শেয়ার বাজার

আজকের নামাজের সময়সূচি: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আজকের নামাজের সময়সূচি: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দৈনন্দিন জীবনকে সুশৃঙ্খল করতে এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের গুরুত্ব অপরিসীম। একজন মুমিনের জীবনে আত্মিক প্রশান্তি ও রহমত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম হলো এই সালাত বা নামাজ। ইসলাম ধর্মে নির্ধারিত সময়ে ঠিকমতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানের ওপর অবশ্য পালনীয় ফরজ বিধান হিসেবে নির্ধারিত রয়েছে।

মুসলমানদের সুবিধার্থে ঢাকা ও এর আশপাশের অঞ্চলের জন্য নির্দিষ্ট দৈনিক নামাজের সময়সূচি প্রকাশ করা হয়ে থাকে। তবে ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে রাজধানী ঢাকার সময়ের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সময়ের কিছুটা তারতম্য হয়ে থাকে। তাই দেশের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দাদের নিজ নিজ এলাকার সময়ের সঙ্গে সমন্বয় করে এই সূচি অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

নামাজ কেবল ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটি মানুষের দৈহিক পবিত্রতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে তোলে। জীবনের শত ব্যস্ততার মাঝেও সৃষ্টিকর্তার ইবাদতের জন্য নির্দিষ্ট সময় বের করা একজন মুমিনের প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। এই নিয়মিত সময়সূচি মেনে চলা মুসল্লিদের সঠিক সময়ে সালাত আদায়ে বিশেষভাবে সহায়তা করে থাকে।

নিয়মিত সালাত আদায়ের মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর আরও কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে এবং জীবনে ইমানের নুর বা আলো লাভ করতে পারে। তাই সব ধরনের ব্যস্ততা দূরে ঠেলে সঠিক সময়ে নামাজ আদায় করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে, যা একজন মুমিনের দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতার চাবিকাঠি।

বসুন্ধরা সিটিতে সনির নতুন শোরুম ও ক্যামেরা সার্ভিস সেন্টার চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বসুন্ধরা সিটিতে সনির নতুন শোরুম ও ক্যামেরা সার্ভিস সেন্টার চালু

রাজধানীর অন্যতম জনপ্রিয় শপিং মল বসুন্ধরা সিটিতে বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি ব্র্যান্ড সনির একটি নতুন শোরুম এবং বিশেষায়িত ক্যামেরা সার্ভিস সেন্টার চালু করা হয়েছে। সম্প্রতি আয়োজিত এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই আধুনিক সেবা কেন্দ্রগুলোর যাত্রা শুরু হয়। এর ফলে দেশের ফটোগ্রাফি এবং ভিডিওগ্রাফি জগতের পেশাদার শিল্পী ও সাধারণ শৌখিন ব্যবহারকারীরা এখন অনেক সহজেই উন্নত মানের সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

নতুন এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশের গ্রাহকদের দীর্ঘদিনের একটি প্রত্যাশা পূরণ হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন থেকে ক্যামেরা ব্যবহারকারীদের আর কোনো ডিভাইসের ত্রুটি মেরামতের জন্য দেশের বাইরে পাঠানোর প্রয়োজন পড়বে না। তাঁরা খুব সহজেই স্থানীয় বাজার থেকে সনির অফিশিয়াল ও নির্ভরযোগ্য মেরামত সুবিধা এবং কারিগরি সহায়তা গ্রহণ করতে সক্ষম হবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত আয়োজক ও সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমান সময়ে দেশের বাজারে মানসম্মত ক্যামেরা ও ভিডিওগ্রাফি সরঞ্জামের চাহিদা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ক্রমবর্ধমান চাহিদাকে সামনে রেখেই গ্রাহকদের দোরগোড়ায় বিশ্বমানের সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই নতুন শোরুম ও সার্ভিস সেন্টারটি স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সনি ব্র্যান্ডের পণ্যের ওপর গ্রাহকদের আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে।

