েছে।

জাতিসংঘের মঞ্চে পেজেশকিয়ান যখন ইরানের বিভিন্ন দাবি ও দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরছিলেন, তখন এর সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র দেখা গেছে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ক্ষেত্রে। নেতানিয়াহু যখন ভাষণ দিতে শুরু করেন, তখন নিউ ইয়র্কের রাস্তায় তার বিরুদ্ধে তীব্র বিক্ষোভ হয় এবং অধিবেশনকক্ষে উপস্থিত বহু দেশের প্রতিনিধিরা প্রতিবাদস্বরূপ ওয়াকআউট করেন। সব মিলিয়ে, যুদ্ধের ঘনঘটা ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিরোধিতার মধ্যেও ইরানের এই যুক্তরাষ্ট্র সফর আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এক নতুন এবং উল্লেখযোগ্য মোড় নিয়েছে।

পাচার হয়ে বাংলাদেশে আসা দুই চিতাবাঘ ফেরত নিতে চায় না জিম্বাবুয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পাচার হয়ে বাংলাদেশে আসা দুই চিতাবাঘ ফেরত নিতে চায় না জিম্বাবুয়ে

অবৈধভাবে পাচার হয়ে বিভিন্ন হাত ঘুরে বাংলাদেশে পৌঁছানো দুটি চিতাবাঘকে ফিরিয়ে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে জিম্বাবুয়ের সরকার। দীর্ঘদিন ধরে সাফারি পার্কে থাকা এই বন্যপ্রাণীগুলোকে নিজেদের দেশে ফেরত পাঠানোর সবরকম কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। আফ্রিকার এই দেশটির এমন অবস্থানে বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।

ঘটনার সূত্রপাত ঘটে ২০১৮ সালে, যখন নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী খাঁচাবন্দী অবস্থায় এই দুটি চিতাবাঘ উদ্ধার করে। বন্যপ্রাণী পাচার চক্রের হাত থেকে উদ্ধারের পর সেগুলোকে তাৎক্ষণিকভাবে গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে স্থানান্তর করা হয়। তখন থেকেই প্রাণী দুটি বিশেষ তত্ত্বাবধানে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এই পার্কে বসবাস করে আসছে।

উদ্ধারের পর থেকেই চিতাবাঘগুলোকে তাদের নিজ আবাসস্থলে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য জিম্বাবুয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে বাংলাদেশ। কিন্তু দীর্ঘ আলোচনা ও পত্রালাপের পরও জিম্বাবুয়ে সরকার তাদের ফিরিয়ে নিতে আনুষ্ঠানিকভাবে অপারগতা প্রকাশ করেছে। তবে কী কারণে তারা এই বন্যপ্রাণীগুলোকে গ্রহণ করতে চাইছে না, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানা যায়নি।

বর্তমানে জিম্বাবুয়ের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া না মেলায় গাজীপুর সাফারি পার্কের হাসপাতালেই বিশেষ পরিচর্যায় রাখা হয়েছে চিতাবাঘ দুটিকে। পার্কের অভিজ্ঞ ভেটেরিনারি সার্জন ও কর্মীরা তাদের সার্বিক স্বাস্থ্য ও খাদ্যাভ্যাসের বিষয়টি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছেন। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন ও আন্তর্জাতিক প্রোটোকল মেনে প্রাণী দুটির আজীবন লালন-পালনের বিষয়টি এখন পার্কের পক্ষ থেকেই নিশ্চিত করা হচ্ছে।


৭ কোটি টাকার সেতু নির্মাণে রডের বদলে তার, দুই কর্মকর্তা সাসপেন্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

৭ কোটি টাকার সেতু নির্মাণে রডের বদলে তার, দুই কর্মকর্তা সাসপেন্ড

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় প্রায় সাত কোটি টাকা ব্যয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পে রডের পরিবর্তে জিআই তার এবং নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের সত্যতা মিলেছে। কাজ শুরুর পর থেকেই নানা অনিয়মের কথা জানিয়ে আসছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কিন্তু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি এবং রাতের আঁধারে নিম্নমানের কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রবণতার কারণে পরিস্থিতি জটিল আকার ধারণ করে। দিনের আলোতে ফুটপাতের স্ল্যাব ও রেলিংয়ের ওপর মানুষের পা পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেগুলো ভেঙে পড়তে শুরু করে। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে বারবার মৌখিক অভিযোগ দেওয়া এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরার পরও কাজের মানে কোনো স্থায়ী পরিবর্তন আসেনি। সেতুটির নির্মাণকাজ নিয়ে জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং এর স্থায়ীত্ব নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন দেখা দেয়।

