শেয়ার বাজার

১১৪ অভিযোগেই ম্যানচেস্টার সিটির দোষ প্রমাণিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

১১৪ অভিযোগেই ম্যানচেস্টার সিটির দোষ প্রমাণিত

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের সফল ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে আনা আর্থিক অনিয়মের পাহাড়সম অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ক্রীড়া মাধ্যম দ্য অ্যাথলেটিকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। দীর্ঘ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে গঠিত স্বাধীন কমিশন জানিয়েছে যে ক্লাবটির বিরুদ্ধে আনা মোট ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে ১১৪টিতেই দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তবে এই রায়ের বিরুদ্ধে ক্লাব কর্তৃপক্ষের আপিল করার আইনি সুযোগ রয়েছে এবং চূড়ান্ত পরিণতি পেতে আরও কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে।

কয়েক বছর ধরে চলা এই তদন্তের পেছনের ইতিহাস বেশ দীর্ঘ ও জটিল। প্রিমিয়ার লিগের পক্ষ থেকে দীর্ঘ চার বছর ধরে তদন্ত কাজ পরিচালনার পর ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে ১১৫টি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ গঠন করা হয়। মূলত ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ নয় বছরের আর্থিক লেনদেন এবং নানা অনিয়মের বিষয়গুলো এই অভিযোগের অন্তর্ভুক্ত ছিল। এর আগে ২০২০ সালে উয়েফার আর্থিক ফায়ার প্লে নীতিমালা ভঙ্গের দায়েও ক্লাবটি অভিযুক্ত হয়েছিল এবং সে সময় তাদের ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

অভিযোগ প্রমাণিত হলেও ম্যানচেস্টার সিটি তাদের আগের অবস্থানেই অনড় রয়েছে এবং তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে আসছে। ক্লাবটির একজন মুখপাত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রিমিয়ার লিগের এই আইনি প্রক্রিয়া এখনো চলমান রয়েছে এবং এর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক নিষ্পত্তি হওয়া বাকি আছে। ক্লাব কর্তৃপক্ষ শুরু থেকেই যথাযথ আইনি প্রক্রিয়াকে সম্মান জানিয়ে আসছে এবং তারা আশা প্রকাশ করেছে যে সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো সম্পূর্ণ পক্ষপাতহীনভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করবে। রায়ের পর ক্লাব চাইলে উচ্চতর ফোরামে আপিল করতে পারবে বলে আইনি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

মাঠের পারফরম্যান্সের দিক থেকে বর্তমান প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমে বেশ ভালো ছন্দে রয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। ঘরোয়া লিগে তাদের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বেশ সন্তোষজনক এবং পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান ধরে রাখতে তারা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। যদিও গত দুই মৌসুমে শিরোপা ধরে রাখতে না পারলেও এর আগে প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে তারা অন্যতম সফল দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে। মাঠের বাইরের এই আইনি জটিলতা এবং আর্থিক অনিয়মের রায়ের প্রভাব ক্লাবটির ভবিষ্যৎ পরিচালনা ও সুনামের ওপর কেমন পড়ে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধে অচল ঢাকা, ভোগান্তি চরমে

প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬

শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধে অচল ঢাকা, ভোগান্তি চরমে

সাত কলেজের সমন্বয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানীর একাধিক স্থানে সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করছেন শিক্ষার্থীরা। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা থেকে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব, টেকনিক্যাল মোড়, তাঁতিবাজার মোড়, মহাখালী ও ফার্মগেট সড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের দাবি, আগামী ১৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন ২০২৫’-এর অনুমোদন দিতে হবে এবং একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি করতে হবে।

পুলিশ বলছে, অবরোধের ফলে ওসব সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। সড়কে স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

তাঁতিবাজার অবরোধ

লালবাগ জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. আমিনুল কবীর তরফদার বার্তাবেলা নিউজকে বলেন, কবি কাজী নজরুল ইসলাম কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থীরা বেলা সাড়ে ১১টা থেকে পুরান ঢাকার তাঁতিবাজার চৌরাস্তা অবরোধ করেছেন। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অবরোধের ফলে কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারছে না।

দুপুর ১২টা ১০ মিনিট থেকে বাংলা কলেজের শিক্ষার্থীরা টেকনিক্যাল মোড় অবরোধ করে অবস্থান নেন। এসময় তারা ‘সেন্ট্রাল সেন্ট্রাল’, ‘গোলামী না আজাদী, আজাদী আজাদী’, ‘দালালি না রাজপথ’, ‘আপস না সংগ্রাম’, ‘শিক্ষা নাকি সিন্ডিকেট’, ‘তালবাহানা বন্ধ কর, অধ্যাদেশ জারি করো’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

টেকনিক্যাল মোড় অবরোধ

টেকনিক্যাল মোড় অবরোধের বিষয়ে জানতে চাইলে মিরপুর বিভাগের দারুসসালাম জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার ইমদাদ হোসেন বিপুল বার্তাবেলা নিউজকে জানান, বাংলা কলেজের শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধের কারণে গাবতলী, টেকনিক্যাল মোড়, মিরপুর সড়কে কোনো যানবাহন চলাচল করছে না। ফলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ শিক্ষার্থীদেরকে মূল সড়ক থেকে সরে যেতে অনুরোধ করেছে।

সায়েন্সল্যাব অবরোধ

দুপুর ১টার দিকে রাজধানীর ব্যস্ততম সড়ক সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেছে ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ ও বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা। এসময় সায়েন্সল্যাব থেকে নিউ মার্কেট, শাহবাগ ও ধানমন্ডি সড়ক দিয়ে চলাচরত সব ধরনের যানবাহন আটকে যায়। শিক্ষার্থীরা ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি বাস্তবায়নের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। মূল সড়ক থেকে সরে যেতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ফার্মগেট অবরোধ