সংশ্লিষ্টরা আরও আশা প্রকাশ করেন যে, এই সার্ভিস সেন্টারটি চালু হওয়ার ফলে দেশের উদীয়মান তরুণ কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও ফটোগ্রাফারদের কাজের গতি অনেক বেড়ে যাবে। কোনো রকম দীর্ঘসূত্রিতা ছাড়াই তারা তাদের ক্যামেরা ও যন্ত্রাংশ দ্রুত সার্ভিসিং করিয়ে নিতে পারবেন। এই সেবা কেন্দ্রটি দেশের ডিজিটাল মিডিয়া ও ক্যামেরা শিল্পের প্রসারে একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।


কেন কিছু মানুষ বিশ্বাস করেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাই খ্রিস্টবিরোধী, যা মানুষকে শয়তানের উপাসনায় প্ররোচিত করছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কেন কিছু মানুষ বিশ্বাস করেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাই খ্রিস্টবিরোধী, যা মানুষকে শয়তানের উপাসনায় প্ররোচিত করছে

প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষের এই যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই মানুষের জীবনযাত্রাকে সহজ করার পাশাপাশি নানা ধরনের নৈতিক ও দার্শনিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তির এই অভূতপূর্ব অগ্রগতি দেখে একশ্রেণির মানুষ চরম আশঙ্কার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। বিশেষ করে খ্রিস্টধর্মের কিছু রক্ষণশীল অনুসারী ও বিশিষ্ট ব্যক্তি দাবি তুলেছেন যে, এই প্রযুক্তি মানবজাতির জন্য কেবল ধ্বংস ডেকে আনবে না, বরং এটি হতে পারে সেই প্রতীক্ষিত খ্রিস্টবিরোধী শক্তি। তাদের মতে, মানুষের তৈরি এই বুদ্ধিমান যন্ত্র শেষ পর্যন্ত মানব সমাজকে ধর্মবিচ্যুত করে এক অন্ধকার জগতের দিকে ঠেলে দিতে পারে।

সাম্প্রতিক সময়ে টিকটক, ইউটিউব ও বিভিন্ন জনপ্রিয় পডকাস্টের মতো সামাজিক মাধ্যমগুলোতে এই তাত্ত্বিক আলোচনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। এসব প্ল্যাটফর্মে ধর্মীয় আলোচক ও বিশ্লেষকরা দাবি করছেন যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্রমবর্ধমান ক্ষমতা মানুষকে ঐশ্বরিক বিধান থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। এমনকি প্রযুক্তিটি ধীরে ধীরে মানুষের স্বাধীন চিন্তাভাবনা এবং নৈতিক মূল্যবোধকে নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করেছে বলেও তারা মনে করছেন। এই ধারণার মূল ভিত্তি হলো, যে প্রযুক্তি মানুষকে অন্ধ ভক্তিতে পরিণত করে এবং স্রষ্টার অস্তিত্বকে চ্যালেঞ্জ জানায়, তা কোনো না কোনোভাবে শয়তানি শক্তিরই বাহন।

খ্রিস্টীয় ধর্মতত্ত্বের বিভিন্ন ব্যাখ্যার ওপর ভিত্তি করে এই তাত্ত্বিকরা যুক্তি দিচ্ছেন যে, মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে কৃত্রিম উপায়ে অনুকরণ করার এই প্রচেষ্টা আসলে মানবীয় অহংকারের চূড়ান্ত প্রকাশ। বাইবেলের বিভিন্ন ভবিষ্যৎ বাণীর সঙ্গে বর্তমান প্রযুক্তির নানা দিক মিলিয়ে তারা প্রমাণ করার চেষ্টা করছেন যে, এই যন্ত্র মানবজাতিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে। তাদের মতে, এআই চালিত ব্যবস্থাগুলো এমনভাবে তৈরি হচ্ছে যা ভবিষ্যতে মানুষের ভেতর থেকে নৈতিকতা এবং বিশ্বাসের বোধ মুছে ফেলতে পারে। এর ফলে মানুষ নিজের অজান্তেই এক অলৌকিক ও অন্ধ শক্তির আরাধনায় লিপ্ত হয়ে পড়ছে, যা তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক।