প্রকল্পের তথ্যানুযায়ী, বেগমগঞ্জ উপজেলার জমিদারহাট এলাকায় ৪৯ দশমিক শূন্য ছয় মিটার দীর্ঘ এই আরসিসি সেতুর নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে। মেসার্স হক ট্রেডার্স নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটি পেয়েছিল, যা মূলত সেনবাগ পৌর আওয়ামী লীগের এক নেতার লাইসেন্সে পরিচালিত হচ্ছিল। পরবর্তীতে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ঠিকাদার সরাসরি কাজের মাঠে উপস্থিত না থেকে তার চাচাতো ভাইয়ের মাধ্যমে কাজটি করিয়ে আসছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, দিনের বেলা কাজ বন্ধ রেখে রাতের অন্ধকারে অত্যন্ত নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে স্ল্যাব ও রেলিংয়ের কাজ সম্পন্ন করা হতো। ফলে সামান্য চাপেই সেতুটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়তে শুরু করে এবং এর দুর্বল অবকাঠামো সবার নজরে আসে। স্থানীয়রা এই অনিয়মের প্রতিবাদ জানালে ঠিকাদারের লোকজন তা আমলে নেয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনার গুরুতরতা অনুধাবন করে এলজিইডির নোয়াখালী কার্যালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা সরেজমিনে সেতুটি পরিদর্শন করেন। নির্বাহী প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ফুটপাত ও রেলিংয়ের কাজে ব্যাপক ত্রুটি এবং নকশা বহির্ভূত কার্যক্রম দেখতে পান। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতেই ত্রুটিপূর্ণ ও নিম্নমানের স্ল্যাবগুলো হাতুড়ি দিয়ে ভেঙে অপসারণ করা হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে আগামী সাত দিনের মধ্যে নকশা ও স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী সমস্ত ত্রুটি সংশোধন করে লিখিতভাবে জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুরো ঘটনার একটি নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে, যাদের তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

এই অনিয়মের দায়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। এলজিইডির এক প্রকৌশলীকে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে এবং দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে উপসহকারী প্রকৌশলী এবং ওয়ার্ক অ্যাসিস্ট্যান্ট পদমর্যাদার ব্যক্তিরা রয়েছেন। অন্যদিকে, অভিযুক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে কাজের কিছু ত্রুটি ধরা পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রকৌশলীদের উপস্থিতিতে তা সংশোধন বা ভেঙে ফেলা হয়েছে। তবে সরকারি অর্থে নির্মিত একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে এমন গুরুতর অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করা হচ্ছে।


শেখ হাসিনাকে ফেরানোর শপথ নেওয়ার পর পুলিশের হাতে আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

শেখ হাসিনাকে ফেরানোর শপথ নেওয়ার পর পুলিশের হাতে আটক

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিতে অভিনব কায়দায় শপথ নেওয়া এক ব্যক্তিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে আটক করেছে পুলিশ। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর হয়ে ওঠে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ওই ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে। আটককৃত ব্যক্তির নাম মো. হারুন এবং তাঁর বয়স পঞ্চাশ বছর বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আটক হারুন কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় কর্মী। এর আগে কেরানীগঞ্জের একটি আবাসিক এলাকায় দলীয় কয়েকজন নেতা-কর্মী একত্রিত হয়ে শেখ হাসিনাকে পুনরায় দেশে ফিরিয়ে আনার শপথ গ্রহণ করেন। সেই ঘটনার একটি ভিডিও মুঠোফোনে ধারণ করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হলে বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, হারুন এর আগেও রাজধানীতে দলীয় বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন। তিনি গত মে মাসে মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোড এলাকায় একটি বিক্ষোভ মিছিলের প্রস্তুতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় থেকে তিনি বিভিন্ন সময়ে নিষিদ্ধ দলটির পক্ষে প্রচারণামূলক বক্তব্য ও পোস্ট দিয়ে আসছিলেন বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার জুয়েল রানা গণমাধ্যমকে জানান যে মো. হারুনের দলীয় সুনির্দিষ্ট কোনো পদপদবি না থাকলেও তিনি দলটির একজন উগ্র ও সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত। শপথ নেওয়ার ঘটনার ভিডিও বিশ্লেষণ করে তাঁকে শনাক্ত করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করে আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী আদালতে সোপর্দ করা হবে।