এদিকে সহপাঠী সাকিবুল হত্যার বিচার ও আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের পর এবার রাজধানীর ব্যস্ততম ফার্মগেট মোড়ও অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। এতে করে গুরুত্বপূর্ণ এই দুই সড়কেই যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে প্রথমে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে ফার্মগেট খামারবাড়ি অভিমুখের অংশ অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে সাড়ে ১২টার দিকে ফার্মগেট মোড়ও অবরোধ করেন তারা।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, সাকিব হত্যাকাণ্ডের এক মাসের বেশি সময় পার হলেও এখনো দৃশ্যমান বিচারিক অগ্রগতি নেই। খুনিদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা রাজপথ ছাড়বেন না। অবরোধ চলাকালে তারা ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে’, ‘আমার ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে পারে না’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা গেছে।

মহাখালী অবরোধ

সাত কলেজের সমন্বয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানীর মহাখালী মোড় অবরোধ করে সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ অবরোধ অবশ্য মিনিট পনেরো ছিল। পরে পুলিশের সহয়তায় সড়ক স্বাভাবিক হয়। বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ বিষয়ে ট্রাফিক গুলশান জোনের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জিয়াউর রহমান জিয়া জাগো নিউজকে বলেন, শিক্ষার্থীরা ১৫ মিনিট মতো অবরোধ করেছিল। বর্তমানে সড়ক স্বাভাবিক রয়েছে।

মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাত কলেজের সমন্বয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন-২০২৫’-এর খসড়া গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। খসড়াটি প্রকাশের পর এ নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে একাধিক পরামর্শ সভার আয়োজন করে।

শিক্ষার্থীদের দাবি, স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা শেষে প্রাপ্ত মতামতের ভিত্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় খসড়াটি হালনাগাদ করে। সর্বশেষ গত ৭ ও ৮ ডিসেম্বর শিক্ষা ভবন অভিমুখে টানা অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে ডিসেম্বরের মধ্যেই আনুষঙ্গিক সব কার্যক্রম শেষ করে জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকে অধ্যাদেশ জারির বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করা হয়েছিল।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, একটি সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৫ জানুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের একটি সভা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শিক্ষার্থীরা চান, ওই সভাতেই ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন-২০২৫-এর হালনাগাদ করা খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হোক এবং একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি করা হোক।


গভীর রাতে দরজা ভেঙে ঢুকল ডাকাত দল, সামনে পেয়েই কোপাল বাবা–ছেলেকে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

গভীর রাতে দরজা ভেঙে ঢুকল ডাকাত দল, সামনে পেয়েই কোপাল বাবা–ছেলেকে

দেশের একটি এলাকায় গভীর রাতে এক ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। সংঘবদ্ধ একদল সশস্ত্র ডাকাত ঘরের দরজা ভেঙে জোরপূর্বক ভেতরে প্রবেশ করে। এই আকস্মিক হামলায় পরিবারের সদস্যরা চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং প্রতিরোধের চেষ্টা করলে বিপত্তি ঘটে।

ডাকাত দলের সদস্যরা ঘরে ঢুকেই হামলা চালায় এবং ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গৃহকর্তা ও তার ছেলেকে গুরুতর জখম করে। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন টের পাওয়ার আগেই অপরাধীরা দ্রুত তাণ্ডব চালায়।

পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, এই সুযোগে ডাকাতদল ঘরের আলমারি ও বাক্স ভেঙে নগদ প্রায় ৬০ হাজার টাকা এবং পৌনে দুই ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নেয়। মুহূর্তের মধ্যে সবকিছু লুটে নিয়ে দুর্বৃত্তরা নির্বিঘ্নে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

স্থানীয়রা দ্রুত আহত বাবা-ছেলেকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যান। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে।


ঝিনাইদহে চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে পড়ে নারী যাত্রী নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ঝিনাইদহে চলন্ত ট্রেনে উঠতে গিয়ে পড়ে নারী যাত্রী নিহত

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনে ট্রেনে উঠতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে রাবেয়া খাতুন (৩৭) নামের এক নারী যাত্রী নিহত হয়েছেন। তিনি রাজধানী ঢাকার খিলক্ষেত এলাকার জোয়ার সাহারা নিবাসী ইকবাল হোসেনের কন্যা। খুলনা থেকে ছেড়ে আসা রাজশাহীগামী আন্তঃনগর কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রী ছিলেন তিনি। ট্রেনটি নির্দিষ্ট বিরতি শেষে স্টেশন ছেড়ে যাওয়ার সময় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, ট্রেনটি চলা শুরু করার পর রাবেয়া খাতুন তাতে ওঠার চেষ্টা করেন। কিন্তু স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম নিচু হওয়া এবং অসাবধানতার কারণে তিনি পা পিছলে ট্রেন ও প্ল্যাটফর্মের মাঝখানে পড়ে যান। এতে তার শরীরের বিভিন্ন অংশ গুরুতর জখম হয় এবং দুটি পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা দ্রুত এগিয়ে এসে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন।

খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কালীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাকে মারাত্মক আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নেন।

যশোর নেওয়ার পথে আনুমানিক সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সাতমাইল নামক এলাকায় পৌঁছানোর পর ওই নারী মারা যান। এদিকে মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার নয়ন খন্দকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ফায়ার সার্ভিসকে অবহিত করা হয় এবং তারা দ্রুত আহত যাত্রীকে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে। অন্যদিকে স্থানীয় যাত্রীদের অভিযোগ, নিচু প্ল্যাটফর্ম এবং ট্রেন ছাড়ার সময় যথাযথ সতর্কতার অভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।