তবে বিজ্ঞানমনষ্ক সমাজ ও প্রযুক্তিবিদরা এই ধরনের ধর্মীয় ব্যাখ্যা এবং আশঙ্কাকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাদের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো কেবলই একটি বিজ্ঞানসম্মত টুল বা হাতিয়ার, যা মানুষের কল্যাণে কাজ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটিকে কোনো অশুভ শক্তি বা ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে মেলানো সম্পূর্ণ অবৈজ্ঞানিক ও অমূলক। তবুও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সুবাদে এই ধরনের ভয় ও ষড়যন্ত্রের তত্ত্বগুলো খুব দ্রুত মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়ছে, যা প্রযুক্তিগত অগ্রগতির পথে এক নতুন মানসিক বাধার সৃষ্টি করছে।


সাপের কামড়ে আইসিইউতে রাবি শিক্ষার্থী, প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবিতে প্রশাসন ভবন ঘেরাও

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সাপের কামড়ে আইসিইউতে রাবি শিক্ষার্থী, প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবিতে প্রশাসন ভবন ঘেরাও

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ শামসুজ্জোহা হলে ঘুমন্ত অবস্থায় এক শিক্ষার্থীকে কালাচ সাপে কাটার ঘটনা ঘটে। এই মারাত্মক দুর্ঘটনার পর হলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে হল প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে সরব হন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবন ঘেরাও করে তীব্র বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবং এর আগে হলের বিভিন্ন কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেন। ক্যাম্পাসে এ ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি রোধে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে বলে আন্দোলনকারীরা অভিযোগ তোলেন। বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীরা হলের চারপাশের ঝোপঝাড় পরিষ্কার ও কার্যকর স্নেক নেট স্থাপনের জোর দাবি জানান।

ঘটনার শিকার হওয়া ওই শিক্ষার্থীর নাম নুরনবী ইসলাম, যিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন সায়েন্স অ্যান্ড লাইব্রেরি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী। ভোরের দিকে নিজের আবাসিক রুমের ভেতর ঘুমাচ্ছিলেন তিনি, ঠিক তখনই বিষাক্ত কালাচ সাপ তাঁকে দংশন করে। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে অ্যান্টিভেনম প্রদান করেন এবং পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাঁকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে অর্থাৎ আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা চিকিৎসাধীন সহপাঠীর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা হলের নানা অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে পোস্টার ও লিফলেট প্রদর্শন করেন। তাদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে সিট বাণিজ্য বন্ধ, হলের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দূরীকরণ এবং খাবারের মান বাড়ানোর মতো বিভিন্ন দাবি তুলে ধরা হয়। হল সংসদের নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন যে, হলের ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও চারপাশের জঙ্গল পরিষ্কার রাখার জন্য বারবার তাগাদা দেওয়া হলেও প্রশাসন কোনো কর্ণপাত করেনি। অপর্যাপ্ত জনবল ও যন্ত্রপাতির অজুহাতে দীর্ঘদিন ধরে চলা এসব সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ না নেওয়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা মনে করছেন, প্রশাসনের এই উদাসীনতার কারণেই একজন শিক্ষার্থীকে মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের প্রতিনিধিরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। ছাত্র সংসদের নেতৃবৃন্দ মন্তব্য করেন যে, হলের মতো সুরক্ষিত জায়গায় যদি শিক্ষার্থীরা নিরাপদ না থাকে, তবে প্রশাসনের কার্যক্রম নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তৈরি হয়। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ছাত্র উপদেষ্টা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালান। তবে সুনির্দিষ্ট ও স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস না পাওয়ায় শিক্ষার্থীরা তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অনড় অবস্থান ঘোষণা করেন।